এক লহমার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে জীবনের গতিপথ। ফুটফুটে স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে যে তরুণ একসময় পরিবারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখতেন, তিনি আজ আড়াই বছর ধরে নিথর দেহে ঘরের কোণে বন্দি। বক্সনগর বিধানসভা এলাকার কুলুবাড়ী নতুন কলোনির ২৪ বছর বয়সী পিতৃহারা তরুণ নবীর হোসেনের জীবন এখন প্রদীপ নেভার মতো ছটফট করছে। এক ফোঁটা সুস্থতার আশায় আর জীবনযুদ্ধে জয়ের আকুতি জানিয়ে আজ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও রাজ্যের দরদি মানুষের কাছে সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঘটনার মর্মান্তিক সূত্রপাত প্রায় আড়াই বছর আগে। মাসির বাড়ি সোনামুড়া ধলিয়া থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে, সোনামুড়ার রাস্তার চলমান কাজের জন্য তৈরি এক গভীর কালভার্টের গর্তে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান নবীর। এতে তাঁর মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেই আঘাতই তাঁর জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ চিরতরে কেড়ে নেয়। এর পর থেকে শুরু হয় এক দীর্ঘ ও করুণ সংগ্রাম। আগরতলা জিবি হাস পাতালসহ একের পর এক চিকিৎসাকেন্দ্রে চষে বেড়িয়েছে তাঁর পরিবার। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হলেও মেলে নি কাঙ্ক্ষিত সুস্থতা। সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে তাঁর স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে, যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অবিলম্বে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। কিন্তু সেখানে এই জটিল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭ লক্ষ টাকা—যা এই মুহূর্তের নিঃস্ব পরিবারের কাছে অলৌকিক স্বপ্নের মতো। নবীর হোসেনের শৈশবেই মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে যায়। মা অন্যের বাড়িতে বা এদিক-সেদিক কাজ করে অতি কষ্টে সন্তানকে মানুষ করেছিলেন, এমনকি গত আড়াই বছর ধরে ভিটেমাটি এক করে ছেলের চিকিৎসার খরচ জুগিয়েছেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূণরূপে দিশেহারা। ছেলের এই করুণ অবস্থা আর চড়া চিকিৎসার খরচ—সব মিলিয়ে এক চরম মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে অসহায় মা-ছেলের এই পরিবার। জীবনের আলো দেখতে চাওয়া ২৪ বছরের নবীর হোসেন আজ দুচোখে অশ্রু নিয়ে সমাজের দানশীল মানুষ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সমাজের বিত্তবানদের সামান্য আর্থিক সহায়তা এবং সবার সম্মিলিত প্রার্থনাই পারে শয্যাশায়ী এই তরুণকে আবার পায়ে দাঁড় করাতে। নবীর হোসেনের বুকফাটা আকুতি— "আমাকে একটু সুস্থ হতে সাহায্য করুন, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চাই।"
এক লহমার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে জীবনের গতিপথ। ফুটফুটে স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে যে তরুণ একসময় পরিবারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখতেন, তিনি আজ আড়াই বছর ধরে নিথর দেহে ঘরের কোণে বন্দি। বক্সনগর বিধানসভা এলাকার কুলুবাড়ী নতুন কলোনির ২৪ বছর বয়সী পিতৃহারা তরুণ নবীর হোসেনের জীবন এখন প্রদীপ নেভার মতো ছটফট করছে। এক ফোঁটা সুস্থতার আশায় আর জীবনযুদ্ধে জয়ের আকুতি জানিয়ে আজ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও রাজ্যের দরদি মানুষের কাছে সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঘটনার মর্মান্তিক সূত্রপাত প্রায় আড়াই বছর আগে। মাসির বাড়ি সোনামুড়া ধলিয়া থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে, সোনামুড়ার রাস্তার চলমান কাজের জন্য তৈরি এক গভীর কালভার্টের গর্তে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান নবীর। এতে তাঁর মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেই আঘাতই তাঁর জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ চিরতরে কেড়ে নেয়। এর পর থেকে শুরু হয় এক দীর্ঘ ও করুণ সংগ্রাম। আগরতলা জিবি হাস পাতালসহ একের পর এক চিকিৎসাকেন্দ্রে চষে বেড়িয়েছে তাঁর পরিবার। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে
পরিবারটি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হলেও মেলে নি কাঙ্ক্ষিত সুস্থতা। সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে তাঁর স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে, যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অবিলম্বে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। কিন্তু সেখানে এই জটিল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭ লক্ষ টাকা—যা এই মুহূর্তের নিঃস্ব পরিবারের কাছে অলৌকিক স্বপ্নের মতো। নবীর হোসেনের শৈশবেই মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে যায়। মা অন্যের বাড়িতে বা এদিক-সেদিক কাজ করে অতি কষ্টে সন্তানকে মানুষ করেছিলেন, এমনকি গত আড়াই বছর ধরে ভিটেমাটি এক করে ছেলের চিকিৎসার খরচ জুগিয়েছেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূণরূপে দিশেহারা। ছেলের এই করুণ অবস্থা আর চড়া চিকিৎসার খরচ—সব মিলিয়ে এক চরম মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে অসহায় মা-ছেলের এই পরিবার। জীবনের আলো দেখতে চাওয়া ২৪ বছরের নবীর হোসেন আজ দুচোখে অশ্রু নিয়ে সমাজের দানশীল মানুষ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সমাজের বিত্তবানদের সামান্য আর্থিক সহায়তা এবং সবার সম্মিলিত প্রার্থনাই পারে শয্যাশায়ী এই তরুণকে আবার পায়ে দাঁড় করাতে। নবীর হোসেনের বুকফাটা আকুতি— "আমাকে একটু সুস্থ হতে সাহায্য করুন, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চাই।"
- সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও প্রেস স্টিকারের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন কৈলাসহর, ১৫ সেপ্টেম্বর: সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঊনকোটি জেলায় মাদক ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেটের প্রবেশ রোধে নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন গাড়িতে প্রেস স্টিকারের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার ঊনকোটি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করেন জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।ডেপুটেশনে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে প্রথমেই উঠে আসে সাংবাদিকদের হুমকির বিষয়টি। সম্প্রতি একটি নেশাজাতীয় সামগ্রী আটকের ঘটনা নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের পর ঊনকোটি জেলার সাংবাদিক বিকাশ কাপালি ও নাজমুল হোসেনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় গত ২৯ আগস্ট ফটিকরায় থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে সাংবাদিকরা জানান। তবে এফআইআর দায়েরের পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিষয়টিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ তাঁদের নজরে আসেনি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। দ্রুত তদন্ত করে হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। ডেপুটেশনের দ্বিতীয় দাবিতে ঊনকোটি জেলায় মাদক ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেটের প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিকদের বক্তব্য, বিভিন্ন পথে নিয়মিতভাবে নেশাজাতীয় সামগ্রী ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেট জেলায় প্রবেশের ফলে যুবসমাজের উপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই অবৈধ কারবার রুখতে সীমান্তবর্তী এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলিতে পুলিশের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়।তৃতীয় দাবিতে বিভিন্ন যানবাহনে প্রেস স্টিকারের অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে গাড়িতে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের পরিচয় যাতে অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমের পরিচয়ের অপব্যবহার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা উচিত নয়। একইসঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।এদিনের ডেপুটেশনে সাংবাদিক বিকাশ কাপালি, নাজমুল হোসেন, উত্তম দেব, প্রীয়তোষ দাস, শুভঙ্কর দাস-সহ ঊনকোটি জেলার অন্যান্য কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।2
- মামলা করতে থানায় এসে অসুস্থ! শরীরে আঘাতের চিহ্ন, অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি! মামলা করতে থানায় এসে অসুস্থ! শরীরে আঘাতের চিহ্ন, অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি! কৈলাশহর: শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে থানায় মামলা করতে এসে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক ব্যক্তি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৈলাশহর অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় অসুস্থ ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও অসুস্থতার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।1
- বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ফটিকরায়ের মূর্তী পাড়ায় দেব শিল্পীর মূর্তী নির্মানে ব্যাস্ততা। ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায় এলাকায় বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে রাজনগরের মূর্তি পাড়ায় চলছে মূর্তি নির্মাণে মৃৎ শিল্পীদের চরম ব্যস্ততা।1
- সাত দিনের জন্মাষ্টমী উৎসব শেষে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরে প্রণামী গণনা, বাক্স থেকে মিলল লক্ষাধিক টাকা! সাত দিনের জন্মাষ্টমী উৎসব শেষে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরে প্রণামী গণনা, বাক্স থেকে মিলল লক্ষাধিক টাকা!1
- কল্যাণপুরবাসীর জন্য উপহার: রূপ নিচ্ছে 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী শিশু পার্ক', পরিদর্শনে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী কল্যাণপুরবাসীর জন্য উপহার: রূপ নিচ্ছে 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী শিশু পার্ক', পরিদর্শনে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী1
- ⭕ পরিকাঠামো উন্নয়নে দুর্নীতি বরদাস্ত নয়, অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা : মুখ্যমন্ত্রী ✍️ রাজ্যের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজে কোনও ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ডও করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা।1
- এক লহমার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বদলে দিয়েছে জীবনের গতিপথ। ফুটফুটে স্বপ্ন আর বুকভরা আশা নিয়ে যে তরুণ একসময় পরিবারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখতেন, তিনি আজ আড়াই বছর ধরে নিথর দেহে ঘরের কোণে বন্দি। বক্সনগর বিধানসভা এলাকার কুলুবাড়ী নতুন কলোনির ২৪ বছর বয়সী পিতৃহারা তরুণ নবীর হোসেনের জীবন এখন প্রদীপ নেভার মতো ছটফট করছে। এক ফোঁটা সুস্থতার আশায় আর জীবনযুদ্ধে জয়ের আকুতি জানিয়ে আজ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও রাজ্যের দরদি মানুষের কাছে সাহাজ্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঘটনার মর্মান্তিক সূত্রপাত প্রায় আড়াই বছর আগে। মাসির বাড়ি সোনামুড়া ধলিয়া থেকে নিজের বাড়ি ফেরার পথে, সোনামুড়ার রাস্তার চলমান কাজের জন্য তৈরি এক গভীর কালভার্টের গর্তে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান নবীর। এতে তাঁর মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেই আঘাতই তাঁর জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ চিরতরে কেড়ে নেয়। এর পর থেকে শুরু হয় এক দীর্ঘ ও করুণ সংগ্রাম। আগরতলা জিবি হাস পাতালসহ একের পর এক চিকিৎসাকেন্দ্রে চষে বেড়িয়েছে তাঁর পরিবার। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হলেও মেলে নি কাঙ্ক্ষিত সুস্থতা। সম্প্রতি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে তাঁর স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে, যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অবিলম্বে চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। কিন্তু সেখানে এই জটিল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭ লক্ষ টাকা—যা এই মুহূর্তের নিঃস্ব পরিবারের কাছে অলৌকিক স্বপ্নের মতো। নবীর হোসেনের শৈশবেই মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে যায়। মা অন্যের বাড়িতে বা এদিক-সেদিক কাজ করে অতি কষ্টে সন্তানকে মানুষ করেছিলেন, এমনকি গত আড়াই বছর ধরে ভিটেমাটি এক করে ছেলের চিকিৎসার খরচ জুগিয়েছেন। কিন্তু আজ তিনি সম্পূণরূপে দিশেহারা। ছেলের এই করুণ অবস্থা আর চড়া চিকিৎসার খরচ—সব মিলিয়ে এক চরম মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে অসহায় মা-ছেলের এই পরিবার। জীবনের আলো দেখতে চাওয়া ২৪ বছরের নবীর হোসেন আজ দুচোখে অশ্রু নিয়ে সমাজের দানশীল মানুষ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সমাজের বিত্তবানদের সামান্য আর্থিক সহায়তা এবং সবার সম্মিলিত প্রার্থনাই পারে শয্যাশায়ী এই তরুণকে আবার পায়ে দাঁড় করাতে। নবীর হোসেনের বুকফাটা আকুতি— "আমাকে একটু সুস্থ হতে সাহায্য করুন, আমি স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চাই।"2
- *চিকিৎসক না পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ফিরলেন অসহায় মা ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল থেকে* সংবাদ প্রতিনিধি,ধর্মনগর: চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে যদি চিকিৎসকই না মেলে, তাহলে অসহায় রোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কোথায় যাবেন? ধর্মনগর জেলা হাসপাতালকে ঘিরে এমনই এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় ক্ষোভে ফুঁসছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।অভিযোগ, হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসার পরও সময়মতো চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ। এমনকি চিকিৎসক না পেয়ে এক অসহায় মাকে কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।1