Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাত্র সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের হোস্টেল সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গেছে। এই ঘটনা চিকিৎসকদের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে। পোস্টটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, যদি চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও প্রতিকূল পরিবেশে বাস করতে হয়, তবে রোগীদের জন্য উন্নত এবং সুস্থ পরিষেবা আশা করা অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।
Sumit kumar basu
মাত্র সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের হোস্টেল সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গেছে। এই ঘটনা চিকিৎসকদের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে। পোস্টটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, যদি চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও প্রতিকূল পরিবেশে বাস করতে হয়, তবে রোগীদের জন্য উন্নত এবং সুস্থ পরিষেবা আশা করা অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।
More news from Hooghly and nearby areas
- মাত্র সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের হোস্টেল সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গেছে। এই ঘটনা চিকিৎসকদের চরম দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছে। পোস্টটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যে, যদি চিকিৎসকদের এমন অস্বাস্থ্যকর ও প্রতিকূল পরিবেশে বাস করতে হয়, তবে রোগীদের জন্য উন্নত এবং সুস্থ পরিষেবা আশা করা অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে জনসাধারণের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- 2026 সাল এসেও বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষকে জল ও কাদায় যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের কারণ। ভোটের আগে নেতারা অনেক প্রতিশ্রুতি দেন এবং দেশের মানুষ মনে করে যে তারা নেতা হয়ে উপকার করবে, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। এই পরিস্থিতি আবারও স্পষ্ট করে দেয় যে নেতারা কেবল নিজেদের স্বার্থ দেখেন, আর সাধারণ মানুষের কাজ হয়তো হয়, নয়তো আটকে থাকে, এভাবেই চলতে থাকে।2
- গত ১৮ তারিখে আরামবাগ-গোতান রুটের একটি বাসে করে আরামবাগে পৌঁছানোর পর এক গৃহবধূ তার ব্যাগ থেকে হারিয়ে যাওয়া দশ হাজার টাকা ফিরে পেলেন আরামবাগ থানার পুলিশের তৎপরতায়। মৌসুমী পাল নামে ওই মহিলা তার অসুস্থ স্বামীকে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। হাসপাতাল মোড়ে নামার পর তিনি খেয়াল করেন, তার ব্যাগে রাখা ১০ হাজার টাকা উধাও। এই ঘটনায় হতবাক হয়ে মৌসুমী দেবী অভিযোগ করেন যে, বাসের মধ্যেই কেউ কৌশলে তার টাকা চুরি করেছে। তিনি দ্রুত আরামবাগ থানায় বিষয়টি জানান। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তদন্তে নামে এবং বিভিন্ন সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে হারিয়ে যাওয়া টাকার সন্ধান পায়। গত বৃহস্পতিবার আরামবাগ থানায় ওই দম্পতিকে ডেকে উদ্ধার হওয়া দশ হাজার টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। টাকা ফিরে পেয়ে মৌসুমী পাল এবং তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেন। পুলিশের এই তৎপরতায় খুশি হয়ে তারা আরামবাগ থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানান, যার ফলে দম্পতির মুখে হাসি ফিরে আসে।1
- দামোদর নদের ভয়ংকর ভাঙনের কারণে চরমানা এলাকার বাসিন্দাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা কেবল বালির বস্তা ফেলে সাময়িক মেরামতের পরিবর্তে নদী ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী সমাধানের জোর দাবি জানিয়েছেন।1
- মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরে বৃহস্পতিবার এক রহস্যময় ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের সামনে থেকে আড়াই মাস বয়সী এক কন্যাশিশু উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, বোরখা পরিহিত এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলা শিশুটিকে সাময়িকভাবে দেখাশোনার অনুরোধ করে অন্য এক মহিলার হাতে তুলে দিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অষ্টমী সামন্ত নামে এক মহিলা চিকিৎসাধীন এক রোগীকে দেখতে হাসপাতালে এসেছিলেন এবং মূল প্রবেশপথ সংলগ্ন এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় এক শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে তাঁর কাছে আসেন ওই অজ্ঞাতপরিচয় বোরখা পরিহিত মহিলা। অষ্টমী দেবীর দাবি, কিছুক্ষণের জন্য বাইরে যাওয়ার কথা জানিয়ে ওই মহিলা শিশুটিকে তাঁর কাছে রেখে যান এবং তারপর আর ফিরে আসেননি। ঘটনার পর থেকেই শিশুটির পরিচয় এবং ওই নিরুদ্দেশ মহিলার সন্ধানে পুলিশ তৎপর হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শিশুটির পরিচয় এবং তার পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেলে এই রহস্যের জট কিছুটা কাটতে পারে। পুলিশ এই ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালাচ্ছে।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুর এলাকায় একটি পার্কিং করা গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার কারণ জানতে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1
- দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ব্লকে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পের (১০০ দিনের কাজ) কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে, যা বর্তমানে রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১২৫ দিনের কাজ হিসাবে গণ্য হবে। বৃহস্পতিবার শালবনির সাতপাটি অঞ্চলের শঙ্কর বাঁধ এলাকায় একটি নতুন পুকুর নির্মাণের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। দীর্ঘদিন পর কাজ শুরু হওয়ায় গ্রামীণ শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ দেখা গেছে। শঙ্কর বাঁধে নতুন পুকুর নির্মাণের এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় প্রায় ১৯ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৭ টাকা ধরা হয়েছে। এই প্রকল্পে যুক্ত প্রতিটি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ২৬০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে এবং এর মাধ্যমে মোট ৭১৭৩টি শ্রমদিবস তৈরি হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, যা এলাকার বহু গ্রামীণ শ্রমিকের জন্য কাজ ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের অতিরিক্ত জেলা শাসক সুকান্ত সাহা শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কাজের সূচনা করেন। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং এলাকার বহু বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা এই প্রকল্পকে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন, যা কৃষিনির্ভর ও শ্রমনির্ভর পরিবারগুলির কাছে নতুন আশা নিয়ে এসেছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে টানাপোড়েন, বরাদ্দ সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রশাসনিক বাধার কারণে প্রকল্পের কাজ কার্যত থমকে ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। এর ফলে গ্রামীণ এলাকার অনেক পরিবার নিয়মিত আয়ের উৎস হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে পুনরায় এই প্রকল্প চালু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক মহলে খুশির হাওয়া বইছে। স্থানীয় শ্রমিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, কাজ না থাকায় তাঁদের পরিবার চালাতে সমস্যা হচ্ছিল এবং অনেকেই অন্য কোথাও কাজের সন্ধানে যেতে বা ধারদেনা করে দিন কাটাতে বাধ্য হয়েছিলেন। এখন কাজ ফের শুরু হওয়ায় তাঁরা অনেকটাই স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন এবং আশা করছেন যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু অস্থায়ী কর্মসংস্থানই নয়, গ্রামে জলসংরক্ষণ ও পরিবেশগত উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, কর্মসংস্থানের এই সুযোগ এবার শুধু ১০০ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে শ্রমিকরা ১২৫ দিনের কাজ পাবেন। এই ঘোষণায় শালবনি ব্লকের শ্রমিকরা আরও বেশি কর্মদিবস এবং আয়ের সম্ভাবনায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। শালবনির সাতপাটি অঞ্চলে শঙ্কর বাঁধে নতুন পুকুর নির্মাণ প্রকল্প শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন বহু মানুষের হাতে কাজ ফিরে আসছে, তেমনই অন্যদিকে এটি গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন, জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সম্পদ সৃষ্টির দিক থেকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর ১০০ দিনের কাজ ফের শুরু হওয়ায় শালবনির গ্রামীণ জীবনে নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে।1
- পোস্টটিতে জোরালো প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে বাংলায় কি সত্যিই কোনো কার্যকর বিরোধী দলের অস্তিত্ব নেই, নাকি আসল বিরোধী হলো সাধারণ মানুষের নীরবতা। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, সমস্ত দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে নিজেদের কথা বলতে এবং নিজেদের আওয়াজ তোলার জন্য একটি স্পষ্ট ও জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।1