পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর পক্ষ থেকে জেলাশাসকের দপ্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ ও দাবী সনদ প্রদান কর্মসূচি আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মেলনী। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের একাধিক দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় প্রশাসনের কাছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে যে ‘মানবিক ভাতা’ বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, তা মাসে ১০০০ টাকা—যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের দাবি, এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ৫০০০ টাকা করতে হবে এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়মিতভাবে তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনিয়মিত ভাতা প্রদান এবং দীর্ঘসূত্রিতা বহু পরিবারকে চরম আর্থিক সঙ্কটে ফেলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে যাঁরা মানবিক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের আবেদন এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দ্রুত আবেদনগুলির যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে উপযুক্ত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করে ভাতা প্রদান শুরু করতে হবে। প্রতিনিধিদের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৬ হাজার বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশই আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং সরকারি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের খরচ বহন করতে বর্তমান ভাতার পরিমাণ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে বহু পরিবার ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে। এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুরক্ষিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি মানবিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত। জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার বিষয়েও তারা ভাবতে পারেন। তবে আপাতত তাঁরা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আলিপুরদুয়ারের বহু পরিবার।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর পক্ষ থেকে জেলাশাসকের দপ্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ ও দাবী সনদ প্রদান কর্মসূচি আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মেলনী। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের একাধিক দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় প্রশাসনের কাছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে যে ‘মানবিক ভাতা’ বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, তা মাসে ১০০০ টাকা—যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের দাবি, এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ৫০০০ টাকা করতে হবে এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়মিতভাবে তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনিয়মিত ভাতা প্রদান এবং দীর্ঘসূত্রিতা বহু পরিবারকে চরম আর্থিক সঙ্কটে ফেলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে যাঁরা মানবিক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের আবেদন এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দ্রুত আবেদনগুলির যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে উপযুক্ত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করে ভাতা প্রদান শুরু করতে হবে। প্রতিনিধিদের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৬ হাজার বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশই আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং সরকারি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের খরচ বহন করতে বর্তমান ভাতার পরিমাণ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে বহু পরিবার ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে। এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুরক্ষিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি মানবিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত। জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার বিষয়েও তারা ভাবতে পারেন। তবে আপাতত তাঁরা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আলিপুরদুয়ারের বহু পরিবার।
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের ঘাটপার নিগমনগর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার ওই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রুট মার্চ করেন। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরাও। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়াতে এই রুট মার্চ করা হয়। এলাকাজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলকে ঘিরে বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।1
- আলিপুরদুয়ার জেলার জয়ন্তি, বক্সা ফোর্ট ও রাজাভাতখাওয়া সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে সমস্যায় ভুগছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও নিম্ন ভোল্টেজের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল। পাশাপাশি এই অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় ব্যবসায়ী ও পর্যটন শিল্পের সঙ্গেও যুক্ত বহু মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও দাবির ভিত্তিতে অবশেষে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেয় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ। বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকায় বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ করা হয়েছে। পুরনো বিদ্যুৎ লাইন মেরামত, নতুন তার বসানো এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ত্রুটি সারিয়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়। এছাড়াও বিদ্যুৎ পরিষেবাকে আরও দ্রুত ও কার্যকর রাখতে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জয়ন্তি থেকে বক্সা ফোর্ট হয়ে রাজাভাতখাওয়া পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি পেট্রোলিং ভ্যান ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন রাখা হয়েছে। এই পেট্রোলিং ভ্যানের মাধ্যমে বিদ্যুতের লাইনে কোথাও সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সেখানে পৌঁছে তা মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যুৎ দপ্তরের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, ২৪ ঘণ্টার পেট্রোলিং ভ্যান চালু থাকায় ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং এলাকায় পরিষেবা আরও উন্নত হবে।1
- কলেজ টাইমে বাস থেকে নেমে ম্যাডাম যখন কলেজের গেটের দিকে যাচ্ছিলেন ঠিক সেসময় পেছন দিকে দ্রুত গতির একটি এম্বুলেন্স ওই বাসটিকে ওভারটেক করার সময় ম্যাডামকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে ম্যাডামের মাথা ফেটে যায় এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সাথে সাথে স্থানীয়রা ম্যাডামকে শীতলকুচি হাসপাতালের নিয়ে এলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ম্যাডামকে কোচবিহার এমজেএন হসপিটালে রেফার করে দেওয়া হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।1
- ধুপগুড়িতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। একটি লরি ডিজেল ভর্তি গাড়িতে সরাসরি আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থেকে ডিজেল পড়তে শুরু করে। সেই ডিজেল স্থানীয় নেবার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ধুপগুড়ি থানার পুলিশ1
- বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেলো রাতের ধুপগুড়ি শহর । মঙ্গলবার গভীর রাতে ধুপগুড়ি শহরের চৌপথির ট্রাফিকের বুথের সামনে একটি বড় গাড়ির ডিজেলের ট্যাংকি তে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে একটি ছোট গাড়ি। মুহূর্তেই ডিজেল লিক হয়ে দ্রুত রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার বিভৎসতা বুঝে ঘটনাস্থলে মধ্য রাতেই হাজির হয় ধুপগুড়ী থানার আই সি উৎপল সাহা সহ ট্রাফিক ওসি বি পি লামা সহ বিরাট পুলিশ বাহিনী। ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকে যান চলাচল। পরবর্তীতে দমকল বাহিনী এসে রাস্তা ধুয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।1
- Post by বাংলা খবর1
- কোচবিহারের দিনহাটায় চলতে থাকা অনশন কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। সারাদিন পেরিয়ে সারারাত কেটে গেলেও অনশন মঞ্চেই অবস্থান করছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। নতুন দিনের সূচনা হলেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েননি তিনি। জানা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু দাবি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানিয়েই এই অনশন কর্মসূচিতে সামিল হয়েছেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর সমর্থনে অনশন মঞ্চে ভিড় জমাচ্ছেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরাও। সারারাত ধরেই সেখানে চলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা এবং দলীয় কর্মীদের উপস্থিতি। অনশন মঞ্চে উপস্থিত থেকে উদয়ন গুহ জানান, সাধারণ মানুষের স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতেই এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এদিকে সারারাত মঞ্চে উপস্থিত থেকে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের একাংশ। চিকিৎসকদের একটি দলও সময়ে সময়ে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একদিকে যেখানে শাসক দলের পক্ষ থেকে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। সব মিলিয়ে সারারাত পেরিয়ে নতুন দিনের সূচনা হলেও অনশন মঞ্চে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর অবস্থান ঘিরে কোচবিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।1
- কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে সরকারি পরিকল্পনার অধীনে ধূপগুড়ির হিমালয়ান কোল্ড স্টোরেজে আনুষ্ঠানিকভাবে আলু সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিকূল বাজারে ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় আলু চাষিরা।1
- কালোবাজারে LPG-র দাম ছুঁল ১,৫০০ টাকা অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা একাধিক দেশে। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কলকাতায় বাড়িতে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬০ টাকা। ফলে সিলিন্ডার প্রতি দাম হয়েছে ৯৩৯ টাকা। কিন্তু আপনি কি জানেন, দেশের একাধিক শহরে ব্ল্যাক মার্কেটে এই রান্নার গ্যাসের দাম ছুঁয়েছে ১,৫০০ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধুপগুড়ির এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রয়োজনের কারণে তাঁকে বাধ্য হয়ে ওই দামে কালোবাজার থেকে গ্যাস কিনতে হয়েছে।1