Shuru
Apke Nagar Ki App…
১০ তারিখ ৪ মাস ২০২৬ এখানে প্রশাসন গাদ্দারি করতেছে আজকে প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে রাস্তা কোনটাই জাম লাগার কথা না। তো এখানে প্রশাসন শুধু পয়সা ধান্দা নিয়ে কাজ করতেছে সরকারি মাইয়া তো পাচ্ছে না কি করা যাবে
Jakir Islam
১০ তারিখ ৪ মাস ২০২৬ এখানে প্রশাসন গাদ্দারি করতেছে আজকে প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে রাস্তা কোনটাই জাম লাগার কথা না। তো এখানে প্রশাসন শুধু পয়সা ধান্দা নিয়ে কাজ করতেছে সরকারি মাইয়া তো পাচ্ছে না কি করা যাবে
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দিনহাটা শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার চালালেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। শুক্রবার সকালে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শোনেন এবং বিজেপির উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। প্রচারের সময় অজয় রায় বলেন, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তন জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উন্নয়নের অভাব রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখেই তিনি প্রচারে জোর দিচ্ছেন বলে জানান। এদিনের প্রচারে বিজেপির একাধিক স্থানীয় নেতা ও কর্মী উপস্থিত ছিলেন। শ্লোগান ও প্রচারপত্রের মাধ্যমে এলাকায় নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়। সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিজেপি প্রার্থীর এই প্রচারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের আশা, নির্বাচনের পর এলাকায় বাস্তবিক উন্নয়ন হবে এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান মিলবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনহাটা শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। তারই অংশ হিসেবে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অজয় রায়ের এই প্রচার কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।1
- কোচবিহার দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্র বোসকে কালো পতাকা, ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে বিক্ষোভ।1
- Post by Jakir Islam1
- শুক্রবার সকালে দিনহাটা পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ। এদিন সকালে এলাকার তৃণমূল কর্মীদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগের পাশাপাশি ভোট প্রচার করেন তিনি।1
- আজকে ৫০-৫৫ বছর হয়ে গেলো স্কুল রোড এইটা কতো রাজনৈতিক নেতা আসলো গেলো হাজারে হাজারে লোক চলা চল করে কারো এইরাস্তার দিকে চোখ পরে না । রাস্তা টা বানানোর জন্য । সব শুধু খাবার ধান্দাতে থাকে কাজ আসলে কিছু মাল ফেলায় দিয়ে কাজ শেষ আবার যেই সেই অবস্থা রাস্তার হয়ে যায় । পাকা কতো রাস্তা হয়ে গেলো এইরাস্তা আর হলো না দুঃখের বিষয় কেউ কোনো দিন কমপ্লেন করলো না ।1
- বড়সড় বিপত্তির হাত থেকে রক্ষা পেল দিনহাটা ২ নং ব্লকের সাহাপাড়া এলাকা। হঠাৎই ১১০০০ ভোল্টের বিদ্যুৎবাহী তারের সংস্পর্শে একটি আম গাছে আগুন লেগে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সাহেবগঞ্জ রোড সাহাপাড়া এলাকায় থাকা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎবাহী তারের সঙ্গে গাছের ডালের সংস্পর্শ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আম গাছটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। জনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর দেওয়া হয় দিনহাটা দমকল কেন্দ্রে। খবর পাওয়া মাত্রই দিনহাটা দমকলের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দমকল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন আশেপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। পরবর্তীতে বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা এলাকায় এসে পৌঁছান এবং মেরামতির কাজ শুরু করেন। দমকলের দ্রুত হস্তক্ষেপের কারণে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। আগুন অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।1
- কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র আজ সাক্ষী থাকল এক নতুন রাজনৈতিক বার্তার। প্রার্থী **পার্থ প্রতিম রায়** এবং কোচবিহার ২ নম্বর ব্লক সভাপতি **শুভঙ্কর দে**-র উপস্থিতিতে পুন্ডিবাড়ীতে শুভ সূচনা হলো তৃণমূলের ‘প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ’-এর। এ শুধু একটি স্তম্ভ নয়—এটি মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রতীক। “কথা নয়, কাজ”—এই বার্তাকেই সামনে রেখে তৃণমূল জানিয়ে দিল, জয়ের পর কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ প্রথমেই বাস্তবায়িত করা হবে তার স্পষ্ট রূপরেখা। জনগণের সামনে প্রতিশ্রুতি লিখে রেখে রাজনীতিতে স্বচ্ছতার এক নতুন উদাহরণ গড়তে চাইছে তৃণমূল। 💬 “মানুষের আশীর্বাদে জয় নিশ্চিত—আর জয়ের পর প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণই আমাদের প্রথম দায়িত্ব,”—জানালেন নেতৃত্ব। 👉 পুন্ডিবাড়ীর মাটি থেকে শুরু হলো সেই অঙ্গীকার, যা বদলে দিতে পারে গোটা এলাকার ভবিষ্যৎ!1
- বিধানসভা নির্বাচনের আগে বা সংগঠন বিস্তারের লড়াইয়ে কুমারগ্রাম ব্লকে বড়সড় ধাক্কা খেল ভারতীয় জনতা পার্টি। শুক্রবার বিজেপির হাত ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য তারা মায়া বর্মন এবং ২ নং মন্ডলের কোষাধ্যক্ষ ভুবন দাস (কানু)। এদিন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা রাজ্য সভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আই এন টি টি ইউ সি র জেলা সভাপতি বিনোদ মি, জেলা নেতা তুষার চক্রবর্তী, সঞ্জিত ধর সহ অন্যান্যরা। দলবদলু নেতাদের দাবি, বিজেপির নীতি ও বর্তমান কার্যকলাপে বীতশ্রদ্ধ হয়েই তাঁরা উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই দুই নেতার আগমনে কুমারগ্রাম এলাকায় দলের সংগঠন তৃণমূল স্তরে আরও মজবুত হবে।1