Shuru
Apke Nagar Ki App…
হুগলি জেলার হরিপাল সরকারি ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের দপ্তরে ব্যাপক অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। অফিসের সিঁড়িতে এবং চারিপাশে নোংরা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে, যা অফিসের সার্বিক পরিবেশকে অস্বাস্থ্যকর করে তুলেছে।
Sanju Sarkar
হুগলি জেলার হরিপাল সরকারি ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের দপ্তরে ব্যাপক অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। অফিসের সিঁড়িতে এবং চারিপাশে নোংরা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে, যা অফিসের সার্বিক পরিবেশকে অস্বাস্থ্যকর করে তুলেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- হুগলি জেলার হরিপাল সরকারি ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের দপ্তরে ব্যাপক অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। অফিসের সিঁড়িতে এবং চারিপাশে নোংরা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে, যা অফিসের সার্বিক পরিবেশকে অস্বাস্থ্যকর করে তুলেছে।1
- পূর্ব বর্ধমানের কালনা হাট এলাকায় কালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১০৮ নম্বর বুথের রামেশ্বরপুর কালনা স্টেশনের ঠিক পাশে অবস্থিত বন্ধুলজ নামে একটি হোটেলে দীর্ঘ দশ বছর ধরে মধুচক্র চলছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের গুরুতর অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, তারা এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে থানায় অভিযোগ জানালেও, তৃণমূল সরকারের আমলে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে, বর্তমানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে আবার থানায় অভিযোগ জানালে, আজ পুলিশ ওই লজে অভিযান চালায়। এই অভিযানে লজের ভেতর থেকে হাতেনাতে দুজন মহিলাকে আটক করা হয়। এছাড়াও, রামেশ্বরপুরের বাসিন্দা হোটেল মালিক বিশ্বজিৎ দাসকেও পুলিশ আটক করেছে। বর্তমানে এই পুরো বিষয়টি পুলিশি তদন্তাধীন রয়েছে।1
- হালিশহর পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান শুভঙ্কর ঘোষ এবং তার ভাই পাপন ঘোষকে ব্যারাকপুর আদালত পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পৌরসভায় দুর্নীতি, তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে হালিশহর পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।1
- ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী নিজেকে বীরেন্দ্র সেহওয়াগের মতো একজন 'স্লগ ওভারের খেলোয়াড়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যরা তাকে রাহুল দ্রাবিড়ের মতো ভেবেছিল, কিন্তু তিনি তাদের 'যোগ্য জবাব' দিয়েছেন। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে, ব্যারাকপুর পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের শঙ্খবনিক পাড়ায় যুবসংঘ ক্লাবের উদ্যোগে একটি দিবা-রাত্রির নকআউট ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।1
- কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।1
- পশ্চিমবঙ্গের হরিপালের রেজিস্ট্রি অফিসের পরিস্থিতি অত্যন্ত বেহাল। অফিস চত্বরের চারিদিকে শুধু নোংরা আবর্জনা, পানের পিকের দাগ এবং বোতলসহ অন্যান্য ময়লা ছড়িয়ে রয়েছে।1
- মেমারিতে এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।1