নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে ভরতপরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বর্ণাঢ্য কর্মীসভা নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে ভরতপুরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বর্ণাঢ্য কর্মীসভা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভরতপুরের একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান বাড়িতে ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে এক বর্ণাঢ্য কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। এদিন প্রার্থীর আগমনের আগে থেকেই অনুষ্ঠান চত্বরে তৃণমূলের একগুচ্ছ প্রাক্তন পদাধিকারী ও অসংখ্য কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। মুস্তাফিজুর রহমান সভাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই জয়ধ্বনি ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বরণ পর্ব, যেখানে প্রার্থীকে সংবর্ধনা জানান ভরতপুর-১ ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি নূর আলম। এদিনের সভায় প্রার্থীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি তথা বর্তমান সদস্য আবুল হাসানাত ওরফে সিপন, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আসিফুজ্জামান ওরফে পাপ্পু, প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা সদস্য আলী মোহাম্মদ খান, পঞ্চায়েত সদস্য মনিরুল ইসলাম ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিকাশ দাস সহ একাধিক শীর্ষ স্থানীয় প্রাক্তন নেতৃত্ব। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলা এবং জয়ের রণকৌশল স্থির করাই ছিল এই সভার মূল লক্ষ্য।
নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে ভরতপরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বর্ণাঢ্য কর্মীসভা নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে ভরতপুরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বর্ণাঢ্য কর্মীসভা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভরতপুরের একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান বাড়িতে ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে এক বর্ণাঢ্য কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। এদিন প্রার্থীর আগমনের আগে থেকেই অনুষ্ঠান চত্বরে তৃণমূলের একগুচ্ছ প্রাক্তন পদাধিকারী ও অসংখ্য কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। মুস্তাফিজুর রহমান সভাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই জয়ধ্বনি ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বরণ পর্ব, যেখানে প্রার্থীকে সংবর্ধনা জানান ভরতপুর-১ ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি নূর আলম। এদিনের সভায় প্রার্থীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি তথা বর্তমান সদস্য আবুল হাসানাত ওরফে সিপন, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আসিফুজ্জামান ওরফে পাপ্পু, প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা সদস্য আলী মোহাম্মদ খান, পঞ্চায়েত সদস্য মনিরুল ইসলাম ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিকাশ দাস সহ একাধিক শীর্ষ স্থানীয় প্রাক্তন নেতৃত্ব। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলা এবং জয়ের রণকৌশল স্থির করাই ছিল এই সভার মূল লক্ষ্য।
- নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে ভরতপুরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বর্ণাঢ্য কর্মীসভা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভরতপুরের একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান বাড়িতে ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে এক বর্ণাঢ্য কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। এদিন প্রার্থীর আগমনের আগে থেকেই অনুষ্ঠান চত্বরে তৃণমূলের একগুচ্ছ প্রাক্তন পদাধিকারী ও অসংখ্য কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। মুস্তাফিজুর রহমান সভাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই জয়ধ্বনি ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বরণ পর্ব, যেখানে প্রার্থীকে সংবর্ধনা জানান ভরতপুর-১ ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি নূর আলম। এদিনের সভায় প্রার্থীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি তথা বর্তমান সদস্য আবুল হাসানাত ওরফে সিপন, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আসিফুজ্জামান ওরফে পাপ্পু, প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা সদস্য আলী মোহাম্মদ খান, পঞ্চায়েত সদস্য মনিরুল ইসলাম ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিকাশ দাস সহ একাধিক শীর্ষ স্থানীয় প্রাক্তন নেতৃত্ব। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলা এবং জয়ের রণকৌশল স্থির করাই ছিল এই সভার মূল লক্ষ্য।1
- Post by Chand Mohammad sk1
- আসন্ন বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে কাটোয়া শহরে ২৭০ কাটোয়া বিধানসভা নতুন নির্বাচনী কার্যলয়ের উদ্বোধন করলো বিজেপি। ফিতে কেটে দ্বার উদ্ঘাটন করলেন সংগঠননিক কাটোয়া জেলার সভানেত্রী স্মৃতি কনা বসু, কাটোয়া বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ সহ জেলার অন্যান্য নেত্রত্ব।2
- Post by সত্য দর্পণ1
- হরিহরপাড়ায় সিপিআই(এম)-এর ভোটার তালিকা নিয়ে প্রতিবাদ, স্বচ্ছ তালিকা প্রকাশের দাবি মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটার তালিকা নিয়ে প্রতিবাদে নামল cpim । স্থানীয় দুই এরিয়া কমিটির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার মধ্যে দিয়ে ব্যানার টাঙিয়ে দাবি জানানো হয়—Under Adjudication থাকা নাম বাদ দিয়ে দ্রুত স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তাদের অভিযোগ, অসম্পূর্ণ তালিকা নিয়ে নির্বাচন হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদিনের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।1
- ৯৫ জনের নাম ডিলিট হওয়ায় ক্ষোভে নওদা ব্লক অফিসে বিক্ষোভ দেখালেন নওদা থানার মধুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে কিশোরী তলা এলাকার সাধারণ মানুষ। নওদা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খানের নাম বিচারাধীন থাকার পরে ঠিক হয়ে গেল। অথচ সমস্ত ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও নওদা থানার মধুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে ১৪০ নম্বর কিশোরী তলা বুথের ৮০০ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৯৫ জনের বিচারাধীন থাকার পরেও তাদের নাম ঠিক না হয়ে ডিলিট হয়ে যাওয়ায়। আজ নওদা ব্লক অফিসের সামনে রাজ্য সড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন, এলাকার সাধারণ মানুষ। যদিও সঙ্গে সঙ্গে নওদা পুলিশ প্রশাসন হস্তক্ষেপ করেন এবং অবরোধ তুলে দেন। বিক্ষোভকারীরা ভোট বয়কট করবেন বলেও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি দেন। নওদা থেকে এস কে আফতাবের রিপোর্ট এবি 24 নিউজ।3
- কেতুগ্রামের আনখোনা অঞ্চলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিক্ষোভ। অভিযোগ, হেয়ারিংয়ে ডাকা ৪৪৪ জনের মধ্যে ৪৪০ জনের নাম বাদ পড়েছে। একাধিক বুথ মিলিয়ে দেড় হাজারের বেশি নাম কাটা গেছে বলে দাবি, ক্ষোভে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ |1
- রুকুনপুরে জনসংযোগে আবেগঘন মুহূর্ত, নিয়ামত শেখকে কাছে পেয়ে আনন্দে কাঁদলেন ভোটাররা হরিহরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের রুকুনপুর অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের জোরদার নির্বাচনী প্রচারে দেখা গেল আবেগঘন চিত্র। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে বুথে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ করেন তৃণমূল প্রার্থী নিয়ামত শেখ। প্রার্থীকে সামনে পেয়ে অনেক ভোটারই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ আনন্দে কেঁদে ফেলেন, যা এলাকায় প্রার্থীর প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এদিন এলাকাবাসীরা ফুলের মালা পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান নিয়ামত শেখকে। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কথা বলেন এবং এলাকায় হওয়া উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন। সেই উন্নয়নকেই হাতিয়ার করে প্রচারে নামছেন তিনি। ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি সাপিনুল বিশ্বাস জানান, “২৩ এপ্রিলের নির্বাচনে রুকুনপুর অঞ্চল থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং নিয়ামত শেখ রেকর্ড লিড পাবেন।” এই প্রচারে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হরিহরপাড়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর পলাশ, অঞ্চল সভাপতি ও প্রধান, ব্লক নেতা আশানুদ্দিন শেখ, ইউনুস, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি মুকুট, সহ-সভাপতি শাহিন খানসহ একাধিক নেতা-কর্মী। সব মিলিয়ে রুকুনপুরে তৃণমূলের প্রচারে মানুষের ব্যাপক সাড়া এবং আবেগঘন সমর্থন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।1