Shuru
Apke Nagar Ki App…
নন্দীগ্রামে সমবায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।।
NDG BANGLA DIGITAL
নন্দীগ্রামে সমবায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- নন্দীগ্রামে সমবায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।।1
- আজ ৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন হলো সাড়ম্বরেই । পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির হেঁড়িয়ার অভিনব মিশন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা রালিতে অংশগ্রহণ করেন।2
- কুলপির থানার করঞ্জলী বি কে ইন্সিটিউট স্কুল মাঠে আট দলীয় ব্রজকিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায় যোগ রঞ্জন হালদার, পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি বন্দনা কর্মকার সহ বিশিষ্ট অতিথি ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। #খেলা #ফুটবল #বিধায়ক #খেলোয়ার #অনুষ্ঠান #টুর্নামেন্ট1
- কাকদ্বীপে বামানগর সুবালা হাই স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা,,,,,,,1
- মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বার্তা দেন ভারতীয় জনতা পার্টির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস। তিনি প্রকাশ্যেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে উৎখাত করার ডাক দেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার নতুন কর্মসূচি চাকরি চায় বাংলা-র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। নিয়োগ চাই, বিজেপি তাই—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার যুবনেতা নিতাই দাস সহ যুব মোর্চার একাধিক নেতৃত্ব। জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত যুব মোর্চার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় কেনোপি ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হবে। পাশাপাশি পোস্টকার্ড অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যের চাকরিহীন যুবসমাজের ক্ষোভ ও দাবি তুলে ধরা হবে। যুব মোর্চার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি ফিজিক্যালি লক্ষ লক্ষ পোস্টকার্ড মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থাৎ নবান্নে পৌঁছে দেওয়া হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। তাদের দাবি, ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস বা এনএসও-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ হারিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রাজ্যে প্রায় ২২ হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়। যুব মোর্চার আরও দাবি, প্রতিকূল শিল্প পরিবেশের কারণে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৬,৬৮৮টি সংস্থা রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছে। এর ফলেই গত প্রায় ১৪ বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। একসময় শিল্পসমৃদ্ধ বারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও তৃণমূল সরকারের আমলে ১৭৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও তীব্র অভিযোগ তোলা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি এবং পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করে যুব মোর্চা। পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নামে প্রায় ২৫ লক্ষ ভুয়া জব কার্ড তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্র নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে যুব মোর্চা জানায়, রাজ্যে ৮,২০৭টি প্রাথমিক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাকরির ভিত নষ্ট করছে। এছাড়া কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা সিএজি-র রিপোর্ট উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়, পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তরের ৮১,৮৩৯ কোটি টাকার কোনও সঠিক হিসাব নেই। এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই যুব মোর্চার পক্ষ থেকে চাকরি চায় বাংলা আন্দোলনকে আরও তীব্র করা হবে বলে জানান নেতারা।1
- Post by Mominali laskar2
- Post by Mohasin mondal1
- পাঁচবেড়িয়ার ওই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ছেলের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ দায়ের,সোমবারের দুপুরেই দাসপুর থানার ওসি অঞ্জনি তেওয়ারি সাথে মহকুমা সহকারী স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার দূর্গপদ রাউৎ পৌঁছে গেলেন দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার ওই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। নার্সিং হোমের সমস্ত ব্যবস্থাপনা, ওটি ঘুরে দেখলেন। মৃত সুশান্ত মাজির ইঞ্জুরি রিপোর্ট থেকে,সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখলেন এবং কোন কোন চিকিৎসক,এনেস্থিসিয়ান এই অপারেশনে ইনক্লুড ছিলেন তাঁদের নামও নথিভুক্ত করলেন। সমস্ত নথি কার্যত সিজ করে তিনি নিয়ে গেলেন। এক কথায় এই মৃত্যু খুব একটা যে স্বাভাবিক নয় তা স্বাস্থ্য দপ্তর নড়েচড়ে বসতেই আন্দাজ হচ্ছে। জানা গেছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশেষ কমিটি গঠন হবে সেই কমিটিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরাও থাকবেন। মাত্র ১৭ বছরের তরতাজা ছেলেটার দুর্ঘটনায় হাতের হাড়ে ফাট। সামান্য সেই অপারেশন করাতে গিয়ে ছেলেটার চরম পরিণতি হবে? বাড়ির ছোটো ছেলেটা আর বাড়ি ফিরবে না। স্বভাভিকভাবে, মেনে নিতে পারেনি পরিবার। দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়ার এই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরিবারের লোকজন হামলা চালায়। ভাঙচুর করে। হাতে গোণা কয়েকজন থেকে কয়েকশো লোক জড়ো হয় রবিবারের বিকেলে। নার্সিং হোমে হামলার পাশাপাশি সরাসরি পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপর হামলা। একের পর এক পুলিশ সাংবাদিক আহত হচ্ছে। একটা মর্মান্তিক ঘটনায় আর সহানুভূতির জায়গা থাকলো? তরতাজা ওই ছেলের মৃত্যু বা এমন ঘটনা কাম্য নয়। কিন্তু তার জন্য আইন আছে আদালত আছে। আদালতে নির্দিষ্টভাবে দাসপুরের পাঁচবেড়িয়ার ওই নার্সিংহোম এর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়। ভাংচুর পুলিশ বা সাংবাদিকদের উপর ইঁট বৃষ্টি কি সমাধানের পথ? না এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে পর্দার পিছনে থাকা কেউ বা কারা অন্যকিছু ষড়যন্ত্র করছিলেন। কে বা কারা এই ইঁটের জোগান দিল? মৃতের পরিবারের জটলার মাঝে অচেনা কিছু ব্যক্তি কিভাবে ঢুকে গেল? সমস্ত বিষয়ে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের এতটা অবহেলা কেন? সামান্য একটা অপারেশন করতে গেলেও এমন পরিণতি? প্রশ্ন অনেক। দাসপুর থানার সাহাপুরের বছর ১৭ এর সুশান্ত সোনামুই হাইস্কুল থেকে এবার উচ্চমাধ্যমিক দেবার কথা। ২৫ জানুয়ারী বিকেলে বাইক নিয়ে বেরিয়ে সুশান্ত জগন্নাথপুর বাস স্ট্যান্ডে ঘাটাল পাঁশকুড়া সড়কে এক সাইকেলে ধাক্কা দিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাবা আশোক মাজি গ্রামীন চিকিৎসক। ছেলেকে নিয়ে যান পাঁচবেড়িয়ার এই অন্নপূর্ণা নার্সিংহোমে। দেখা যায় ছেলের হাত ভেঙে গেছে। অপারেশন করতে হবে। নার্সিংহোম মালিক বলরাম সাউ এর সাথে এই ছেলের বাবা আশোকের জানাশোনা ছিল। ঠিক হয় ২৬ জানুয়ারী অপারেশ হবে। অপারেশন করবেন অর্থপেডিক সার্জেন্ট ডাক্তার দেবদীপ কারক সাথে এনেস্থিসিয়ান ডাক্তার শুভ্রকান্তি সেনগুপ্ত। কিন্তু ২৬ তারিখ বিকেল থেকে উত্তপ্ত হয় পাঁচবেড়িয়ার অন্নপূর্ণা নার্সিংহোম এলাকা। সুশান্তকে বাঁচাতে পারেনি চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পৌঁছায় পুলিশ। হঠাৎই ইঁট ছোঁড়া শুরু। আহত হয় দুই সাংবাদিক। একের পর এক পুলিশের মাথায় ইঁট পড়ে বাদ যায়নি মহিলা পুলিশরাও। পুলিশ বাধ্যহয় লাঠি চার্জ করতে। দেখা যায় হামলাকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বহিরাগত। ঘটনায় মোট ১৩ জন গ্রেফতার। ওই নার্সিংহোমের ভবিষ্যত কী তাই এখন বড় প্রশ্ন। স্বাস্থ্য দপ্তরের তদন্তের রিপোর্ট কী হয় তাই দেখার।1