শ্রমিক দিবসেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: বীরভূমে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ১৮ বছরের শ্রমিকের শ্রমিক দিবসের সকালেই বীরভূম জেলার তারাপীঠ থানার ভেড়ামারি মোড়ে ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। প্রাণ হারালেন মাত্র ১৮ বছরের তরুণ সামিউল শেখ। জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোরেও বাইক নিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজে বেরিয়েছিলেন সামিউল। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই পরিশ্রম করছিলেন তিনি। কিন্তু সেই পথেই থেমে গেল তার জীবনের যাত্রা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তারাপীঠ ডিপো থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগতির সরকারি বাস কলকাতার দিকে যাচ্ছিল। ভেড়ামারি মোড়ে হঠাৎ ইউ-টার্ন নিতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং উল্টো দিকের লেনে উঠে পড়ে। সেই সময়ই সামনে থাকা সামিউলের বাইকে সজোরে ধাক্কা মারে বাসটি। ধাক্কার তীব্রতায় বাইক থেকে ছিটকে পড়েন সামিউল এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তারাপীঠ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি আটক করে এবং তদন্ত শুরু করেছে। নিমাপাখুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সামিউলের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও এলাকায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, অতিরিক্ত গতি এবং ভুল দিক থেকে ইউ-টার্ন নেওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিক দিবসের দিনেই এক পরিশ্রমী তরুণের স্বপ্নভঙ্গ—এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পথ নিরাপত্তা ও বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ে।
শ্রমিক দিবসেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: বীরভূমে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ১৮ বছরের শ্রমিকের শ্রমিক দিবসের সকালেই বীরভূম জেলার তারাপীঠ থানার ভেড়ামারি মোড়ে ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। প্রাণ হারালেন মাত্র ১৮ বছরের তরুণ সামিউল শেখ। জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোরেও বাইক নিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজে বেরিয়েছিলেন সামিউল। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই পরিশ্রম করছিলেন তিনি। কিন্তু সেই পথেই থেমে গেল তার জীবনের যাত্রা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তারাপীঠ ডিপো থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগতির সরকারি বাস কলকাতার দিকে যাচ্ছিল। ভেড়ামারি মোড়ে হঠাৎ ইউ-টার্ন নিতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং উল্টো দিকের লেনে উঠে পড়ে। সেই সময়ই সামনে থাকা সামিউলের বাইকে সজোরে ধাক্কা মারে বাসটি। ধাক্কার তীব্রতায় বাইক থেকে ছিটকে পড়েন সামিউল এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তারাপীঠ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি আটক করে এবং তদন্ত শুরু করেছে। নিমাপাখুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সামিউলের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও এলাকায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, অতিরিক্ত গতি এবং ভুল দিক থেকে ইউ-টার্ন নেওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিক দিবসের দিনেই এক পরিশ্রমী তরুণের স্বপ্নভঙ্গ—এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পথ নিরাপত্তা ও বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ে।
- 🔴 দেশরক্ষার মাটিতে অকাল মৃত্যু বীরভূমের অনুপম মন্ডলের, শোকে স্তব্ধ গ্রাম জম্মু-কাশ্মীরে কর্মরত অবস্থায় আকস্মিক মৃত্যু হল বীরভূমের মল্লারপুর থানার সৌজ গ্রামের বাসিন্দা অনুপম মন্ডল (২৪)-এর। দেশের সেবায় নিয়োজিত এই তরুণ সেনাকর্মীর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা গ্রামজুড়ে। তবে ঠিক কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয় পরিবারের কাছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীর থেকে নিজের মা মল্লিকা মন্ডলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন অনুপম। মায়ের দাবি, ছেলের কথাবার্তায় কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না, ফলে কোনও আশঙ্কাও করেননি তাঁরা। কিন্তু সেই রাতেই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অনুপমের বাড়িতে ফোন করা হয়। মল্লিকা দেবী জানান, তখন তিনি ঘুমিয়ে পড়ায় ফোনটি ধরতে পারেননি। শুক্রবার সকালে ফের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে পরিবারকে জানানো হয়, অনুপম মন্ডল আর নেই। এই মর্মান্তিক খবর পেয়ে ভেঙে পড়েন বাবা রামপ্রসাদ মন্ডল, মা মল্লিকা মন্ডল সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। শোকের ছায়া নেমে আসে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যেও। মামা সমীরণ মন্ডল জানান, ২০২২ সালে অগ্নিবীর প্রকল্পে যোগ দেন অনুপম। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা। সম্প্রতি সরস্বতী পুজোর সময় ছুটিতে বাড়ি এসে পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটিয়ে ফের কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি। অনুপমের অকাল মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্তব্ধ হয়ে পড়েছে সৌজ গ্রাম। সর্বত্র শোকের আবহ। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।1
- মধ্যযুগীয় বর্বরতা! স্বামীর অনুপস্থিতিতে গৃহবধূর ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়ে তাকে নির্মম ভাবে পুড়িয়ে মারার অভিযোগে ব্যাপক সোরগোল ছড়িয়ে পড়ে মুশিদাবাদের বহরমপুর মহকুমার অন্তর্গত বেলদাঙা সংলগ্ন এলাকায়।মৃত ওই গৃহবধূর নাম মাসুদা খাতুন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাসুদার স্বামী রুবেল শেখ কাজের জন্য বাড়ির বাইরে থাকতেন। অভিযোগ, সেই সুযোগে পরিবারের শাশুড়ি দেওয়র সহ অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে গৃহবধূর নিত্যদিন ঝামেলা লেগে থাকত। তার জেরেই এই মর্মাতিক কাণ্ড।এদিকে ঘটনার পরই মৃতের শাশুড়ি ফরিদা বেওয়া কে পাকড়াও করতে সক্ষম হয় পুলিশ।1
- পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান ভোট পরিস্থিতি এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে তোপ দাগলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাজ্যের নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তোলেন।1
- Post by রাজেন্দ্র নাথ দত্ত1
- খামার মাটি মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র দশাটা দেখুন1
- ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগ রানিনগরে। রাতে চায়ের দোকানে সিপিএম এজেন্টকে মারধর হুমকির অভিযোগ। শুক্রবার সকালে আক্রান্তকে দেখতে এলে সিপিএম প্রার্থীকেও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে রানিনগর বিধানসভার লোচনপুর অঞ্চলের নওদাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০ নম্বর বুথে সিপিএম এজেন্ট ছিলেন রুহুল আমিন। তার অভিযোগ বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে চায়ের দোকানে গেলে তাকে তৃণমূলের লোকজন তাকে মারধর করে ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে আক্রান্ত এজেন্টকে দেখতে গেলে সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেনকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছেন সিপিএম প্রার্থী ।1
- বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে এবারও বুদ্ধ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিতে ঢল নামল ভক্তদের।জমে উঠল দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলা। যাকে কেন্দ্র করে আনন্দ মুখরিত হয়ে উঠল পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ-এর ৮৮নং ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্প এলাকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের ধর্মীয় ঐতিহ্য-পরম্পরা মেনে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পুরাতন মালদার নারায়ণপুরে বিএসএফ-এর ৮৮নং ক্যাম্প এলাকায় হয়ে আসছে দেবকুন্ডের পুজো ও মেলা। সেই মতো শুক্রবার গুরু পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে এই পুজো ও মেলা শুরু হয় নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্পে। এই উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই বিএসএফ ক্যাম্প প্রাঙ্গণে অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। আগত ভক্তরা বেহুলা নদী সংলগ্ন বেহুলা-লখিনন্দরের কাহিনী বিজড়িত দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সেরে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী মাতার মন্দিরে পুজো দেন। পুজো ও মেলা পর্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বিএসএফ। দেবকুন্ডের পুজো ও মেলার প্রচলন সম্পর্কে নানান কল্পকাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের কারও মতে বেহুলা তার মৃত স্বামী লক্ষিন্দরের প্রাণ ফিরাতে এই স্থানে পদার্পণ করেছিলেন। সেখানেই তিনি নাকি নেতো ধোপানীর সাক্ষাৎ পেয়ে তার সঙ্গে স্বর্গে দিয়ে লক্ষীন্দরের প্রাণ ফিরে পেয়েছিলেন। তাই ভক্তদের বিশ্বাস দেবকুন্ডে পুজো দিয়ে মানত করলে শ্রীশ্রী গন্ধেশ্বরী কালীমাতা ভক্তদের সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন। সেই কারণেই প্রতি বছর এই মেলায় অসংখ্য ভক্ত সমাগম ঘটে। সেই ছবিই ধরা পড়ে এবারও।দেবকুন্ডের বাৎসরিক পুজো ও মেলাকে ঘিরে অসংখ্য নব দম্পতির আগমণ চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যান্ডবাদ্দি বাজিয়ে মেলায় এসে দেবকুন্ডে পুণ্যস্নান সারেন। এবং দীর্ঘদিনের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তারা বিয়ের ফুল, মালা, টোপর সহ যাবতীয় উপকরণ দেবকুন্ডের জলে ভাসিয়ে দেন।তাদের বিশ্বাস এই রীতি পালন করে পুণ্যস্নান সেরে শুদ্ধচিত্তে মা গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো দিলে নব দম্পতির বৈবাহিক জীবন সুখের হয়।1
- শ্রমিক দিবসের সকালেই বীরভূম জেলার তারাপীঠ থানার ভেড়ামারি মোড়ে ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। প্রাণ হারালেন মাত্র ১৮ বছরের তরুণ সামিউল শেখ। জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোরেও বাইক নিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজে বেরিয়েছিলেন সামিউল। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই পরিশ্রম করছিলেন তিনি। কিন্তু সেই পথেই থেমে গেল তার জীবনের যাত্রা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তারাপীঠ ডিপো থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগতির সরকারি বাস কলকাতার দিকে যাচ্ছিল। ভেড়ামারি মোড়ে হঠাৎ ইউ-টার্ন নিতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং উল্টো দিকের লেনে উঠে পড়ে। সেই সময়ই সামনে থাকা সামিউলের বাইকে সজোরে ধাক্কা মারে বাসটি। ধাক্কার তীব্রতায় বাইক থেকে ছিটকে পড়েন সামিউল এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে তারাপীঠ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি আটক করে এবং তদন্ত শুরু করেছে। নিমাপাখুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সামিউলের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও এলাকায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, অতিরিক্ত গতি এবং ভুল দিক থেকে ইউ-টার্ন নেওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিক দিবসের দিনেই এক পরিশ্রমী তরুণের স্বপ্নভঙ্গ—এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পথ নিরাপত্তা ও বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ে।1