Shuru
Apke Nagar Ki App…
নদিয়ার তাহেরপুরে মুখোশ পরে ডাকাতির ছক কষার সময় চারজনকে আ*গ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের রাতের অভিযানে তাদের এই বড়সড় পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়।
Raja Debnath
নদিয়ার তাহেরপুরে মুখোশ পরে ডাকাতির ছক কষার সময় চারজনকে আ*গ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের রাতের অভিযানে তাদের এই বড়সড় পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় আজ ভোররাতে আনুমানিক ২টা ২৫ মিনিট নাগাদ পরপর দুটি বোমার শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। এই বোমার শব্দে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘুম ভেঙে যায়। এই বোমাবাজি স্থানীয় বাসিন্দা মিতা মজুমদার নামের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে হয়েছে। কে বা কারা এই বোমা হামলা চালিয়েছে বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এলাকাটি সাধারণত অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ বলে পরিচিত, আর সেই কারণেই এই ঘটনায় এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।2
- নদিয়ার নবদ্বীপ ব্লকের ফরেস্টডাঙা এলাকায় কৃষিজমি সংলগ্ন এলাকা থেকে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি জেসিবি মেশিন এবং তিনটি ট্রাক্টর উদ্ধার করে। অভিযানের খবর পেয়ে শ্রমিক ও চালকেরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতি থানায় নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরেস্টডাঙা এলাকায় চাষের জমির পাশ থেকে বালি ও মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কৃষক রমেশ মাহাতো অভিযোগ করেছেন যে, প্রায় এক মাস ধরে প্রতিদিন সকাল ছয়-সাতটা থেকে বিকেল পর্যন্ত আট থেকে দশটি ট্রাক্টর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কৃষিজমির পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং জমিতে জল জমে ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে। আরেক কৃষক শিবশঙ্কর দেবনাথও একই অভিযোগ তুলেছেন, যা কৃষিকাজের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে এবং ভারী ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামের রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া প্রদীপ ঘোষ ও প্রতাপ ঘোষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ভূমি ও ভূমি সংস্কার (BLRO) দপ্তরের অনুমতি এবং সরকারি রয়্যালটি প্রদান করেই মাটি কাটা হচ্ছে। তাঁরা জানিয়েছেন যে, ২৩ জুন সরকারি রয়্যালটি জমা দেওয়ার পর ২৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চার দিনের জন্য BLRO দপ্তর থেকে তাঁদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, অতীতে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ একাংশ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং তখন তাঁদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সমস্ত সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করা হলেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের একাংশ এই ব্যবসায়ীদের দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, যদি সরকারি অনুমতি নিয়েই কাজ হয়, তাহলে প্রায় এক মাস ধরে মাটি কাটার অভিযোগ কেন উঠছে? পুলিশ পৌঁছতেই শ্রমিক ও চালকেরা কেন পালিয়ে গেলেন? এবং উদ্ধার হওয়া জেসিবি ও ট্রাক্টর কেন পাশের পাটক্ষেতে রাখা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর ব্যবসায়ীরা দিতে পারেননি। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির অনুমতিপত্র, রয়্যালটির নথি এবং অন্যান্য কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও, ফরেস্টডাঙার একাধিক অনিচ্ছুক বাসিন্দা দাবি করেছেন যে, ভোর থেকেই এলাকায় ট্রাক্টরের দাপাদাপি শুরু হয় এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। ভারী যান চলাচলের ফলে গ্রামের রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হলেও পরে সেই রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তাঁদের অভিযোগ, আগে এক পক্ষ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, এখন অন্য পক্ষ জড়িত, কিন্তু সাধারণ মানুষের সমস্যার কোনো পরিবর্তন হয়নি। অনেকে ভয় ও হুমকির আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না। স্থানীয় সূত্রের আরও দাবি, বর্তমানে যাঁরা এই মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এবং শুক্রবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক স্থানীয় বুথ সভাপতিকেও ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে, যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সমগ্র ঘটনায় উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির নথিপত্র, অনুমতির বৈধতা এবং বাস্তবে কতদিন ধরে মাটি কাটার কাজ চলছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফরেস্টডাঙার বাসিন্দারা এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে আছেন।1
- টিটাগড়ে মহরম উপলক্ষে গাঙ্গুলী প্রেসের পাশে একটি মহল্লায় এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই আয়োজনে সমাজের গুণীজনদের সংবর্ধনা জানানো হয়, পাশাপাশি এলাকার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং টিটাগড় অঞ্চলের স্কুলগুলির কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আবেগ চোখে পড়ার মতো ছিল।1
- দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চিরাচরিত প্রথা মেনে, আজ শুক্রবার মানবাজারে মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে মহরম উৎসব। এই উপলক্ষে রাস্তায় তাজিয়া বের হয়েছে এবং মহরম কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অসংখ্য মানুষ এই শোভাযাত্রায় যোগদান করেছেন। পুরুলিয়া জেলার মানবাজারে এই মহরম উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে মানবাজার পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।1
- শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর ঝুম মুখার্জির হাত ধরে বেআইনি ও অবৈধভাবে দোকান বসানো হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও ওয়ার্ডের ভোটাররা এই অবৈধ কারবারের তীব্র প্রতিবাদ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝুম মুখার্জি বাইরে থেকে এসে দোকান বসানো ব্যক্তিদের থেকে ১০ হাজার, ৫ হাজার, এমনকি ২০ হাজার টাকাও নিয়েছেন। এলাকার কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, তৃণমূল কাউন্সিলরেরা ওয়ার্ডের কোনো কাজই ঠিকমতো সামলাতে পারছেন না, কিন্তু এই অবৈধ কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এই কার্যকলাপের তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।1
- মুসলমান সম্প্রদায়ের ভক্তি, শ্রদ্ধা এবং প্রার্থনার দিন পবিত্র মহরম ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হয়েছে। এই দিনে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এটিকে শোকের দিন হিসেবে পালন করে থাকে। সেই কারণেই শোকের প্রতীক হিসেবে লাঠি খেলা সহ নানান শারীরিক কসরত করে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। শিল্পাঞ্চলের নৈহাটির হাজিনগর, ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষজন এই পবিত্র মহরম দিনটি পালন করেছেন।1
- কলকাতার তারাতলায় একটি গোডাউন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার ২৪/০৬/২৬ মধ্যাহ্নে ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে একটি তিনতলা গোডাউনের ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়েছিল, যেটি সেই সময় প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এই নির্মাণ কাজের সঙ্গে নদীয়ার কৃষ্ণনগর সংলগ্ন চরশম্ভুনগরের দুই নির্মাণ কর্মী চন্দ্রমা ও রাহুল চৌধুরী যুক্ত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয় এবং তাঁদের মৃতদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে ৪০ জনেরও বেশি শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন। এই লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1