Shuru
Apke Nagar Ki App…
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা! ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা!
Tripura Television
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা! ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে শোভাযাত্রা টিলাবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা!
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- ৬ দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন! ক্ষোভে বিদ্যুৎ অফিসে তালা দিলেন ইয়া যে খাওড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।2
- ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!1
- ধর্মনগরে আট দফা দাবিতে রাজপথ কাঁপাল ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন! জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি। উত্তর ত্রিপুরা জেলার খেটে খাওয়া মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও জ্বলন্ত সমস্যা নিরসনের দাবিতে সরব হলো ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার জেলা জুড়ে সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে ধর্মনগরে মিছিল ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করে সংগঠন। এদিন বেলা একটা নাগাদ সিপিআইএম ধর্মনগর মহকুমা দপ্তরের সামনে থেকে এক সুসজ্জিত মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পরিক্রমা করে পুনরায় মহকুমা দপ্তরের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল উত্তর ত্রিপুরা জেলা শাসক ও সমাহর্তার দ্বারস্থ হন এবং আট দফা দাবি সম্বলিত এক স্মারকলিপি তুলে দেন।প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক দুর্গেশ রায়, রাজ্য কমিটির সদস্য প্রীতি বালা নাথ, জেলা কমিটির সদস্য নিরঞ্জন চক্রবর্তী, পানিসাগর মহকুমা সম্পাদক অবনী দে এবং ধর্মনগর মহকুমা সম্পাদক অনুকূল দাস।স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গরিব মানুষের জন্য আবাসন প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিতদের জন্য অবিলম্বে অসম্পূর্ণ জিও ট্যাগিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। গ্রামীণ শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় এমজিএনরেগার আওতায় বছরে ২০০ দিনের কাজ ও দৈনিক ৭০০ টাকা মজুরি নিশ্চিত করা এবং শহরের টুয়েপ শ্রমিকদের কাজের দিন ও মজুরি বৃদ্ধির জন্য প্রশাসনকে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। মাসের পর মাস বকেয়া মজুরি আটকে থাকা এবং সরকারি নির্ধারিত হারের চেয়ে কম মজুরি প্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।পাশাপাশি বিদ্যুতের অতিরিক্ত মাশুল ও স্মার্ট মিটার অবিলম্বে প্রত্যাহার, গ্রাম পঞ্চায়েত, এডিসি ভিলেজ ও শহরের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া রাস্তাঘাটের জরুরি সংস্কার এবং ভূমিহীন গ্রামীণ গরিবদের জমির বন্দোবস্ত দেওয়ার দাবিও স্মারকলিপিতে জোরালোভাবে তোলা হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি রোধে রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে মাথাপিছু ১২ কেজি চাল সহ ডাল, চিনি, সরষের তেল, লবণ ও সাবান ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহের আর্জি জানানো হয়। এছাড়া জেলার গ্রাম ও শহরে তীব্র পানীয় জলের সংকট মেটাতে বিকল হয়ে পড়ে থাকা আয়রন রিমুভাল প্ল্যান্টগুলির দ্রুত সংস্কার এবং প্রতি মাসে নিয়মিত সামাজিক ভাতা প্রদানের পাশাপাশি ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা করার দাবি জানিয়েছে ইউনিয়ন।প্রতিনিধি দল জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপির প্রতিটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য অনুরোধ জানান।4
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।3
- মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা:উন্নয়নের ঢাকঢোল পেটানো ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের আমলে শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশু ও মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের অর্থ না পাওয়ায় কার্যত সংকটে পড়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।3
- 🔥 “Who are You?” — “আমি ভারতীয়!” 🇮🇳 “বিধানসভার অধিবেশনে CPIM বিধায়কদের থাকার কোনও অধিকার নেই”—কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরেই উত্তপ্ত বিধানসভা। পাল্টা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর নিশানায় রতন লাল নাথ—“Who are You?” জবাবে রতন লাল নাথ—“আমি ভারতীয়।” 🇮🇳 এরপরই তীব্র বাদানুবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।1
- দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ, সিপিএমের বিরুদ্ধে বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল খোয়াইয়ে। দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ, সিপিএমের বিরুদ্ধে বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল খোয়াইয়ে।1
- সংবাদ প্রতিবেদন সংবাদ প্রকাশের দুই দিনের মধ্যেই উদ্যোগ, কৃষকদের জন্য রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস সোনামুড়া: দুই দিন আগে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর পরিদর্শন প্রতিমা ভূমিকের। সোনামুড়া রাঙ্গামাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, দীর্ঘ বহু বছর ধরে এলাকার প্রায় শতাধিক কৃষক ছোট নালার ওপর কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী পোল ব্যবহার করে যাতায়াত করে আসছিলেন। বর্ষাকালে এই যাতায়াত আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কৃষকদের এই সমস্যার কথা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তুলে ধরে সরকারের কাছে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের আবেদন জানানো হয়েছিল। এরপর আজ এলাকায় পৌঁছে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমা ভূমিকা। কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা বিবেচনা করে তিনি প্রায় ১০০ মিটার রাস্তা ও একটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি এলাকার কৃষকরা। কৃষকদের দাবি, স্থায়ী রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণ হলে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। এখন দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষ।2