বিজেপি যুব মোর্চার পোস্ট কার্ড অভিযান মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বার্তা দেন ভারতীয় জনতা পার্টির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস। তিনি প্রকাশ্যেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে উৎখাত করার ডাক দেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার নতুন কর্মসূচি চাকরি চায় বাংলা-র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। নিয়োগ চাই, বিজেপি তাই—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার যুবনেতা নিতাই দাস সহ যুব মোর্চার একাধিক নেতৃত্ব। জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত যুব মোর্চার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় কেনোপি ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হবে। পাশাপাশি পোস্টকার্ড অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যের চাকরিহীন যুবসমাজের ক্ষোভ ও দাবি তুলে ধরা হবে। যুব মোর্চার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি ফিজিক্যালি লক্ষ লক্ষ পোস্টকার্ড মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থাৎ নবান্নে পৌঁছে দেওয়া হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। তাদের দাবি, ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস বা এনএসও-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ হারিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রাজ্যে প্রায় ২২ হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়। যুব মোর্চার আরও দাবি, প্রতিকূল শিল্প পরিবেশের কারণে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৬,৬৮৮টি সংস্থা রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছে। এর ফলেই গত প্রায় ১৪ বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। একসময় শিল্পসমৃদ্ধ বারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও তৃণমূল সরকারের আমলে ১৭৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও তীব্র অভিযোগ তোলা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি এবং পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করে যুব মোর্চা। পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নামে প্রায় ২৫ লক্ষ ভুয়া জব কার্ড তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্র নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে যুব মোর্চা জানায়, রাজ্যে ৮,২০৭টি প্রাথমিক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাকরির ভিত নষ্ট করছে। এছাড়া কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা সিএজি-র রিপোর্ট উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়, পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তরের ৮১,৮৩৯ কোটি টাকার কোনও সঠিক হিসাব নেই। এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই যুব মোর্চার পক্ষ থেকে চাকরি চায় বাংলা আন্দোলনকে আরও তীব্র করা হবে বলে জানান নেতারা।
বিজেপি যুব মোর্চার পোস্ট কার্ড অভিযান মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বার্তা দেন ভারতীয় জনতা পার্টির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস। তিনি প্রকাশ্যেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে উৎখাত করার ডাক দেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার নতুন কর্মসূচি চাকরি চায় বাংলা-র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। নিয়োগ চাই, বিজেপি তাই—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার যুবনেতা নিতাই দাস সহ যুব মোর্চার একাধিক নেতৃত্ব। জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত যুব মোর্চার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় কেনোপি ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হবে। পাশাপাশি পোস্টকার্ড অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যের চাকরিহীন যুবসমাজের ক্ষোভ ও দাবি তুলে ধরা হবে। যুব মোর্চার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি ফিজিক্যালি লক্ষ লক্ষ পোস্টকার্ড মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থাৎ নবান্নে পৌঁছে দেওয়া হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। তাদের দাবি, ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস বা এনএসও-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ হারিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রাজ্যে প্রায় ২২ হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়। যুব মোর্চার আরও দাবি, প্রতিকূল শিল্প পরিবেশের কারণে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৬,৬৮৮টি সংস্থা রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছে। এর ফলেই গত প্রায় ১৪ বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। একসময় শিল্পসমৃদ্ধ বারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও তৃণমূল সরকারের আমলে ১৭৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও তীব্র অভিযোগ তোলা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি এবং পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করে যুব মোর্চা। পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নামে প্রায় ২৫ লক্ষ ভুয়া জব কার্ড তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্র নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে যুব মোর্চা জানায়, রাজ্যে ৮,২০৭টি প্রাথমিক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাকরির ভিত নষ্ট করছে। এছাড়া কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা সিএজি-র রিপোর্ট উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়, পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তরের ৮১,৮৩৯ কোটি টাকার কোনও সঠিক হিসাব নেই। এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই যুব মোর্চার পক্ষ থেকে চাকরি চায় বাংলা আন্দোলনকে আরও তীব্র করা হবে বলে জানান নেতারা।
- কাকদ্বীপে বামানগর সুবালা হাই স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা,,,,,,,1
- মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার উদ্যোগে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বার্তা দেন ভারতীয় জনতা পার্টির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস। তিনি প্রকাশ্যেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে উৎখাত করার ডাক দেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার নতুন কর্মসূচি চাকরি চায় বাংলা-র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। নিয়োগ চাই, বিজেপি তাই—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার যুবনেতা নিতাই দাস সহ যুব মোর্চার একাধিক নেতৃত্ব। জেলা সম্পাদক সঞ্জয় দাস জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত যুব মোর্চার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ধারাবাহিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় কেনোপি ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হবে। পাশাপাশি পোস্টকার্ড অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যের চাকরিহীন যুবসমাজের ক্ষোভ ও দাবি তুলে ধরা হবে। যুব মোর্চার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি ফিজিক্যালি লক্ষ লক্ষ পোস্টকার্ড মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থাৎ নবান্নে পৌঁছে দেওয়া হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। তাদের দাবি, ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস বা এনএসও-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ কাজ হারিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রাজ্যে প্রায় ২২ হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করা হয়। যুব মোর্চার আরও দাবি, প্রতিকূল শিল্প পরিবেশের কারণে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৬,৬৮৮টি সংস্থা রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছে। এর ফলেই গত প্রায় ১৪ বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। একসময় শিল্পসমৃদ্ধ বারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও তৃণমূল সরকারের আমলে ১৭৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও তীব্র অভিযোগ তোলা হয়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি এবং পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করে যুব মোর্চা। পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নামে প্রায় ২৫ লক্ষ ভুয়া জব কার্ড তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্র নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে যুব মোর্চা জানায়, রাজ্যে ৮,২০৭টি প্রাথমিক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাকরির ভিত নষ্ট করছে। এছাড়া কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা সিএজি-র রিপোর্ট উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়, পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দপ্তরের ৮১,৮৩৯ কোটি টাকার কোনও সঠিক হিসাব নেই। এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই যুব মোর্চার পক্ষ থেকে চাকরি চায় বাংলা আন্দোলনকে আরও তীব্র করা হবে বলে জানান নেতারা।1
- কুলপির থানার করঞ্জলী বি কে ইন্সিটিউট স্কুল মাঠে আট দলীয় ব্রজকিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায় যোগ রঞ্জন হালদার, পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি বন্দনা কর্মকার সহ বিশিষ্ট অতিথি ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। #খেলা #ফুটবল #বিধায়ক #খেলোয়ার #অনুষ্ঠান #টুর্নামেন্ট1
- আজ ৭৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন হলো সাড়ম্বরেই । পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির হেঁড়িয়ার অভিনব মিশন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা রালিতে অংশগ্রহণ করেন।2
- নন্দীগ্রামে সমবায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।।1
- Post by Mohasin mondal1
- Post by Mominali laskar2
- বাসন্তী ব্লকের ফুল মালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১০ নম্বর এলাকায় সরস্বতী পূজা উপলক্ষে সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ বয়স্ক পুরুষদের মিনিট ফুটবল টুর্নামেন্ট দেখতে পাওয়া যায় এবং সে খেলা দেখতে হয়েছে মহিলা দর্শক থেকে শুরু করে উপচে পড়া ভিড় ১০ নম্বর বাবু পাড়া এলাকায়1