রাজ্যজুড়ে ভয় কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং একের পর এক অভিযোগে শাসকদল চাপে রয়েছে, তখন মালদা থেকে চাকরির নামে প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, তার ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন তৃণমূল নেতা তার কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওই চাকরির ব্যবস্থা হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত পাননি বৃদ্ধ। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই বৃদ্ধকে নাকি বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এই চাকরির নামে প্রতারণার বিচার কবে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি ও প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই অভিযুক্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।
রাজ্যজুড়ে ভয় কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং একের পর এক অভিযোগে শাসকদল চাপে রয়েছে, তখন মালদা থেকে চাকরির নামে প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, তার ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন তৃণমূল নেতা তার কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওই চাকরির ব্যবস্থা হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত পাননি বৃদ্ধ।
অভিযোগ আরও গুরুতর যে, টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই বৃদ্ধকে নাকি বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এই চাকরির নামে প্রতারণার বিচার কবে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি ও প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই অভিযুক্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।
- রাজ্যজুড়ে ভয় কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং একের পর এক অভিযোগে শাসকদল চাপে রয়েছে, তখন মালদা থেকে চাকরির নামে প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, তার ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন তৃণমূল নেতা তার কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওই চাকরির ব্যবস্থা হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত পাননি বৃদ্ধ। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই বৃদ্ধকে নাকি বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এই চাকরির নামে প্রতারণার বিচার কবে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি ও প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই অভিযুক্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।2
- তারকেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক সন্তু পান তারকেশ্বর প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। তার এই বক্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহী শ্রোতাদের সেই কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- প্রবল বৃষ্টির কারণে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু সমান জল জমেছে। এর ফলে জল যন্ত্রণায় শহরবাসীর ভোগান্তির আর শেষ নেই, যা জনজীবনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।1
- 2026 সাল এসেও বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষকে জল ও কাদায় যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের কারণ। ভোটের আগে নেতারা অনেক প্রতিশ্রুতি দেন এবং দেশের মানুষ মনে করে যে তারা নেতা হয়ে উপকার করবে, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। এই পরিস্থিতি আবারও স্পষ্ট করে দেয় যে নেতারা কেবল নিজেদের স্বার্থ দেখেন, আর সাধারণ মানুষের কাজ হয়তো হয়, নয়তো আটকে থাকে, এভাবেই চলতে থাকে।2
- মাত্র সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের হোস্টেল সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গেছে। এই ঘটনা চিকিৎসকদের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে। পোস্টটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, যদি চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও প্রতিকূল পরিবেশে বাস করতে হয়, তবে রোগীদের জন্য উন্নত এবং সুস্থ পরিষেবা আশা করা অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র বিপুল বর্মনকে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত ছাত্রের দাবি, গত বুধবার রাতে ঝর্নাপল্লী এলাকায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাঁকে লোহার রড এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়। এই ঘটনার পর আহত ছাত্র দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এবিভিপি নেতা অচিন্ত শর্মা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি কিছু ছাত্রকে নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়াতে দেখেন এবং সেই সময় বিপুল বর্মন ও তাঁদের সংগঠনের কয়েকজন সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অচিন্ত শর্মা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও জানান। তিনি আরও যোগ করেন যে, কলেজে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যকলাপ হোক, তা তাঁরা চান না, এবং সে কারণেই তাঁদের সংগঠনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি রাজনৈতিক চাপানউতোর সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে আক্রান্ত ছাত্রের অভিযোগ এবং অন্যদিকে এবিভিপি নেতৃত্বের পাল্টা দাবির মধ্যে কোনটি সত্য, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।1