অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে ACMOH | ছেলেটালে ভুলতে পারছে না কেউ-ই পাঁচবেড়িয়ার ওই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ছেলের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ দায়ের,সোমবারের দুপুরেই দাসপুর থানার ওসি অঞ্জনি তেওয়ারি সাথে মহকুমা সহকারী স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার দূর্গপদ রাউৎ পৌঁছে গেলেন দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার ওই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। নার্সিং হোমের সমস্ত ব্যবস্থাপনা, ওটি ঘুরে দেখলেন। মৃত সুশান্ত মাজির ইঞ্জুরি রিপোর্ট থেকে,সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখলেন এবং কোন কোন চিকিৎসক,এনেস্থিসিয়ান এই অপারেশনে ইনক্লুড ছিলেন তাঁদের নামও নথিভুক্ত করলেন। সমস্ত নথি কার্যত সিজ করে তিনি নিয়ে গেলেন। এক কথায় এই মৃত্যু খুব একটা যে স্বাভাবিক নয় তা স্বাস্থ্য দপ্তর নড়েচড়ে বসতেই আন্দাজ হচ্ছে। জানা গেছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশেষ কমিটি গঠন হবে সেই কমিটিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরাও থাকবেন। মাত্র ১৭ বছরের তরতাজা ছেলেটার দুর্ঘটনায় হাতের হাড়ে ফাট। সামান্য সেই অপারেশন করাতে গিয়ে ছেলেটার চরম পরিণতি হবে? বাড়ির ছোটো ছেলেটা আর বাড়ি ফিরবে না। স্বভাভিকভাবে, মেনে নিতে পারেনি পরিবার। দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার এই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরিবারের লোকজন হামলা চালায়। ভাঙচুর করে। হাতে গোণা কয়েকজন থেকে কয়েকশো লোক জড়ো হয় রবিবারের বিকেলে। নার্সিং হোমে হামলার পাশাপাশি সরাসরি পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপর হামলা। একের পর এক পুলিশ সাংবাদিক আহত হচ্ছে। একটা মর্মান্তিক ঘটনায় আর সহানুভূতির জায়গা থাকলো? তরতাজা ওই ছেলের মৃত্যু বা এমন ঘটনা কাম্য নয়। কিন্তু তার জন্য আইন আছে আদালত আছে। আদালতে নির্দিষ্টভাবে দাসপুরের পাঁচবেড়িয়ার ওই নার্সিংহোম এর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়। ভাংচুর পুলিশ বা সাংবাদিকদের উপর ইঁট বৃষ্টি কি সমাধানের পথ? না এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে পর্দার পিছনে থাকা কেউ বা কারা অন্যকিছু ষড়যন্ত্র করছিলেন। কে বা কারা এই ইঁটের জোগান দিল? মৃতের পরিবারের জটলার মাঝে অচেনা কিছু ব্যক্তি কিভাবে ঢুকে গেল? সমস্ত বিষয়ে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের এতটা অবহেলা কেন? সামান্য একটা অপারেশন করতে গেলেও এমন পরিণতি? প্রশ্ন অনেক। দাসপুর থানার সাহাপুরের বছর ১৭ এর সুশান্ত সোনামুই হাইস্কুল থেকে এবার উচ্চমাধ্যমিক দেবার কথা। ২৫ জানুয়ারী বিকেলে বাইক নিয়ে বেরিয়ে সুশান্ত জগন্নাথপুর বাস স্ট্যান্ডে ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কে এক সাইকেলে ধাক্কা দিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাবা আশোক মাজি গ্রামীন চিকিৎসক। ছেলেকে নিয়ে যান পাঁচবেড়িয়ার এই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। দেখা যায় ছেলের হাত ভেঙে গেছে। অপারেশন করতে হবে। নার্সিংহোম মালিক বলরাম সাউ এর সাথে এই ছেলের বাবা আশোকের জানাশোনা ছিল। ঠিক হয় ২৬ জানুয়ারী অপারেশ হবে। অপারেশন করবেন অর্থপেডিক সার্জেন্ট ডাক্তার দেবদীপ কারক সাথে এনেস্থিসিয়ান ডাক্তার শুভ্রকান্তি সেনগুপ্ত। কিন্তু ২৬ তারিখ বিকেল থেকে উত্তপ্ত হয় পাঁচবেড়িয়ার অন্নপূর্ণা নার্সিংহোম এলাকা। সুশান্তকে বাঁচাতে পারেনি চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পৌঁছায় পুলিশ। হঠাৎই ইঁট ছোঁড়া শুরু। আহত হয় দুই সাংবাদিক। একের পর এক পুলিশের মাথায় ইঁট পড়ে বাদ যায়নি মহিলা পুলিশরাও। পুলিশ বাধ্যহয় লাঠি চার্জ করতে। দেখা যায় হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বহিরাগত। ঘটনায় মোট ১৩ জন গ্রেফতার। ওই নার্সিংহোমের ভবিষ্যত কী তাই এখন বড় প্রশ্ন। স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তের রিপোর্ট কী হয় তাই দেখার।
অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে ACMOH | ছেলেটালে ভুলতে পারছে না কেউ-ই পাঁচবেড়িয়ার ওই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ছেলের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ দায়ের,সোমবারের দুপুরেই দাসপুর থানার ওসি অঞ্জনি তেওয়ারি সাথে মহকুমা সহকারী স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার দূর্গপদ রাউৎ পৌঁছে গেলেন দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার ওই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। নার্সিং হোমের সমস্ত ব্যবস্থাপনা, ওটি ঘুরে দেখলেন। মৃত সুশান্ত মাজির ইঞ্জুরি রিপোর্ট থেকে,সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখলেন এবং কোন কোন চিকিৎসক,এনেস্থিসিয়ান এই অপারেশনে ইনক্লুড ছিলেন তাঁদের নামও নথিভুক্ত করলেন। সমস্ত নথি কার্যত সিজ করে তিনি নিয়ে গেলেন। এক কথায় এই মৃত্যু খুব একটা যে স্বাভাবিক নয় তা স্বাস্থ্য দপ্তর নড়েচড়ে বসতেই আন্দাজ হচ্ছে। জানা গেছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশেষ কমিটি গঠন হবে সেই কমিটিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরাও থাকবেন। মাত্র ১৭ বছরের তরতাজা ছেলেটার দুর্ঘটনায় হাতের হাড়ে ফাট। সামান্য সেই অপারেশন করাতে গিয়ে ছেলেটার চরম পরিণতি হবে? বাড়ির ছোটো ছেলেটা আর বাড়ি ফিরবে না। স্বভাভিকভাবে, মেনে নিতে পারেনি পরিবার। দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার এই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরিবারের লোকজন হামলা চালায়। ভাঙচুর করে। হাতে গোণা কয়েকজন থেকে কয়েকশো লোক জড়ো হয় রবিবারের বিকেলে। নার্সিং হোমে হামলার পাশাপাশি সরাসরি পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপর হামলা। একের পর এক পুলিশ সাংবাদিক আহত হচ্ছে। একটা মর্মান্তিক ঘটনায় আর সহানুভূতির জায়গা থাকলো? তরতাজা ওই ছেলের মৃত্যু বা এমন ঘটনা কাম্য নয়। কিন্তু তার জন্য আইন আছে আদালত আছে। আদালতে নির্দিষ্টভাবে দাসপুরের পাঁচবেড়িয়ার ওই নার্সিংহোম এর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়। ভাংচুর পুলিশ বা সাংবাদিকদের উপর ইঁট বৃষ্টি কি সমাধানের পথ? না এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে পর্দার পিছনে থাকা কেউ বা কারা অন্যকিছু ষড়যন্ত্র করছিলেন। কে বা কারা এই ইঁটের জোগান দিল? মৃতের পরিবারের জটলার মাঝে অচেনা কিছু ব্যক্তি কিভাবে ঢুকে গেল? সমস্ত বিষয়ে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের এতটা অবহেলা কেন? সামান্য একটা অপারেশন করতে গেলেও এমন পরিণতি? প্রশ্ন অনেক। দাসপুর থানার সাহাপুরের বছর ১৭ এর সুশান্ত সোনামুই হাইস্কুল থেকে এবার উচ্চমাধ্যমিক দেবার কথা। ২৫ জানুয়ারী বিকেলে বাইক নিয়ে বেরিয়ে সুশান্ত জগন্নাথপুর বাস স্ট্যান্ডে ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কে এক সাইকেলে ধাক্কা দিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাবা আশোক মাজি গ্রামীন চিকিৎসক। ছেলেকে নিয়ে যান পাঁচবেড়িয়ার এই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। দেখা যায় ছেলের হাত ভেঙে গেছে। অপারেশন করতে হবে। নার্সিংহোম মালিক বলরাম সাউ এর সাথে এই ছেলের বাবা আশোকের জানাশোনা ছিল। ঠিক হয় ২৬ জানুয়ারী অপারেশ হবে। অপারেশন করবেন অর্থপেডিক সার্জেন্ট ডাক্তার দেবদীপ কারক সাথে এনেস্থিসিয়ান ডাক্তার শুভ্রকান্তি সেনগুপ্ত। কিন্তু ২৬ তারিখ বিকেল থেকে উত্তপ্ত হয় পাঁচবেড়িয়ার অন্নপূর্ণা নার্সিংহোম এলাকা। সুশান্তকে বাঁচাতে পারেনি চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পৌঁছায় পুলিশ। হঠাৎই ইঁট ছোঁড়া শুরু। আহত হয় দুই সাংবাদিক। একের পর এক পুলিশের মাথায় ইঁট পড়ে বাদ যায়নি মহিলা পুলিশরাও। পুলিশ বাধ্যহয় লাঠি চার্জ করতে। দেখা যায় হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বহিরাগত। ঘটনায় মোট ১৩ জন গ্রেফতার। ওই নার্সিংহোমের ভবিষ্যত কী তাই এখন বড় প্রশ্ন। স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তের রিপোর্ট কী হয় তাই দেখার।
- পাঁচবেড়িয়ার ওই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ছেলের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ দায়ের,সোমবারের দুপুরেই দাসপুর থানার ওসি অঞ্জনি তেওয়ারি সাথে মহকুমা সহকারী স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার দূর্গপদ রাউৎ পৌঁছে গেলেন দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার ওই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। নার্সিং হোমের সমস্ত ব্যবস্থাপনা, ওটি ঘুরে দেখলেন। মৃত সুশান্ত মাজির ইঞ্জুরি রিপোর্ট থেকে,সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখলেন এবং কোন কোন চিকিৎসক,এনেস্থিসিয়ান এই অপারেশনে ইনক্লুড ছিলেন তাঁদের নামও নথিভুক্ত করলেন। সমস্ত নথি কার্যত সিজ করে তিনি নিয়ে গেলেন। এক কথায় এই মৃত্যু খুব একটা যে স্বাভাবিক নয় তা স্বাস্থ্য দপ্তর নড়েচড়ে বসতেই আন্দাজ হচ্ছে। জানা গেছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশেষ কমিটি গঠন হবে সেই কমিটিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরাও থাকবেন। মাত্র ১৭ বছরের তরতাজা ছেলেটার দুর্ঘটনায় হাতের হাড়ে ফাট। সামান্য সেই অপারেশন করাতে গিয়ে ছেলেটার চরম পরিণতি হবে? বাড়ির ছোটো ছেলেটা আর বাড়ি ফিরবে না। স্বভাভিকভাবে, মেনে নিতে পারেনি পরিবার। দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার এই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরিবারের লোকজন হামলা চালায়। ভাঙচুর করে। হাতে গোণা কয়েকজন থেকে কয়েকশো লোক জড়ো হয় রবিবারের বিকেলে। নার্সিং হোমে হামলার পাশাপাশি সরাসরি পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপর হামলা। একের পর এক পুলিশ সাংবাদিক আহত হচ্ছে। একটা মর্মান্তিক ঘটনায় আর সহানুভূতির জায়গা থাকলো? তরতাজা ওই ছেলের মৃত্যু বা এমন ঘটনা কাম্য নয়। কিন্তু তার জন্য আইন আছে আদালত আছে। আদালতে নির্দিষ্টভাবে দাসপুরের পাঁচবেড়িয়ার ওই নার্সিংহোম এর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়। ভাংচুর পুলিশ বা সাংবাদিকদের উপর ইঁট বৃষ্টি কি সমাধানের পথ? না এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে পর্দার পিছনে থাকা কেউ বা কারা অন্যকিছু ষড়যন্ত্র করছিলেন। কে বা কারা এই ইঁটের জোগান দিল? মৃতের পরিবারের জটলার মাঝে অচেনা কিছু ব্যক্তি কিভাবে ঢুকে গেল? সমস্ত বিষয়ে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের এতটা অবহেলা কেন? সামান্য একটা অপারেশন করতে গেলেও এমন পরিণতি? প্রশ্ন অনেক। দাসপুর থানার সাহাপুরের বছর ১৭ এর সুশান্ত সোনামুই হাইস্কুল থেকে এবার উচ্চমাধ্যমিক দেবার কথা। ২৫ জানুয়ারী বিকেলে বাইক নিয়ে বেরিয়ে সুশান্ত জগন্নাথপুর বাস স্ট্যান্ডে ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কে এক সাইকেলে ধাক্কা দিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাবা আশোক মাজি গ্রামীন চিকিৎসক। ছেলেকে নিয়ে যান পাঁচবেড়িয়ার এই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। দেখা যায় ছেলের হাত ভেঙে গেছে। অপারেশন করতে হবে। নার্সিংহোম মালিক বলরাম সাউ এর সাথে এই ছেলের বাবা আশোকের জানাশোনা ছিল। ঠিক হয় ২৬ জানুয়ারী অপারেশ হবে। অপারেশন করবেন অর্থপেডিক সার্জেন্ট ডাক্তার দেবদীপ কারক সাথে এনেস্থিসিয়ান ডাক্তার শুভ্রকান্তি সেনগুপ্ত। কিন্তু ২৬ তারিখ বিকেল থেকে উত্তপ্ত হয় পাঁচবেড়িয়ার অন্নপূর্ণা নার্সিংহোম এলাকা। সুশান্তকে বাঁচাতে পারেনি চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পৌঁছায় পুলিশ। হঠাৎই ইঁট ছোঁড়া শুরু। আহত হয় দুই সাংবাদিক। একের পর এক পুলিশের মাথায় ইঁট পড়ে বাদ যায়নি মহিলা পুলিশরাও। পুলিশ বাধ্যহয় লাঠি চার্জ করতে। দেখা যায় হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বহিরাগত। ঘটনায় মোট ১৩ জন গ্রেফতার। ওই নার্সিংহোমের ভবিষ্যত কী তাই এখন বড় প্রশ্ন। স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তের রিপোর্ট কী হয় তাই দেখার।1
- চন্দ্রকোনাতে দুর্ঘটনার কবলে বাস ঘাটাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনাতে দুর্ঘটনার কবলে বাস। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ভোরবেলা একটি বাস ধাক্কা মারে একটি মাল বাহী লরিতে, দুমড়ে মুচড়ে যায় বাস এর সামনের অংশ, ঘটনাটি ঘটেছে ঘাটাল আরামবাগ রাজ্য সড়কে।3
- Post by JANJEET KUMAR SAHOO1
- বাগ দেবীর আরাধনায় নিউ স্টার ক্লাব1
- প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন বাঁকুড়ার স্কুলে স্কুলে1
- নন্দীগ্রামে সমবায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।।1
- LOCATION - HOWRAH PILKHANA CHORI KA WAARDAT .1
- ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে জগৎবল্লভপুর থানায় পতাকা উত্তোলন1