সামশেরগঞ্জে পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও, আহত ৬ পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও হয়ে মহিলা, শিশু ও বাড়ির সদস্যদের মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ। রবিবার মধ্য রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে হাসুয়া সহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের ঘনেশ্যামপুর গ্রামে। গুরুতর যখম অবস্থায় জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন মহিলা সহ একই পরিবারের ছয় সদস্য। মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়েছে তাদের। যদিও ঝামেলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘনেশ্যামপুর গ্রামের উমার ফারুক নামে ওই ব্যক্তির পরিবারের এক মহিলাকে বারংবার উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে মাস খানেক আগে ঝামেলার সৃষ্টি হয় প্রতিবেশী গোলাপ শেখের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। অভিযোগ গোলাপ শেখের ভাই অলিউল শেখ নামে ওই যুবক দিনের পর দিন মহিলাকে উত্যক্ত করছে। বিষয়টি নিয়ে ঝামেলার এক পর্যায়ে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। উভয় পক্ষই সামসেরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। দিন কয়েক আগেই সেই কেসের নোটিশ আসে গোলাপ শেখের পরিবারে। অভিযোগ, তারপরেই কার্যত মারমুখী হয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। কয়েকদিন থেকেই ঝামেলার উতপত্তি ও আশঙ্কা প্রকাশ লক্ষ করে রবিবার বিকেলেই তড়িঘড়ি আরও একটি কমপ্লেন দায়ের করেন আক্রান্ত উমার ফারুকের পরিবার। কিন্তু অভিযোগ, কোনোকিছু কে তোয়াক্কা না করেই রবিবার গভীর রাতে বাড়ির সদস্যরা যখন ঘুমাচ্ছিলেন ঠিক তখনই হঠাৎ গোলাপ শেখ এবং ইব্রাহিম শেখ এর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের টিম বাড়িতে হঠাৎ হামলা চালায়। মহিলাদের চুল কেটে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়েছে বাড়ির কয়েকজন সদস্যকে। রাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে অনুপনগর হাসপাতাল এবং পরে তাদের জঙ্গিপুর হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জখমদের নাম: উমার ফারুক, হাজিকুল শেখ, ফরিদা বিবি, আসিয়া খাতুন, টুকটুকি খাতুন এবং আব্দুল্লাহ শেখ। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সামশেরগঞ্জে পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও, আহত ৬ পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও হয়ে মহিলা, শিশু ও বাড়ির সদস্যদের মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ। রবিবার মধ্য রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে হাসুয়া সহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের ঘনেশ্যামপুর গ্রামে। গুরুতর যখম অবস্থায় জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন মহিলা সহ একই পরিবারের ছয় সদস্য। মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়েছে তাদের। যদিও ঝামেলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘনেশ্যামপুর গ্রামের উমার ফারুক নামে ওই ব্যক্তির পরিবারের এক মহিলাকে বারংবার উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে মাস খানেক আগে ঝামেলার সৃষ্টি হয় প্রতিবেশী গোলাপ শেখের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। অভিযোগ গোলাপ শেখের ভাই অলিউল শেখ নামে ওই যুবক দিনের পর দিন মহিলাকে উত্যক্ত করছে। বিষয়টি নিয়ে ঝামেলার এক পর্যায়ে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। উভয় পক্ষই সামসেরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। দিন কয়েক আগেই সেই কেসের নোটিশ আসে গোলাপ শেখের পরিবারে। অভিযোগ, তারপরেই কার্যত মারমুখী হয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। কয়েকদিন থেকেই ঝামেলার উতপত্তি ও আশঙ্কা প্রকাশ লক্ষ করে রবিবার বিকেলেই তড়িঘড়ি আরও একটি কমপ্লেন দায়ের করেন আক্রান্ত উমার ফারুকের পরিবার। কিন্তু অভিযোগ, কোনোকিছু কে তোয়াক্কা না করেই রবিবার গভীর রাতে বাড়ির সদস্যরা যখন ঘুমাচ্ছিলেন ঠিক তখনই হঠাৎ গোলাপ শেখ এবং ইব্রাহিম শেখ এর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের টিম বাড়িতে হঠাৎ হামলা চালায়। মহিলাদের চুল কেটে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়েছে বাড়ির কয়েকজন সদস্যকে। রাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে অনুপনগর হাসপাতাল এবং পরে তাদের জঙ্গিপুর হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জখমদের নাম: উমার ফারুক, হাজিকুল শেখ, ফরিদা বিবি, আসিয়া খাতুন, টুকটুকি খাতুন এবং আব্দুল্লাহ শেখ। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
- সামশেরগঞ্জে পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও, আহত ৬ পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও হয়ে মহিলা, শিশু ও বাড়ির সদস্যদের মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ। রবিবার মধ্য রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে হাসুয়া সহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের ঘনেশ্যামপুর গ্রামে। গুরুতর যখম অবস্থায় জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন মহিলা সহ একই পরিবারের ছয় সদস্য। মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়েছে তাদের। যদিও ঝামেলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘনেশ্যামপুর গ্রামের উমার ফারুক নামে ওই ব্যক্তির পরিবারের এক মহিলাকে বারংবার উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে মাস খানেক আগে ঝামেলার সৃষ্টি হয় প্রতিবেশী গোলাপ শেখের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। অভিযোগ গোলাপ শেখের ভাই অলিউল শেখ নামে ওই যুবক দিনের পর দিন মহিলাকে উত্যক্ত করছে। বিষয়টি নিয়ে ঝামেলার এক পর্যায়ে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। উভয় পক্ষই সামসেরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। দিন কয়েক আগেই সেই কেসের নোটিশ আসে গোলাপ শেখের পরিবারে। অভিযোগ, তারপরেই কার্যত মারমুখী হয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। কয়েকদিন থেকেই ঝামেলার উতপত্তি ও আশঙ্কা প্রকাশ লক্ষ করে রবিবার বিকেলেই তড়িঘড়ি আরও একটি কমপ্লেন দায়ের করেন আক্রান্ত উমার ফারুকের পরিবার। কিন্তু অভিযোগ, কোনোকিছু কে তোয়াক্কা না করেই রবিবার গভীর রাতে বাড়ির সদস্যরা যখন ঘুমাচ্ছিলেন ঠিক তখনই হঠাৎ গোলাপ শেখ এবং ইব্রাহিম শেখ এর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের টিম বাড়িতে হঠাৎ হামলা চালায়। মহিলাদের চুল কেটে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়েছে বাড়ির কয়েকজন সদস্যকে। রাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে অনুপনগর হাসপাতাল এবং পরে তাদের জঙ্গিপুর হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জখমদের নাম: উমার ফারুক, হাজিকুল শেখ, ফরিদা বিবি, আসিয়া খাতুন, টুকটুকি খাতুন এবং আব্দুল্লাহ শেখ। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।1
- মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরের গির্জাপাড়া থেকে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। তৃণমূল যুব নেতার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অভিযুক্ত অসীম সরকার পলাতক, তবে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং পুলিশ বৃহত্তর চক্রের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে।1
- হরিহরপাড়ার কুমরীপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো এক পরিবারের পাশে দাঁড়াল হরিহরপাড়া ব্লক জমিয়েত উলামা হিন্দের সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে প্রয়োজনীয় সাহায্য তুলে দেওয়া হয়, যা স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হয়েছে।1
- নবান্নে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ।। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে "গার্ড অফ অনার" | মুখ্য সচিবালয়, নবান্ন।।1
- তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসলেন বিজয় থালাপতি তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসলেন বিজয় থালাপতি1
- পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার ৮টি বিধানসভা আসনে বিজেপি এগিয়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। এই ফলাফলের আবহে এলাকায় জোরদার ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি শোনা যাচ্ছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।1
- মুর্শিদাবাদে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা ও হামলার অভিযোগে জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি ভীষ্মদেব কর্মকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বহরমপুর পৌরসভার এই কাউন্সিলরের গ্রেপ্তারে রবিবার জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান ওরফে হাবিব মাস্টার এক মামলায় জামিন পেলেও অন্য একটি মামলায় ফের পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। ভোটের ফল প্রকাশের রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং ১৫ মে পর্যন্ত তিনি পুলিশ হেফাজতে থাকবেন।1