logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

ম্যানগ্রোভের জীবনসংগ্রাম: সাংসারিক জীবনযুদ্ধে স্বামীহারা ভারতী নাইয়ার অদম্য লড়াই সুন্দরবন… একদিকে অপার সৌন্দর্য, অন্যদিকে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বুকেই জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে চলেছেন ভারতী নাইয়া। স্বামীহারা ভারতীর কাঁধেই এখন পুরো পরিবারের দায়িত্ব। সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশে নেই চাষবাসের জমি, নেই আয়ের তেমন কোনও বিকল্প পথ। তাই সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে প্রতিদিনই তাঁকে নামতে হয় বেঁচে থাকার অসম লড়াইয়ে। কাকভোরে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ছোট্ট ডিঙি নৌকা ভাসিয়ে নদীর খাঁড়ি পেরিয়ে ম্যানগ্রোভের গহিনে পৌঁছে যান ভারতী। এক হাতে কাদামাটির গভীর গর্ত খুঁড়ে খুঁজে চলেন কাঁকড়া। আর অন্যদিকে তাঁর সন্তানদের চোখ সবসময় জঙ্গলের দিকে। কারণ এই জঙ্গলে প্রতিটি মুহূর্তেই ওত পেতে থাকে আতঙ্ক। হঠাৎ বাঘের উপস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হলেই কাঁকড়া ধরা বন্ধ করে তড়িঘড়ি নৌকায় উঠে পড়তে হয়। আতঙ্ক কেটে গেলে ফের সাহস সঞ্চয় করে নামতে হয় সেই কাদায়। শুধু বাঘ নয়, সুন্দরবনে তাঁদের আর এক বড় শত্রু প্রকৃতি। মাঝনদীতে আচমকা ঝড়-বৃষ্টি। নদীর বুকের বিশাল ঢেউ তখন ছোট্ট নৌকাটিকেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সন্তানদের নিয়ে দ্রুত কোনও সরু খালের মুখে নৌকা ভিড়িয়ে আশ্রয় নিতে হয় ভারতীকে। বাইরে ঝড়, মাথার ওপর বজ্রপাতের আশঙ্কা, আর চারপাশে জঙ্গলের অন্ধকার। ছোট্ট নৌকার চালির নিচে সন্তানদের আগলে ধরে চুপ করে বসে থাকেন মা। অপেক্ষা করেন ঝড় থামার। ঝড় থামে। বিপদ কিছুটা কাটে। আর তারপরই আবার শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সারাদিন মাইলের পর মাইল কাদার মধ্যে হেঁটে, একের পর এক গর্ত খুঁড়ে কখনও দু’কেজি, কখনও তিন কেজি কাঁকড়া মেলে। আবার কোনও কোনও দিন ফিরতে হয় প্রায় খালি হাতেই। দিনশেষে সেই কাঁকড়া বিক্রি করে চাল-আটা কিনে ঘরে ফেরেন ভারতী। সন্তানদের জন্য রান্না করেন, তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেন। তারপর একটু বিশ্রাম। কারণ ভোর হলেই আবার সেই একই পথ। আবার নৌকা, নদী, কাদা, ম্যানগ্রোভ… আর প্রতিটি মুহূর্তে বাঘ ও প্রকৃতির আতঙ্ক। ভারতী নাইয়ার এই জীবন শুধু অভাবের গল্প নয়। এ গল্প এক মায়ের অসীম মমতার। এ গল্প অদম্য সাহসের। এ গল্প প্রতিদিন নিজের জীবনকে বাজি রেখে সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার এক মায়ের আত্মত্যাগের। সুন্দরবনের এই কঠিন বাস্তবতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর বন্যপ্রাণীর আতঙ্ককে সঙ্গী করেই প্রতিদিন লড়াই করে চলেছেন ভারতী। তাঁর লড়াই থামে না। কারণ তাঁর লড়াই শুধু নিজের জন্য নয়— সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। কুলতলী থেকে রফিকুল ঢালী। রিপোর্ট—খবর কুলতলী

13 hrs ago
user_খবর কুলতলী
খবর কুলতলী
কুলতলী, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
13 hrs ago

ম্যানগ্রোভের জীবনসংগ্রাম: সাংসারিক জীবনযুদ্ধে স্বামীহারা ভারতী নাইয়ার অদম্য লড়াই সুন্দরবন… একদিকে অপার সৌন্দর্য, অন্যদিকে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বুকেই জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে চলেছেন ভারতী নাইয়া। স্বামীহারা ভারতীর কাঁধেই এখন পুরো পরিবারের দায়িত্ব। সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশে নেই চাষবাসের জমি, নেই আয়ের তেমন কোনও বিকল্প পথ। তাই সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে প্রতিদিনই তাঁকে নামতে হয় বেঁচে থাকার অসম লড়াইয়ে। কাকভোরে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ছোট্ট ডিঙি নৌকা ভাসিয়ে নদীর খাঁড়ি পেরিয়ে ম্যানগ্রোভের গহিনে পৌঁছে যান ভারতী। এক হাতে কাদামাটির গভীর গর্ত খুঁড়ে খুঁজে চলেন কাঁকড়া। আর অন্যদিকে তাঁর সন্তানদের চোখ সবসময় জঙ্গলের দিকে। কারণ এই জঙ্গলে প্রতিটি মুহূর্তেই ওত পেতে থাকে আতঙ্ক। হঠাৎ বাঘের উপস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হলেই কাঁকড়া ধরা বন্ধ করে তড়িঘড়ি নৌকায় উঠে পড়তে হয়। আতঙ্ক কেটে গেলে ফের সাহস সঞ্চয় করে নামতে হয় সেই কাদায়। শুধু বাঘ নয়, সুন্দরবনে তাঁদের আর এক বড় শত্রু প্রকৃতি। মাঝনদীতে আচমকা ঝড়-বৃষ্টি। নদীর বুকের বিশাল ঢেউ তখন ছোট্ট নৌকাটিকেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সন্তানদের নিয়ে দ্রুত কোনও সরু খালের মুখে নৌকা ভিড়িয়ে আশ্রয় নিতে হয় ভারতীকে। বাইরে ঝড়, মাথার ওপর বজ্রপাতের আশঙ্কা, আর চারপাশে জঙ্গলের অন্ধকার। ছোট্ট নৌকার চালির নিচে সন্তানদের আগলে ধরে চুপ করে বসে থাকেন মা। অপেক্ষা করেন ঝড় থামার। ঝড় থামে। বিপদ কিছুটা কাটে। আর তারপরই আবার শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সারাদিন মাইলের পর মাইল কাদার মধ্যে হেঁটে, একের পর এক গর্ত খুঁড়ে কখনও দু’কেজি, কখনও তিন কেজি কাঁকড়া মেলে। আবার কোনও কোনও দিন ফিরতে হয় প্রায় খালি হাতেই। দিনশেষে সেই কাঁকড়া বিক্রি করে চাল-আটা কিনে ঘরে ফেরেন ভারতী। সন্তানদের জন্য রান্না করেন, তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেন। তারপর একটু বিশ্রাম। কারণ ভোর হলেই আবার সেই একই পথ। আবার নৌকা, নদী, কাদা, ম্যানগ্রোভ… আর প্রতিটি মুহূর্তে বাঘ ও প্রকৃতির আতঙ্ক। ভারতী নাইয়ার এই জীবন শুধু অভাবের গল্প নয়। এ গল্প এক মায়ের অসীম মমতার। এ গল্প অদম্য সাহসের। এ গল্প প্রতিদিন নিজের জীবনকে বাজি রেখে সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার এক মায়ের আত্মত্যাগের। সুন্দরবনের এই কঠিন বাস্তবতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর বন্যপ্রাণীর আতঙ্ককে সঙ্গী করেই প্রতিদিন লড়াই করে চলেছেন ভারতী। তাঁর লড়াই থামে না। কারণ তাঁর লড়াই শুধু নিজের জন্য নয়— সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। কুলতলী থেকে রফিকুল ঢালী। রিপোর্ট—খবর কুলতলী

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • কুলতলীতে ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছে, তেমনই বাড়ছে সাইবার অপরাধের আশঙ্কা। বিশেষ করে পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো লিঙ্ক, ফিশিং, সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্ট। সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় কুলতলীর জামতলা ভগবানচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কর্মশালায় ছাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক না করা, অজানা নম্বর থেকে আসা ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, ওটিপি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়গুলি। পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কীভাবে অভিযোগ জানাতে হবে, সে সম্পর্কেও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামতলা ভগবানচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা প্রবীর মিশ্র ও প্রদীপ মাইতি-সহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মশালাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রশংসা করা হয়। কুলতলীতে ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা।অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা। বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছে, তেমনই বাড়ছে সাইবার অপরাধের আশঙ্কা। বিশেষ করে পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো লিঙ্ক, ফিশিং, সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্ট।সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় কুলতলীর জামতলা ভগবানচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কর্মশালায় ছাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক না করা, অজানা নম্বর থেকে আসা ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, ওটিপি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়গুলি। পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কীভাবে অভিযোগ জানাতে হবে, সে সম্পর্কেও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামতলা ভগবানচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা প্রবীর মিশ্র ও প্রদীপ মাইতি-সহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মশালাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রশংসা করা হয়।
    1
    কুলতলীতে ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা

অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা



বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছে, তেমনই বাড়ছে সাইবার অপরাধের আশঙ্কা। বিশেষ করে পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো লিঙ্ক, ফিশিং, সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্ট।

সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় কুলতলীর জামতলা ভগবানচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কর্মশালায় ছাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক না করা, অজানা নম্বর থেকে আসা ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, ওটিপি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়গুলি। পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কীভাবে অভিযোগ জানাতে হবে, সে সম্পর্কেও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামতলা ভগবানচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা প্রবীর মিশ্র ও প্রদীপ মাইতি-সহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মশালাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রশংসা করা হয়।
কুলতলীতে ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা।অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা। বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছে, তেমনই বাড়ছে সাইবার অপরাধের আশঙ্কা। বিশেষ করে পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো লিঙ্ক, ফিশিং, সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্ট।সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় কুলতলীর জামতলা ভগবানচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কর্মশালায় ছাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক না করা, অজানা নম্বর থেকে আসা ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, ওটিপি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়গুলি। পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কীভাবে অভিযোগ জানাতে হবে, সে সম্পর্কেও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামতলা ভগবানচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা প্রবীর মিশ্র ও প্রদীপ মাইতি-সহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মশালাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রশংসা করা হয়।
    user_খবর জয়নগর কুলতলি সুন্দরবন
    খবর জয়নগর কুলতলি সুন্দরবন
    Court reporter কুলতলী, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • ম্যানগ্রোভের জীবনসংগ্রাম: সাংসারিক জীবনযুদ্ধে স্বামীহারা ভারতী নাইয়ার অদম্য লড়াই সুন্দরবন… একদিকে অপার সৌন্দর্য, অন্যদিকে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বুকেই জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে চলেছেন ভারতী নাইয়া। স্বামীহারা ভারতীর কাঁধেই এখন পুরো পরিবারের দায়িত্ব। সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশে নেই চাষবাসের জমি, নেই আয়ের তেমন কোনও বিকল্প পথ। তাই সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে প্রতিদিনই তাঁকে নামতে হয় বেঁচে থাকার অসম লড়াইয়ে। কাকভোরে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ছোট্ট ডিঙি নৌকা ভাসিয়ে নদীর খাঁড়ি পেরিয়ে ম্যানগ্রোভের গহিনে পৌঁছে যান ভারতী। এক হাতে কাদামাটির গভীর গর্ত খুঁড়ে খুঁজে চলেন কাঁকড়া। আর অন্যদিকে তাঁর সন্তানদের চোখ সবসময় জঙ্গলের দিকে। কারণ এই জঙ্গলে প্রতিটি মুহূর্তেই ওত পেতে থাকে আতঙ্ক। হঠাৎ বাঘের উপস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হলেই কাঁকড়া ধরা বন্ধ করে তড়িঘড়ি নৌকায় উঠে পড়তে হয়। আতঙ্ক কেটে গেলে ফের সাহস সঞ্চয় করে নামতে হয় সেই কাদায়। শুধু বাঘ নয়, সুন্দরবনে তাঁদের আর এক বড় শত্রু প্রকৃতি। মাঝনদীতে আচমকা ঝড়-বৃষ্টি। নদীর বুকের বিশাল ঢেউ তখন ছোট্ট নৌকাটিকেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সন্তানদের নিয়ে দ্রুত কোনও সরু খালের মুখে নৌকা ভিড়িয়ে আশ্রয় নিতে হয় ভারতীকে। বাইরে ঝড়, মাথার ওপর বজ্রপাতের আশঙ্কা, আর চারপাশে জঙ্গলের অন্ধকার। ছোট্ট নৌকার চালির নিচে সন্তানদের আগলে ধরে চুপ করে বসে থাকেন মা। অপেক্ষা করেন ঝড় থামার। ঝড় থামে। বিপদ কিছুটা কাটে। আর তারপরই আবার শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সারাদিন মাইলের পর মাইল কাদার মধ্যে হেঁটে, একের পর এক গর্ত খুঁড়ে কখনও দু’কেজি, কখনও তিন কেজি কাঁকড়া মেলে। আবার কোনও কোনও দিন ফিরতে হয় প্রায় খালি হাতেই। দিনশেষে সেই কাঁকড়া বিক্রি করে চাল-আটা কিনে ঘরে ফেরেন ভারতী। সন্তানদের জন্য রান্না করেন, তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেন। তারপর একটু বিশ্রাম। কারণ ভোর হলেই আবার সেই একই পথ। আবার নৌকা, নদী, কাদা, ম্যানগ্রোভ… আর প্রতিটি মুহূর্তে বাঘ ও প্রকৃতির আতঙ্ক। ভারতী নাইয়ার এই জীবন শুধু অভাবের গল্প নয়। এ গল্প এক মায়ের অসীম মমতার। এ গল্প অদম্য সাহসের। এ গল্প প্রতিদিন নিজের জীবনকে বাজি রেখে সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার এক মায়ের আত্মত্যাগের। সুন্দরবনের এই কঠিন বাস্তবতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর বন্যপ্রাণীর আতঙ্ককে সঙ্গী করেই প্রতিদিন লড়াই করে চলেছেন ভারতী। তাঁর লড়াই থামে না। কারণ তাঁর লড়াই শুধু নিজের জন্য নয়— সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। কুলতলী থেকে রফিকুল ঢালী। রিপোর্ট—খবর কুলতলী
    1
    ম্যানগ্রোভের জীবনসংগ্রাম:
সাংসারিক জীবনযুদ্ধে স্বামীহারা ভারতী নাইয়ার অদম্য লড়াই
সুন্দরবন… একদিকে অপার সৌন্দর্য, অন্যদিকে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই।
এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বুকেই জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে চলেছেন ভারতী নাইয়া।
স্বামীহারা ভারতীর কাঁধেই এখন পুরো পরিবারের দায়িত্ব।
সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশে নেই চাষবাসের জমি, নেই আয়ের তেমন কোনও বিকল্প পথ। তাই সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে প্রতিদিনই তাঁকে নামতে হয় বেঁচে থাকার অসম লড়াইয়ে।
কাকভোরে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ছোট্ট ডিঙি নৌকা ভাসিয়ে নদীর খাঁড়ি পেরিয়ে ম্যানগ্রোভের গহিনে পৌঁছে যান ভারতী।
এক হাতে কাদামাটির গভীর গর্ত খুঁড়ে খুঁজে চলেন কাঁকড়া। আর অন্যদিকে তাঁর সন্তানদের চোখ সবসময় জঙ্গলের দিকে।
কারণ এই জঙ্গলে প্রতিটি মুহূর্তেই ওত পেতে থাকে আতঙ্ক।
হঠাৎ বাঘের উপস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হলেই কাঁকড়া ধরা বন্ধ করে তড়িঘড়ি নৌকায় উঠে পড়তে হয়। আতঙ্ক কেটে গেলে ফের সাহস সঞ্চয় করে নামতে হয় সেই কাদায়।
শুধু বাঘ নয়, সুন্দরবনে তাঁদের আর এক বড় শত্রু প্রকৃতি।
মাঝনদীতে আচমকা ঝড়-বৃষ্টি। নদীর বুকের বিশাল ঢেউ তখন ছোট্ট নৌকাটিকেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সন্তানদের নিয়ে দ্রুত কোনও সরু খালের মুখে নৌকা ভিড়িয়ে আশ্রয় নিতে হয় ভারতীকে।
বাইরে ঝড়, মাথার ওপর বজ্রপাতের আশঙ্কা, আর চারপাশে জঙ্গলের অন্ধকার।
ছোট্ট নৌকার চালির নিচে সন্তানদের আগলে ধরে চুপ করে বসে থাকেন মা।
অপেক্ষা করেন ঝড় থামার।
ঝড় থামে। বিপদ কিছুটা কাটে।
আর তারপরই আবার শুরু হয় জীবনযুদ্ধ।
সারাদিন মাইলের পর মাইল কাদার মধ্যে হেঁটে, একের পর এক গর্ত খুঁড়ে কখনও দু’কেজি, কখনও তিন কেজি কাঁকড়া মেলে। আবার কোনও কোনও দিন ফিরতে হয় প্রায় খালি হাতেই।
দিনশেষে সেই কাঁকড়া বিক্রি করে চাল-আটা কিনে ঘরে ফেরেন ভারতী।
সন্তানদের জন্য রান্না করেন, তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেন।
তারপর একটু বিশ্রাম।
কারণ ভোর হলেই আবার সেই একই পথ।
আবার নৌকা, নদী, কাদা, ম্যানগ্রোভ… আর প্রতিটি মুহূর্তে বাঘ ও প্রকৃতির আতঙ্ক।
ভারতী নাইয়ার এই জীবন শুধু অভাবের গল্প নয়।
এ গল্প এক মায়ের অসীম মমতার।
এ গল্প অদম্য সাহসের।
এ গল্প প্রতিদিন নিজের জীবনকে বাজি রেখে সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার এক মায়ের আত্মত্যাগের।
সুন্দরবনের এই কঠিন বাস্তবতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর বন্যপ্রাণীর আতঙ্ককে সঙ্গী করেই প্রতিদিন লড়াই করে চলেছেন ভারতী।
তাঁর লড়াই থামে না।
কারণ তাঁর লড়াই শুধু নিজের জন্য নয়—
সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। 
কুলতলী থেকে রফিকুল ঢালী।
রিপোর্ট—খবর কুলতলী
    user_খবর কুলতলী
    খবর কুলতলী
    কুলতলী, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    13 hrs ago
  • প্রবল বৃষ্টিতে আমন ধানের দফারফা, কচুরিপানায় ঢেকেছে ধানক্ষেত। মাথায় হাত সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর কৃষকদের।বর্ষা শেষে শরতের আগমনী বার্তা শোনার কথা ছিল সবুজে মোড়া আমন ধানের খেতে। মৃদুমন্দ বাতাসে দুলবে ধানের শিষ, ভোরের শিশিরে ঝলমল করবে ধানগাছ—এমনই প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছিলেন সুন্দরবন লাগোয়া এলাকার কৃষকেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই ফিকে। ধানক্ষেতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দেখা দিয়েছে কচুরিপানার দাপট। কোথাও কোথাও কচুরিপানার স্তর এতটাই ঘন হয়ে উঠেছে যে, তার নিচে ধানের গাছই দেখা যাচ্ছে না। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর জালাবেড়িয়া ১ নম্বর অঞ্চলের পালেরচক এলাকায় এমনই ছবি ধরা পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, আমন ধান রোপণের পর থেকেই অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জমিতে জল জমে থাকার কারণে কচুরিপানার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। ধানের গাছের উপর দিয়েও ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপানা। ফলে সূর্যের আলো ও বাতাস ঠিকমতো না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের গাছ। কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো জমি থেকে কচুরিপানা সরানো না গেলে আমন ধানের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বহু কৃষক শ্রমিক লাগিয়ে জমি পরিষ্কার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু একদিকে অতিরিক্ত শ্রমের খরচ, অন্যদিকে বারবার বৃষ্টির কারণে সেই কাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিবছর আমন ধান সুন্দরবন এলাকার বহু কৃষক পরিবারের প্রধান ভরসা। এই ধানের ফলনের উপর নির্ভর করে চলে সংসার। তাই ধানক্ষেতে কচুরিপানার এমন দাপটে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা। কৃষকদের দাবি, দ্রুত কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হোক। প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে এবার আমন ধানের ফলন কতটা ঘরে তুলতে পারবেন, এখন সেই চিন্তাতেই দিন কাটছে পালেরচকের কৃষকদের। প্রবল বৃষ্টিতে আমন ধানের দফারফা, কচুরিপানায় ঢেকেছে ধানক্ষেত। মাথায় হাত সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর কৃষকদের।বর্ষা শেষে শরতের আগমনী বার্তা শোনার কথা ছিল সবুজে মোড়া আমন ধানের খেতে। মৃদুমন্দ বাতাসে দুলবে ধানের শিষ, ভোরের শিশিরে ঝলমল করবে ধানগাছ—এমনই প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছিলেন সুন্দরবন লাগোয়া এলাকার কৃষকেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই ফিকে। ধানক্ষেতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দেখা দিয়েছে কচুরিপানার দাপট। কোথাও কোথাও কচুরিপানার স্তর এতটাই ঘন হয়ে উঠেছে যে, তার নিচে ধানের গাছই দেখা যাচ্ছে না। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর জালাবেড়িয়া ১ নম্বর অঞ্চলের পালেরচক এলাকায় এমনই ছবি ধরা পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, আমন ধান রোপণের পর থেকেই অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জমিতে জল জমে থাকার কারণে কচুরিপানার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। ধানের গাছের উপর দিয়েও ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপানা। ফলে সূর্যের আলো ও বাতাস ঠিকমতো না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের গাছ। কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো জমি থেকে কচুরিপানা সরানো না গেলে আমন ধানের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বহু কৃষক শ্রমিক লাগিয়ে জমি পরিষ্কার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু একদিকে অতিরিক্ত শ্রমের খরচ, অন্যদিকে বারবার বৃষ্টির কারণে সেই কাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিবছর আমন ধান সুন্দরবন এলাকার বহু কৃষক পরিবারের প্রধান ভরসা। এই ধানের ফলনের উপর নির্ভর করে চলে সংসার। তাই ধানক্ষেতে কচুরিপানার এমন দাপটে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা। কৃষকদের দাবি, দ্রুত কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হোক। প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে এবার আমন ধানের ফলন কতটা ঘরে তুলতে পারবেন, এখন সেই চিন্তাতেই দিন কাটছে পালেরচকের কৃষকদের।
    1
    প্রবল বৃষ্টিতে আমন ধানের দফারফা, কচুরিপানায় ঢেকেছে ধানক্ষেত।
মাথায় হাত সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর কৃষকদের।বর্ষা 
শেষে শরতের আগমনী বার্তা শোনার কথা ছিল সবুজে মোড়া আমন ধানের খেতে। মৃদুমন্দ বাতাসে দুলবে ধানের শিষ, ভোরের শিশিরে ঝলমল করবে ধানগাছ—এমনই প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছিলেন সুন্দরবন লাগোয়া এলাকার কৃষকেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই ফিকে। ধানক্ষেতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দেখা দিয়েছে কচুরিপানার দাপট। কোথাও কোথাও কচুরিপানার স্তর এতটাই ঘন হয়ে উঠেছে যে, তার নিচে ধানের গাছই দেখা যাচ্ছে না।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর জালাবেড়িয়া ১ নম্বর অঞ্চলের পালেরচক এলাকায় এমনই ছবি ধরা পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, আমন ধান রোপণের পর থেকেই অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জমিতে জল জমে থাকার কারণে কচুরিপানার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। ধানের গাছের উপর দিয়েও ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপানা। ফলে সূর্যের আলো ও বাতাস ঠিকমতো না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের গাছ।

কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো জমি থেকে কচুরিপানা সরানো না গেলে আমন ধানের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বহু কৃষক শ্রমিক লাগিয়ে জমি পরিষ্কার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু একদিকে অতিরিক্ত শ্রমের খরচ, অন্যদিকে বারবার বৃষ্টির কারণে সেই কাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিবছর আমন ধান সুন্দরবন এলাকার বহু কৃষক পরিবারের প্রধান ভরসা। এই ধানের ফলনের উপর নির্ভর করে চলে সংসার। তাই ধানক্ষেতে কচুরিপানার এমন দাপটে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা।

কৃষকদের দাবি, দ্রুত কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হোক। প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে এবার আমন ধানের ফলন কতটা ঘরে তুলতে পারবেন, এখন সেই চিন্তাতেই দিন কাটছে পালেরচকের কৃষকদের।
প্রবল বৃষ্টিতে আমন ধানের দফারফা, কচুরিপানায় ঢেকেছে ধানক্ষেত।
মাথায় হাত সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর কৃষকদের।বর্ষা 
শেষে শরতের আগমনী বার্তা শোনার কথা ছিল সবুজে মোড়া আমন ধানের খেতে। মৃদুমন্দ বাতাসে দুলবে ধানের শিষ, ভোরের শিশিরে ঝলমল করবে ধানগাছ—এমনই প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছিলেন সুন্দরবন লাগোয়া এলাকার কৃষকেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে সেই স্বপ্ন এখন অনেকটাই ফিকে। ধানক্ষেতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দেখা দিয়েছে কচুরিপানার দাপট। কোথাও কোথাও কচুরিপানার স্তর এতটাই ঘন হয়ে উঠেছে যে, তার নিচে ধানের গাছই দেখা যাচ্ছে না।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর জালাবেড়িয়া ১ নম্বর অঞ্চলের পালেরচক এলাকায় এমনই ছবি ধরা পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, আমন ধান রোপণের পর থেকেই অতিরিক্ত বৃষ্টি ও জমিতে জল জমে থাকার কারণে কচুরিপানার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। ধানের গাছের উপর দিয়েও ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপানা। ফলে সূর্যের আলো ও বাতাস ঠিকমতো না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের গাছ।
কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো জমি থেকে কচুরিপানা সরানো না গেলে আমন ধানের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বহু কৃষক শ্রমিক লাগিয়ে জমি পরিষ্কার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু একদিকে অতিরিক্ত শ্রমের খরচ, অন্যদিকে বারবার বৃষ্টির কারণে সেই কাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিবছর আমন ধান সুন্দরবন এলাকার বহু কৃষক পরিবারের প্রধান ভরসা। এই ধানের ফলনের উপর নির্ভর করে চলে সংসার। তাই ধানক্ষেতে কচুরিপানার এমন দাপটে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হোক। প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে এবার আমন ধানের ফলন কতটা ঘরে তুলতে পারবেন, এখন সেই চিন্তাতেই দিন কাটছে পালেরচকের কৃষকদের।
    user_খবর জয়নগর কুলতলি সুন্দরবন
    খবর জয়নগর কুলতলি সুন্দরবন
    Photographer কুলতলী, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    19 hrs ago
  • অনাস্থার পর বড়সড় পরিবর্তন বামনগাছিতে! অনাস্থা প্রস্তাবের পর অবশেষে বামনগাছি অঞ্চলে গঠিত হল নতুন উপপ্রধান। দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও রাজনৈতিক জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই পরিবর্তনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নতুন উপপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বামনগাছি অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার মানুষের প্রত্যাশা—রাজনীতি নয়, উন্নয়নই হোক প্রধান লক্ষ্য; সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন পাক নতুন গতি। অনাস্থার পর নতুন নেতৃত্বের এই আত্মপ্রকাশ আগামী দিনে বামনগাছির রাজনীতিতে কতটা পরিবর্তন আনে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের। নতুন নেতৃত্ব, নতুন প্রত্যাশা—বামনগাছির উন্নয়নের পথে এবার নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
    1
    অনাস্থার পর বড়সড় পরিবর্তন বামনগাছিতে! অনাস্থা প্রস্তাবের পর অবশেষে বামনগাছি অঞ্চলে গঠিত হল নতুন উপপ্রধান। 
দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও রাজনৈতিক জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই পরিবর্তনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
নতুন উপপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বামনগাছি অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার মানুষের প্রত্যাশা—রাজনীতি নয়, উন্নয়নই হোক প্রধান লক্ষ্য; সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন পাক নতুন গতি।
অনাস্থার পর নতুন নেতৃত্বের এই আত্মপ্রকাশ আগামী দিনে বামনগাছির রাজনীতিতে কতটা পরিবর্তন আনে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের।
নতুন নেতৃত্ব, নতুন প্রত্যাশা—বামনগাছির উন্নয়নের পথে এবার নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
    user_মানব বার্তার নিউজ
    মানব বার্তার নিউজ
    Journalist Jaynagar - I, 24 Paraganas South•
    15 hrs ago
  • বামেদের সাথে জোট নয়! নওশাদ সিদ্দিকীর বড় ঘোষণা - রেজিনগর ছাড়ল ISF, টার্গেট নন্দীগ্রাম
    1
    বামেদের সাথে জোট নয়! নওশাদ

সিদ্দিকীর বড় ঘোষণা - রেজিনগর ছাড়ল ISF, টার্গেট নন্দীগ্রাম
    user_Gopi kishor Bera
    Gopi kishor Bera
    journalist কুলপি, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে হলেন নিহত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে হলদিয়ায় এসডিও অফিসে মনোনয়নে জমা দিলেন।
    1
    নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে হলেন নিহত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে হলদিয়ায় এসডিও অফিসে মনোনয়নে জমা দিলেন।
    user_Rajesh Sasmal
    Rajesh Sasmal
    Photographer হলদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ২ প্রদেশ কংগ্রেসের নতুন সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করেন। প্রদেশ কংগ্রেসের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ২ বারুইপুর রেলগেটে কার্যালয় মঙ্গলবার বিকালে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি তপন মন্ডল সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি কি বলেছেন তা শুনুন?
    1
    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ২ প্রদেশ কংগ্রেসের নতুন সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করেন।
প্রদেশ কংগ্রেসের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ২ বারুইপুর রেলগেটে কার্যালয় মঙ্গলবার বিকালে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি তপন মন্ডল সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি কি বলেছেন তা শুনুন?
    user_প্রদীপ কুমার সিংহ
    প্রদীপ কুমার সিংহ
    বারুইপুর, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    8 hrs ago
  • Nagma Restaurant, chanserpur Bazar, Tamluk, Purba Medinipur Hello bondhura, welcome to Nagma Restaurant, Chanserpur Bazar! এখানে পাবেন সুস্বাদু Chicken Chowmein, Chicken Cutlet, Chicken Pakora এবং Chicken Egg Roll। তাহলে আর দেরি কেন? আজই চলে আসুন Nagma Restaurant-এ!” 🎙️
    1
    Nagma Restaurant, chanserpur Bazar, Tamluk, Purba Medinipur 
Hello bondhura, welcome to Nagma Restaurant, Chanserpur Bazar! এখানে পাবেন সুস্বাদু Chicken Chowmein, Chicken Cutlet, Chicken Pakora এবং Chicken Egg Roll। তাহলে আর দেরি কেন? আজই চলে আসুন Nagma Restaurant-এ!” 🎙️
    user_SK SANOWAR ALI
    SK SANOWAR ALI
    Local News Reporter তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    8 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.