ভগবাননগরে গরু আটককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, BSF-এর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ—মূল সড়ক অবরোধ নিজস্ব প্রতিনিধি, কৈলাশহর | ২৬ আগস্ট ২০২৬: গরু আটককে কেন্দ্র করে বুধবার সন্ধ্যায় কৈলাশহরের ভগবাননগর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিজেদের পালিত গরু চরিয়ে বাড়ি ফেরার সময় BSF সদস্যরা গরুগুলোকে অবৈধ বলে আটক করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে গ্রামবাসী ও BSF সদস্যদের মধ্যে বচসা এবং পরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর দাবি, সন্ধ্যায় কয়েকজন বাসিন্দা নিজেদের পালিত গরু চরিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময় BSF সদস্যরা গরুগুলো আটক করার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে BSF সদস্যরা লাঠিচার্জ করেন। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর। তাঁদের অভিযোগ, লাঠিচার্জের ঘটনায় এক মহিলার হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং আরও এক মহিলা আহত হন। তবে আহতদের আঘাতের প্রকৃতি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভগবাননগরের মূল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর ফলে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, তাঁরা কৃষিকাজ ও গৃহপালিত পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল। নিজেদের পালিত গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সেগুলোকে অবৈধ গরু বলে আটক করার চেষ্টা এবং প্রতিবাদ করলে লাঠিচার্জ—এই ঘটনায় তাঁরা ক্ষুব্ধ। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, দ্রুত সমস্যার সমাধান ও ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থা না হলে তাঁরা সড়ক অবরোধ চালিয়ে যাবেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভগবাননগর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে BSF-এর পক্ষ থেকে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। গরু আটক ও লাঠিচার্জের অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।
ভগবাননগরে গরু আটককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, BSF-এর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ—মূল সড়ক অবরোধ নিজস্ব প্রতিনিধি, কৈলাশহর | ২৬ আগস্ট ২০২৬: গরু আটককে কেন্দ্র করে বুধবার সন্ধ্যায় কৈলাশহরের ভগবাননগর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিজেদের পালিত গরু চরিয়ে বাড়ি ফেরার সময় BSF সদস্যরা গরুগুলোকে অবৈধ বলে আটক করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে গ্রামবাসী ও BSF সদস্যদের মধ্যে বচসা এবং পরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর দাবি, সন্ধ্যায় কয়েকজন বাসিন্দা নিজেদের পালিত গরু চরিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময় BSF সদস্যরা গরুগুলো আটক করার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে BSF সদস্যরা লাঠিচার্জ করেন। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর। তাঁদের অভিযোগ, লাঠিচার্জের ঘটনায় এক মহিলার হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং আরও এক মহিলা আহত হন। তবে আহতদের
আঘাতের প্রকৃতি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভগবাননগরের মূল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর ফলে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, তাঁরা কৃষিকাজ ও গৃহপালিত পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল। নিজেদের পালিত গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সেগুলোকে অবৈধ গরু বলে আটক করার চেষ্টা এবং প্রতিবাদ করলে লাঠিচার্জ—এই ঘটনায় তাঁরা ক্ষুব্ধ। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, দ্রুত সমস্যার সমাধান ও ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থা না হলে তাঁরা সড়ক অবরোধ চালিয়ে যাবেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভগবাননগর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে BSF-এর পক্ষ থেকে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। গরু আটক ও লাঠিচার্জের অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।
- ফটিকরায়ে বিশ্ব নবীর হযরত মোহাম্মদের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়, এ-উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনার সভার মাধ্যমে ফটিকরায় বিধানসভার রাধানাগর, তৈগরী, নোয়াগাঁও, কৃষ্ণনগর ও ফটিকরায় এলাকার সকল মুসলিম ধর্মালম্বী মানুষ একত্রিত হয়ে ফটিকরায় আঞ্চলিক ফাতেহা দুয়াজ দাহাম কমিটির উদ্যোগে এক বিশাল শোভাযাত্রা বের করেন। শোভাযাত্রাটি ফটিকরায় বিধানসভার নোয়াগাঁও থেকে শুরু হয়ে ফটিকরায় বাজার পরিক্রমা করে ফটিকরায় আঞ্চলিক জামে মসজিদের সামনে এসে সম্পন্ন হয়। এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ফটিকরায় আঞ্চলিক ফাতেহা দুয়াজ দাহাম কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা :ইলিম মিয়া, মোকদ্দুস মিয়া, হাবিবুর রহমান, ও মসজিদের ইমাম সাহেব সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গরা। আজকের তাৎপর্যপূর্ণ দিনটি উপলক্ষে বক্তারা বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদের জীবনীর উপর আলোকপাত করে বলেন, উনার প্রদর্শিত শান্তি, ভ্রাতৃত্ব এবং মানবতার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই সমাজ ও জীবনে শৃঙ্খলা ও কল্যাণ সম্ভব। উনার শিক্ষাকে দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করার আহ্বান জানানো হয়। পরিশেষে, শান্তি ও শৃঙ্খলার সাথে শোভাযাত্রাটি সম্পন্ন হয়। ফটিকরায় থেকে বিকাশ কপালীর রিপোর্ট2
- ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা! ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা!1
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।4
- *যোগেন্দ্রনগর পার্টি অফিস পরিদর্শনে বিরোধী দলনেতা, কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক* নিজস্ব প্রতিনিধি।। আগরতলা, ২৬ আগস্ট: যোগেন্দ্রনগর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে স্থানীয় পার্টি অফিস পরিদর্শন করলেন ত্রিপুরা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি এবং দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন।পরিদর্শনকালে পার্টি অফিসের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন বিরোধী দলনেতা। দলের কার্যালয় ও কর্মীদের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়েও আলোচনা হয়।উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট যোগেন্দ্রনগর এলাকায় একটি রাজনৈতিক মিছিলকে কেন্দ্র করে সিপিআই(এম)-এর স্থানীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সিপিআই(এম) অভিযোগ করে, মিছিলের সঙ্গে যুক্ত কিছু সমর্থক তাদের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। অন্যদিকে, বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে তাদের কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছিল।এদিনের পরিদর্শনে জিতেন্দ্র চৌধুরী দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। ঘটনাটি নিয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠে আসে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।4
- এখন সোনার চেয়েও দামী. হে ঠিক শুনতে পারছেন সোনার চেয়েও দামী আজ... এক সময় যে গ্রাম টি আনাগুনা কম ছিলো । দিনের পর দিন রাতের পর রাত লোকেরা ভয়ে থাকতো আজ সেই জায়গা সোনার চেয়েও দামী ।1
- ⭕ নোটিফিকেশন জারির চার বছরেও বাস্তবায়ন নয়, ক্ষোভে সড়কে অবরোধ ✍️ সরকারি নোটিফিকেশন জারি হওয়ার পর কেটে গিয়েছে প্রায় চার বছর। কিন্তু এখনও বাস্তবায়িত হয়নি ত্রিপুরা ট্রাইব্যাল এরিয়াস অটনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের (টিটিএএডিসি) চারটি ভিলেজ কমিটি এবং পুরাতন আগরতলার ৫ নম্বর খয়েরপুর এলাকাকে বেলবাড়ি ব্লকের অধীনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত। প্রশাসনের এই দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে এবার ক্ষোভে ফুঁসছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ মানুষ। অবিলম্বে সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর করার দাবিতে বুধবার জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।1
- llllllllolllllllllollllllllollllllllolllllllllollllllll1
- *হেডলাইন: বাইজালবাড়ির বেলফাং নাকা পয়েন্টে বিপুল সাফল্য: ১০ কেজি গাঁজা ও বাইকসহ গ্রেপ্তার ২ যুবক !* ত্রিপুরা থেকে গোপাল সিংয়ের রিপোর্ট: * খোয়াই জেলার বাইজালবাড়ি থানার অন্তর্গত বেলফাং নাকা পয়েন্টে নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির সময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ গাঁজাসহ দুই যুবককে হাতেনাতে পাকড়াও করেছে পুলিশ। * তল্লাশি চলাকালীন একটি সন্দেহজনক মোটরবাইক থেকে প্রায় ১০ কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং পাচারে ব্যবহৃত বাইকটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। * ঘটনায় জড়িত দুই যুবক জীতেন্দ্র দেববর্মা (বাড়ি- বগাবিল সূর্যপাড়া) এবং উৎপল দেববর্মা (বাড়ি- জুমিয়া কলোনি)-কে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। * ধৃতদের বিরুদ্ধে বাইজালবাড়ি থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে এই পাচার চক্রের শিকড় ও গন্তব্য খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। * বাইজালবাড়ী থানার ওসি তিলক জমাতিয়া জানান, বেলফাং নাকা পয়েন্টে তল্লাশির সময় উক্ত বাইকটির দুই আরোহীর সন্দেহজনক আচরণ দেখে তল্লাশি চালাতেই ব্যাগ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। * আটক করা বাইকটির নম্বর TR-06-C-8127; ধৃতদের সাথে কোনো স্থানীয় বা আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের যোগসাজশ রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ।2