Shuru
Apke Nagar Ki App…
১০-১২টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার করছেন। গ্রামবাসীদের জন্য এই বাঁশের সাঁকোই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
Sangbadbangla24X7
১০-১২টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার করছেন। গ্রামবাসীদের জন্য এই বাঁশের সাঁকোই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পুরুলিয়া জেলার বরাবাজারে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে বান্দোয়ান বিধানসভার বিধায়ক লভসেন বাস্কে সহ দলের সমস্ত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।1
- বলরামপুরের কৃতি সন্তান ডাঃ অনুশ্রী পাল এমবিবিএস, এমডি জেনারেল মেডিসিন এবং ডিআরএনবি ডিগ্রি অর্জনের পর এবার দিল্লীতে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক (President's Gold Medal) পেয়ে সম্মানিত হয়েছেন, যা এলাকার মুকুটে আরও একটি সোনালি পালক যুক্ত করেছে। দিল্লীর বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক গৌরবময় অনুষ্ঠানে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত চিকিৎসকদের মধ্যে ডাঃ অনুশ্রী পাল নিজের বিভাগে টপার হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা তাঁর হাতে এই স্বর্ণপদক তুলে দেন। সারা দেশ থেকে ডিপ্লোমা, ডিপ্লোম্যাট ও ডক্টরেট বিভাগের মোট ১৩৭ জন চিকিৎসক এই অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত হয়েছেন। ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জন্মগ্রহণ করা ডাঃ অনুশ্রী পালের শিক্ষাজীবনের শুরু হয় বাড়ির সামনের ছোট প্রাইভেট প্রাইমারি স্কুল 'বিবেকানন্দ শিশু নিকেতন' থেকে। চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত সেখানে পড়ার পর তিনি লালীমতী বালিকা বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে পুরুলিয়ার শান্তময়ী বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি জয়েন্ট পরীক্ষায় সফল হয়ে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে জেনারেল মেডিসিনে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কলকাতার ইন্সটিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স থেকে নিউরোলজিতে ডিআরএনবি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে ডাঃ অনুশ্রী পাল ইন্সটিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স, কলকাতায় অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। উল্লেখযোগ্যভাবে, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত তাঁর কোনো প্রাইভেট টিউটর ছিল না এবং মূলত মা-বাবার কাছ থেকেই, বিশেষত তাঁর মায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়, তিনি শিক্ষা লাভ করেন। বিবাহোত্তর জীবনে তাঁর ডাক্তার স্বামী ও উচ্চশিক্ষিত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সহযোগিতাও তাঁর এই সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে। তাঁর এই অসামান্য সাফল্যে গর্বিত পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং সমগ্র বলরামপুরবাসী।1
- পুরুলিয়া শহরের ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে বসে থাকা দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে পুরুলিয়া পৌরসভা ও পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতে জেসিবি মেশিন ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি নিয়ম বহির্ভূত বাড়ি ও অবৈধ দোকানপাট ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই অভিযান সকাল থেকে পুরুলিয়া শহরের জেলা আদালত মোড় থেকে শুরু হয়ে জেলাশাসক দপ্তর লাগোয়া রাস্তায় অস্থায়ী দোকানপাটগুলি উচ্ছেদ করে। উল্লেখ্য, এর আগেও রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে পুরুলিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ দোকান মালিকদের ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু দোকান মালিকেরা সেই নির্দেশ অগ্রাহ্য করেই এতদিন তাঁদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে এবার রাজ্য সরকারের পালা বদলের পর পুরুলিয়া শহরকে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পুলিশ ও পৌরসভা ‘অ্যাকশন মোডে’ নেমেছে।1
- সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় চুরির ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই ধারাবাহিকতায়, এবার পুরুলিয়া মফস্বল থানার অন্তর্গত নদীয়াড়া গ্রামে অবস্থিত রাধা গোবিন্দের মন্দিরকে লক্ষ্য করে চোরেরা হানা দিয়েছে। চোরেরা মন্দিরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং সেখানকার সমস্ত মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।1
- পুরুলিয়া জেলার আমডিহায় দুর্গাপূজা কমিটির উদ্যোগে কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে উপহার তুলে দিয়ে তাদের সম্মানিত করা হয়।1
- পুরুলিয়া শহরে একটি বুলডোজার অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানের ফলে পুরুলিয়া কোট চত্বরের দোকানগুলি ভেঙে দেওয়া হয়।1
- পুরুলিয়া শহরে জবরদখলের বিরুদ্ধে পুরুলিয়া পুরসভা ও জেলা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়েছে। রবিবার এই অভিযানে শহরের রাস্তা, ফুটপাত ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়। বেআইনি জবরদখলের বিরুদ্ধে এই যৌথ পদক্ষেপে শহরের একাধিক জবরদখল করা দোকানঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কোর্ট লাগোয়া এলাকায় বুলডোজার চলে এবং দোকানপাট ভেঙে গুঁড়ো করে দেওয়া হয়। এই অভিযান চলাকালীন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। উৎসাহী মানুষজন বুলডোজারের এই তাণ্ডবের দৃশ্য নিজেদের মোবাইলে বন্দি করে রাখেন।1
- ১০-১২টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার করছেন। গ্রামবাসীদের জন্য এই বাঁশের সাঁকোই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।1