Shuru
Apke Nagar Ki App…
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে হলেন নিহত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে হলদিয়ায় এসডিও অফিসে মনোনয়নে জমা দিলেন।
Rajesh Sasmal
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে হলেন নিহত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে হলদিয়ায় এসডিও অফিসে মনোনয়নে জমা দিলেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে হলেন নিহত চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি রথ। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে হলদিয়ায় এসডিও অফিসে মনোনয়নে জমা দিলেন।1
- বামেদের সাথে জোট নয়! নওশাদ সিদ্দিকীর বড় ঘোষণা - রেজিনগর ছাড়ল ISF, টার্গেট নন্দীগ্রাম1
- Nagma Restaurant, chanserpur Bazar, Tamluk, Purba Medinipur Hello bondhura, welcome to Nagma Restaurant, Chanserpur Bazar! এখানে পাবেন সুস্বাদু Chicken Chowmein, Chicken Cutlet, Chicken Pakora এবং Chicken Egg Roll। তাহলে আর দেরি কেন? আজই চলে আসুন Nagma Restaurant-এ!” 🎙️1
- আরও সময় পেলেন না টুলু মণ্ডল, ‘ঘোষিত অপরাধী’ ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরুর পথে নিম্ন আদালতের নির্দেশকে সামনে রেখে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে আরও এক ধাপ এগোতে চলেছে আইনি প্রক্রিয়া। কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর করা মামলা এখনও বিচারাধীন থাকলেও, সোমবার সিউড়ি এসিজেএম আদালতে হাজিরার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়ে করা আবেদন খারিজ হয়েছে। টুলু মণ্ডলের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর সেই মামলার শুনানি হলেও তা শেষ হয়নি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ফের শুনানি রয়েছে। তাই ওই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি সিউড়ি আদালতের বিচারক। এর আগে গত ১১ অগস্টের নির্দেশের পর টুলু মণ্ডলকে পলাতক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আদালতে হাজিরার নির্দেশ জানাতে সোঁতসাল ও সিউড়িতে মাইকিং করা হয়েছিল। সিউড়িতে তাঁর বাড়িতেও আদালতের নোটিস দেওয়া হয়। সেখানে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে নিজের বক্তব্য জানানোর সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও টুলু মণ্ডল নিজে আদালতে হাজির হননি। তাঁর হয়ে আইনজীবীরা আদালতে আবেদন করেন। সেই আবেদন খারিজ হওয়ায় এবার তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের পথ আরও স্পষ্ট হল। আইনজীবীদের একাংশের মতে, আদালতের অনুমতি নিয়ে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে প্রোক্লেমেশনের নোটিস জারির প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, হাইকোর্টে মামলা চললেও নিম্ন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন আইনি জটিলতা তৈরি হল। আরও সময় পেলেন না টুলু মণ্ডল, ‘ঘোষিত অপরাধী’ ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরুর পথে নিম্ন আদালতের নির্দেশকে সামনে রেখে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে আরও এক ধাপ এগোতে চলেছে আইনি প্রক্রিয়া। কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর করা মামলা এখনও বিচারাধীন থাকলেও, সোমবার সিউড়ি এসিজেএম আদালতে হাজিরার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়ে করা আবেদন খারিজ হয়েছে। টুলু মণ্ডলের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর সেই মামলার শুনানি হলেও তা শেষ হয়নি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ফের শুনানি রয়েছে। তাই ওই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে সেই আবেদন মঞ্জুর করেননি সিউড়ি আদালতের বিচারক। এর আগে গত ১১ অগস্টের নির্দেশের পর টুলু মণ্ডলকে পলাতক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আদালতে হাজিরার নির্দেশ জানাতে সোঁতসাল ও সিউড়িতে মাইকিং করা হয়েছিল। সিউড়িতে তাঁর বাড়িতেও আদালতের নোটিস দেওয়া হয়। সেখানে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে নিজের বক্তব্য জানানোর সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও টুলু মণ্ডল নিজে আদালতে হাজির হননি। তাঁর হয়ে আইনজীবীরা আদালতে আবেদন করেন। সেই আবেদন খারিজ হওয়ায় এবার তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের পথ আরও স্পষ্ট হল। আইনজীবীদের একাংশের মতে, আদালতের অনুমতি নিয়ে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে প্রোক্লেমেশনের নোটিস জারির প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, হাইকোর্টে মামলা চললেও নিম্ন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন আইনি জটিলতা তৈরি হল।1
- কুলতলীতে ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছে, তেমনই বাড়ছে সাইবার অপরাধের আশঙ্কা। বিশেষ করে পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো লিঙ্ক, ফিশিং, সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্ট। সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় কুলতলীর জামতলা ভগবানচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কর্মশালায় ছাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক না করা, অজানা নম্বর থেকে আসা ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, ওটিপি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়গুলি। পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কীভাবে অভিযোগ জানাতে হবে, সে সম্পর্কেও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামতলা ভগবানচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা প্রবীর মিশ্র ও প্রদীপ মাইতি-সহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মশালাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রশংসা করা হয়। কুলতলীতে ছাত্রীদের নিয়ে সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা।অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা। বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট যেমন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলেছে, তেমনই বাড়ছে সাইবার অপরাধের আশঙ্কা। বিশেষ করে পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো লিঙ্ক, ফিশিং, সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্ট।সংগঠনের ব্যবস্থাপনায় কুলতলীর জামতলা ভগবানচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শত ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হল সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। কর্মশালায় ছাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, অপরিচিত ব্যক্তির পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক না করা, অজানা নম্বর থেকে আসা ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, ওটিপি ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়গুলি। পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কীভাবে অভিযোগ জানাতে হবে, সে সম্পর্কেও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামতলা ভগবানচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা প্রবীর মিশ্র ও প্রদীপ মাইতি-সহ অন্যান্যরা। বক্তারা বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সাইবার প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মশালাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মিসিং লিঙ্ক ট্রাস্টের এই উদ্যোগকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রশংসা করা হয়।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ২ প্রদেশ কংগ্রেসের নতুন সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করেন। প্রদেশ কংগ্রেসের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ২ বারুইপুর রেলগেটে কার্যালয় মঙ্গলবার বিকালে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি তপন মন্ডল সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি কি বলেছেন তা শুনুন?1
- ম্যানগ্রোভের জীবনসংগ্রাম: সাংসারিক জীবনযুদ্ধে স্বামীহারা ভারতী নাইয়ার অদম্য লড়াই সুন্দরবন… একদিকে অপার সৌন্দর্য, অন্যদিকে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বুকেই জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে চলেছেন ভারতী নাইয়া। স্বামীহারা ভারতীর কাঁধেই এখন পুরো পরিবারের দায়িত্ব। সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশে নেই চাষবাসের জমি, নেই আয়ের তেমন কোনও বিকল্প পথ। তাই সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে প্রতিদিনই তাঁকে নামতে হয় বেঁচে থাকার অসম লড়াইয়ে। কাকভোরে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ছোট্ট ডিঙি নৌকা ভাসিয়ে নদীর খাঁড়ি পেরিয়ে ম্যানগ্রোভের গহিনে পৌঁছে যান ভারতী। এক হাতে কাদামাটির গভীর গর্ত খুঁড়ে খুঁজে চলেন কাঁকড়া। আর অন্যদিকে তাঁর সন্তানদের চোখ সবসময় জঙ্গলের দিকে। কারণ এই জঙ্গলে প্রতিটি মুহূর্তেই ওত পেতে থাকে আতঙ্ক। হঠাৎ বাঘের উপস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হলেই কাঁকড়া ধরা বন্ধ করে তড়িঘড়ি নৌকায় উঠে পড়তে হয়। আতঙ্ক কেটে গেলে ফের সাহস সঞ্চয় করে নামতে হয় সেই কাদায়। শুধু বাঘ নয়, সুন্দরবনে তাঁদের আর এক বড় শত্রু প্রকৃতি। মাঝনদীতে আচমকা ঝড়-বৃষ্টি। নদীর বুকের বিশাল ঢেউ তখন ছোট্ট নৌকাটিকেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সন্তানদের নিয়ে দ্রুত কোনও সরু খালের মুখে নৌকা ভিড়িয়ে আশ্রয় নিতে হয় ভারতীকে। বাইরে ঝড়, মাথার ওপর বজ্রপাতের আশঙ্কা, আর চারপাশে জঙ্গলের অন্ধকার। ছোট্ট নৌকার চালির নিচে সন্তানদের আগলে ধরে চুপ করে বসে থাকেন মা। অপেক্ষা করেন ঝড় থামার। ঝড় থামে। বিপদ কিছুটা কাটে। আর তারপরই আবার শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। সারাদিন মাইলের পর মাইল কাদার মধ্যে হেঁটে, একের পর এক গর্ত খুঁড়ে কখনও দু’কেজি, কখনও তিন কেজি কাঁকড়া মেলে। আবার কোনও কোনও দিন ফিরতে হয় প্রায় খালি হাতেই। দিনশেষে সেই কাঁকড়া বিক্রি করে চাল-আটা কিনে ঘরে ফেরেন ভারতী। সন্তানদের জন্য রান্না করেন, তাঁদের মুখে খাবার তুলে দেন। তারপর একটু বিশ্রাম। কারণ ভোর হলেই আবার সেই একই পথ। আবার নৌকা, নদী, কাদা, ম্যানগ্রোভ… আর প্রতিটি মুহূর্তে বাঘ ও প্রকৃতির আতঙ্ক। ভারতী নাইয়ার এই জীবন শুধু অভাবের গল্প নয়। এ গল্প এক মায়ের অসীম মমতার। এ গল্প অদম্য সাহসের। এ গল্প প্রতিদিন নিজের জীবনকে বাজি রেখে সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার এক মায়ের আত্মত্যাগের। সুন্দরবনের এই কঠিন বাস্তবতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর বন্যপ্রাণীর আতঙ্ককে সঙ্গী করেই প্রতিদিন লড়াই করে চলেছেন ভারতী। তাঁর লড়াই থামে না। কারণ তাঁর লড়াই শুধু নিজের জন্য নয়— সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। কুলতলী থেকে রফিকুল ঢালী। রিপোর্ট—খবর কুলতলী1
- #কড়া দাওয়াই অগ্নিমিত্রা পালের। #রাস্তায় পার্কিং করা যাবেনা। #রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রীর জিনিস রাখা যাবেনা। #রাস্তায় থুতু ফেলা যাবে না। #রাস্তা দখল করে কোন ব্যবসা করা যাবে না। #কড়া দাওয়াই অগ্নিমিত্রা পালের। #রাস্তায় পার্কিং করা যাবেনা। #রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রীর জিনিস রাখা যাবেনা। #রাস্তায় থুতু ফেলা যাবে না। #রাস্তা দখল করে কোন ব্যবসা করা যাবে না।1