Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!
Tripura Television
ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!1
- ফটিকরায়ে বিশ্ব নবীর হযরত মোহাম্মদের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়, এ-উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনার সভার মাধ্যমে ফটিকরায় বিধানসভার রাধানাগর, তৈগরী, নোয়াগাঁও, কৃষ্ণনগর ও ফটিকরায় এলাকার সকল মুসলিম ধর্মালম্বী মানুষ একত্রিত হয়ে ফটিকরায় আঞ্চলিক ফাতেহা দুয়াজ দাহাম কমিটির উদ্যোগে এক বিশাল শোভাযাত্রা বের করেন। শোভাযাত্রাটি ফটিকরায় বিধানসভার নোয়াগাঁও থেকে শুরু হয়ে ফটিকরায় বাজার পরিক্রমা করে ফটিকরায় আঞ্চলিক জামে মসজিদের সামনে এসে সম্পন্ন হয়। এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ফটিকরায় আঞ্চলিক ফাতেহা দুয়াজ দাহাম কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা :ইলিম মিয়া, মোকদ্দুস মিয়া, হাবিবুর রহমান, ও মসজিদের ইমাম সাহেব সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গরা। আজকের তাৎপর্যপূর্ণ দিনটি উপলক্ষে বক্তারা বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদের জীবনীর উপর আলোকপাত করে বলেন, উনার প্রদর্শিত শান্তি, ভ্রাতৃত্ব এবং মানবতার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই সমাজ ও জীবনে শৃঙ্খলা ও কল্যাণ সম্ভব। উনার শিক্ষাকে দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করার আহ্বান জানানো হয়। পরিশেষে, শান্তি ও শৃঙ্খলার সাথে শোভাযাত্রাটি সম্পন্ন হয়। ফটিকরায় থেকে বিকাশ কপালীর রিপোর্ট2
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।3
- মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা:উন্নয়নের ঢাকঢোল পেটানো ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের আমলে শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশু ও মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের অর্থ না পাওয়ায় কার্যত সংকটে পড়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।3
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।4
- সম্পূর্ণ বন্দে মাতরম্ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হলো ত্রয়োদশ ত্রিপুরা বিধানসভার দশম অধিবেশনের প্রথম দিনের কর্মসূচি!1
- এখন সোনার চেয়েও দামী. হে ঠিক শুনতে পারছেন সোনার চেয়েও দামী আজ... এক সময় যে গ্রাম টি আনাগুনা কম ছিলো । দিনের পর দিন রাতের পর রাত লোকেরা ভয়ে থাকতো আজ সেই জায়গা সোনার চেয়েও দামী ।1
- *হেডলাইন: বাইজালবাড়ির বেলফাং নাকা পয়েন্টে বিপুল সাফল্য: ১০ কেজি গাঁজা ও বাইকসহ গ্রেপ্তার ২ যুবক !* ত্রিপুরা থেকে গোপাল সিংয়ের রিপোর্ট: * খোয়াই জেলার বাইজালবাড়ি থানার অন্তর্গত বেলফাং নাকা পয়েন্টে নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির সময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ গাঁজাসহ দুই যুবককে হাতেনাতে পাকড়াও করেছে পুলিশ। * তল্লাশি চলাকালীন একটি সন্দেহজনক মোটরবাইক থেকে প্রায় ১০ কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং পাচারে ব্যবহৃত বাইকটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। * ঘটনায় জড়িত দুই যুবক জীতেন্দ্র দেববর্মা (বাড়ি- বগাবিল সূর্যপাড়া) এবং উৎপল দেববর্মা (বাড়ি- জুমিয়া কলোনি)-কে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। * ধৃতদের বিরুদ্ধে বাইজালবাড়ি থানায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে এই পাচার চক্রের শিকড় ও গন্তব্য খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। * বাইজালবাড়ী থানার ওসি তিলক জমাতিয়া জানান, বেলফাং নাকা পয়েন্টে তল্লাশির সময় উক্ত বাইকটির দুই আরোহীর সন্দেহজনক আচরণ দেখে তল্লাশি চালাতেই ব্যাগ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। * আটক করা বাইকটির নম্বর TR-06-C-8127; ধৃতদের সাথে কোনো স্থানীয় বা আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের যোগসাজশ রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ।2