সরকারি হাসপাতালের আঙিনায় বেসরকারি নার্সিং হোমের রমরমা প্রচার, ধর্মনগরে জনমনে তীব্র ক্ষোভ। সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা যখন নিত্যদিনের খবর, ঠিক সেই সময়েই ত্রিপুরার ধর্মনগর থেকে এক চাঞ্চল্যকর ছবি সামনে এল। অভিযোগ উঠেছে, জেলা হাসপাতালের বাউন্ডারির ভেতরেই দাপটের সঙ্গে চলছে বেসরকারি নার্সিং হোমের বিজ্ঞাপন। যা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল চত্বরে একটি বেসরকারি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতালের বিশাল বিজ্ঞাপন বোর্ড দেখা গেছে । বিজ্ঞাপনে ওই বেসরকারি হাসপাতালের ২৪ ঘণ্টা এমার্জেন্সি পরিষেবা এবং আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের মাধ্যমে ক্যাশলেস চিকিৎসার প্রচার চালানো হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল এলাকায় কীভাবে একটি বেসরকারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রচার বোর্ড লাগানো হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অনেক সাধারণ রোগী ও তাদের পরিবার এই বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালের ভেতরেই বেসরকারি ইউনিটের উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মনে সরকারি পরিষেবার প্রতি অনাস্থা তৈরি করছে। যখন ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব, সিটি স্ক্যান পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে লাগাতার অভিযোগ উঠছে, তখন বেসরকারি হাসপাতালের এমন বিজ্ঞাপনকে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখছেন অনেকে । এই বিষয়ে হাসপাতালের মেডিকেল সুপারেন্টেন ভাস্কর দাস জানান তিনি এব্যাপারে কিছুই জানতেননা। কিছুক্ষণ আগে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং সাথে সাথে বিজ্ঞাপন বোর্ড গুলি খুলে নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান ওই বেসরকারি নার্সিং হোম কর্তি পক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগে করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দাবি, কোনো প্রভাবশালী মহলের প্রশ্রয় ছাড়া সরকারি চত্বরে এমন বাণিজ্যিক প্রচার অসম্ভব। এখন দেখার বিষয়, উত্তর ত্রিপুরা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
সরকারি হাসপাতালের আঙিনায় বেসরকারি নার্সিং হোমের রমরমা প্রচার, ধর্মনগরে জনমনে তীব্র ক্ষোভ। সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা যখন নিত্যদিনের খবর, ঠিক সেই সময়েই ত্রিপুরার ধর্মনগর থেকে এক চাঞ্চল্যকর ছবি সামনে এল। অভিযোগ উঠেছে, জেলা হাসপাতালের বাউন্ডারির ভেতরেই দাপটের সঙ্গে চলছে বেসরকারি নার্সিং হোমের বিজ্ঞাপন। যা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল চত্বরে একটি বেসরকারি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতালের বিশাল বিজ্ঞাপন বোর্ড দেখা গেছে । বিজ্ঞাপনে ওই বেসরকারি হাসপাতালের ২৪ ঘণ্টা এমার্জেন্সি পরিষেবা এবং আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের মাধ্যমে ক্যাশলেস চিকিৎসার প্রচার চালানো হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল এলাকায় কীভাবে একটি বেসরকারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রচার বোর্ড লাগানো হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অনেক সাধারণ রোগী ও তাদের পরিবার এই বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালের ভেতরেই বেসরকারি ইউনিটের উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মনে সরকারি পরিষেবার প্রতি অনাস্থা তৈরি করছে। যখন ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব, সিটি স্ক্যান পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে লাগাতার অভিযোগ উঠছে, তখন বেসরকারি হাসপাতালের এমন বিজ্ঞাপনকে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখছেন অনেকে । এই বিষয়ে হাসপাতালের মেডিকেল সুপারেন্টেন ভাস্কর দাস জানান তিনি এব্যাপারে কিছুই জানতেননা। কিছুক্ষণ আগে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং সাথে সাথে বিজ্ঞাপন বোর্ড গুলি খুলে নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান ওই বেসরকারি নার্সিং হোম কর্তি পক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগে করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দাবি, কোনো প্রভাবশালী মহলের প্রশ্রয় ছাড়া সরকারি চত্বরে এমন বাণিজ্যিক প্রচার অসম্ভব। এখন দেখার বিষয়, উত্তর ত্রিপুরা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা যখন নিত্যদিনের খবর, ঠিক সেই সময়েই ত্রিপুরার ধর্মনগর থেকে এক চাঞ্চল্যকর ছবি সামনে এল। অভিযোগ উঠেছে, জেলা হাসপাতালের বাউন্ডারির ভেতরেই দাপটের সঙ্গে চলছে বেসরকারি নার্সিং হোমের বিজ্ঞাপন। যা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল চত্বরে একটি বেসরকারি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতালের বিশাল বিজ্ঞাপন বোর্ড দেখা গেছে । বিজ্ঞাপনে ওই বেসরকারি হাসপাতালের ২৪ ঘণ্টা এমার্জেন্সি পরিষেবা এবং আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের মাধ্যমে ক্যাশলেস চিকিৎসার প্রচার চালানো হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল এলাকায় কীভাবে একটি বেসরকারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রচার বোর্ড লাগানো হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অনেক সাধারণ রোগী ও তাদের পরিবার এই বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালের ভেতরেই বেসরকারি ইউনিটের উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মনে সরকারি পরিষেবার প্রতি অনাস্থা তৈরি করছে। যখন ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব, সিটি স্ক্যান পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে লাগাতার অভিযোগ উঠছে, তখন বেসরকারি হাসপাতালের এমন বিজ্ঞাপনকে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখছেন অনেকে । এই বিষয়ে হাসপাতালের মেডিকেল সুপারেন্টেন ভাস্কর দাস জানান তিনি এব্যাপারে কিছুই জানতেননা। কিছুক্ষণ আগে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং সাথে সাথে বিজ্ঞাপন বোর্ড গুলি খুলে নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান ওই বেসরকারি নার্সিং হোম কর্তি পক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগে করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর দাবি, কোনো প্রভাবশালী মহলের প্রশ্রয় ছাড়া সরকারি চত্বরে এমন বাণিজ্যিক প্রচার অসম্ভব। এখন দেখার বিষয়, উত্তর ত্রিপুরা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।1
- দীর্ঘদিন ধরে পাথর বোঝাই ওভারলোড টিপার গাড়ির অবাধ চলাচলে বেহাল হয়ে পড়েছে উত্তর জেলার ধর্মনগর-কৈলাশহর প্রধান সড়ক। অতিরিক্ত ভারী যানবাহনের চাপে রাস্তার বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, কোথাও আবার রাস্তা ভেঙে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যা নামলেই শুরু হয় ওভারলোড টিপারের বেপরোয়া চলাচল। অতিরিক্ত বোঝাই গাড়ির চাপে রাস্তার বহু অংশ কাদা ও গর্তে পরিণত হয়েছে। মাঝেমধ্যেই ভারী যানবাহন আটকে গিয়ে সম্পূর্ণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দুর্ভোগে পড়েন পথচারী, স্কুলপড়ুয়া ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স।এদিকে অতিরিক্ত বোঝাই গাড়ির চলাচলে ধর্মনগরের ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ি ব্রিজের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। নির্ধারিত ওজনসীমা উপেক্ষা করে গাড়ি চলাচল করায় যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি ব্রিজে কত টন ওজনের গাড়ি চলাচল করতে পারবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও সাইনবোর্ড নেই বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই বিষয়ে মহকুমা শাসক দেবযানী চৌধুরী জানান, সমস্যাটি নতুন নয়, বহুদিনের পুরনো। অতীতেও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে প্রেমতলা চৌমুহনী ও কৃষ্ণপুর এলাকায় নাকা পয়েন্ট বসানো হয়েছিল। কিছুদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে নজরদারি কমে যাওয়ায় আবার সমস্যা বেড়েছে।তিনি জানান, খুব শীঘ্রই ফের নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং নাকা পয়েন্টগুলি সম্পূর্ণরূপে সক্রিয় করা হবে। পাশাপাশি শহরের ভেতর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে আগের মতোই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।4
- Post by Raju deb4
- Post by Unakoti Hadlin1
- বিজয় মিছিলে গো হ ত্যা র অভিযোগ—রাজ্যে রাষ্ট্রীবাদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন!1
- বর্ষার সময় ভুগছে খোয়াই বিপিসি পাড়ার তিন থেকে চারটি পরিবার; বারংবার জানিয়েও সূরাহা মিলছে না পরিবার গুলির1
- Post by কালিদাস ভৌমিক4
- *সরকারি হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপন,প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ!* *ধর্মনগর প্রতিনিধি।। ২৯ এপ্রিল।। অম্লান দাস।।* ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের প্রবেশপথে বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ঊনকোটি হসপিটাল-এর বিজ্ঞাপনের ব্যানার ঘিরে বুধবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। সরকারি হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালানো নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে,বিষয়টি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি করে ব্যানারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। তবে সরানোর আগেই সেই বিজ্ঞাপনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই বিষয়ে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ভাস্কর দাস জানান,সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন,কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যানারগুলি লাগানো হয়েছিল। সরকারি জেলা হাসপাতালের প্রবেশদ্বারে এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন টাঙিয়ে রোগীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে কি না,তা নিয়েই এখন উঠছে বড় প্রশ্ন।4