ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।
ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে
পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট
CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে
প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।4
- *যোগেন্দ্রনগর পার্টি অফিস পরিদর্শনে বিরোধী দলনেতা, কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক* নিজস্ব প্রতিনিধি।। আগরতলা, ২৬ আগস্ট: যোগেন্দ্রনগর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে স্থানীয় পার্টি অফিস পরিদর্শন করলেন ত্রিপুরা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি এবং দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন।পরিদর্শনকালে পার্টি অফিসের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন বিরোধী দলনেতা। দলের কার্যালয় ও কর্মীদের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়েও আলোচনা হয়।উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট যোগেন্দ্রনগর এলাকায় একটি রাজনৈতিক মিছিলকে কেন্দ্র করে সিপিআই(এম)-এর স্থানীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সিপিআই(এম) অভিযোগ করে, মিছিলের সঙ্গে যুক্ত কিছু সমর্থক তাদের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। অন্যদিকে, বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে যে তাদের কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছিল।এদিনের পরিদর্শনে জিতেন্দ্র চৌধুরী দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। ঘটনাটি নিয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠে আসে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।4
- অবৈধ প্রেমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধর্মনগরে চাঞ্চল্য পার্লার ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ অবৈধ প্রেমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধর্মনগরে চাঞ্চল্য পার্লার ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ অবৈধ প্রেমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধর্মনগরের অফিসটিলা–পদ্মপুর রোড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পার্লার ব্যবসার আড়ালে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্ক চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এক যুবককে পার্লারের মালিক ভাগ্যশ্রী সিনহার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান সত্যজিৎ গোস্বামীর স্ত্রী। এরপর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পার্লার চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ, উত্তেজনার মধ্যে পার্লারে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে ধর্মনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং পার্লার মালিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কতটা সঠিক, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।1
- ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা! ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা!1
- যোগেন্দ্রনগর পার্টি অফিস পরিদর্শনে বিরোধী দলনেতা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন জিতেন্দ্র চৌধুরী2
- এখন সোনার চেয়েও দামী. হে ঠিক শুনতে পারছেন সোনার চেয়েও দামী আজ... এক সময় যে গ্রাম টি আনাগুনা কম ছিলো । দিনের পর দিন রাতের পর রাত লোকেরা ভয়ে থাকতো আজ সেই জায়গা সোনার চেয়েও দামী ।1
- মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য কল্যাণপুরে অর্থ সাহায্য নিয়ে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া।। মনশ্রীর চিকিৎসার জন্য কল্যাণপুরে অর্থ সাহায্য নিয়ে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া।।1
- *ধর্মনগরের রাস্তা ও উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়াতে পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিধায়কের বৈঠক* নিজস্ব প্রতিনিধি।। ধর্মনগর, ২৫ আগস্ট: ধর্মনগর শহরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি, রাস্তার সমস্যা এবং দ্রুত মেরামত ও পুনরুদ্ধার নিয়ে মঙ্গলবার ধর্মনগর পূর্ত দপ্তর অফিসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।এদিনের বৈঠকে পূর্ত দপ্তরের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। ধর্মনগর শহর ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন রাস্তার বর্তমান পরিস্থিতি, চলমান উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি এবং যেসব এলাকায় রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, সেসব বিষয় বৈঠকে গুরুত্ব সহকারে উঠে আসে।বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির দ্রুত মেরামত, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনরুদ্ধার এবং চলমান নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে কাজের গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।বিধায়ক জহর চক্রবর্তী বলেন, সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাস্তার সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চলমান কাজগুলির গতি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে।বৈঠক থেকে ধর্মনগরের বিভিন্ন রাস্তা ও উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক দের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার বার্তা উঠে আসে।4