দুই বছর পর আবার ফুটপাতে ব্যবসা, ঈদের আগে রামপুরহাটে হকারদের মুখে হাসি প্রায় দুই বছর আগে ফুটপাত উচ্ছেদের জেরে রামপুরহাটে বহু হকারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। কেউ কেউ অস্থায়ীভাবে রোদ–ঝড়–বৃষ্টি মাথায় করে ব্যবসা চালালেও তাতে বেচাকেনা প্রায় হত না বললেই চলে। ফলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল অনেকের জন্য। তবে এবার ঈদের আগে পুরোনো জায়গাতেই ছোট ছোট দোকান তৈরি করে আবার ব্যবসা শুরু করেছেন ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা। বাজারও ধীরে ধীরে জমে উঠেছে, যার ফলে হকারদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ফুটপাত হকার উচ্ছেদ যৌথ মঞ্চের সদস্য টোকোন শেখ জানান, দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর এই সুযোগ মিলেছে। তাদের আন্দোলনের পাশে ছিলেন এলাকার বিধায়ক Ashish Banerjee এবং রামপুরহাট পৌরসভার পৌরপতি Soumen Bhakat। অন্যদিকে হকার শাহজাদা হোসেন বলেন, “দুই বছর পর এবার অন্তত ঈদে সন্তানদের নতুন জামা কিনে দিতে পারব।” ব্যবসা ফের শুরু হওয়ায় হকারদের মুখে এখন খুশির আমেজ।
দুই বছর পর আবার ফুটপাতে ব্যবসা, ঈদের আগে রামপুরহাটে হকারদের মুখে হাসি প্রায় দুই বছর আগে ফুটপাত উচ্ছেদের জেরে রামপুরহাটে বহু হকারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। কেউ কেউ অস্থায়ীভাবে রোদ–ঝড়–বৃষ্টি মাথায় করে ব্যবসা চালালেও তাতে বেচাকেনা প্রায় হত না বললেই চলে। ফলে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল অনেকের জন্য। তবে এবার ঈদের আগে পুরোনো জায়গাতেই ছোট ছোট দোকান তৈরি করে আবার ব্যবসা শুরু করেছেন ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা। বাজারও ধীরে ধীরে জমে উঠেছে, যার ফলে হকারদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ফুটপাত হকার উচ্ছেদ যৌথ মঞ্চের সদস্য টোকোন শেখ জানান, দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর এই সুযোগ মিলেছে। তাদের আন্দোলনের পাশে ছিলেন এলাকার বিধায়ক Ashish Banerjee এবং রামপুরহাট পৌরসভার পৌরপতি Soumen Bhakat। অন্যদিকে হকার শাহজাদা হোসেন বলেন, “দুই বছর পর এবার অন্তত ঈদে সন্তানদের নতুন জামা কিনে দিতে পারব।” ব্যবসা ফের শুরু হওয়ায় হকারদের মুখে এখন খুশির আমেজ।
- Post by সত্য দর্পণ1
- প্রায় ২২ বছর পর আবারও চালু হতে চলেছে নসিপুর হল্ট স্টেশন। বৃহস্পতিবার পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএমের উপস্থিতিতে হয়ে গেল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান। আগে এই হল্ট স্টেশন চালু থাকলেও ২০০৪ সালের মাঝামাঝিতে বন্ধ করে দেওয়া হয় । এতেই চরম সমস্যায় পরেন এলাকার হাজার হাজার মানুষ। এতদিন এখানকার মানুষকে হয় আজিমগঞ্জ না হয় মুর্শিদাবাদ স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে হতো। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেল–এর শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা, রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, স্থানীয় বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ সহ প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। পূর্ব রেল–এর শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম জানান প্রায় ১.৬৩ কোটি টাকা অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে, দুটি প্লার্টফর্ম তৈরি হবে, বুকিং কাউন্টার তৈরি হবে। প্রায় এক বছরের মধ্যে হল্ট স্টেশন চালু হবে বলে আশাবাদী রেলের আধিকারিকেরা।1
- Post by Anis Amir1
- ভরতপুরে পথ দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত শ্রমিক : কান্দি-সালার রাজ্য সড়কে চাঞ্চল্য। বুধবার ভোর সন্ধ্যায় কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন দুই শ্রমিক। জানা গেছে, সালার থানার তালিবপুর গ্রামের বাসিন্দা সুজিত মাঝি ও পরেশ মাঝি এদিন ভরতপুর থানার করন্দি গ্রামে একটি শৌচাগার তৈরির কুয়ো খননের কাজ শেষ করে সাইকেলে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। কান্দি-সালার রাজ্য সড়কের বিনোদিয়া এলাকায় একটি বেসরকারি স্কুলের কাছে পৌঁছালে উল্টোদিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বাইক তাঁদের সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় সাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন দুই আরোহী। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভরতপুর থানার পুলিশ এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর পরেশ মাঝিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, সুজিত মাঝির মাথায় গভীর ক্ষত থাকায় দুটি সেলাই পড়ে এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা তাঁকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে রেফার করেন। ঘাতক বাইকটি ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দিলেও, সাইকেল আরোহীরা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কি না তা নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- শিক্ষায় ফি বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত পরিমানে শিক্ষকের নিয়োগের দাবি, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সেমিস্টার বাতিলের দাবি পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুলে সামরিক বাহিনী রেখে স্কুলের পঠন পাঠন বন্ধের বিরুদ্ধে AIDSO এর শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন অভিযান বহরমপুরে। এদিন বহরমপুরের গ্রান্ট হল থেকে একটি মিছিল করে AIDSO, মোহনা বাস স্ট্যান্ড হয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছালে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যারিকেড বাধা পায়। এর পরেই তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, প্রাথমিক ব্যারিকেড ভেঙে ছুটে যায় আন্দোলন কারীরা। দ্বিতীয় বাঁশের ব্যারিকেডে বাধা প্রাপ্ত হয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে পুলিশের সহযোগিতায় পাঁচজনের একটি সদস্য দাবিদাওয়া নিয়ে ডেপুটেশন জমা করে।1
- মালদায় এস.আইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত, মুসলিমদের হয়রানি, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা ইত্যাদি নানান অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার মালদায় আন্দোলন। জোরদার আন্দোলন করল হুমায়ুন কবিরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মালদা জেলাশাসকের দপ্তরে বিক্ষোভ দেখালেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির।1
- মসজিদের নামে ২৯ বিঘা জমি বিক্রির অভিযোগ, মুরারইয়ের বিধায়ক ডা. মোশারফ হোসেন ও আত্মীয়দের বিরুদ্ধে সরব গ্রামবাসী বীরভূমের মুরারই থানার অন্তর্গত মোহরাপুর পঞ্চায়েতের মোহরাপুর গ্রামে মসজিদের নামে থাকা প্রায় সাড়ে ২৯ বিঘা জমি অবৈধভাবে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মুরারই বিধানসভার বিধায়ক ডা. মোশারফ হোসেন এবং তাঁর কয়েকজন আত্মীয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বিধায়কের পিসতুতো ভাই নাজিম উদ্দিন শেখ, মোশারফ হোসেন এবং রহিম শেখ মিলে ওই জমি অবৈধভাবে বিক্রি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কলকাতার ওয়াকফ বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়াকফ বোর্ডের কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে এসে সরেজমিনে তদন্তও করেন বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীদের আরও দাবি, অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেও বিধায়ক মোশারফ হোসেন তাঁর প্রভাব খাটিয়ে নিজের আত্মীয় রাজিবুর হাসানকে ওই মসজিদের মোতাওয়াল্লি (পরিচালক) হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। যদিও রাজিবুর হাসান কলকাতায় বসবাস করেন, তবুও তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মসজিদের পরিচালন কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই সম্পত্তি কেনাবেচার সঙ্গে সরাসরি মুরারইয়ের বিধায়ক জড়িত। বিষয়টি নিয়ে বিধায়ক ডা. মোশারফ হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না এবং কোনও মন্তব্য করতে চাই না।” এদিকে গ্রামবাসীদের একাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, ভবিষ্যতে তারা ডা. মোশারফ হোসেনকে আর বিধায়ক হিসেবে দেখতে চান না।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ইফতার-এ-মেহফিলের আয়োজন।সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের আবহে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর মডেল স্কুল চত্বরে ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ ইফতার-এ-মেহফিল। বুধবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নজরুল ইসলাম, যুব তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মহম্মদ রানা, অঞ্চল সভাপতি শাহাদুল্লাহ সেখ এবং পঞ্চায়েত প্রধানের প্রতিনিধি কালী কুমার মন্ডল সহ একাধিক বিশিষ্ট নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ইফতারের প্রাক্কালে পবিত্র মাহে রমজানের গুরুত্ব তুলে ধরে সকলের মঙ্গল ও বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সাথে সমবেত সকলে মিলে ইফতার করেন এবং পরবর্তীতে সেখানে পবিত্র নামাজ আদায় করা হয়। তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানটি কেবল ধর্মীয় রীতি পালনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা এক মিলন উৎসবে পরিণত হয়।1