গোবরডাঙ্গা শুরু হল ২০৪ বছরের পুরনো মসলা মেলা" চলবে সাত দিন পর্যন্ত গোবরডাঙ্গা—নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অনন্য ঐতিহ্য, ‘গোষ্ঠ বিহার মশলা মেলা’। শুধু একটি মেলা নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ব্যবসা ও বিশ্বাসের এক ঐতিহাসিক মিলনক্ষেত্র, যা ১৮২৩ সালে জমিদার খেলারাম মুখোপাধ্যায়-এর হাত ধরে শুরু হয়েছিল। সেই ধারা বজায় রেখেই আজ এই মেলা ২০৪ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রথমদিকে এই মেলার উদ্দেশ্য ছিল একেবারেই বাস্তবমুখী। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল—বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের মশলা—এই মেলায় বিক্রি করে জমিদারের খাজনা পরিশোধ করতেন। ধীরে ধীরে এই অর্থনৈতিক লেনদেনের জায়গা পরিণত হয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। প্রতিবছর পয়লা বৈশাখের ভোররাত থেকেই যমুনা নদী-র তীরে, জমিদার বাড়ির সংলগ্ন বিশাল মাঠে বসে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা। রাত প্রায় ৩টা থেকেই শুরু হয়ে যায় পাইকারি মশলার বেচাকেনা—যা অন্য যেকোনো মেলার থেকে একে আলাদা করে তোলে। ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা, হলুদ থেকে শুরু করে নানা ধরনের দেশি-বিদেশি মশলার সম্ভার—সবই এখানে মেলে পাইকারি দামে। শুধু স্থানীয় ব্যবসায়ী নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন বছরের জন্য মশলা সংগ্রহ করতে। —সব মিলিয়ে এক জমজমাট পরিবেশ গোবরডাঙ্গা। পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো।
গোবরডাঙ্গা শুরু হল ২০৪ বছরের পুরনো মসলা মেলা" চলবে সাত দিন পর্যন্ত গোবরডাঙ্গা—নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অনন্য ঐতিহ্য, ‘গোষ্ঠ বিহার মশলা মেলা’। শুধু একটি মেলা নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ব্যবসা ও বিশ্বাসের এক ঐতিহাসিক মিলনক্ষেত্র, যা ১৮২৩ সালে জমিদার খেলারাম মুখোপাধ্যায়-এর হাত ধরে শুরু হয়েছিল। সেই ধারা বজায় রেখেই আজ এই মেলা ২০৪ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রথমদিকে এই মেলার উদ্দেশ্য ছিল একেবারেই বাস্তবমুখী। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল—বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের মশলা—এই মেলায় বিক্রি করে জমিদারের খাজনা পরিশোধ করতেন। ধীরে ধীরে এই অর্থনৈতিক লেনদেনের জায়গা পরিণত হয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। প্রতিবছর পয়লা বৈশাখের ভোররাত থেকেই যমুনা নদী-র তীরে, জমিদার বাড়ির সংলগ্ন বিশাল মাঠে বসে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা। রাত প্রায় ৩টা থেকেই শুরু হয়ে যায় পাইকারি মশলার বেচাকেনা—যা অন্য যেকোনো মেলার থেকে একে আলাদা করে তোলে। ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা, হলুদ থেকে শুরু করে নানা ধরনের দেশি-বিদেশি মশলার সম্ভার—সবই এখানে মেলে পাইকারি দামে। শুধু স্থানীয় ব্যবসায়ী নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন বছরের জন্য মশলা সংগ্রহ করতে। —সব মিলিয়ে এক জমজমাট পরিবেশ গোবরডাঙ্গা। পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো।
- গোবরডাঙ্গা—নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অনন্য ঐতিহ্য, ‘গোষ্ঠ বিহার মশলা মেলা’। শুধু একটি মেলা নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ব্যবসা ও বিশ্বাসের এক ঐতিহাসিক মিলনক্ষেত্র, যা ১৮২৩ সালে জমিদার খেলারাম মুখোপাধ্যায়-এর হাত ধরে শুরু হয়েছিল। সেই ধারা বজায় রেখেই আজ এই মেলা ২০৪ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রথমদিকে এই মেলার উদ্দেশ্য ছিল একেবারেই বাস্তবমুখী। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল—বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের মশলা—এই মেলায় বিক্রি করে জমিদারের খাজনা পরিশোধ করতেন। ধীরে ধীরে এই অর্থনৈতিক লেনদেনের জায়গা পরিণত হয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। প্রতিবছর পয়লা বৈশাখের ভোররাত থেকেই যমুনা নদী-র তীরে, জমিদার বাড়ির সংলগ্ন বিশাল মাঠে বসে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা। রাত প্রায় ৩টা থেকেই শুরু হয়ে যায় পাইকারি মশলার বেচাকেনা—যা অন্য যেকোনো মেলার থেকে একে আলাদা করে তোলে। ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা, হলুদ থেকে শুরু করে নানা ধরনের দেশি-বিদেশি মশলার সম্ভার—সবই এখানে মেলে পাইকারি দামে। শুধু স্থানীয় ব্যবসায়ী নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন বছরের জন্য মশলা সংগ্রহ করতে। —সব মিলিয়ে এক জমজমাট পরিবেশ গোবরডাঙ্গা। পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো।1
- বিএসএফের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিক বাদুড়িয়া1
- বহুরূপীদের মধ্যে কে হবে প্রথম স্থান অধিকারী ১ যেমন ঢেঁকিতে আটা কোটা ২ মাটির খেলনা দোকান ৩ কোদাল দিয়ে মাটিকাটা ৪ ধান শুকানো ৫ পশুপালন করা এছাড়া আরো বহুরূপী সাজ #News #Jiotvnews1
- Post by Mahadi reporter1
- Post by Md Sk1
- Post by Prakash1
- Post by Mostak1
- ভাঙ্গড় থেকে সরাসরি পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ভাঙ্গড় বিধানসভায় ISF ভোট প্রচারে ব্যস্ত নিজের কেন্দ্রে নিজেই আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন মানুষের উচ্ছ্বাস বিভিন্ন উপহার দিয়ে উনাকে সম্বর্ধনা জানাচ্ছেন #News1