Shuru
Apke Nagar Ki App…
পুরুলিয়া জেলার বরাবাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে বান্দোয়ান বিধানসভার বিধায়ক লভসেন বাস্কে সহ দলের সমস্ত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Sangbadbangla24X7
পুরুলিয়া জেলার বরাবাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে বান্দোয়ান বিধানসভার বিধায়ক লভসেন বাস্কে সহ দলের সমস্ত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পুরুলিয়া জেলার বরাবাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে বান্দোয়ান বিধানসভার বিধায়ক লভসেন বাস্কে সহ দলের সমস্ত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।1
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বিজয় উৎসবের আবহ। এই জয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা বিভিন্ন প্রান্তে বিজয় উল্লাস পালন করছেন, যার রেশ জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার ব্লকের ঝরিয়া গ্রামেও দেখা গেছে। রবিবার সকাল ৯টা থেকে ঝরিয়া গ্রামে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিজয় উৎসব শুরু হয়। সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে এলাকার অসংখ্য পুরুষ ও মহিলা কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ উপেক্ষা করেও সকলে আবিরে রাঙিয়ে, ঢাক-ঢোল ও বাজনার তালে তালে নাচে-গানে মেতে ওঠেন, যার ফলে গোটা গ্রামজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিজয় উল্লাসে শামিল হওয়া কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চোখে পড়ার মতো উচ্ছ্বাস ছিল। তারা একে অপরকে আবির মাখিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং দলীয় পতাকা হাতে নৃত্যে অংশ নেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্ব জানান যে, এই জয় সাধারণ মানুষের জয় এবং আগামী দিনে মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে দল আরও বেশি করে কাজ করবে। জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির জয়ের আনন্দে সাধারণ মানুষের এই অংশগ্রহণ রাজনৈতিক আবহের পাশাপাশি গ্রামীণ অঞ্চলে উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়ার চিত্রকেই আরও একবার তুলে ধরল।3
- বলরামপুরের কৃতি সন্তান ডাঃ অনুশ্রী পাল এমবিবিএস, এমডি জেনারেল মেডিসিন এবং ডিআরএনবি ডিগ্রি অর্জনের পর এবার দিল্লীতে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক (President's Gold Medal) পেয়ে সম্মানিত হয়েছেন, যা এলাকার মুকুটে আরও একটি সোনালি পালক যুক্ত করেছে। দিল্লীর বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক গৌরবময় অনুষ্ঠানে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত চিকিৎসকদের মধ্যে ডাঃ অনুশ্রী পাল নিজের বিভাগে টপার হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা তাঁর হাতে এই স্বর্ণপদক তুলে দেন। সারা দেশ থেকে ডিপ্লোমা, ডিপ্লোম্যাট ও ডক্টরেট বিভাগের মোট ১৩৭ জন চিকিৎসক এই অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত হয়েছেন। ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জন্মগ্রহণ করা ডাঃ অনুশ্রী পালের শিক্ষাজীবনের শুরু হয় বাড়ির সামনের ছোট প্রাইভেট প্রাইমারি স্কুল 'বিবেকানন্দ শিশু নিকেতন' থেকে। চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত সেখানে পড়ার পর তিনি লালীমতী বালিকা বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে পুরুলিয়ার শান্তময়ী বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি জয়েন্ট পরীক্ষায় সফল হয়ে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে জেনারেল মেডিসিনে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কলকাতার ইন্সটিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স থেকে নিউরোলজিতে ডিআরএনবি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে ডাঃ অনুশ্রী পাল ইন্সটিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স, কলকাতায় অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। উল্লেখযোগ্যভাবে, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত তাঁর কোনো প্রাইভেট টিউটর ছিল না এবং মূলত মা-বাবার কাছ থেকেই, বিশেষত তাঁর মায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়, তিনি শিক্ষা লাভ করেন। বিবাহোত্তর জীবনে তাঁর ডাক্তার স্বামী ও উচ্চশিক্ষিত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সহযোগিতাও তাঁর এই সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে। তাঁর এই অসামান্য সাফল্যে গর্বিত পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং সমগ্র বলরামপুরবাসী।1
- পুরুলিয়া শহরের ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে বসে থাকা দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে পুরুলিয়া পৌরসভা ও পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতে জেসিবি মেশিন ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি নিয়ম বহির্ভূত বাড়ি ও অবৈধ দোকানপাট ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই অভিযান সকাল থেকে পুরুলিয়া শহরের জেলা আদালত মোড় থেকে শুরু হয়ে জেলাশাসক দপ্তর লাগোয়া রাস্তায় অস্থায়ী দোকানপাটগুলি উচ্ছেদ করে। উল্লেখ্য, এর আগেও রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে পুরুলিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ দোকান মালিকদের ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু দোকান মালিকেরা সেই নির্দেশ অগ্রাহ্য করেই এতদিন তাঁদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে এবার রাজ্য সরকারের পালা বদলের পর পুরুলিয়া শহরকে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পুলিশ ও পৌরসভা ‘অ্যাকশন মোডে’ নেমেছে।1
- সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় চুরির ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই ধারাবাহিকতায়, এবার পুরুলিয়া মফস্বল থানার অন্তর্গত নদীয়াড়া গ্রামে অবস্থিত রাধা গোবিন্দের মন্দিরকে লক্ষ্য করে চোরেরা হানা দিয়েছে। চোরেরা মন্দিরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং সেখানকার সমস্ত মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।1
- পুরুলিয়া জেলার আমডিহায় দুর্গাপূজা কমিটির উদ্যোগে কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে উপহার তুলে দিয়ে তাদের সম্মানিত করা হয়।1
- পুরুলিয়া শহরে একটি বুলডোজার অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে পুরুলিয়া কোট চত্বরের দোকানগুলি ভেঙে দেওয়া হয়।1
- ১০-১২টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার করছেন। গ্রামবাসীদের জন্য এই বাঁশের সাঁকোই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।1