logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর পক্ষ থেকে জেলাশাসকের দপ্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ ও দাবী সনদ প্রদান কর্মসূচি আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মেলনী। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের একাধিক দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় প্রশাসনের কাছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে যে ‘মানবিক ভাতা’ বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, তা মাসে ১০০০ টাকা—যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের দাবি, এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ৫০০০ টাকা করতে হবে এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়মিতভাবে তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনিয়মিত ভাতা প্রদান এবং দীর্ঘসূত্রিতা বহু পরিবারকে চরম আর্থিক সঙ্কটে ফেলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে যাঁরা মানবিক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের আবেদন এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দ্রুত আবেদনগুলির যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে উপযুক্ত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করে ভাতা প্রদান শুরু করতে হবে। প্রতিনিধিদের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৬ হাজার বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশই আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং সরকারি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের খরচ বহন করতে বর্তমান ভাতার পরিমাণ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে বহু পরিবার ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে। এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুরক্ষিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি মানবিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত। জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার বিষয়েও তারা ভাবতে পারেন। তবে আপাতত তাঁরা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আলিপুরদুয়ারের বহু পরিবার।

1 hr ago
user_Pradip kundu
Pradip kundu
Local News Reporter কোচবিহার ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
1 hr ago

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর পক্ষ থেকে জেলাশাসকের দপ্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ ও দাবী সনদ প্রদান কর্মসূচি আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মেলনী। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের একাধিক দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় প্রশাসনের কাছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে যে ‘মানবিক ভাতা’ বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, তা মাসে ১০০০ টাকা—যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের দাবি, এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ৫০০০ টাকা করতে হবে এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়মিতভাবে তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনিয়মিত ভাতা প্রদান এবং দীর্ঘসূত্রিতা বহু পরিবারকে চরম আর্থিক সঙ্কটে ফেলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে যাঁরা মানবিক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের আবেদন এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দ্রুত আবেদনগুলির যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে উপযুক্ত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করে ভাতা প্রদান শুরু করতে হবে। প্রতিনিধিদের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৬ হাজার বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশই আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং সরকারি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের খরচ বহন করতে বর্তমান ভাতার পরিমাণ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে বহু পরিবার ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে। এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুরক্ষিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি মানবিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত। জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার বিষয়েও তারা ভাবতে পারেন। তবে আপাতত তাঁরা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আলিপুরদুয়ারের বহু পরিবার।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসর উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হল। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন পঞ্চায়েতের একাধিক বুথে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ নামে একটি পুস্তিকা তুলে দেওয়া হয় বাসিন্দাদের হাতে। ওই পুস্তিকায় গত কয়েক বছরে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, রাস্তা নির্মাণ, পানীয় জলের সংযোগ, আবাস যোজনা, শৌচালয় নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পসহ একাধিক পরিষেবার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞের সুফল যাতে প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত কয়েক বছরে নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে এবং সেই কাজের স্বচ্ছ হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতেই এই ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ কর্মসূচি। তিনি আরও জানান, অনেক সময় বিরোধীদের তরফে উন্নয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। তাই সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে কাজের খতিয়ান তুলে ধরা এবং তাঁদের মতামত শোনা—এই দু’টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিন বিভিন্ন বুথে দলীয় নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যা-অভিযোগও শোনেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তা সংস্কার, নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানীয় জলের লাইন সম্প্রসারণ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান—এই সব বিষয় বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে পুস্তিকায়। পাশাপাশি আগামী দিনে কী কী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। শাসকদল দাবি করেছে—উন্নয়নের স্বচ্ছ চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। গ্রামবাসীদের একাংশের বক্তব্য, সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নয়নের হিসাব তুলে ধরা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে গ্রাম স্তরে সংগঠন মজবুত করা এবং উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
    1
    বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসর উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হল। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
এদিন পঞ্চায়েতের একাধিক বুথে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ নামে একটি পুস্তিকা তুলে দেওয়া হয় বাসিন্দাদের হাতে। ওই পুস্তিকায় গত কয়েক বছরে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, রাস্তা নির্মাণ, পানীয় জলের সংযোগ, আবাস যোজনা, শৌচালয় নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পসহ একাধিক পরিষেবার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞের সুফল যাতে প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত কয়েক বছরে নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে এবং সেই কাজের স্বচ্ছ হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতেই এই ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ কর্মসূচি।
তিনি আরও জানান, অনেক সময় বিরোধীদের তরফে উন্নয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। তাই সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে কাজের খতিয়ান তুলে ধরা এবং তাঁদের মতামত শোনা—এই দু’টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিন বিভিন্ন বুথে দলীয় নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যা-অভিযোগও শোনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তা সংস্কার, নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানীয় জলের লাইন সম্প্রসারণ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান—এই সব বিষয় বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে পুস্তিকায়। পাশাপাশি আগামী দিনে কী কী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে।  শাসকদল দাবি করেছে—উন্নয়নের স্বচ্ছ চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। গ্রামবাসীদের একাংশের বক্তব্য, সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নয়নের হিসাব তুলে ধরা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে গ্রাম স্তরে সংগঠন মজবুত করা এবং উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
    user_Pradip kundu
    Pradip kundu
    Local News Reporter কোচবিহার ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
  • মঙ্গলবার কোচবিহার জেলাশাসক দপ্তরের সামনে থেকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রচারে এক সুসজ্জিত ট্যাবলোর সূচনা হলো। প্রকল্পের ব্যানার ও পোস্টারে সাজানো এই চলমান ট্যাবলোর যাত্রার সূচনা করেন কোচবিহার জেলাশাসক রাজু মিশ্র এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন। পতাকা নেড়ে ট্যাবলোর শুভ সূচনা করেন তাঁরা। এই উপলক্ষে সভাধিপতি সুমিতা বর্মন জানান, বাংলার বাড়ি প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতেই এই উদ্যোগ। তিনি আরও জানান, গোটা জেলার সমস্ত ব্লকের পাশাপাশি পৌরসভা এলাকাগুলিতেও এই ট্যাবলো ঘুরবে এবং মানুষের কাছে প্রকল্পের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন বলেই আশাবাদী প্রশাসন।
    1
    মঙ্গলবার কোচবিহার জেলাশাসক দপ্তরের সামনে থেকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রচারে এক সুসজ্জিত ট্যাবলোর সূচনা হলো। প্রকল্পের ব্যানার ও পোস্টারে সাজানো এই চলমান ট্যাবলোর যাত্রার সূচনা করেন কোচবিহার জেলাশাসক রাজু মিশ্র এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন।
পতাকা নেড়ে ট্যাবলোর শুভ সূচনা করেন তাঁরা। এই উপলক্ষে সভাধিপতি সুমিতা বর্মন জানান, বাংলার বাড়ি প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতেই এই উদ্যোগ।
তিনি আরও জানান, গোটা জেলার সমস্ত ব্লকের পাশাপাশি পৌরসভা এলাকাগুলিতেও এই ট্যাবলো ঘুরবে এবং মানুষের কাছে প্রকল্পের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন বলেই আশাবাদী প্রশাসন।
    user_Sayantani Sinha
    Sayantani Sinha
    Cooch Behar - Ii, Coochbehar•
    1 hr ago
  • আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো দিনহাটা থানার পুলিশ, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে আরও কড়া পদক্ষেপের বার্তা।
    1
    আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো দিনহাটা থানার পুলিশ, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে আরও কড়া পদক্ষেপের বার্তা।
    user_Rahen Khandokar
    Rahen Khandokar
    Dinhata - I, Coochbehar•
    17 hrs ago
  • মাথাভাঙ্গা শহরে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো বিজেপির বিরুদ্ধে।তৃণমূলের দাবি দুদিন আগে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার লাগিয়েছিলেন কিন্তু রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোস্টার গুলো ছিড়ে ফেলেছে।দলীয় নেতৃত্বের সাথে কথা বলে মাথাভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান।তবে বিজেপির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
    1
    মাথাভাঙ্গা শহরে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো বিজেপির বিরুদ্ধে।তৃণমূলের দাবি দুদিন আগে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার লাগিয়েছিলেন কিন্তু রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোস্টার গুলো ছিড়ে ফেলেছে।দলীয় নেতৃত্বের সাথে কথা বলে মাথাভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান।তবে বিজেপির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
    user_Rajesh Das
    Rajesh Das
    Mathabhanga - I, Coochbehar•
    18 hrs ago
  • 'মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের', এই অভিযোগকে সামনে রেখে সোমবার সরব হল বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। সরাসরি পৌঁছে গেলেন ভারতীয় জনতা পার্টি-র জেলা নেতারা কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরে। গত কয়েকদিন ধরে কোচবিহারে একের পর এক বিজেপি নেতা ও কর্মীর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির দাবি, বেছে বেছে তাদের কর্মীদেরই টার্গেট করা হচ্ছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের কথায় প্রভাবিত হয়ে কিছু পুলিশকর্মী এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। সোমবার দুপুরে জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ বর্মন, নিখিল রঞ্জন দে এবং মিহির গোস্বামী সহ এক প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারের দপ্তরে যান। যদিও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে জানান তাঁরা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি— “মিথ্যে মামলায় জেলে ভরা হচ্ছে আমাদের কর্মীদের।” “কোচবিহারের সব পুলিশ নয়, কিছু সংখ্যক পুলিশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন নেতারা। তবে সতর্কবার্তাও স্পষ্ট— যদি এই প্রবণতা বন্ধ না হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি। কোচবিহারের রাজনীতিতে নতুন করে কি শুরু হতে চলেছে সংঘাতের অধ্যায়? এখন নজর পুলিশ প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপে।
    1
    'মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের', এই অভিযোগকে সামনে রেখে সোমবার সরব হল বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। সরাসরি পৌঁছে গেলেন ভারতীয় জনতা পার্টি-র জেলা নেতারা কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরে।
গত কয়েকদিন ধরে কোচবিহারে একের পর এক বিজেপি নেতা ও কর্মীর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির দাবি, বেছে বেছে তাদের কর্মীদেরই টার্গেট করা হচ্ছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের কথায় প্রভাবিত হয়ে কিছু পুলিশকর্মী এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।
সোমবার দুপুরে জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ বর্মন, নিখিল রঞ্জন দে এবং মিহির গোস্বামী সহ এক প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারের দপ্তরে যান। যদিও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে জানান তাঁরা।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি—
“মিথ্যে মামলায় জেলে ভরা হচ্ছে আমাদের কর্মীদের।”
“কোচবিহারের সব পুলিশ নয়, কিছু সংখ্যক পুলিশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন নেতারা। তবে সতর্কবার্তাও স্পষ্ট—
যদি এই প্রবণতা বন্ধ না হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি।
কোচবিহারের রাজনীতিতে নতুন করে কি শুরু হতে চলেছে সংঘাতের অধ্যায়? এখন নজর পুলিশ প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপে।
    user_News 20 Bangla
    News 20 Bangla
    Reporter কোচবিহার ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    21 hrs ago
  • শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ৫/২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপি ছেড়ে ৬টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন তৃণমূলের ওই বুথে বুথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তপন কুমার গুহ, অঞ্চল সভাপতি দীপক প্রামাণিক প্রমূখ।
    1
    শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ৫/২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপি ছেড়ে ৬টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন তৃণমূলের ওই বুথে বুথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তপন কুমার গুহ, অঞ্চল সভাপতি দীপক প্রামাণিক প্রমূখ।
    user_Sazzad Hossain Ahmed
    Sazzad Hossain Ahmed
    সাংবাদিক সিতাইকুচি, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    17 hrs ago
  • Post by جیارول میہ Jiyarul miah
    1
    Post by جیارول میہ Jiyarul miah
    user_جیارول میہ Jiyarul miah
    جیارول میہ Jiyarul miah
    সিতাইকুচি, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    17 hrs ago
  • আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মেলনী। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের একাধিক দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় প্রশাসনের কাছে। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে যে ‘মানবিক ভাতা’ বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, তা মাসে ১০০০ টাকা—যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের দাবি, এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ৫০০০ টাকা করতে হবে এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়মিতভাবে তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনিয়মিত ভাতা প্রদান এবং দীর্ঘসূত্রিতা বহু পরিবারকে চরম আর্থিক সঙ্কটে ফেলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে যাঁরা মানবিক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের আবেদন এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দ্রুত আবেদনগুলির যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে উপযুক্ত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করে ভাতা প্রদান শুরু করতে হবে। প্রতিনিধিদের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৬ হাজার বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশই আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং সরকারি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের খরচ বহন করতে বর্তমান ভাতার পরিমাণ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে বহু পরিবার ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে। এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুরক্ষিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি মানবিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত। জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার বিষয়েও তারা ভাবতে পারেন। তবে আপাতত তাঁরা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আলিপুরদুয়ারের বহু পরিবার।
    1
    আলিপুরদুয়ার জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মেলনী। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের একাধিক দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয় প্রশাসনের কাছে।
সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে যে ‘মানবিক ভাতা’ বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, তা মাসে ১০০০ টাকা—যা বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের দাবি, এই ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ৫০০০ টাকা করতে হবে এবং প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়মিতভাবে তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনিয়মিত ভাতা প্রদান এবং দীর্ঘসূত্রিতা বহু পরিবারকে চরম আর্থিক সঙ্কটে ফেলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে যাঁরা মানবিক ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের আবেদন এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে প্রকৃত উপভোক্তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, দ্রুত আবেদনগুলির যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে উপযুক্ত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করে ভাতা প্রদান শুরু করতে হবে।
প্রতিনিধিদের বক্তব্য, আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৫৬ হাজার বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশই আর্থিকভাবে অনগ্রসর এবং সরকারি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের খরচ বহন করতে বর্তমান ভাতার পরিমাণ অত্যন্ত অপ্রতুল। ফলে বহু পরিবার ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতেও হিমশিম খাচ্ছে।
এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার সুরক্ষিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি মানবিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হওয়া উচিত।
জেলাশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার বিষয়েও তারা ভাবতে পারেন। তবে আপাতত তাঁরা প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।
বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আলিপুরদুয়ারের বহু পরিবার।
    user_Pradip kundu
    Pradip kundu
    Local News Reporter কোচবিহার ১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ•
    1 hr ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.