ভরতপুরে 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত : ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ পিচ রাস্তার উদ্বোধন ভরতপুরে 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত : ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ পিচ রাস্তার উদ্বোধন। ভরতপুর-১ ব্লকের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূচিত হলো এক নতুন অধ্যায়। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পের আওতায় বিনোদিয়া পুলিশ ক্যাম্প থেকে সৈয়দকুলুট কবর আস্তানা পর্যন্ত প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ নবনির্মিত পিচ রাস্তাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ৭৪ লক্ষ ৯ হাজার ৮৬৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রাস্তাটির ফিতে কেটে ও নারকেল ফাটিয়ে শুভ সূচনা করেন ভরতপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতির প্রতিনিধি সেলিম সেখ এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার R.W.P জামিল আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিজগ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের প্রতিনিধি আমির হামজা, উপপ্রধান খন্দকার ফেরদৌস আহমেদ, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য কামাল সেখ সহ স্থানীয় প্রশাসনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। দীর্ঘদিনের কাদা-মাখা কাঁচা রাস্তাটি অবশেষে পাকা হওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে গেছে। এই আধুনিক সড়ক যোগাযোগ কেবল যাতায়াতই সুগম করবে না, বরং এলাকার কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দারা।
ভরতপুরে 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত : ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ পিচ রাস্তার উদ্বোধন ভরতপুরে 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত : ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ পিচ রাস্তার উদ্বোধন। ভরতপুর-১ ব্লকের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূচিত হলো এক নতুন অধ্যায়। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের 'পথশ্রী-৪' প্রকল্পের আওতায় বিনোদিয়া পুলিশ ক্যাম্প থেকে সৈয়দকুলুট কবর আস্তানা পর্যন্ত প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ নবনির্মিত পিচ রাস্তাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ৭৪ লক্ষ ৯ হাজার ৮৬৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রাস্তাটির ফিতে কেটে ও নারকেল ফাটিয়ে শুভ সূচনা করেন ভরতপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতির প্রতিনিধি সেলিম সেখ এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার R.W.P জামিল আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিজগ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের প্রতিনিধি আমির হামজা, উপপ্রধান খন্দকার ফেরদৌস আহমেদ, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য কামাল সেখ সহ স্থানীয় প্রশাসনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। দীর্ঘদিনের কাদা-মাখা কাঁচা রাস্তাটি অবশেষে পাকা হওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে গেছে। এই আধুনিক সড়ক যোগাযোগ কেবল যাতায়াতই সুগম করবে না, বরং এলাকার কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দারা।
- Post by সত্য দর্পণ1
- জলঙ্গি-ডোমকল-রানীনগরে তৃণমূলের হার নি'শ্চি'ত—বি'স্ফো'র'ক দাবি আব্দুর রাজ্জাকের। ভোটের আগে দলত্যাগ, তৃণমূলকে কড়া বার্তা বিদায়ী বিধায়কের #TMC #Jalangi #Murshidabad1
- *ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে জেলা শাসক- পুলিশ সুপার! স্পর্শকাতর বুথ সহ এলাকায় পরিদর্শনে জেলা প্রশাসন। ভোটের আগে ‘গ্রাউন্ড জিরো’-তে নেমে পড়ল প্রশাসন। নদিয়া জেলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৎপরতা এখন তুঙ্গে। লক্ষ্য একটাই— যেন কোনোভাবেই অশান্তি বা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি না হয়, আর সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বুধবার সকালে জেলা শাসক শ্রাকন্ত পাল্লী এবং কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ওয়াইং রঘুবংশীয় একযোগে জেলার একাধিক স্পর্শকাতর বুথ ও অশান্তিপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে কৃষ্ণনগরের নাজিরা পাড়া এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বুথে গিয়ে খতিয়ে দেখা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের পরিবেশ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি। শুধু পরিদর্শনেই থেমে থাকেননি আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা, অভিজ্ঞতা এবং উদ্বেগের কথাও শোনেন তাঁরা। এলাকায় কোনো ভয়ভীতি বা রাজনৈতিক চাপ রয়েছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করা হয়। জেলা শাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন— ভোট দেওয়া প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার, আর সেই অধিকার প্রয়োগে কোনো রকম বাধা বরদাস্ত করা হবে না। অন্যদিকে পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়ানো হবে পুলিশ মোতায়েন, টহল এবং নজরদারি। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে জেলার সমস্ত বুথকে সুপার সেনসেটিভ, ক্রিটিক্যাল, ভলনারেবল এবং নরমাল— এই চার ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তবে ভোটের দিন পরিস্থিতি কেমন থাকে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা নদিয়া জেলা।1
- হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। আর সেই বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে এখন অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মুর্শিদাবাদের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির।এদিন নিজের ফর্মে ফিরে হুমায়ুন দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রচারের মধ্যে দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন একাধিক ইস্যুতে। সরাসরি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহুর নাম নিয়ে তাকে যেমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন একই সঙ্গে রাজ্যে এই মুহূর্তে হুমায়ুনের অন্যতম প্রধান শত্রু বলে পরিচিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউ হুঁশিয়ারি দিলেন বাবরি মসজিদ ইস্যুতে1
- মুরারইয়ে AIMIM-এর জনজোয়ার, ওয়াইসির সভায় জমল রাজনৈতিক মঞ্চ আজ বীরভূমের মুরারই ১ নম্বর ব্লকের পলসা কারবালা মাঠে All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen (AIMIM)-এর উদ্যোগে এক বৃহৎ জনসভার আয়োজন করা হয়। সভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উৎসাহ ও উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়, ভিড় জমাতে শুরু করেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকেরা। এই জনসভার মূল আকর্ষণ ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি Asaduddin Owaisi। তাঁর আগমনকে ঘিরে মাঠে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেন এবং সংখ্যালঘু সহ সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে সরব হন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সভা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল।1
- বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ আর এই ১৩ পার্বণের প্রথম পার্বণ হলো নববর্ষ। আর সেই নববর্ষের সকালে আনন্দময়ী তলা আনন্দময়ী মন্দিরে দেখা গেল অসংখ্য মায়েদের যারা স্বামী, সন্তানের মঙ্গল কামনায়, সংসারের আয়, উন্নতি, সমৃদ্ধির জন্য মায়ের মন্দিরে পূজা দিতে এসেছেন।1
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- ভোটের লড়াইয়ে যেন ১ ইঞ্চি মাটিও ছাড়তে রাজি নন বাবর আলী! ভোটের আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি—এই সময়ে পায়ে হাঁটা প্রচারের আবেগ আর বাইক র্যালির শক্তি—দুই কৌশলেই ফুল স্পিডে মাঠ দখলের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বাবর আলী! মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি বিধানসভায় ভোট যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। আর সেই উত্তপ্ত পরিবেশের মাঝেই আজ চোয়াপাড়া অঞ্চলের দেবেন না এলাকায় দেখা গেল একেবারে বিস্ফোরক শক্তি প্রদর্শন। খোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে সামনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘মাস্টারমশাই’, আর তাঁর সামনে-পিছনে শত শত বাইকের দীর্ঘ মিছিল—ইঞ্জিনের গর্জন আর স্লোগানের ঢেউয়ে যেন কেঁপে উঠল পুরো এলাকা! 💥🏍️ রাস্তার দু’ধারে মানুষের ঢল—কেউ হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কেউ মোবাইলে বন্দি করছেন মুহূর্ত, আবার কেউ স্লোগানে গলা মিলিয়ে জানিয়ে দিচ্ছেন সমর্থনের বার্তা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটা শুধু প্রচার নয়—এটা শেষ ল্যাপের লড়াই, মানুষের হৃদয় জয়ের লড়াই। ⚡ আজ চোয়াপাড়া একটাই কথা বলছে—লড়াই এখন চরমে… আর বাবর আলী নেমে পড়েছেন অল-আউট অ্যাটাকে! 🚩🔥 আলোকিত বাংলাসত্যের সাথে, মানুষের পাশে1