রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ করে মালদায় ফিরে ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ইংরেজবাজারে সমস্ত প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ বিল্ডিং খতিয়ে দেখতে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব বিল্ডিং প্ল্যান যাচাই করবে এবং প্ল্যান-বহির্ভূত বিল্ডিংগুলো হয় ভেঙে দেওয়া হবে অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। পৌরসভার যে সমস্ত দুর্নীতিতে বিভিন্ন কাউন্সিলররা যুক্ত আছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। দোষী ব্যক্তিদের জেল খাটতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ হকারদের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, তবে ভবিষ্যতে তাদের পুনর্বাসন নিয়েও ভাবা হবে। অম্লান ভাদুড়ি আরও বলেছেন যে, তাদের অগ্রাধিকার হল একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা এবং মানুষ যাতে স্বচ্ছন্দে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। একই সঙ্গে, গরিব হকাররা যাতে পুনর্বাসন পান, সেই ব্যাপারেই ভাবা হচ্ছে।
রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ করে মালদায় ফিরে ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ইংরেজবাজারে সমস্ত প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ বিল্ডিং খতিয়ে দেখতে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব বিল্ডিং প্ল্যান যাচাই করবে এবং প্ল্যান-বহির্ভূত বিল্ডিংগুলো হয় ভেঙে দেওয়া হবে অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। পৌরসভার যে সমস্ত দুর্নীতিতে বিভিন্ন কাউন্সিলররা যুক্ত আছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। দোষী ব্যক্তিদের জেল খাটতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ হকারদের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, তবে ভবিষ্যতে তাদের পুনর্বাসন নিয়েও ভাবা হবে। অম্লান ভাদুড়ি আরও বলেছেন যে, তাদের অগ্রাধিকার হল একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা এবং মানুষ যাতে স্বচ্ছন্দে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। একই সঙ্গে, গরিব হকাররা যাতে পুনর্বাসন পান, সেই ব্যাপারেই ভাবা হচ্ছে।
- মালদার গাজোলের কাটিকান্দরে পবিত্র মহরম উপলক্ষে বৃহস্পতিবার হাটখোলা ময়দানে এক ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা ও মেলার আয়োজন করা হয়। কারবালার শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এই আয়োজনে বিভিন্ন এলাকার লাঠিয়াল দল তাদের কসরত ও লাঠি খেলার প্রদর্শনী করে। এর পাশাপাশি, সুসজ্জিত তাজিয়া শোভাযাত্রাও ছিল অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ। আয়োজকদের দাবি, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই প্রতি বছর এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। লাঠি খেলা, তাজিয়া এবং মেলাকে কেন্দ্র করে গোটা কাটিকান্দর এলাকা উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে।1
- রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল চিকিৎসার ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি কড়া ভাষায় মন্তব্য করে বলেছেন যে, সংশ্লিষ্টদের 'পেটে দড়ি বেঁধে নিয়ে আসা উচিত'। তাঁর এই মন্তব্য চিকিৎসায় অব্যবস্থা এবং অবহেলা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।1
- আজ মুর্শিদাবাদের সুতি ব্লকে সুতি থানার কড়া নিরাপত্তা ও নিবিড় নজরদারির মধ্যে মহরম উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি ছিল। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, ডিজে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো প্রকার ধারালো অস্ত্র ছাড়াই ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মানুষ ও মহরম কমিটির সদস্যরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে উৎসবে যোগ দেন, এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার জনপথ (PWD) রাস্তার দু'পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারি উচ্ছেদে প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, PWD রাস্তার দুই ধারে থাকা সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ও দখলদারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেদের উদ্যোগে সরিয়ে ফেলতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে এই অপসারণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ নির্মাণ অপসারণ করা না হলে, আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের দাবি, রাস্তার দু'পাশে বেআইনি নির্মাণের কারণে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে বাধা তৈরি হতে পারে। এই কারণেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সকলকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, পরবর্তীতে কোনও অবৈধ নির্মাণ বা দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী সচেতনতা মিছিল আয়োজন করা হয়। এই মিছিল থেকে জেলার যুব সমাজকে এক নেশামুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদের রাজপথে প্রতি বছর কারবালার শোক, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদের ইতিহাস বুকে ধারণ করে মহরমের জৌলুস বের হয়। তবে এবারের আয়োজন ছিল এক বিশেষ কারণে ব্যতিক্রমী। বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রেখেও, নবাবের শহরের ইতিহাসে এই প্রথমবার প্রশাসনিক নির্দেশ মেনে অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াই, সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সম্পন্ন হলো মহরমের শোকযাত্রা। প্রথাগত অস্ত্র প্রদর্শন কিংবা জঞ্জির মাতাম ছাড়াই শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পালিত হলো এই শোক। আয়োজনের ধরন বদলে গেলেও, ধর্মীয় আবেগ কিংবা কারবালার স্মৃতি এতটুকু ফিকে হয়নি। হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাকে বুক চাপড়ে মাতমের মধ্য দিয়ে কোরান তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া ও দুলদুল ঘোড়াকে সঙ্গে নিয়ে শোকযাত্রায় সামিল হন। তাঁরা হজরত ইমাম হুসাইন-এর আত্মত্যাগ এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অবিচল অবস্থানকে স্মরণ করেন। ঐতিহাসিক নবাব নগরীর রাজপথ পেরিয়ে এই জৌলুস নতুনগ্রাম সংলগ্ন কারবালা প্রান্তরে পৌঁছায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এবারের মহরম যেন এক নতুন বার্তাও দিয়েছে—যে সময়ের প্রয়োজনে আয়োজনের রূপ বদলাতে পারে, কিন্তু বিশ্বাস, শোক আর আত্মত্যাগের চেতনায় কোনও পরিবর্তন আসে না।1
- রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ করে মালদায় ফিরে ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ি এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ইংরেজবাজারে সমস্ত প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ বিল্ডিং খতিয়ে দেখতে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সব বিল্ডিং প্ল্যান যাচাই করবে এবং প্ল্যান-বহির্ভূত বিল্ডিংগুলো হয় ভেঙে দেওয়া হবে অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। পৌরসভার যে সমস্ত দুর্নীতিতে বিভিন্ন কাউন্সিলররা যুক্ত আছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। দোষী ব্যক্তিদের জেল খাটতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়াও, অবৈধ হকারদের ফুটপাত থেকে তুলে দেওয়া হবে, তবে ভবিষ্যতে তাদের পুনর্বাসন নিয়েও ভাবা হবে। অম্লান ভাদুড়ি আরও বলেছেন যে, তাদের অগ্রাধিকার হল একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা এবং মানুষ যাতে স্বচ্ছন্দে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। একই সঙ্গে, গরিব হকাররা যাতে পুনর্বাসন পান, সেই ব্যাপারেই ভাবা হচ্ছে।1
- ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম, যা ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের অন্যতম। এই মাস মুসলিম সমাজে আত্মসংযম, ইবাদত, ত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা নিয়ে আসে। বিশেষভাবে, ১০ মহরম অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনটি ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, যখন কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীরা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুর্শিদাবাদ শহরে ঐতিহ্যবাহী মহরমের জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাক পরে এই শোক মিছিলে অংশ নেন। জুলুসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া এবং দুলদুল ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোক, মাতম ও ধর্মীয় আবেগে গোটা পরিবেশ মুখরিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের জুলুসে প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে অংশগ্রহণকারীরা অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং জঞ্জির মাতম থেকে বিরত ছিলেন। সম্পূর্ণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। জুলুসটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী কারবালা প্রান্তরে গিয়ে শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, মহরম কেবল শোকের মাস নয়, বরং সত্য, ন্যায়, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তাঁরা মনে করেন, ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পথে অটল থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই তাঁরা প্রতিবছর এই পবিত্র দিনটি পালন করে আসছেন।1
- মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থানার অন্তর্গত ফতেপুর সংলগ্ন এলাকায় একটি সরকারি বাসের সঙ্গে একটি ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন এবং এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বাসটি বহরমপুরের দিক থেকে পলসনডার দিকে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক্টর আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি বাসটিতে এসে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতার কারণে বাসের আরোহীরা কম-বেশি চোট পান। দুর্ঘটনাটি ঘটার সাথে সাথেই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধারে হাত লাগান। খবর পেয়ে টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষ এবং বহরমপুর থানার পুলিশকে জানানো হয়। এই সংঘর্ষের ফলে জাতীয় সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।1