*★ডালমিয়া রেল সাইডিংয়ে নতুন দিগন্ত*★ ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)-এর সালানপুর এরিয়ায় কয়লা পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও সুসংগঠিত করতে চালু হল নবনির্মিত ডালমিয়া রেলওয়ে সাইডিং। মঙ্গলবার এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইসিএলের চেয়ারম্যান কাম ম্যানেজিং ডিরেক্টর সতীশ ঝা। এই সাইডিং চালু হওয়ায় উৎপাদিত কয়লা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিবহণ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সালানপুর এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাইটস লিমিটেডের ইস্টার্ন রিজিয়ন হেড আলোক বনসল, ইসিএলের ডিরেক্টর (মানব সম্পদ) গুঞ্জন কুমার সিনহা, ডিরেক্টর (প্রকল্প ও পরিকল্পনা) গিরিশ গোপীনাথ নায়ার, ডিরেক্টর (অপারেশন) নীলাদ্রি রায়, ডিরেক্টর (ফাইন্যান্স) আঞ্জার আলম, ইস্ট সেন্ট্রাল রেলওয়ের ধানবাদ ডিভিশনের ডিসিএম মলখরাজ ও আসানসোল ডিভিশনের আধিকারিক রাহুল কুমার। প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে সিএমডি বাটন টিপে সাইডিংয়ের উদ্বোধন করেন এবং রেক ইঞ্জিনে সবুজ পতাকা দেখিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সূচনা করেন। প্রায় ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৬ মিলিয়ন টন কয়লা ডিসপ্যাচ করা যাবে। এখানে দুটি লোডিং প্ল্যাটফর্ম, রেলওয়ে ওয়েব্রিজ এবং আধুনিক পে-লোডার লোডিং ব্যবস্থা রয়েছে। বনজেমিহারি ওপেন কাস্ট প্রজেক্টের সম্প্রসারণের ফলে পুরনো সাইডিং স্থানান্তরিত করে এই ডালমিয়া রেল সাইডিং গড়ে তোলা হয়েছে।
*★ডালমিয়া রেল সাইডিংয়ে নতুন দিগন্ত*★ ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)-এর সালানপুর এরিয়ায় কয়লা পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও সুসংগঠিত করতে চালু হল নবনির্মিত ডালমিয়া রেলওয়ে সাইডিং। মঙ্গলবার এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইসিএলের চেয়ারম্যান কাম ম্যানেজিং ডিরেক্টর সতীশ ঝা। এই সাইডিং চালু হওয়ায় উৎপাদিত কয়লা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিবহণ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সালানপুর এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাইটস লিমিটেডের ইস্টার্ন রিজিয়ন হেড আলোক বনসল, ইসিএলের ডিরেক্টর (মানব সম্পদ) গুঞ্জন কুমার সিনহা, ডিরেক্টর (প্রকল্প ও পরিকল্পনা) গিরিশ গোপীনাথ নায়ার, ডিরেক্টর (অপারেশন) নীলাদ্রি রায়, ডিরেক্টর (ফাইন্যান্স) আঞ্জার আলম, ইস্ট সেন্ট্রাল রেলওয়ের ধানবাদ ডিভিশনের ডিসিএম মলখরাজ ও আসানসোল ডিভিশনের আধিকারিক রাহুল কুমার। প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে সিএমডি বাটন টিপে সাইডিংয়ের উদ্বোধন করেন এবং রেক ইঞ্জিনে সবুজ পতাকা দেখিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সূচনা করেন। প্রায় ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৬ মিলিয়ন টন কয়লা ডিসপ্যাচ করা যাবে। এখানে দুটি লোডিং প্ল্যাটফর্ম, রেলওয়ে ওয়েব্রিজ এবং আধুনিক পে-লোডার লোডিং ব্যবস্থা রয়েছে। বনজেমিহারি ওপেন কাস্ট প্রজেক্টের সম্প্রসারণের ফলে পুরনো সাইডিং স্থানান্তরিত করে এই ডালমিয়া রেল সাইডিং গড়ে তোলা হয়েছে।
- *★ডালমিয়া রেল সাইডিংয়ে নতুন দিগন্ত*★ ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল)-এর সালানপুর এরিয়ায় কয়লা পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও সুসংগঠিত করতে চালু হল নবনির্মিত ডালমিয়া রেলওয়ে সাইডিং। মঙ্গলবার এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইসিএলের চেয়ারম্যান কাম ম্যানেজিং ডিরেক্টর সতীশ ঝা। এই সাইডিং চালু হওয়ায় উৎপাদিত কয়লা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিবহণ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সালানপুর এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাইটস লিমিটেডের ইস্টার্ন রিজিয়ন হেড আলোক বনসল, ইসিএলের ডিরেক্টর (মানব সম্পদ) গুঞ্জন কুমার সিনহা, ডিরেক্টর (প্রকল্প ও পরিকল্পনা) গিরিশ গোপীনাথ নায়ার, ডিরেক্টর (অপারেশন) নীলাদ্রি রায়, ডিরেক্টর (ফাইন্যান্স) আঞ্জার আলম, ইস্ট সেন্ট্রাল রেলওয়ের ধানবাদ ডিভিশনের ডিসিএম মলখরাজ ও আসানসোল ডিভিশনের আধিকারিক রাহুল কুমার। প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে সিএমডি বাটন টিপে সাইডিংয়ের উদ্বোধন করেন এবং রেক ইঞ্জিনে সবুজ পতাকা দেখিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সূচনা করেন। প্রায় ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৬ মিলিয়ন টন কয়লা ডিসপ্যাচ করা যাবে। এখানে দুটি লোডিং প্ল্যাটফর্ম, রেলওয়ে ওয়েব্রিজ এবং আধুনিক পে-লোডার লোডিং ব্যবস্থা রয়েছে। বনজেমিহারি ওপেন কাস্ট প্রজেক্টের সম্প্রসারণের ফলে পুরনো সাইডিং স্থানান্তরিত করে এই ডালমিয়া রেল সাইডিং গড়ে তোলা হয়েছে।1
- 🙏😘♥️ sushil Singh durgapur YouTube 🙏♥️😘 Benachity durgapur1
- মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে বীরভূমের জয়দেব মেলায় পুণ্যার্থীদের ঢল নামতে শুরু করতেই আঁটোসাটো নিরাপত্তায় মুড়লো গোটা এলাকা। জয়দেব পদ্মাবতীর রাধা বিনোদের মন্দিরকে কেন্দ্র করে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা।বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা কাঁকসার বিদ বিহারের নবগ্রামের অজয় ঘাট হয়ে মেলামুখী হচ্ছেন। সেই পথকেই নিরাপত্তার বিশেষ করিডর হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। বীরভূম জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন যৌথভাবে পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।নবগ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, অস্থায়ী পঞ্চায়েত কার্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে মেলা ও সংলগ্ন এলাকায়।নিরাপত্তা জোরদার করতে বসানো হয়েছে পঞ্চাশেরও বেশি সিসি ক্যামেরা, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যারিকেডিং করা হয়েছে।অজয় নদের বিপজ্জনক অংশগুলিতে সতর্কতামূলক বোর্ড লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি চালানো হবে। সব মিলিয়ে, নির্বিঘ্নে পুণ্যস্নান ও মেলা উপভোগ করতে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের প্রস্তুতি এবার একেবারে প্রশ্নাতীত। বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গোপাল সরকার বলেন,"পঞ্চায়েতের তরফ থেকে নির্মল বাংলার একাধিক ব্যানার দেওয়া হয়েছে। মেলায় যাতে আবর্জনা না হয় অজয়। নদ যাতে দূষণ না হয় সেজন্য সতর্কতা করা হচ্ছে। পঞ্চায়েত সদস্যরা নজরদারির মধ্যে রাখছে গোটা মেলা চত্বর। পুলিশ প্রশাসনেরও সহযোগিতা রয়েছে।"1
- Humayun Kabir: অভিষেক যেখানে যেখানে সভা করবে তার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পাল্টা সভা করবো।1
- आसनसोल :आज आसनसोल में जीटी रोड के पास स्थित सेंट जोसेफ स्कूल के छात्रों ने पथ अवरोध कर विरोध प्रदर्शन किया। उनका कहना है कि स्कूल की ओर से उन पर दबाव डाला जा रहा है कि वे क्लास ट्वेल्व की परीक्षा देने से पहले एक मॉक टेस्ट दें, जिसका नाम सेंटाप टेस्ट रखा गया है, जिसके लिए पांच हजार रुपये मांगे जा रहे हैं। छात्रों का आरोप है कि स्कूल की ओर से कहा गया है कि अगर वे इस सेंटाप परीक्षा के लिए पांच हजार रुपये जमा नहीं करते हैं, तो जब वे उच्च माध्यमिक परीक्षा के लिए बैठेंगे, तो उनका एडमिट कार्ड रोक दिया जाएगा। इसके विरोध में आज सेंट जोसेफ स्कूल के छात्रों ने पथ अवरोध किया और कहा कि जब राज्य सरकार की ओर से यह नियम बनाया गया है कि सेंटाप परीक्षा देना अनिवार्य नहीं है, तो उन्हें ऐसा करने के लिए मजबूर क्यों किया जा रहा है। हालांकि, इस मामले में जब हमने स्कूल के कॉमर्स के शिक्षक से बात की, तो उन्होंने कहा कि किसी भी छात्र को मजबूर नहीं किया जा रहा है और एडमिट कार्ड रोकने की धमकी भी नहीं दी गई है। लेकिन जब हमने स्कूल के हेडमास्टर से बात करने की कोशिश की, तो उन्होंने कोई प्रतिक्रिया देने से इनकार कर दिया।1
- * বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া:- আজ নেতাজির ১৬৪ তম জন্মজয়ন্তী, এই মহতি দিনে বিষ্ণুপুর হেরিটেজ স্কুলে annual function অনুষ্ঠিত করল স্কুল কর্তৃপক্ষ। সকাল থেকেই স্কুল চত্বরে উৎসবের চেহারা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের SDPO, প্রথমেই উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের সমর্থনা জ্ঞাপন তারপর জাতীয় পতাকা ও বিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, ছাত্র-ছাত্রীদের প্যারেড মশাল দৌড় ও উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের ভাষণ এবং মঞ্চে একের পর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সারাবছর ছাত্র-ছাত্রীদের শেখানো বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটি। ছাত্র-ছাত্রীদের গান নাচ সমস্ত কিছুর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান যেন রঙিন হয়ে ওঠে। যেহেতু আজ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন তাই বিশিষ্ট অতিথিরা স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে তাকে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ মনে করেন সারা বছর লেখাপড়ার পাশাপাশি এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে থাকে ছাত্রছাত্রী অভিভাবক এবং শিক্ষক শিক্ষিকারা। তারা মনে করছেন লেখাপড়ার পাশাপাশি এই ধরনের অনুষ্ঠান প্রয়োজন রয়েছে। সারা বছর যে সমস্ত অ্যাক্টিভিটি ছাত্র-ছাত্রীদের শেখানো হয়। তারা এই দিন বিশিষ্ট অতিথিদের সামনে এবং অভিভাবকদের সামনে পারফরম্যান্স করেন। সবশেষে সকলকে নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘোষণা হয়। সর্বোপরিটেজ স্কুলের এই উদ্যোগে ব্যাপক খুশি অভিভাবকরা।1
- মানবাজার:মানবাজারে ২৩ বছর ধরে চলছে অনুষ্ঠান1
- কুলটিতে বিসিসিএলের ওসিপিতে ধস/ অবৈধভাবে কয়লা তুলতে গিয়ে মৃত ৩, জখম দুজন, নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান.............. কুলটি ও আসানসোল, ১৩ জানুয়ারিঃ আবারও পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি বা অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় ধসের ঘটনা ঘটলো। এবার আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরায় বিসিসিএলের খোলামুখ বা ওপেন কাস্ট কয়লাখনিতে (ওসিপি) এই ঘটনাটি ঘটেছে। পরিত্যক্ত এলাকায় নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঐ খোলামুখ কয়লাখনি ভেতরে সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার এই ঘটনায় অন্ততঃ ছয় জন চাপা পড়ে যায় বলে আশঙ্কা করা হয়েছিলো । তার মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজন আহত হয়েছে। একজনের ব্যাপারে সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। সকাল দশটার পরে তা জানাজানি হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক কুমার পাসোয়ান। আসেন বড়িরা গ্রামের বাসিন্দা তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায়। তারা বলেন, আমরা খবর পেয়ে এলাকায় আসি। জানতে পারি, ৫/৬ জন এই খনি এলাকায় এদিন সকালে কয়লা তোলার জন্য নেমেছিলো। তখন ধসের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলা হচ্ছে। আহত হয়েছেন আরো দুজন। ঘটনার কথা বিসিসিএলকে বলা হলে, তারা উদ্ধারকাজ করে। এই ঘটনার পরে ঐ খনি এলাকা থেকে যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাদের মধ্যে একজন মহিলা রয়েছেন। দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদেরকে জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায় নি। মনে করা হচ্ছে, তারা অন্য কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । ঘটনায় খনি এলাকায় ধসে ভেতরে আরো কেউ আটকে বা চাপা পড়ে আছে থাকার আশঙ্কা করা হয়েছিলো। যে কারণে তাদের উদ্ধারের জন্য পোকলেন মেশিনের সাহায্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কুলটি থানার পুলিশ বাহিনী ও সিআইএসএফের জওয়ানরা যায়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত আর কাউকে সেখান থেকে পাওয়া যায় নি। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বডিরা ওপেন কাস্ট খনির আশপাশে শতাধিক মানুষের ভিড় জমে যায়। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরাও খনি এলাকায় পৌঁছে যান। প্রিয়জনদের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু কয়লা মাফিয়ার লোকজনেরা মৃতদের পরিবারের সদস্যদেরকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে পরিবারগুলি অনড় থেকে প্রিয়জনদের এক ঝলক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা, হয়তো এখনও কেউ জীবিত রয়েছেন। যাদেরকে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের উদ্ধার করতে পারবে। সূত্রের খবর, যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে একজন বছর ৫০ র গীতা বাউরি। তিনি কুলটির লছমনপুরের বাসিন্দা। বাকি দুজন সুরেশ বাউরি আসানসোল উত্তর থানার কন্যাপুর ও টিপু মল্লিক কুুলটির লালবাজারের বাসিন্দা। গুরুতর জখম সুভাষ মল্লিক ও গোবিন্দ বাউরি কুলটির বডিরা গ্রামের বাসিন্দা। এই পাঁচজনের পরিবারের তরফেও কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। যদিও, পুলিশের তরফে এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। ঐ এলাকায় কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে, এই খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায় বলে জানানো হয়েছে। বিসিসিএলের তরফেও একই মত পোষণ করা হয়েছে। তাদের তরফে আরো বলা হয়েছে, ঐ এলাকাটি পরিত্যক্ত ও বিপজ্জনক। সেখানে যে যাওয়া যায় না, তা মাইকিং করে জানানো হয়েছে। রাস্তা থেকে ঐ এলাকা ৩৫০ ফুট নিচে। উল্লেখ্য, বডিরার এই কয়লাখনিতে আগেও একাধিকবার ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবুও কয়লা মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য থামেনি। অভিযোগ, প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ ট্রাক অবৈধ কয়লা তুলে আশপাশের কয়লা ভাটায় পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ফের একবার কয়লাখনির নিরাপত্তা ও অবৈধ কয়লা তোলা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।1