নির্বাচন শেষের পর এলাকায় শান্তির বার্তা দিলেন পাগলাপির তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে *পাগলাপীর বাজারে বিজেপির মিছিলের পর তৃণমূলের শান্তির বার্তা* গতকাল পাগলাপীর বাজারে বিজেপির বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা প্রশমনে শান্তির বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার ছোট শালবাড়ি অঞ্চলের নগর নেপড়া ২৭২ নম্বর বুথের উদ্যোগে পাগলাপীর বাজারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বুধবার পাগলাপীর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে 'বিজয়া উল্লাস' ও বিজয় মিছিল করা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই মিছিলকে ঘিরে বাজার এলাকায় অশালীন স্লোগান ও আচরণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়। পরিস্থিতি যাতে আর উত্তপ্ত না হয়, সেজন্যই তৃণমূলের এই শান্তি-উদ্যোগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ২৭২ নম্বর বুথের তৃণমূল নেতৃত্ব পাগলাপীর বাজারে দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। এলাকায় যাতে কোনও ধরনের উস্কানি বা অশান্তি না ছড়ায়, সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ২৭২ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া, বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন, বুথ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া ও হাবিবুর রহমান। এছাড়াও বুথের অন্যান্য তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেন। পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া বলেন, "পাগলাপীর বাজার আমাদের সকলের। এখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে ব্যবসা করেন, থাকেন। গতকালের ঘটনায় একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। আমরা চাই না সামান্য বিষয় নিয়ে এলাকার শান্তি নষ্ট হোক। তাই সবাইকে নিয়ে শান্তির বার্তা দিলাম।" বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, "রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু এলাকার শান্তি সবার আগে। কোনও উস্কানিতে পা না দিয়ে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।" তৃণমূলের এই উদ্যোগের পর বৃহস্পতিবার থেকে পাগলাপীর বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। দোকানপাট খোলা রয়েছে এবং পুলিশও এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছে।
নির্বাচন শেষের পর এলাকায় শান্তির বার্তা দিলেন পাগলাপির তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে *পাগলাপীর বাজারে বিজেপির মিছিলের পর তৃণমূলের শান্তির বার্তা* গতকাল পাগলাপীর বাজারে বিজেপির বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা প্রশমনে শান্তির বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার ছোট শালবাড়ি অঞ্চলের নগর নেপড়া ২৭২ নম্বর বুথের উদ্যোগে পাগলাপীর বাজারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বুধবার পাগলাপীর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে 'বিজয়া উল্লাস' ও বিজয় মিছিল করা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই মিছিলকে ঘিরে বাজার এলাকায় অশালীন স্লোগান ও আচরণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়। পরিস্থিতি যাতে আর উত্তপ্ত না হয়, সেজন্যই তৃণমূলের এই শান্তি-উদ্যোগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ২৭২ নম্বর বুথের তৃণমূল নেতৃত্ব পাগলাপীর বাজারে দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। এলাকায় যাতে কোনও ধরনের উস্কানি বা অশান্তি না ছড়ায়, সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ২৭২ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া, বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন, বুথ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া ও হাবিবুর রহমান। এছাড়াও বুথের অন্যান্য তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেন। পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া বলেন, "পাগলাপীর বাজার আমাদের সকলের। এখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে ব্যবসা করেন, থাকেন। গতকালের ঘটনায় একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। আমরা চাই না সামান্য বিষয় নিয়ে এলাকার শান্তি নষ্ট হোক। তাই সবাইকে নিয়ে শান্তির বার্তা দিলাম।" বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, "রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু এলাকার শান্তি সবার আগে। কোনও উস্কানিতে পা না দিয়ে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।" তৃণমূলের এই উদ্যোগের পর বৃহস্পতিবার থেকে পাগলাপীর বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। দোকানপাট খোলা রয়েছে এবং পুলিশও এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছে।
- *পাগলাপীর বাজারে বিজেপির মিছিলের পর তৃণমূলের শান্তির বার্তা* গতকাল পাগলাপীর বাজারে বিজেপির বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা প্রশমনে শান্তির বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার ছোট শালবাড়ি অঞ্চলের নগর নেপড়া ২৭২ নম্বর বুথের উদ্যোগে পাগলাপীর বাজারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বুধবার পাগলাপীর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে 'বিজয়া উল্লাস' ও বিজয় মিছিল করা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ওই মিছিলকে ঘিরে বাজার এলাকায় অশালীন স্লোগান ও আচরণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়। পরিস্থিতি যাতে আর উত্তপ্ত না হয়, সেজন্যই তৃণমূলের এই শান্তি-উদ্যোগ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ২৭২ নম্বর বুথের তৃণমূল নেতৃত্ব পাগলাপীর বাজারে দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। এলাকায় যাতে কোনও ধরনের উস্কানি বা অশান্তি না ছড়ায়, সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ২৭২ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া, বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন, বুথ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া ও হাবিবুর রহমান। এছাড়াও বুথের অন্যান্য তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেন। পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া বলেন, "পাগলাপীর বাজার আমাদের সকলের। এখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে ব্যবসা করেন, থাকেন। গতকালের ঘটনায় একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। আমরা চাই না সামান্য বিষয় নিয়ে এলাকার শান্তি নষ্ট হোক। তাই সবাইকে নিয়ে শান্তির বার্তা দিলাম।" বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, "রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু এলাকার শান্তি সবার আগে। কোনও উস্কানিতে পা না দিয়ে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।" তৃণমূলের এই উদ্যোগের পর বৃহস্পতিবার থেকে পাগলাপীর বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। দোকানপাট খোলা রয়েছে এবং পুলিশও এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছে।1
- দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই এদিন সন্ধ্যায় বিজেপির বুথ কর্মীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার লক্ষ্য করা গেল। সন্ধ্যায় পাগলাপীর বাজারে নগড় নেপড়া বুথ কর্মীরা বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠেন। ছোট শালবাড়ী অঞ্চলের নগর নেপড়া ২৭২ নম্বর বুথ কমিটির সভাপতি রবিন বর্মন জানান এবারের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে এবং ভোটের মার্জিনও অনেকটাই বেড়ে গেছে। এই ভোটের ফলাফল কার্যত বিজেপির দিকেই জনাদেশ রয়েছে বলেই তারা মনে করেন। এদিনের ওই বিজয় উল্লাসের মিছিলে রবিন বর্মন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বুথের কার্যকর্তা সুজন বর্মন, সাগর বর্মন,বকুল বর্মন, প্রসেনজিৎ রায়, এবং অমল বর্মন প্রমুখ। তাদের দাবি ৪ তারিখে ভোটের ফলাফল ঘোষণা হলে, বিজেপিই রাজ্যের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবেন। তাই তারা আজ আগাম বিজয় উল্লাস করেছেন। আগামী দিনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকেই তারা দেখতে চান বলেও জানিয়েছেন।1
- গতকাল পাগলাপীর বাজারে বিজেপির মিছিলের পরিপ্রেক্ষিতে শান্তির বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার ছোট শালবাড়ি অঞ্চলের অন্তর্গত নগর নেপড়া ২৭২ নং বুথের পাগলা পীর বাজারে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব শান্তির বার্তা দেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল পাগলাপীর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে বিজয়া উল্লাস ও বিজয় মিছিল করা হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গোটা বাজারজুড়ে একটি অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিকে প্রশমিত করতে নগর নেপড়া ২৭২ নং বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তিতে থাকার আহ্বান জানানো হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ২৭২ নং বুথের নেতৃত্ব হাবিবুর রহমান,বুথের পঞ্চায়েত সদস্য নুরজামাল মিয়া, বুথ সভাপতি মনোরঞ্জন বর্মন, বুথ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া, সহ অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী ও নেতৃত্বরা।1
- সিতাইঃ আন্তঃজেলা গাড়ি চুরি চক্রের দ্রুত পর্দাফাস করল সিতাই থানার পুলিশ।বুধবার আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা হাসপাতালের সামনে থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স চুরির ঘটনা ঘটে। এরপর ফালাকাটা থানায় অভিযোগ দায়ের হলে, সেইখবর তৎক্ষণাৎ পৌঁছে যায় কোচবিহার জেলার সকল থানায়। এরপর জেলা জুড়ে চিরুনি তল্লাশি শুরু হলে সিতাই থানার পুলিশের হাতে সাগরদীঘি ব্রিজের ওপরে শেষমেশ অ্যাম্বুলেন্স সহ ভোলা বর্মন(২৪) নামে এক যুবককে ধরতে সক্ষম হয় সিতাই থানার পুলিশ।তবে তার সাথে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না সেবিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।1
- অতিরিক্ত ফি বৃদ্ধির অভিযোগে কোচবিহার DI অফিস ঘেরাও, AIDSO র বিক্ষোভ1
- আলিপুরদুয়ার জেলায় পূর্ব আক্রোশের জেরে সংঘটিত এক খুনের মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করল আদালত। দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের বিচারপ্রক্রিয়া শেষে দোষীকে কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল ফাস্ট ট্র্যাক আদালত। মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলার পাটকা পাড়া চা বাগানের বাসিন্দা রমীনুজ মুন্ডা ২০২১ সালের ২২ মে সোনাপুর ফাঁড়িতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তার দাদা রামকুমার মুন্ডার উপর হামলা চালায় আকাশ মুন্ডা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করা হয় তাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসা চলাকালীন অল্প সময়ের মধ্যেই মৃত্যু হয় রামকুমারের। ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহের পর ২০২২ সালের ৮ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট পেশ করে। এরপর মামলাটি আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক সেকেন্ড কোর্টে বিচারাধীন ছিল। একাধিক সাক্ষ্যপ্রমাণ, যুক্তি-তর্ক এবং শুনানি পর্ব শেষে অবশেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়। রায় প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, ফাস্ট ট্র্যাক সেকেন্ড কোর্টের বিচারক পুকার প্রধান। তিনি অভিযুক্ত আকাশ মুন্ডাকে দোষী সাব্যস্ত করে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে আদালতের পক্ষ থেকে। এই রায়কে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর বিচার পাওয়ায় মৃতের পরিবার কিছুটা স্বস্তি পেলেও, প্রিয়জন হারানোর বেদনা আজও তাজা। অন্যদিকে, এই রায় সমাজে অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেবে বলেই মনে করছে স্থানীয় মহল।।1
- Post by Jakir Islam1
- গ্রামীণ সড়কে ভারী ডাম্পার, রাস্তা ফেটে উল্টে গেল মাল বোঝাই ডাম্পার গাড়ি মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও গ্রামীণ সড়কে ভারী ডাম্পার চলাচলের জেরে রাস্তা ফেটে উল্টে গেল ডাম্পার গাড়ি। ঘটনাটি শীতলকুচির লালবাজার গ্রামীণ সড়কে হরিণকুচি বাজার সংলগ্ন এলাকায়। জানা যায়, ডাম্পারের চালক ও খালাসি সামান্য আহত হলেও বড়সড় প্রাণহানি ঘটেনি। তবে প্রায় ১০ মিটার রাস্তা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গিয়েছে।1