নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, উন্নয়নই হাতিয়ার : ভরতপুরে প্রত্যয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, উন্নয়নই হাতিয়ার : ভরতপুরে প্রত্যয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে দাঁড়িয়ে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কার্যত ঝোড়ো ব্যাটিং চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। সোমবার সকাল থেকেই ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের মালিহাটি পঞ্চায়েত এলাকার সালিন্দা, রাইগ্রাম ও প্রসাদপুরে ঘরে ঘরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির প্রচার করেন তিনি। প্রচার চলাকালীন আত্মবিশ্বাসী মুস্তাফিজুর বলেন, এই বিধানসভার প্রতিটি গ্রাম আমরা স্পর্শ করেছি এবং মানুষের অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি। মানুষ কেবল ২৩ তারিখের অপেক্ষায় দিন গুনছে জোড়া ফুলে ভোট দেওয়ার জন্য। বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান যে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা এখন ব্যক্তিগত কুৎসার পথ বেছে নিয়েছে। তবে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, বিরোধীদের বলা একটি শব্দও যদি আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ হয়, তবে আমি রাজনীতির আঙিনা থেকে চিরতরে সরে দাঁড়াব। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে বিশ্বাসী মুস্তাফিজুর আরও যোগ করেন যে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা নিচু রুচির পরিচয় বলেই তিনি পালটা কুৎসায় জড়াতে চান না, বরং আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ও জনগণই এই মিথ্যাচারের যোগ্য জবাব দেবে। ভরতপুরে তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনো শক্তির অস্তিত্ব নেই দাবি করে মুস্তাফিজুর রহমান মনে করিয়ে দেন যে, ৩৬৫ দিন মানুষের বিপদে-আপদে কেবল ঘাসফুল শিবিরই পাশে থাকে।
নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, উন্নয়নই হাতিয়ার : ভরতপুরে প্রত্যয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, উন্নয়নই হাতিয়ার : ভরতপুরে প্রত্যয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে দাঁড়িয়ে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কার্যত ঝোড়ো ব্যাটিং চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। সোমবার সকাল থেকেই ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের মালিহাটি পঞ্চায়েত এলাকার সালিন্দা, রাইগ্রাম ও প্রসাদপুরে ঘরে ঘরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির প্রচার করেন তিনি। প্রচার চলাকালীন আত্মবিশ্বাসী মুস্তাফিজুর বলেন, এই বিধানসভার প্রতিটি গ্রাম আমরা স্পর্শ করেছি এবং মানুষের অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি। মানুষ কেবল ২৩ তারিখের অপেক্ষায় দিন গুনছে জোড়া ফুলে ভোট দেওয়ার জন্য। বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান যে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা এখন ব্যক্তিগত কুৎসার পথ বেছে নিয়েছে। তবে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, বিরোধীদের বলা একটি শব্দও যদি আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ হয়, তবে আমি রাজনীতির আঙিনা থেকে চিরতরে সরে দাঁড়াব। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে বিশ্বাসী মুস্তাফিজুর আরও যোগ করেন যে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা নিচু রুচির পরিচয় বলেই তিনি পালটা কুৎসায় জড়াতে চান না, বরং আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ও জনগণই এই মিথ্যাচারের যোগ্য জবাব দেবে। ভরতপুরে তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনো শক্তির অস্তিত্ব নেই দাবি করে মুস্তাফিজুর রহমান মনে করিয়ে দেন যে, ৩৬৫ দিন মানুষের বিপদে-আপদে কেবল ঘাসফুল শিবিরই পাশে থাকে।
- নির্বাচনী লড়াইয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, উন্নয়নই হাতিয়ার : ভরতপুরে প্রত্যয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে দাঁড়িয়ে ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কার্যত ঝোড়ো ব্যাটিং চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। সোমবার সকাল থেকেই ভরতপুর ২ নম্বর ব্লকের মালিহাটি পঞ্চায়েত এলাকার সালিন্দা, রাইগ্রাম ও প্রসাদপুরে ঘরে ঘরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির প্রচার করেন তিনি। প্রচার চলাকালীন আত্মবিশ্বাসী মুস্তাফিজুর বলেন, এই বিধানসভার প্রতিটি গ্রাম আমরা স্পর্শ করেছি এবং মানুষের অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি। মানুষ কেবল ২৩ তারিখের অপেক্ষায় দিন গুনছে জোড়া ফুলে ভোট দেওয়ার জন্য। বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান যে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা এখন ব্যক্তিগত কুৎসার পথ বেছে নিয়েছে। তবে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, বিরোধীদের বলা একটি শব্দও যদি আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ হয়, তবে আমি রাজনীতির আঙিনা থেকে চিরতরে সরে দাঁড়াব। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে বিশ্বাসী মুস্তাফিজুর আরও যোগ করেন যে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা নিচু রুচির পরিচয় বলেই তিনি পালটা কুৎসায় জড়াতে চান না, বরং আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ও জনগণই এই মিথ্যাচারের যোগ্য জবাব দেবে। ভরতপুরে তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনো শক্তির অস্তিত্ব নেই দাবি করে মুস্তাফিজুর রহমান মনে করিয়ে দেন যে, ৩৬৫ দিন মানুষের বিপদে-আপদে কেবল ঘাসফুল শিবিরই পাশে থাকে।1
- খড়গ্ৰাম ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনতার জননেতা সন্মানীয় শ্রী আশীষ মার্জিত মহাশয় কে জোড়া ফুল চিহ্নে বিপুল ভোটে জয়ী করুন1
- ছাগলের লাদি নিয়ে বিবাদ, মারধরে স্বামী-স্ত্রীর মাথা ফাটাল প্রতিবেশী—হরিহরপাড়ায় চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার স্বরূপপুর এলাকায় ছাগলের লাদি ছিটিয়ে নোংরা করা নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। অভিযোগ, এই ঘটনায় বেধড়ক মারধরের শিকার হয়ে মাথা ফাটে স্বামী-স্ত্রীর। আহতদের নাম আজাদ হোসেন আনসারী ও আমিনা বিবি। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবেশী আক্রোমা বিবি বাড়ির সামনে ছাগলের লাদি ছিটিয়ে নোংরা করেন। তা পরিষ্কার করতে বলতেই প্রথমে বচসা, পরে মারধরে জড়িয়ে পড়েন আক্রোমা বিবি ও লাল মোহাম্মদ সেখ। অভিযোগ, পাইপ দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয় দম্পতিকে। স্থানীয়দের উদ্যোগে আহতদের উদ্ধার করে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হরিহরপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আহতরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।2
- বহরমপুরে গ্লামার কুইন নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী তৃণমূলের প্রার্থী নাড়ু গোপালের সমর্থনে ভোট প্রচার1
- বহরমপুরে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জীর প্রচারে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী। তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বহরমপুরে রোড শো করলেন শ্রাবন্তী। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ স্বর্ণময়ী বাজারের সামনে থেকে শুরু হয় রোড শো। চালতিয়া, ভাকুড়ি সব বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে এই রোড শো। দুদিন পরেই ভোট। প্রচারের শেষলগ্নে অভিনেত্রীর রোড শো ঘিরে উচ্ছ্বসিত কর্মী সমর্থকেরা। হুডখোলা গাড়িতে চলল প্রচার।1
- বাংলার ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক শুরু হয়েছে। মামলা দেশের শীর্ষ আদালতে গড়িয়েছে। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ ভোটার তাদের ভোটাধিকার ফেরত পেল।1
- অক্ষয় তৃতীয়ায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ—নবদ্বীপে ‘জয়পুর জেমস’-এর সবুজ বার্তা, সম্মানিত নির্মল বন্ধুরা। গঙ্গা পরিষ্কার থেকে চারা বিতরণ—পুজো-হালখাতা ছাড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজির। অক্ষয় তৃতীয়ার প্রেক্ষিতে প্রচলিত পুজো ও হালখাতার গণ্ডি পেরিয়ে এক অনন্য সামাজিক উদ্যোগের সাক্ষী থাকল নবদ্বীপ। শহরের বিশিষ্ট গ্রহরত্ন প্রতিষ্ঠান ‘জয়পুর জেমস’ এই শুভদিনকে কেন্দ্র করে নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা, গাছের চারা বিতরণ এবং গঙ্গা দূষণমুক্ত রাখার বার্তা দিয়ে নজির গড়ল। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গঙ্গা আমাদের মা—তাকে দূষণমুক্ত রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।” এই বার্তাকে সামনে রেখেই অক্ষয় তৃতীয়ার দু’দিন আগে থেকেই শুরু হয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি। নবদ্বীপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গঙ্গার ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেন উদ্যোক্তারা। এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে পাশে দাঁড়ায় শহরের সুপরিচিত যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘যোগায়ন’ ও তাদের সহযোদ্ধারা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গঙ্গার ঘাটগুলিকে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আয়োজিত মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এই অনুষ্ঠানে নবদ্বীপের অসংখ্য নির্মল বন্ধুদের সম্মাননা জানানো হয়—যারা প্রতিদিন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি বিতরণ করা হয় গাছের চারা, যাতে শহরজুড়ে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের এহেন ব্যতিক্রমী সামাজিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।1
- প্রচারের শেষ লগ্নে সেলফি আর পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন : তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতে আর মাত্র ৭২ ঘণ্টা বাকি, ঠিক তার আগেই ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে ঝোড়ো প্রচার সেরে নিলেন ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। রবিবার বিকেল ৫টা থেকে করন্দী গ্রাম থেকে শুরু করে ব্রাহ্মণডিহি, মাসুন্দী হয়ে বিনোদিয়া পর্যন্ত চলে প্রার্থীর এই ম্যারাথন জনসংযোগ। দিনশেষে অন্ধকার নামলেও প্রচার থামেনি। বাজনার তালে, জেনারেটরের আলো ও হ্যালোজেন জ্বালিয়েই মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যান তিনি। প্রার্থীকে হাতের কাছে পেয়ে আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষের মধ্যেই দেখা যায় অভূতপূর্ব উন্মাদনা। কোথাও মহিলারা পুষ্পবৃষ্টি করেন, আবার কোথাও ফুলের মালায় প্রার্থীকে বরণ করে নেওয়া হয়। বিশেষ করে যুবসমাজ ও কচিকাঁচাদের মধ্যে প্রার্থীর সঙ্গে সেলফি তোলার হিড়িক ছিল চোখে পড়ার মতো। এ প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত মুস্তাফিজুর রহমান জানান, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহধন্য প্রার্থী, তাই সাধারণ মানুষ আমার মধ্যে তাঁদেরই প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাচ্ছেন। এই সেলফি বা করমর্দনের জোয়ার আসলে নেত্রীর প্রতি মানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। প্রার্থীর এই মেগা প্রচারে পা মিলিয়েছিলেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি নজরুল ইসলাম, অঞ্চল সভাপতি শাহাদুল্লাহ সেখ, যুব সভাপতি মহঃ রানা ও মহিলা সভাপতি আহানা সুলতানা সহ স্থানীয় পঞ্চায়েত স্তরের একঝাঁক নেতৃত্ব ও অগণিত দলীয় কর্মী-সমর্থক, যা প্রচারের শেষ লগ্নে ভরতপুরের রাজনৈতিক পারদকে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি প্রার্থীর।1