সারাদিন পেরিয়ে সারারাত কাটিয়ে আবার নতুন দিনের সূচনা, তবুও অনশন মঞ্চে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কোচবিহারের দিনহাটায় চলতে থাকা অনশন কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। সারাদিন পেরিয়ে সারারাত কেটে গেলেও অনশন মঞ্চেই অবস্থান করছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। নতুন দিনের সূচনা হলেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েননি তিনি। জানা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু দাবি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানিয়েই এই অনশন কর্মসূচিতে সামিল হয়েছেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর সমর্থনে অনশন মঞ্চে ভিড় জমাচ্ছেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরাও। সারারাত ধরেই সেখানে চলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা এবং দলীয় কর্মীদের উপস্থিতি। অনশন মঞ্চে উপস্থিত থেকে উদয়ন গুহ জানান, সাধারণ মানুষের স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতেই এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এদিকে সারারাত মঞ্চে উপস্থিত থেকে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের একাংশ। চিকিৎসকদের একটি দলও সময়ে সময়ে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একদিকে যেখানে শাসক দলের পক্ষ থেকে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। সব মিলিয়ে সারারাত পেরিয়ে নতুন দিনের সূচনা হলেও অনশন মঞ্চে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর অবস্থান ঘিরে কোচবিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।
সারাদিন পেরিয়ে সারারাত কাটিয়ে আবার নতুন দিনের সূচনা, তবুও অনশন মঞ্চে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কোচবিহারের দিনহাটায় চলতে থাকা অনশন কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। সারাদিন পেরিয়ে সারারাত কেটে গেলেও অনশন মঞ্চেই অবস্থান করছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। নতুন দিনের সূচনা হলেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েননি তিনি। জানা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু দাবি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানিয়েই এই অনশন কর্মসূচিতে সামিল হয়েছেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর সমর্থনে অনশন মঞ্চে ভিড় জমাচ্ছেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরাও। সারারাত ধরেই সেখানে চলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা এবং দলীয় কর্মীদের উপস্থিতি। অনশন মঞ্চে উপস্থিত থেকে উদয়ন গুহ জানান, সাধারণ মানুষের স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতেই এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এদিকে সারারাত মঞ্চে উপস্থিত থেকে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের একাংশ। চিকিৎসকদের একটি দলও সময়ে সময়ে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একদিকে যেখানে শাসক দলের পক্ষ থেকে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। সব মিলিয়ে সারারাত পেরিয়ে নতুন দিনের সূচনা হলেও অনশন মঞ্চে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর অবস্থান ঘিরে কোচবিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।
- তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের শালবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বয়স্ক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণকে ঘিরে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মনের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি ভোট গ্রহণের সময় শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, নির্দিষ্ট ভোটকর্মী, অনুমোদিত পোলিং এজেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও উপস্থিত থাকার কোনও অনুমতি নেই। অথচ সেই নিয়মকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিলন বর্মন ভোটকর্মীদের গাড়ির পিছন পিছন ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় প্রতিটি এলাকায় তাদের অনুসরণ করেন তিনি। বিজেপির দাবি, এটি শুধু অনৈতিক নয়, সরাসরি ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করার সামিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি শিবির। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, “এভাবে যদি শাসকদলের নেতারা ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?” তারা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট জবাব না মিললেও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভোটের মুখে এই ধরনের অভিযোগ নতুন করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে—এই স্পষ্ট বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কমিশন কতটা কড়া পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটের ডিউটি না কাটলে ১৩ মাসের সন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছে রেখে যেতে হবে1
- ভোটের ডিউটি বাতিল না হলে ১৩ মাসের শিশুসহ সন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছে রেখে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ভোটকর্মীর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এক ভোটকর্মীর বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়েও ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি পাননি তিনি। ওই কর্মীর দাবি, তাঁর ১৩ মাসের ছোট সন্তান রয়েছে, যাকে রেখে দীর্ঘ সময় ডিউটি করা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ডিউটি বাতিল না করা হলে শিশুসন্তানকে সেক্টর অফিসারের কাছেই রেখে দায়িত্ব পালন করতে যাবেন। ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাপে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।1
- দিনহাটা কলেজে ট্রেনিং শেষে ভোট দিতে এসে কি বললেন ভোট কর্মীরা শুনুন। আমরা শুনবো তাদের বক্তব্য।1
- মাথাভাঙ্গায় নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহে বিজেপি প্রার্থী Nisith Pramanik বিভিন্ন ওয়ার্ডে জোরদার ভোট প্রচারে নামলেন। ঘরে ঘরে পৌঁছে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি, তুলে ধরেন দলের উন্নয়নের বার্তা। প্রচারে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, ফলে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। ভোটের আগে নিশিথের এই প্রচার ঘিরে মাথাভাঙ্গার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।1
- *কোচবিহার জেলার বিভিন্ন সংবেদনশীল ও অতীতে হিংসাপ্রবণ বুথ এলাকায় ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন।1
- ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে দলবদল, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ ১জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও ৩ পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী সহ একাধিক নেতা1