Shuru
Apke Nagar Ki App…
শীতলকুচিতে ভোটের আগে ‘যুদ্ধকালীন’ প্রস্তুতি, জম্মু-কাশ্মীর থেকে এল বুলেটপ্রুফ MBPV আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে শীতলকুচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মোতায়েন করা হয়েছে বুলেটপ্রুফ এমবিপিভি, যা বিশেষভাবে আনা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর থেকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতে শীতলকুচিতে ভোটকে কেন্দ্র করে একাধিক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে এবার কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই অত্যাধুনিক সুরক্ষিত গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে।
SLK News সংবাদ মাধ্যম
শীতলকুচিতে ভোটের আগে ‘যুদ্ধকালীন’ প্রস্তুতি, জম্মু-কাশ্মীর থেকে এল বুলেটপ্রুফ MBPV আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে শীতলকুচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মোতায়েন করা হয়েছে বুলেটপ্রুফ এমবিপিভি, যা বিশেষভাবে আনা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর থেকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতে শীতলকুচিতে ভোটকে কেন্দ্র করে একাধিক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে এবার কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই অত্যাধুনিক সুরক্ষিত গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্যেই বড় ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি সামনে এসেছে, যা ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ভোটকর্মীদের একাংশ জানান, উপস্থিতির তালিকায় তাঁদের নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট নট একসেপ্টেড ” বলে উল্লেখ রয়েছে। ফলে তাঁরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যান। এই ধরনের ভুল তথ্য কীভাবে তালিকায় এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাঁদের দাবি, আগে থেকে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ বা ব্যাখ্যা না থাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে হঠাৎ এই বিষয়টি জানতে পেরে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এদিকে, এই সমস্যার জেরে বহু ভোটকর্মীকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং একাধিক দফায় কর্তৃপক্ষের কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়। অভিযোগ, নির্দিষ্ট কোনও হেল্পডেস্ক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের তরফে সঠিক দিশা না মেলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে মানসিক চাপ ও হয়রানির শিকার হতে হয় তাঁদের। ভোটকর্মীদের একাংশের কথায়, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল দায়িত্বের ক্ষেত্রে এ ধরনের অব্যবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্বেই যদি এই ধরনের গাফিলতি থাকে, তাহলে ভোটের দিন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান ও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ভোটকর্মীরা।1
- ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে দলবদল, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ ১জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও ৩ পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী সহ একাধিক নেতা1
- বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দিনহাটায় এলেন রাজ্যের বিশেষ অবজারভার সুব্রত গুপ্ত এবং পুলিশ অবজারভার এন কে মিশ্রা। বুধবার তারা দিনহাটা থানায় এসে পৌঁছন। এদিন তারা দিনহাটা থানায় এসে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক প্রশান্ত দেবনাথ ও আইসি বুধাদিত্য রায়ের সাথে বৈঠক করেন। যাতে বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় সে ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের সাথে আলোচনা করেন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুব্রত গুপ্ত বলেন, বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়ন করা হবে সে বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয় বলে তিনি জানান। এদিন একদিকে পুলিশ প্রশাসনে আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন তারা। পাশাপাশি দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরে এসে মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকদের সাথেও কথা বলতে দেখা যায় তাদের।1
- দিনহাটা কলেজে ট্রেনিং শেষে ভোট দিতে এসে কি বললেন ভোট কর্মীরা শুনুন। আমরা শুনবো তাদের বক্তব্য।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারসূচিকে সামনে রেখে বুধবার মেখলিগঞ্জ বিধানসভা নির্বাচনী কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্বদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী কয়েক দিনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ এপ্রিল হলদিবাড়ি এলাকায় রোড শো, ১৮ এপ্রিল জামালদহ অঞ্চলে জনসভা এবং ২০ এপ্রিল মেখলিগঞ্জ শহরের বোর্ডিং ময়দানে বড় জনসভা হবে। কর্মসূচিগুলিতে ব্যাপক জনসমাগম নিশ্চিত করতে সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টন, প্রচার কৌশল ও বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন উপস্থিত নেতৃত্বরা।1
- মাথাভাঙ্গায় নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহে বিজেপি প্রার্থী Nisith Pramanik বিভিন্ন ওয়ার্ডে জোরদার ভোট প্রচারে নামলেন। ঘরে ঘরে পৌঁছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি, তুলে ধরেন দলের উন্নয়নের বার্তা। প্রচারে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, ফলে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। ভোটের আগে নিশিথের এই প্রচার ঘিরে মাথাভাঙ্গার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শীতলকুচি বিধানসভার খলিসামারি অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে জোরদার নির্বাচনী প্রচার চালানো হলো। জানা যায়, পঞ্চানন বর্মা ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এই প্রচার কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মহিলারা দলে দলে অংশগ্রহণ করেন এবং সভাস্থলে তাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চানন অনুরাগী গিরিন্দ্র নাথ বর্মন সহ একাধিক নেতৃত্ব। প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তৃণমূলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরা হয় এবং আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়। নির্বাচনের আগে এই ধরনের প্রচার কর্মসূচি এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।1
- তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের শালবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বয়স্ক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণকে ঘিরে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মনের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি ভোট গ্রহণের সময় শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, নির্দিষ্ট ভোটকর্মী, অনুমোদিত পোলিং এজেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও উপস্থিত থাকার কোনও অনুমতি নেই। অথচ সেই নিয়মকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিলন বর্মন ভোটকর্মীদের গাড়ির পিছন পিছন ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় প্রতিটি এলাকায় তাদের অনুসরণ করেন তিনি। বিজেপির দাবি, এটি শুধু অনৈতিক নয়, সরাসরি ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করার সামিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি শিবির। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, “এভাবে যদি শাসকদলের নেতারা ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?” তারা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট জবাব না মিললেও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভোটের মুখে এই ধরনের অভিযোগ নতুন করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে—এই স্পষ্ট বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কমিশন কতটা কড়া পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।1
- নববর্ষে রঙের উৎসব, কোচবিহার শহীদ বাগে চিত্র প্রদর্শনীতে ভিড়।1