বাংলার কোনো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু যদি SC/ST/OBC সংরক্ষণ নিয়ে কটু কথা বলে, তাহলে পুরো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু সমাজের না থেমে জুতোর বাড়ি প্রাপ্য - কারণ কি ?? ================================ বাংলার ব্রাহ্মণ আমাদের SC/ST/OBC'দের উপর যে করে হোক মোড়লগিরি করার জন্য আমাদের সামনে এসে "আমরা সেরা", "আমরা যা চাই তাই পারি" - এই সব বলে বেড়ায় বা ভাব দেখায়। তা যদি এরা সেরা হয় বা যা চায় তাই পারে, এবং যেহেতু এদের থেকে আগ্রাসী এবং লোভী জাত কেউ নেই - সেহেতু তারা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামায় না কেনো ?? এদের গাছের সাথে বেঁধে পিটালেও এদের দ্বারা ব্যবসা হয় না কেনো এবং এরা স্ট্যাম্প মারা চাকরের জাত কেনো ! এর কারণ এক কথায় বুঝতে গেলে একটি ইংরেজি শব্দ খুব কাজে আসে - "ecosystem" - যার মোটামুটি একটা বাংলা দাঁড়ায় "বাস্তুতন্ত্র"। কোনো একটি বাঙালি ব্রাহ্মণ ছেলে যদি রাজনীতিতে আসতে চায়, তাহলে তার সমাজ তাকে ঠেলে-গুতিয়ে ঠিক উপরে তুলে দেবে। কিন্তু এই এক ই ছেলে যদি বড় ব্যবসা করতে চায়, তার সমাজ "চিৎপটাং" - তার পুরো সমাজে এর না যোগ্যতা খুঁজে পাবে আর না তার পিছনে বিনিয়োগ করার কারো কোনো সেই রকমের মানসিকতা পাবে। এর কারণ হলো সেই "ecosystem"। ব্রাহ্মণরা জাত-পাত তৈরী করে, হাজার হাজার বছর ধরে ইশ্বরবাদের ভিত্তিতে এরা অন্যের ঘাড়ে চেপে খেতে, ফুর্তি মারতে অভ্যস্ত - এই এদের মানসিকতা ও এদের সমাজের ecosystem। এদের দ্বারা নিজের পকেটের টাকা বিনিয়োগ করে বড় ব্যবসা করার ভাবা - এটা এদের সমাজের যোগ্যতার বাইরে। আমরা যখন উপরে "ecosystem" শব্দের গুরুত্ব বুঝলাম, এবার বোঝা যাক যে এই ব্রাহ্মণরা কিভাবে আমাদের SC/ST/OBC'দের শিক্ষার "ecosystem" নষ্ট করেছে। প্রথমে এরা গাঁজাখুরি শাস্ত্র বানিয়ে আমাদের পুরো সমাজকে শিক্ষা ও জীবনের সব কিছু ভালো জিনিষ থেকে হাজার হাজার বছর দূরে রেখেছে। আমাদের শিক্ষা শুরু হয় শুধুমাত্র ব্রিটিশদের কারণে, কারণ ব্রিটিশরা না আসলে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে এবং মহাত্মা হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের মতো মহামানবরা এগিয়ে আসতে পারতেন না আমাদের শিক্ষা দিতে। এর পরে ব্রাহ্মণরা তাদের সমাজের সব থেকে জঘন্য "জালি মাল"দের আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় "মহান" বানিয়ে। আমাদের SC/ST/OBC'দের জন্য বিদ্যাসাগরের মতো "জালি মাল" আর কেউ হয় না - এ আমাদের শিক্ষার ঘোর-বিরোধী ছিল এবং বড়লাটকে চিঠি পর্যন্ত লিখেছে আমাদের শূদ্রদের শিক্ষা থেকে দূরে রাখার জন্য। এই সব উৎপাত থেকে আমরা আইনত-ভাবে মুক্তি পাই বাবা সাহেবের সংবিধানের কারণে। কিন্তু তার পরে ও এই ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু জানোয়ারগুলির কাছে থেকে মুক্তি নেই, কারণ আমরা নিজেদের মহামূল্যবান ভোট টি এদের দিকে ছুঁড়ে মারি। বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসনে প্রতিটি বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসক তার ছেলে-মেয়েদের ইংরেজী শিখিয়েছে, আর আমাদের জন্য "ক্লাস ৫" থেকে ইংরেজী - আর এইভাবে এই বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট জানোয়ারগুলি আমাদের কয়েক প্রজন্ম শেষ করে রেখে দিয়েছে। ঠিক এই শয়তানি RSS/BJP ও করে বেরিয়েছে সারা ভারতে - এদের উপরের দিকের প্রতিটি বর্ন হিন্দু নেতা নিজেদের ছেলে-মেয়েদের ইংরেজি শিখিয়েছে আর আমাদের বলে শুধুমাত্র দেশীয় ভাষা আর সংস্কৃত শিখতে। তাহলে এরা এদের নিজেদের ছেলে-মেয়েদের দেশীয় ভাষা বা সংস্কৃততে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায় না কেনো ?? এই রকম সব নির্লজ্জ অসভ্য দু-নম্বরী জাতিবাদী জালিয়াত বর্ন হিন্দু শাসকরা দেশ-শাসন করলে কোনোদিন ও সংরক্ষণ শেষ করার ভীত ই তৈরী হবেনা সমাজে। যদি কারো সংরক্ষণ শেষ করার ইচ্ছে হয়, তাহলে নিম্নলিখিত হলো একমাত্র পদক্ষেপ। পদক্ষেপ ১ :: ভোটের লাথি-জুতো-চর-থাপ্পড় মেরে রাজ-ক্ষমতার প্রতিটি চেয়ার থেকে বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলগুলিকে তাড়াতে হবে এবং বহুজন-রাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পদক্ষেপ ২ :: ব্যাপকভাবে সরকারি শিক্ষার উন্নতিকরন করতে হবে, ইংরেজি শিক্ষার উপর জোর দিয়ে। পদক্ষেপ ৩ :: প্রতি নির্বাচনের ১ বছর আগে সামাজিক সমীক্ষা করতে হবে যে ব্যাপকভাবে উন্নত-মানের সরকারি শিক্ষা ও অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে SC/ST/OBC'রা ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুদের কতটা সম-স্তরে আসতে পারলো ! এই ভাবে যখন সবাই দেখতে পাবে যে সমতামূলক সমাজ তৈরী হয়ে গেছে, তখন আর সংরক্ষণের দরকার পড়বে না। উপরোক্ত কাজ কখনো সম্ভব না যদি বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলকে শাসন করতে দেওয়া হয়। আর তার সাথে সাথে প্রতিটি নির্বাচনের পরে ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুকে (যাদের মোট সংখ্যা ৬.৫%, যার মধ্য ব্রাহ্মণ ২.৮%) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বানানো - এই ফাজলামি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। =============== জয় ভীম, জয় ভারত =============== বাংলার কোনো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু যদি SC/ST/OBC সংরক্ষণ নিয়ে কটু কথা বলে, তাহলে পুরো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু সমাজের না থেমে জুতোর বাড়ি প্রাপ্য - কারণ কি ?? ================================ বাংলার ব্রাহ্মণ আমাদের SC/ST/OBC'দের উপর যে করে হোক মোড়লগিরি করার জন্য আমাদের সামনে এসে "আমরা সেরা", "আমরা যা চাই তাই পারি" - এই সব বলে বেড়ায় বা ভাব দেখায়। তা যদি এরা সেরা হয় বা যা চায় তাই পারে, এবং যেহেতু এদের থেকে আগ্রাসী এবং লোভী জাত কেউ নেই - সেহেতু তারা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামায় না কেনো ?? এদের গাছের সাথে বেঁধে পিটালেও এদের দ্বারা ব্যবসা হয় না কেনো এবং এরা স্ট্যাম্প মারা চাকরের জাত কেনো ! এর কারণ এক কথায় বুঝতে গেলে একটি ইংরেজি শব্দ খুব কাজে আসে - "ecosystem" - যার মোটামুটি একটা বাংলা দাঁড়ায় "বাস্তুতন্ত্র"। কোনো একটি বাঙালি ব্রাহ্মণ ছেলে যদি রাজনীতিতে আসতে চায়, তাহলে তার সমাজ তাকে ঠেলে-গুতিয়ে ঠিক উপরে তুলে দেবে। কিন্তু এই এক ই ছেলে যদি বড় ব্যবসা করতে চায়, তার সমাজ "চিৎপটাং" - তার পুরো সমাজে এর না যোগ্যতা খুঁজে পাবে আর না তার পিছনে বিনিয়োগ করার কারো কোনো সেই রকমের মানসিকতা পাবে। এর কারণ হলো সেই "ecosystem"। ব্রাহ্মণরা জাত-পাত তৈরী করে, হাজার হাজার বছর ধরে ইশ্বরবাদের ভিত্তিতে এরা অন্যের ঘাড়ে চেপে খেতে, ফুর্তি মারতে অভ্যস্ত - এই এদের মানসিকতা ও এদের সমাজের ecosystem। এদের দ্বারা নিজের পকেটের টাকা বিনিয়োগ করে বড় ব্যবসা করার ভাবা - এটা এদের সমাজের যোগ্যতার বাইরে। আমরা যখন উপরে "ecosystem" শব্দের গুরুত্ব বুঝলাম, এবার বোঝা যাক যে এই ব্রাহ্মণরা কিভাবে আমাদের SC/ST/OBC'দের শিক্ষার "ecosystem" নষ্ট করেছে। প্রথমে এরা গাঁজাখুরি শাস্ত্র বানিয়ে আমাদের পুরো সমাজকে শিক্ষা ও জীবনের সব কিছু ভালো জিনিষ থেকে হাজার হাজার বছর দূরে রেখেছে। আমাদের শিক্ষা শুরু হয় শুধুমাত্র ব্রিটিশদের কারণে, কারণ ব্রিটিশরা না আসলে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে এবং মহাত্মা হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের মতো মহামানবরা এগিয়ে আসতে পারতেন না আমাদের শিক্ষা দিতে। এর পরে ব্রাহ্মণরা তাদের সমাজের সব থেকে জঘন্য "জালি মাল"দের আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় "মহান" বানিয়ে। আমাদের SC/ST/OBC'দের জন্য বিদ্যাসাগরের মতো "জালি মাল" আর কেউ হয় না - এ আমাদের শিক্ষার ঘোর-বিরোধী ছিল এবং বড়লাটকে চিঠি পর্যন্ত লিখেছে আমাদের শূদ্রদের শিক্ষা থেকে দূরে রাখার জন্য। এই সব উৎপাত থেকে আমরা আইনত-ভাবে মুক্তি পাই বাবা সাহেবের সংবিধানের কারণে। কিন্তু তার পরে ও এই ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু জানোয়ারগুলির কাছে থেকে মুক্তি নেই, কারণ আমরা নিজেদের মহামূল্যবান ভোট টি এদের দিকে ছুঁড়ে মারি। বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসনে প্রতিটি বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসক তার ছেলে-মেয়েদের ইংরেজী শিখিয়েছে, আর আমাদের জন্য "ক্লাস ৫" থেকে ইংরেজী - আর এইভাবে এই বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট জানোয়ারগুলি আমাদের কয়েক প্রজন্ম শেষ করে রেখে দিয়েছে। ঠিক এই শয়তানি RSS/BJP ও করে বেরিয়েছে সারা ভারতে - এদের উপরের দিকের প্রতিটি বর্ন হিন্দু নেতা নিজেদের ছেলে-মেয়েদের ইংরেজি শিখিয়েছে আর আমাদের বলে শুধুমাত্র দেশীয় ভাষা আর সংস্কৃত শিখতে। তাহলে এরা এদের নিজেদের ছেলে-মেয়েদের দেশীয় ভাষা বা সংস্কৃততে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায় না কেনো ?? এই রকম সব নির্লজ্জ অসভ্য দু-নম্বরী জাতিবাদী জালিয়াত বর্ন হিন্দু শাসকরা দেশ-শাসন করলে কোনোদিন ও সংরক্ষণ শেষ করার ভীত ই তৈরী হবেনা সমাজে। যদি কারো সংরক্ষণ শেষ করার ইচ্ছে হয়, তাহলে নিম্নলিখিত হলো একমাত্র পদক্ষেপ। পদক্ষেপ ১ :: ভোটের লাথি-জুতো-চর-থাপ্পড় মেরে রাজ-ক্ষমতার প্রতিটি চেয়ার থেকে বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলগুলিকে তাড়াতে হবে এবং বহুজন-রাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পদক্ষেপ ২ :: ব্যাপকভাবে সরকারি শিক্ষার উন্নতিকরন করতে হবে, ইংরেজি শিক্ষার উপর জোর দিয়ে। পদক্ষেপ ৩ :: প্রতি নির্বাচনের ১ বছর আগে সামাজিক সমীক্ষা করতে হবে যে ব্যাপকভাবে উন্নত-মানের সরকারি শিক্ষা ও অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে SC/ST/OBC'রা ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুদের কতটা সম-স্তরে আসতে পারলো ! এই ভাবে যখন সবাই দেখতে পাবে যে সমতামূলক সমাজ তৈরী হয়ে গেছে, তখন আর সংরক্ষণের দরকার পড়বে না। উপরোক্ত কাজ কখনো সম্ভব না যদি বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলকে শাসন করতে দেওয়া হয়। আর তার সাথে সাথে প্রতিটি নির্বাচনের পরে ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুকে (যাদের মোট সংখ্যা ৬.৫%, যার মধ্য ব্রাহ্মণ ২.৮%) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বানানো - এই ফাজলামি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। =============== জয় ভীম, জয় ভারত ===============
বাংলার কোনো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু যদি SC/ST/OBC সংরক্ষণ নিয়ে কটু কথা বলে, তাহলে পুরো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু সমাজের না থেমে জুতোর বাড়ি প্রাপ্য - কারণ কি ?? ================================ বাংলার ব্রাহ্মণ আমাদের SC/ST/OBC'দের উপর যে করে হোক মোড়লগিরি করার জন্য আমাদের সামনে এসে "আমরা সেরা", "আমরা যা চাই তাই পারি" - এই সব বলে বেড়ায় বা ভাব দেখায়। তা যদি এরা সেরা হয় বা যা চায় তাই পারে, এবং যেহেতু এদের থেকে আগ্রাসী এবং লোভী জাত কেউ নেই - সেহেতু তারা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামায় না কেনো ?? এদের গাছের সাথে বেঁধে পিটালেও এদের দ্বারা ব্যবসা হয় না কেনো এবং এরা স্ট্যাম্প মারা চাকরের জাত কেনো ! এর কারণ এক কথায় বুঝতে গেলে একটি ইংরেজি শব্দ খুব কাজে আসে - "ecosystem" - যার মোটামুটি একটা বাংলা দাঁড়ায় "বাস্তুতন্ত্র"। কোনো একটি বাঙালি ব্রাহ্মণ ছেলে যদি রাজনীতিতে আসতে চায়, তাহলে তার সমাজ তাকে ঠেলে-গুতিয়ে ঠিক উপরে তুলে দেবে। কিন্তু এই এক ই ছেলে যদি বড় ব্যবসা করতে চায়, তার সমাজ "চিৎপটাং" - তার পুরো সমাজে এর না যোগ্যতা খুঁজে পাবে আর না তার পিছনে বিনিয়োগ করার কারো কোনো সেই রকমের মানসিকতা পাবে। এর কারণ হলো সেই "ecosystem"। ব্রাহ্মণরা জাত-পাত তৈরী করে, হাজার হাজার বছর ধরে ইশ্বরবাদের ভিত্তিতে এরা অন্যের ঘাড়ে চেপে খেতে, ফুর্তি মারতে অভ্যস্ত - এই এদের মানসিকতা ও এদের সমাজের ecosystem। এদের দ্বারা নিজের পকেটের টাকা বিনিয়োগ করে বড় ব্যবসা করার ভাবা - এটা এদের সমাজের যোগ্যতার বাইরে। আমরা যখন উপরে "ecosystem" শব্দের গুরুত্ব বুঝলাম, এবার বোঝা যাক যে এই ব্রাহ্মণরা কিভাবে আমাদের SC/ST/OBC'দের শিক্ষার "ecosystem" নষ্ট করেছে। প্রথমে এরা গাঁজাখুরি শাস্ত্র বানিয়ে আমাদের পুরো সমাজকে শিক্ষা ও জীবনের সব কিছু ভালো জিনিষ থেকে হাজার হাজার বছর দূরে রেখেছে। আমাদের শিক্ষা শুরু হয় শুধুমাত্র ব্রিটিশদের কারণে, কারণ ব্রিটিশরা না আসলে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে এবং মহাত্মা হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের মতো মহামানবরা এগিয়ে আসতে পারতেন না আমাদের শিক্ষা দিতে। এর পরে ব্রাহ্মণরা তাদের সমাজের সব থেকে জঘন্য "জালি মাল"দের আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় "মহান" বানিয়ে। আমাদের SC/ST/OBC'দের জন্য বিদ্যাসাগরের মতো "জালি মাল" আর কেউ হয় না - এ আমাদের শিক্ষার ঘোর-বিরোধী ছিল এবং বড়লাটকে চিঠি পর্যন্ত লিখেছে আমাদের শূদ্রদের শিক্ষা থেকে দূরে রাখার জন্য। এই সব উৎপাত থেকে আমরা আইনত-ভাবে মুক্তি পাই বাবা সাহেবের সংবিধানের কারণে। কিন্তু তার পরে ও এই ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু জানোয়ারগুলির কাছে থেকে মুক্তি নেই, কারণ আমরা নিজেদের মহামূল্যবান ভোট টি এদের দিকে ছুঁড়ে মারি। বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসনে প্রতিটি বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসক তার ছেলে-মেয়েদের ইংরেজী শিখিয়েছে, আর আমাদের জন্য "ক্লাস ৫" থেকে ইংরেজী - আর এইভাবে এই বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট জানোয়ারগুলি আমাদের কয়েক প্রজন্ম শেষ করে রেখে দিয়েছে। ঠিক এই শয়তানি RSS/BJP ও করে বেরিয়েছে সারা ভারতে - এদের উপরের দিকের প্রতিটি বর্ন হিন্দু নেতা নিজেদের ছেলে-মেয়েদের ইংরেজি শিখিয়েছে আর আমাদের বলে শুধুমাত্র দেশীয় ভাষা আর সংস্কৃত শিখতে। তাহলে এরা এদের নিজেদের ছেলে-মেয়েদের দেশীয় ভাষা বা সংস্কৃততে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায় না কেনো ?? এই রকম সব নির্লজ্জ অসভ্য দু-নম্বরী জাতিবাদী জালিয়াত বর্ন হিন্দু শাসকরা দেশ-শাসন করলে কোনোদিন ও সংরক্ষণ শেষ করার ভীত ই তৈরী হবেনা সমাজে। যদি কারো সংরক্ষণ শেষ করার ইচ্ছে হয়, তাহলে নিম্নলিখিত হলো একমাত্র পদক্ষেপ। পদক্ষেপ ১ :: ভোটের লাথি-জুতো-চর-থাপ্পড় মেরে রাজ-ক্ষমতার প্রতিটি চেয়ার থেকে বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলগুলিকে তাড়াতে হবে এবং বহুজন-রাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পদক্ষেপ ২ :: ব্যাপকভাবে সরকারি শিক্ষার উন্নতিকরন করতে হবে, ইংরেজি শিক্ষার উপর জোর দিয়ে। পদক্ষেপ ৩ :: প্রতি নির্বাচনের ১ বছর আগে সামাজিক সমীক্ষা করতে হবে যে ব্যাপকভাবে উন্নত-মানের সরকারি শিক্ষা ও অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে SC/ST/OBC'রা ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুদের কতটা সম-স্তরে আসতে পারলো ! এই ভাবে যখন সবাই দেখতে পাবে যে সমতামূলক সমাজ তৈরী হয়ে গেছে, তখন আর সংরক্ষণের দরকার পড়বে না। উপরোক্ত কাজ কখনো সম্ভব না যদি বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলকে শাসন করতে দেওয়া হয়। আর তার সাথে সাথে প্রতিটি নির্বাচনের পরে ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুকে (যাদের মোট সংখ্যা ৬.৫%, যার মধ্য ব্রাহ্মণ ২.৮%) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বানানো - এই ফাজলামি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। =============== জয় ভীম, জয় ভারত =============== বাংলার কোনো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু যদি SC/ST/OBC সংরক্ষণ নিয়ে কটু কথা বলে, তাহলে পুরো ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু সমাজের না থেমে জুতোর বাড়ি প্রাপ্য - কারণ কি ?? ================================ বাংলার ব্রাহ্মণ আমাদের SC/ST/OBC'দের উপর যে করে হোক মোড়লগিরি করার জন্য আমাদের সামনে এসে "আমরা সেরা", "আমরা যা চাই তাই পারি" - এই সব বলে বেড়ায় বা ভাব দেখায়। তা যদি এরা সেরা হয় বা যা চায় তাই পারে, এবং যেহেতু এদের থেকে আগ্রাসী এবং লোভী জাত কেউ নেই - সেহেতু তারা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামায় না কেনো ?? এদের গাছের সাথে বেঁধে পিটালেও এদের দ্বারা ব্যবসা হয় না কেনো এবং এরা স্ট্যাম্প মারা চাকরের জাত কেনো ! এর কারণ এক কথায় বুঝতে গেলে একটি ইংরেজি শব্দ খুব কাজে আসে - "ecosystem" - যার মোটামুটি একটা বাংলা দাঁড়ায় "বাস্তুতন্ত্র"। কোনো একটি বাঙালি ব্রাহ্মণ ছেলে যদি রাজনীতিতে আসতে চায়, তাহলে তার সমাজ তাকে ঠেলে-গুতিয়ে ঠিক উপরে তুলে দেবে। কিন্তু এই এক ই ছেলে যদি বড় ব্যবসা করতে চায়, তার সমাজ "চিৎপটাং" - তার পুরো সমাজে এর না যোগ্যতা খুঁজে পাবে আর না তার পিছনে বিনিয়োগ করার কারো কোনো সেই রকমের মানসিকতা পাবে। এর কারণ হলো সেই "ecosystem"। ব্রাহ্মণরা জাত-পাত তৈরী করে, হাজার হাজার বছর ধরে ইশ্বরবাদের ভিত্তিতে এরা অন্যের ঘাড়ে চেপে খেতে, ফুর্তি মারতে অভ্যস্ত - এই এদের মানসিকতা ও এদের সমাজের ecosystem। এদের দ্বারা নিজের পকেটের টাকা বিনিয়োগ করে বড় ব্যবসা করার ভাবা - এটা এদের সমাজের যোগ্যতার বাইরে। আমরা যখন উপরে "ecosystem" শব্দের গুরুত্ব বুঝলাম, এবার বোঝা যাক যে এই ব্রাহ্মণরা কিভাবে আমাদের SC/ST/OBC'দের শিক্ষার "ecosystem" নষ্ট করেছে। প্রথমে এরা গাঁজাখুরি শাস্ত্র বানিয়ে আমাদের পুরো সমাজকে শিক্ষা ও জীবনের সব কিছু ভালো জিনিষ থেকে হাজার হাজার বছর দূরে রেখেছে। আমাদের শিক্ষা শুরু হয় শুধুমাত্র ব্রিটিশদের কারণে, কারণ ব্রিটিশরা না আসলে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে এবং মহাত্মা হরি-গুরুচাঁদ ঠাকুরের মতো মহামানবরা এগিয়ে আসতে পারতেন না আমাদের শিক্ষা দিতে। এর পরে ব্রাহ্মণরা তাদের সমাজের সব থেকে জঘন্য "জালি মাল"দের আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় "মহান" বানিয়ে। আমাদের SC/ST/OBC'দের জন্য বিদ্যাসাগরের মতো "জালি মাল" আর কেউ হয় না - এ আমাদের শিক্ষার ঘোর-বিরোধী ছিল এবং বড়লাটকে চিঠি পর্যন্ত লিখেছে আমাদের শূদ্রদের শিক্ষা থেকে দূরে রাখার জন্য। এই সব উৎপাত থেকে আমরা আইনত-ভাবে মুক্তি পাই বাবা সাহেবের সংবিধানের কারণে। কিন্তু তার পরে ও এই ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দু জানোয়ারগুলির কাছে থেকে মুক্তি নেই, কারণ আমরা নিজেদের মহামূল্যবান ভোট টি এদের দিকে ছুঁড়ে মারি। বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসনে প্রতিটি বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট শাসক তার ছেলে-মেয়েদের ইংরেজী শিখিয়েছে, আর আমাদের জন্য "ক্লাস ৫" থেকে ইংরেজী - আর এইভাবে এই বর্ন হিন্দু কম্যুনিস্ট জানোয়ারগুলি আমাদের কয়েক প্রজন্ম শেষ করে রেখে দিয়েছে। ঠিক এই শয়তানি RSS/BJP ও করে বেরিয়েছে সারা ভারতে - এদের উপরের দিকের প্রতিটি বর্ন হিন্দু নেতা নিজেদের ছেলে-মেয়েদের ইংরেজি শিখিয়েছে আর আমাদের বলে শুধুমাত্র দেশীয় ভাষা আর সংস্কৃত শিখতে। তাহলে এরা এদের নিজেদের ছেলে-মেয়েদের দেশীয় ভাষা বা সংস্কৃততে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায় না কেনো ?? এই রকম সব নির্লজ্জ অসভ্য দু-নম্বরী জাতিবাদী জালিয়াত বর্ন হিন্দু শাসকরা দেশ-শাসন করলে কোনোদিন ও সংরক্ষণ শেষ করার ভীত ই তৈরী হবেনা সমাজে। যদি কারো সংরক্ষণ শেষ করার ইচ্ছে হয়, তাহলে নিম্নলিখিত হলো একমাত্র পদক্ষেপ। পদক্ষেপ ১ :: ভোটের লাথি-জুতো-চর-থাপ্পড় মেরে রাজ-ক্ষমতার প্রতিটি চেয়ার থেকে বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলগুলিকে তাড়াতে হবে এবং বহুজন-রাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পদক্ষেপ ২ :: ব্যাপকভাবে সরকারি শিক্ষার উন্নতিকরন করতে হবে, ইংরেজি শিক্ষার উপর জোর দিয়ে। পদক্ষেপ ৩ :: প্রতি নির্বাচনের ১ বছর আগে সামাজিক সমীক্ষা করতে হবে যে ব্যাপকভাবে উন্নত-মানের সরকারি শিক্ষা ও অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে SC/ST/OBC'রা ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুদের কতটা সম-স্তরে আসতে পারলো ! এই ভাবে যখন সবাই দেখতে পাবে যে সমতামূলক সমাজ তৈরী হয়ে গেছে, তখন আর সংরক্ষণের দরকার পড়বে না। উপরোক্ত কাজ কখনো সম্ভব না যদি বর্ন হিন্দু পরিচালিত দলকে শাসন করতে দেওয়া হয়। আর তার সাথে সাথে প্রতিটি নির্বাচনের পরে ব্রাহ্মণ/বর্ন হিন্দুকে (যাদের মোট সংখ্যা ৬.৫%, যার মধ্য ব্রাহ্মণ ২.৮%) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বানানো - এই ফাজলামি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। =============== জয় ভীম, জয় ভারত ===============
- সামশেরগঞ্জে পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও, আহত ৬ পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও হয়ে মহিলা, শিশু ও বাড়ির সদস্যদের মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ। রবিবার মধ্য রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে হাসুয়া সহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের ঘনেশ্যামপুর গ্রামে। গুরুতর যখম অবস্থায় জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন মহিলা সহ একই পরিবারের ছয় সদস্য। মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়েছে তাদের। যদিও ঝামেলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘনেশ্যামপুর গ্রামের উমার ফারুক নামে ওই ব্যক্তির পরিবারের এক মহিলাকে বারংবার উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে মাস খানেক আগে ঝামেলার সৃষ্টি হয় প্রতিবেশী গোলাপ শেখের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। অভিযোগ গোলাপ শেখের ভাই অলিউল শেখ নামে ওই যুবক দিনের পর দিন মহিলাকে উত্যক্ত করছে। বিষয়টি নিয়ে ঝামেলার এক পর্যায়ে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। উভয় পক্ষই সামসেরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। দিন কয়েক আগেই সেই কেসের নোটিশ আসে গোলাপ শেখের পরিবারে। অভিযোগ, তারপরেই কার্যত মারমুখী হয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। কয়েকদিন থেকেই ঝামেলার উতপত্তি ও আশঙ্কা প্রকাশ লক্ষ করে রবিবার বিকেলেই তড়িঘড়ি আরও একটি কমপ্লেন দায়ের করেন আক্রান্ত উমার ফারুকের পরিবার। কিন্তু অভিযোগ, কোনোকিছু কে তোয়াক্কা না করেই রবিবার গভীর রাতে বাড়ির সদস্যরা যখন ঘুমাচ্ছিলেন ঠিক তখনই হঠাৎ গোলাপ শেখ এবং ইব্রাহিম শেখ এর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের টিম বাড়িতে হঠাৎ হামলা চালায়। মহিলাদের চুল কেটে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়েছে বাড়ির কয়েকজন সদস্যকে। রাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে অনুপনগর হাসপাতাল এবং পরে তাদের জঙ্গিপুর হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জখমদের নাম: উমার ফারুক, হাজিকুল শেখ, ফরিদা বিবি, আসিয়া খাতুন, টুকটুকি খাতুন এবং আব্দুল্লাহ শেখ। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরের গির্জাপাড়া থেকে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। তৃণমূল যুব নেতার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অভিযুক্ত অসীম সরকার পলাতক, তবে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং পুলিশ বৃহত্তর চক্রের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে।1
- হরিহরপাড়ার কুমরীপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো এক পরিবারের পাশে দাঁড়াল হরিহরপাড়া ব্লক জমিয়েত উলামা হিন্দের সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে প্রয়োজনীয় সাহায্য তুলে দেওয়া হয়, যা স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হয়েছে।1
- নবান্নে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ।। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে "গার্ড অফ অনার" | মুখ্য সচিবালয়, নবান্ন।।1
- তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসলেন বিজয় থালাপতি তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসলেন বিজয় থালাপতি1
- পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার ৮টি বিধানসভা আসনে বিজেপি এগিয়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। এই ফলাফলের আবহে এলাকায় জোরদার ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি শোনা যাচ্ছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।1
- মুর্শিদাবাদে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা ও হামলার অভিযোগে জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি ভীষ্মদেব কর্মকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বহরমপুর পৌরসভার এই কাউন্সিলরের গ্রেপ্তারে রবিবার জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান ওরফে হাবিব মাস্টার এক মামলায় জামিন পেলেও অন্য একটি মামলায় ফের পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। ভোটের ফল প্রকাশের রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং ১৫ মে পর্যন্ত তিনি পুলিশ হেফাজতে থাকবেন।1