বালাভুত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে জনসাধারণের হাতে তুলে দেওয়া হল উন্নয়নের পাঁচালী বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসর উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হল। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন পঞ্চায়েতের একাধিক বুথে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ নামে একটি পুস্তিকা তুলে দেওয়া হয় বাসিন্দাদের হাতে। ওই পুস্তিকায় গত কয়েক বছরে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, রাস্তা নির্মাণ, পানীয় জলের সংযোগ, আবাস যোজনা, শৌচালয় নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পসহ একাধিক পরিষেবার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞের সুফল যাতে প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত কয়েক বছরে নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে এবং সেই কাজের স্বচ্ছ হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতেই এই ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ কর্মসূচি। তিনি আরও জানান, অনেক সময় বিরোধীদের তরফে উন্নয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। তাই সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে কাজের খতিয়ান তুলে ধরা এবং তাঁদের মতামত শোনা—এই দু’টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিন বিভিন্ন বুথে দলীয় নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যা-অভিযোগও শোনেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তা সংস্কার, নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানীয় জলের লাইন সম্প্রসারণ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান—এই সব বিষয় বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে পুস্তিকায়। পাশাপাশি আগামী দিনে কী কী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। শাসকদল দাবি করেছে—উন্নয়নের স্বচ্ছ চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। গ্রামবাসীদের একাংশের বক্তব্য, সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নয়নের হিসাব তুলে ধরা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে গ্রাম স্তরে সংগঠন মজবুত করা এবং উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বালাভুত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে জনসাধারণের হাতে তুলে দেওয়া হল উন্নয়নের পাঁচালী বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসর উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হল। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এদিন পঞ্চায়েতের একাধিক বুথে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ নামে একটি পুস্তিকা তুলে দেওয়া হয় বাসিন্দাদের হাতে। ওই পুস্তিকায় গত কয়েক বছরে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, রাস্তা নির্মাণ, পানীয় জলের সংযোগ, আবাস যোজনা, শৌচালয় নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পসহ একাধিক পরিষেবার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা। প্রধান আফতার আলী ব্যাপারী বলেন, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞের সুফল যাতে প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত কয়েক বছরে নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে এবং সেই কাজের স্বচ্ছ হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতেই এই ‘উন্নয়নের পাঁচালী’ কর্মসূচি। তিনি আরও জানান, অনেক সময় বিরোধীদের তরফে উন্নয়ন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। তাই সরাসরি মানুষের দরজায় পৌঁছে কাজের খতিয়ান তুলে ধরা এবং তাঁদের মতামত শোনা—এই দু’টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিন বিভিন্ন বুথে দলীয় নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যা-অভিযোগও শোনেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তা সংস্কার, নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানীয় জলের লাইন সম্প্রসারণ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান—এই সব বিষয় বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে পুস্তিকায়। পাশাপাশি আগামী দিনে কী কী উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে। এদিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। শাসকদল দাবি করেছে—উন্নয়নের স্বচ্ছ চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। গ্রামবাসীদের একাংশের বক্তব্য, সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উন্নয়নের হিসাব তুলে ধরা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে গ্রাম স্তরে সংগঠন মজবুত করা এবং উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে বালাভূত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
- মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ার শহরের কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কা দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাতে গুরুতর জখম হলেন এক দোকান কর্মচারী। আহতের নাম সাজিদ আনসারী। বর্তমানে তিনি আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলেজ হল্ট সংলগ্ন রাস্তায় একটি ই-রিক্সা দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস চার চাকার একটি ছোট গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। অভিযোগ, ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা এসে দাঁড়িয়ে থাকা ই-রিক্সাটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জোর এতটাই ছিল যে ই-রিক্সাটি প্রায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং তাতে বসে থাকা দোকান কর্মচারী সাজিদ আনসারী গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতকে উদ্ধার করে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে একাধিক আঘাত রয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ হল্ট এলাকায় দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই রাস্তায় বাস ও অন্যান্য ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। প্রায়শই ওভারটেকের প্রতিযোগিতা চলে, যার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়। কিন্তু বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেই দাবি তাঁদের। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, কলেজ হল্ট এলাকাটি ব্যস্ততম হওয়ায় এখানে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, পথচারী ও ছোট যানবাহনের চলাচল অত্যন্ত বেশি। এমন পরিস্থিতিতে গতি নিয়ন্ত্রণে স্পিড ব্রেকার, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড কিংবা নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে তার অভাব রয়েছে বলেই অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বাসচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। এই দুর্ঘটনার পর ফের একবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে কলেজ হল্ট এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা। দ্রুতগতির যানবাহনের ওপর কড়া নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলেই মত স্থানীয়দের।1
- চুরি করতে এসে আগে মদের পার্টি! তারপর ঠান্ডা মাথায় গোয়াল ঘর খালি—এ যেন সিনেমার দৃশ্য, কিন্তু ঘটনাটি একেবারে বাস্তব। সোমবার গভীর রাতে রানীরহাট এলাকায় এমনই স্পর্ধার পরিচয় দিল চোরের দল। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের আলোকঝাড়িতে প্রথমে বসে জমিয়ে মদের আসর। স্থানীয়দের দাবি, গোয়াল ঘরের পাশেই পড়ে ছিল মদের বোতল ও প্লাস্টিকের গ্লাস—যেন ‘অপারেশন’-এর আগে উদযাপন! তারপর সুযোগ বুঝে তালা কেটে হিতেন রায়ের বাড়ি থেকে ২টি গরু ও ৩টি ছাগল উধাও। পাশের বাড়ির সরল অধিকারীর গোয়াল ঘরেও হানা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চুরি করতে এসে যদি এমন প্রকাশ্যে মদের পার্টি বসে, তাহলে চোরেদের সাহস কতটা বেড়েছে? এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এমনকি দিনের আলোতেও চুরি হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ধরা পড়েনি কেউ। মদের আসর বসিয়ে চুরি—এই বেপরোয়া মানসিকতা কি বড় কোনও চক্রের ইঙ্গিত? পুলিশ কি এবার ধরতে পারবে এই স্পর্ধিত চোরেদের? রানীরহাটে এখন একটাই প্রশ্ন— চোরের এমন ‘পার্টি কালচার’ থেকে কবে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ?1
- মঙ্গলবার কোচবিহার জেলাশাসক দপ্তরের সামনে থেকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রচারে এক সুসজ্জিত ট্যাবলোর সূচনা হলো। প্রকল্পের ব্যানার ও পোস্টারে সাজানো এই চলমান ট্যাবলোর যাত্রার সূচনা করেন কোচবিহার জেলাশাসক রাজু মিশ্র এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন। পতাকা নেড়ে ট্যাবলোর শুভ সূচনা করেন তাঁরা। এই উপলক্ষে সভাধিপতি সুমিতা বর্মন জানান, বাংলার বাড়ি প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতেই এই উদ্যোগ। তিনি আরও জানান, গোটা জেলার সমস্ত ব্লকের পাশাপাশি পৌরসভা এলাকাগুলিতেও এই ট্যাবলো ঘুরবে এবং মানুষের কাছে প্রকল্পের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন বলেই আশাবাদী প্রশাসন।1
- আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো দিনহাটা থানার পুলিশ, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে আরও কড়া পদক্ষেপের বার্তা।1
- শীতলকুচি ব্লকের ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ৫/২৭৩ নম্বর বুথে বিজেপি ছেড়ে ৬টি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন তৃণমূলের ওই বুথে বুথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তপন কুমার গুহ, অঞ্চল সভাপতি দীপক প্রামাণিক প্রমূখ।1
- Post by جیارول میہ Jiyarul miah1
- আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার মাথাভাঙ্গা পোস্টঅফিস মোড়ে এলাকায় বিজেপির উদ্যোগে বুধবার "বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির গ্যারান্টি" কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হলো।এদিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মাথাভাঙ্গা শহর মন্ডল সভাপতি প্রকাশ দাস, সম্পাদক শিব শংকর সাহা,কোচবিহার জেলা কমিটির সদস্য দিলীপ মন্ডল,যুব মোর্চার নেতা বাবান বর্মন সহ অন্যান্যরা ।বিজেপি নেতৃত্ব জানান, সাধারণ মানুষের মতামত,প্রস্তাব সরাসরি সংগ্রহ করতেই বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির গ্যারান্টি বক্স চালু করা হয়েছে। সাধারণ প্রত্যাশা জানতে এবং তা সমাধানের পথে এগোতেই এই উদ্যোগ।”বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই গ্যারান্টি বক্সের মাধ্যমে জনসংযোগ আরও মজবুত হবে এবং মানুষের আস্থা বাড়বে।1