Shuru
Apke Nagar Ki App…
Md Sk
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by Mahadi reporter1
- Post by Md Sk1
- Post by Prakash1
- ১লা বৈশাখের দিন ভোট প্রচারে বেহালা পূর্ব বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর সিকদার।1
- শ্রী ইউনিক দ্বারা আয়োজিত, অ্যাসোসিয়েট বাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া শ্রীরামপুর ব্রাঞ্চ 'মহা চৈত্র সেল' হুগলি শ্রীরামপুর অনুষ্ঠিত হলো।1
- Post by Kolkata News Times1
- গোবরডাঙ্গা—নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অনন্য ঐতিহ্য, ‘গোষ্ঠ বিহার মশলা মেলা’। শুধু একটি মেলা নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ব্যবসা ও বিশ্বাসের এক ঐতিহাসিক মিলনক্ষেত্র, যা ১৮২৩ সালে জমিদার খেলারাম মুখোপাধ্যায়-এর হাত ধরে শুরু হয়েছিল। সেই ধারা বজায় রেখেই আজ এই মেলা ২০৪ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রথমদিকে এই মেলার উদ্দেশ্য ছিল একেবারেই বাস্তবমুখী। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল—বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের মশলা—এই মেলায় বিক্রি করে জমিদারের খাজনা পরিশোধ করতেন। ধীরে ধীরে এই অর্থনৈতিক লেনদেনের জায়গা পরিণত হয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। প্রতিবছর পয়লা বৈশাখের ভোররাত থেকেই যমুনা নদী-র তীরে, জমিদার বাড়ির সংলগ্ন বিশাল মাঠে বসে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা। রাত প্রায় ৩টা থেকেই শুরু হয়ে যায় পাইকারি মশলার বেচাকেনা—যা অন্য যেকোনো মেলার থেকে একে আলাদা করে তোলে। ধনে, জিরে, শুকনো লঙ্কা, হলুদ থেকে শুরু করে নানা ধরনের দেশি-বিদেশি মশলার সম্ভার—সবই এখানে মেলে পাইকারি দামে। শুধু স্থানীয় ব্যবসায়ী নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন বছরের জন্য মশলা সংগ্রহ করতে। —সব মিলিয়ে এক জমজমাট পরিবেশ গোবরডাঙ্গা। পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো।1
- কল্যাণী বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আবহে এদিন বিশেষ গুরুত্ব পেল দুই বহুল চর্চিত স্লোগান—“জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”। এই দুই মেরুর রাজনৈতিক বার্তার মাঝেই দাঁড়িয়ে ভিন্ন সুরে কথা বললেন ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডা: অতীন্দ্রনাথ মন্ডল-এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে দেব সরাসরি ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন— “জয় বাংলা আর জয় শ্রীরামের মাঝে পড়ে থাকবেন না। যারা উন্নয়ন করছে, যারা কাজ করছে—তাদেরই ভোট দিন, তাদেরই বেছে নিন।” দেবের এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক—স্লোগান বনাম উন্নয়ন। তিনি বোঝাতে চান, আবেগঘন রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাজের প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সভাস্থলে এদিন ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়। দেবকে একঝলক দেখার জন্য ভক্তদের মধ্যে ছিল প্রবল উন্মাদনা। পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চে দেব উঠতেই করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বক্তব্যের মাধ্যমে দেব একপ্রকার স্পষ্ট বার্তা দেন—ভোট যেন বিভাজনের রাজনীতিতে প্রভাবিত না হয়ে উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিতে হয়। তাঁর আহ্বান, যাঁরা মানুষের পাশে থেকেছেন এবং বাস্তবে কাজ করেছেন, তাঁদেরই পুনরায় নির্বাচিত করা উচিত। সবমিলিয়ে, “জয় বাংলা” ও “জয় শ্রীরাম”—এই দুই স্লোগানের দ্বন্দ্বের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কল্যাণীর এই জনসভা থেকে উঠে এল উন্নয়নমুখী রাজনীতির বার্তা, যা ভোটের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।10