Shuru
Apke Nagar Ki App…
বজ্রপাতে জমিতেই মৃত্যু কৃষকের,এলাকা জুড়ে শোকের আবহ সকলের কাছে। পাটের জমি থেকে জল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে জমির মধ্যেই মর্মান্তিক মৃত্যু তরুণ চাষীর।মৃতের নাম শাহিনুর শেখ। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদে লালবাগ মহকুমার এলাকায়। জানা যায়, এক বন্ধুর সঙ্গে পাট জাক দিতে জলে নেমে বৃষ্টি শুরু হলে সেখান থেকে উঠে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছিল সে। সেই সময় আচমকা বজ্রপাতের কবলে পড়ে বিকট শব্দে জমিতে লুটিয়ে পড়ে শাহিনুর। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আনলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
Lalgola news
বজ্রপাতে জমিতেই মৃত্যু কৃষকের,এলাকা জুড়ে শোকের আবহ সকলের কাছে। পাটের জমি থেকে জল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে জমির মধ্যেই মর্মান্তিক মৃত্যু তরুণ চাষীর।মৃতের নাম শাহিনুর শেখ। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদে লালবাগ মহকুমার এলাকায়। জানা যায়, এক বন্ধুর সঙ্গে পাট জাক দিতে জলে নেমে বৃষ্টি শুরু হলে সেখান থেকে উঠে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছিল সে। সেই সময় আচমকা বজ্রপাতের কবলে পড়ে বিকট শব্দে জমিতে লুটিয়ে পড়ে শাহিনুর। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আনলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বজ্রপাতে জমিতেই মৃত্যু কৃষকের,এলাকা জুড়ে শোকের আবহ সকলের কাছে। পাটের জমি থেকে জল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে জমির মধ্যেই মর্মান্তিক মৃত্যু তরুণ চাষীর।মৃতের নাম শাহিনুর শেখ। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদে লালবাগ মহকুমার এলাকায়। জানা যায়, এক বন্ধুর সঙ্গে পাট জাক দিতে জলে নেমে বৃষ্টি শুরু হলে সেখান থেকে উঠে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছিল সে। সেই সময় আচমকা বজ্রপাতের কবলে পড়ে বিকট শব্দে জমিতে লুটিয়ে পড়ে শাহিনুর। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আনলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।1
- তারাপুর বিড়ি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে একি আশ্বাস মন্ত্রী অর্জুন সিং এর নামেই বিড়ি শ্রমিকদের হাসপাতাল। বিগত সরকারের আমলে কোন উন্নয়নই হয়নি। এই হাসপাতালে হাল ফেরান হবে । তারাপুর বিড়ি হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে আশ্বাস রাজ্যের পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী অর্জুন সিং এর। মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জে বিড়ি শ্রমিকদের দাবি দাওয়া নিয়ে বৈঠক করবেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। তার আগে এদিন সকালেই তিনি পৌছে যান তারাপুর বিড়ি হাসপাতালে। হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। কথা বলেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও আধিকারিকদের সাথে। বিড়ি শ্রমিকদের এই হাসপাতালের জন্য টাকা বরাদ্দ হলেও সেই টাকার ব্যবহার নিয়ে বিগত সরকারকে নিশানা করেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। পাশাপাশি বর্তমানে ডবল ইঞ্জিনের সরকার এই হাসপাতালের উন্নয়নের আশ্বাস দেন মন্ত্রী। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য নেই কোন থানার ব্যবস্থা। প্রায় ১০ বছর ধরে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এখন দেখার এই হাসপাতালের কবে ঠিকমতো চিকিৎসা পরিষেবা পান বিড়ি শ্রমিকেরা।1
- এনসিপিআই (NCPI) নেতাদের সদস্যপদ বাতিল ও দলবদলের রাজনীতি নিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর কড়া সমালোচনা"1
- নলহাটি থানায় চালু হল সাইবার হেল্প ডেস্ক............,...... নলহাটি থানায় চালু হল সাইবার হেল্প ডেস্ক নলহাটি থানায় চালু হল সাইবার হেল্প ডেস্ক..............,............1
- মুর্শিদাবাদ মারুট উত্তর পারা কালি মুন্দি আমার নাম সুশান্ত1
- সুতির মানিকপুরে জঙ্গিপুর জুট মিল পরিদর্শনে মন্ত্রী অর্জুন সিং, আশায় বুক বাঁধছেন শ্রমিকরা। মুর্শিদাবাদের সুতির মানিকপুরে জঙ্গিপুর জুট মিল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী অর্জুন সিং। মঙ্গলবার মন্ত্রীর এই পরিদর্শনকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়।দীর্ঘদিন ধরে জুট মিলের বিভিন্ন সমস্যা, শ্রমিকদের বেহাল পরিস্থিতি এবং মিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে মন্ত্রীর পরিদর্শনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।1
- এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কালভার্ট তৈরির পরও মেলেনি রাস্তার সঙ্গে সংযোগ। কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট না করায় তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত। কাদা ও জমা জল পেরিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত কালভার্ট কার্যত অব্যবহারের মুখে। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশলপুর গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছরখানেক আগে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ, নির্মাণের পর কালভার্টের দু’পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ফেলে রাস্তার সঙ্গে সমতল করা হয়নি। রাস্তার তুলনায় কালভার্টটি উঁচু হওয়ায় দুই প্রান্তে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে জল-কাদা জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কালভার্ট তৈরি হলেও সংযোগপথের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ায় সাইকেল, মোটরবাইক তো দূরের কথা, সাধারণ পথচারীদেরও চলাচলে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কালভার্ট এড়িয়ে জলাশয়ের ধার দিয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করছেন তাঁরা। বাসিন্দা এনামুল হক ও রফিকুল ইসলামের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে তিন-চারটি গ্রামের মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। কবরস্থান ও শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে মাঠের ফসল আনা-নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কালভার্ট নির্মাণের পরও সংযোগপথ তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমার বদলে বেড়েছে। বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কালভার্ট নির্মাণের পর রাস্তার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা হল না কেন? প্রায় এক বছর ধরে কেনই বা পড়ে রয়েছে এই অসম্পূর্ণ কাজ? সরকারি অর্থ খরচ করে এমন পরিকাঠামো তৈরি করে তা ব্যবহারযোগ্য না করে রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। দ্রুত কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট করে রাস্তার সঙ্গে সমতল সংযোগ তৈরি এবং কাঁচা অংশ পাকা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, শুধু কালভার্ট বানালেই হবে না, সেটিকে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করাও প্রশাসনের দায়িত্ব।1
- হযরত রওশনগঞ্জে মর্যাদায় পালিত ঈদে মিলাদুন্নবী .।।।।।।।।। হযরত রওশনগঞ্জে মর্যাদায় পালিত ঈদে মিলাদুন্নবী1