logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।

2 hrs ago
user_News Tripura
News Tripura
ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
2 hrs ago

ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া

রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায়

কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।

More news from ত্রিপুরা and nearby areas
  • ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।
    3
    ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না।
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার?
অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে।
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন।
এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা।
তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।
    user_News Tripura
    News Tripura
    ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    2 hrs ago
  • মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা:উন্নয়নের ঢাকঢোল পেটানো ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের আমলে শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশু ও মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের অর্থ না পাওয়ায় কার্যত সংকটে পড়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।
    3
    মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা:উন্নয়নের ঢাকঢোল পেটানো ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের আমলে শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশু ও মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের অর্থ না পাওয়ায় কার্যত সংকটে পড়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    7 hrs ago
  • ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।
    4
    ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা।
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার?
অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে।
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।
    user_Amlan Das
    Amlan Das
    Photographer Dharmanagar, North Tripura•
    23 hrs ago
  • *হেডলাইন: স্যন্দন পৰিয়ালৰ সাড়ে ৫ লাখ টকাৰ সোণৰ চেইন চুৰিৰ ২৪ ঘণ্টাৰ ভিতৰতে উদ্ধাৰ! পূৰ্ব থানাৰ অ’চিৰ তৎপৰতাত চোৰ আৰু চুৰি হোৱা চাইকেল আটক!* ত্ৰিপুৰাৰ পৰা গোপাল সিঙৰ প্ৰতিবেদন: * ৰাজধানী আগৰতলাৰ বনমালীপুৰ অঞ্চলৰ বাসিন্দা অৰিন্দম দে’ৰ সাৰে ৫ লাখ টকা মূল্যায়িত সোণৰ চেইন চুৰিৰ ঘটনাৰ ২৪ ঘণ্টাৰ ভিতৰতে সফল ফাদিল কৰিলে আৰক্ষীয়ে। * আগৰতলা পূৰ্ব থানাৰ অ’চি (OC) কৃষ্ণধন চৰকাৰৰ দক্ষ নেতৃত্বত আৰু মহিলা আৰক্ষী বিষয়া কমলাৰাণী মুৰাসিং কৰ সহায়ত অভিযান চলাই চুৰি হোৱা সোণৰ অলংকাৰ উদ্ধাৰৰ লগতে গৃহপৰিচাৰিকা গৰাকী আটক কৰা হৈছে। * যোৱা ২৫ আগষ্টৰ পুৱা ঘৰত শিশুৱে সোণৰ চেইন লৈ খেলা-ধূলা কৰি থকাৰ সময়তে সেয়া নিৰুদ্দেশ হয়; গৃহপৰিচাৰিকাৰ ওপৰত সন্দেহ প্ৰকাশ কৰি ২৬ আগষ্টত থানাত লিখিত অভিযোগ দাখিল কৰা হৈছিল। * এই সফল অভিযানৰ সমান্তৰালকৈ আগৰতলা পূৰ্ব থানাৰ আৰক্ষীয়ে দুখন চুৰি হোৱা বেটাৰীচালিত চাইকেল আৰু ইয়াৰ সৈতে জড়িত চোৰটোকো আটক কৰিবলৈ সক্ষম হয়। * লিখিত অভিযোগ পোৱাৰ লগে লগেই অ’চিৰ নিৰ্দেশত তদন্তত নামি সন্দেহভাজন গৃহপৰিচাৰিকাগৰাকীক দ্ৰুতগতিত আটক কৰি জেৰা চলাই হেৰোৱা সোণৰ চেইন উদ্ধাৰ কৰে আৰক্ষীয়ে। * ৰাজধানী আগৰতলাৰ পূৰ্ব থানা অঞ্চলক সম্পূৰ্ণ অপৰাধমুক্ত কৰিবলৈ নতুন অ’চি কৃষ্ণধন চৰকাৰ আৰু তেওঁৰ দলটোৰ এই ধাৰাবাহিক সময়োপযোগী তৎপৰতা স্থানীয় সৰ্বস্তৰৰ ৰাইজৰ দ্বাৰা প্ৰশংসিত হৈছে।
    4
    *হেডলাইন: স্যন্দন পৰিয়ালৰ সাড়ে ৫ লাখ টকাৰ সোণৰ চেইন চুৰিৰ ২৪ ঘণ্টাৰ ভিতৰতে উদ্ধাৰ! পূৰ্ব থানাৰ অ’চিৰ তৎপৰতাত চোৰ আৰু চুৰি হোৱা চাইকেল আটক!*

ত্ৰিপুৰাৰ পৰা গোপাল সিঙৰ প্ৰতিবেদন:

* ৰাজধানী আগৰতলাৰ বনমালীপুৰ অঞ্চলৰ বাসিন্দা অৰিন্দম দে’ৰ সাৰে ৫ লাখ টকা মূল্যায়িত সোণৰ চেইন চুৰিৰ ঘটনাৰ ২৪ ঘণ্টাৰ ভিতৰতে সফল ফাদিল কৰিলে আৰক্ষীয়ে।
* আগৰতলা পূৰ্ব থানাৰ অ’চি (OC) কৃষ্ণধন চৰকাৰৰ দক্ষ নেতৃত্বত আৰু মহিলা আৰক্ষী বিষয়া কমলাৰাণী মুৰাসিং কৰ সহায়ত অভিযান চলাই চুৰি হোৱা সোণৰ অলংকাৰ উদ্ধাৰৰ লগতে গৃহপৰিচাৰিকা গৰাকী আটক কৰা হৈছে।
* যোৱা ২৫ আগষ্টৰ পুৱা ঘৰত শিশুৱে সোণৰ চেইন লৈ খেলা-ধূলা কৰি থকাৰ সময়তে সেয়া নিৰুদ্দেশ হয়; গৃহপৰিচাৰিকাৰ ওপৰত সন্দেহ প্ৰকাশ কৰি ২৬ আগষ্টত থানাত লিখিত অভিযোগ দাখিল কৰা হৈছিল।
* এই সফল অভিযানৰ সমান্তৰালকৈ আগৰতলা পূৰ্ব থানাৰ আৰক্ষীয়ে দুখন চুৰি হোৱা বেটাৰীচালিত চাইকেল আৰু ইয়াৰ সৈতে জড়িত চোৰটোকো আটক কৰিবলৈ সক্ষম হয়।
* লিখিত অভিযোগ পোৱাৰ লগে লগেই অ’চিৰ নিৰ্দেশত তদন্তত নামি সন্দেহভাজন গৃহপৰিচাৰিকাগৰাকীক দ্ৰুতগতিত আটক কৰি জেৰা চলাই হেৰোৱা সোণৰ চেইন উদ্ধাৰ কৰে আৰক্ষীয়ে।
* ৰাজধানী আগৰতলাৰ পূৰ্ব থানা অঞ্চলক সম্পূৰ্ণ অপৰাধমুক্ত কৰিবলৈ নতুন অ’চি কৃষ্ণধন চৰকাৰ আৰু তেওঁৰ দলটোৰ এই ধাৰাবাহিক সময়োপযোগী তৎপৰতা স্থানীয় সৰ্বস্তৰৰ ৰাইজৰ দ্বাৰা প্ৰশংসিত হৈছে।
    user_Rtv Tripura
    Rtv Tripura
    Ayurvedic Practitioner কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    1 hr ago
  • ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!
    1
    ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!
ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!
    user_Tripura Television
    Tripura Television
    Local News Reporter কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    3 hrs ago
  • 🔥 “Who are You?” — “আমি ভারতীয়!” 🇮🇳 “বিধানসভার অধিবেশনে CPIM বিধায়কদের থাকার কোনও অধিকার নেই”—কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরেই উত্তপ্ত বিধানসভা। পাল্টা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর নিশানায় রতন লাল নাথ—“Who are You?” জবাবে রতন লাল নাথ—“আমি ভারতীয়।” 🇮🇳 এরপরই তীব্র বাদানুবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।
    1
    🔥 “Who are You?” — “আমি ভারতীয়!” 🇮🇳

“বিধানসভার অধিবেশনে CPIM বিধায়কদের থাকার কোনও অধিকার নেই”—কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরেই উত্তপ্ত বিধানসভা।

পাল্টা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর নিশানায় রতন লাল নাথ—“Who are You?”

জবাবে রতন লাল নাথ—“আমি ভারতীয়।” 🇮🇳

এরপরই তীব্র বাদানুবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।
    user_পরিবর্তন
    পরিবর্তন
    Local News Reporter Ambassa, Dhalai•
    37 min ago
  • এখন সোনার চেয়েও দামী. হে ঠিক শুনতে পারছেন সোনার চেয়েও দামী আজ... এক সময় যে গ্রাম টি আনাগুনা কম ছিলো । দিনের পর দিন রাতের পর রাত লোকেরা ভয়ে থাকতো আজ সেই জায়গা সোনার চেয়েও দামী ।
    1
    এখন সোনার চেয়েও দামী. হে ঠিক শুনতে পারছেন সোনার চেয়েও দামী আজ... 
এক সময় যে গ্রাম টি আনাগুনা কম ছিলো । দিনের পর দিন রাতের পর রাত লোকেরা ভয়ে থাকতো আজ সেই জায়গা সোনার চেয়েও দামী ।
    user_MPRB ENTERTAINMENT & NEWS
    MPRB ENTERTAINMENT & NEWS
    মুঙ্গিয়াকুমি, খোয়াই, ত্রিপুরা•
    23 hrs ago
  • *ধর্মনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত ঈদে মিলাদুন্নবী* 📌নিজস্ব প্রতিনিধি।। ধর্মনগর, ২৬ আগস্ট: নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও আগমন এবং তাঁর মহান জীবনাদর্শ স্মরণে বুধবার যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী।
    2
    *ধর্মনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত ঈদে মিলাদুন্নবী*
📌নিজস্ব প্রতিনিধি।। ধর্মনগর, ২৬ আগস্ট: নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও আগমন এবং তাঁর মহান জীবনাদর্শ স্মরণে বুধবার যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    7 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.