Shuru
Apke Nagar Ki App…
মেখলিগঞ্জে মে দিবস পালন, শ্রমিক ঐক্যের ডাক SUCI-এর—৮ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ! মেখলিগঞ্জ শহরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল ঐতিহাসিক মে দিবস। এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) দলের মেখলিগঞ্জ লোকাল কমিটির উদ্যোগে দিনটি স্মরণ করা হয়। এদিন শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করা হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য রঞ্জিত কুমার রায় বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের অধিকার অর্জন করেছে। কিন্তু বর্তমান কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার সেই অধিকার খর্ব করে ১২ ঘণ্টা শ্রমদিবস চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর প্রতিবাদে সর্বস্তরের শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন।
Tapas Roy
মেখলিগঞ্জে মে দিবস পালন, শ্রমিক ঐক্যের ডাক SUCI-এর—৮ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ! মেখলিগঞ্জ শহরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল ঐতিহাসিক মে দিবস। এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) দলের মেখলিগঞ্জ লোকাল কমিটির উদ্যোগে দিনটি স্মরণ করা হয়। এদিন শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করা হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য রঞ্জিত কুমার রায় বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের অধিকার অর্জন করেছে। কিন্তু বর্তমান কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার সেই অধিকার খর্ব করে ১২ ঘণ্টা শ্রমদিবস চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর প্রতিবাদে সর্বস্তরের শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মেখলিগঞ্জ, ১ মে: আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে মেখলিগঞ্জ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে মে দিবস পালিত হয়। এদিন শ্রমিক আন্দোলনের শহিদদের শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার নেওয়া হয়। ১৮৮৬ সালে শিকাগোতে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলন থেকেই এই দিবসের সূচনা। বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের পরিশ্রমেই সমাজের অগ্রগতি সম্ভব, তাই তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। অনুষ্ঠানে বৈষম্য দূর করে শ্রমিক ঐক্য বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয় এবং সকল শ্রমজীবী মানুষকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।1
- কোচবিহার জেলার, হলদিবাড়ি1
- গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আবহে ময়নাগুড়ির বৌদ্ধ শান্তি বিহারে পালিত হল ২৫৭০তম বুদ্ধ জয়ন্তী। পহেলা মে, শুক্রবার পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দিনভর নানা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ভগবান বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণের স্মরণে এদিন ভোরে প্রভাত ফেরির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় বুদ্ধের স্নানযাত্রা ও বিশ্ব বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলন। সকালবেলায় ভক্তদের জন্য প্রাতরাশের ব্যবস্থা করা হয়। সকাল ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ স্থানীয় হাসপাতালে রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ফল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এরপর সকাল ১০টায় বুদ্ধ পূজার আয়োজন করা হয় এবং দুপুরে সমবেতভাবে আহারের ব্যবস্থা করা হয়। উৎসবের অঙ্গ হিসেবে আগের দিন, ৩০ এপ্রিল, আয়োজন করা হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। সন্ধ্যায় খিচুড়ি বিতরণের পাশাপাশি ছোটদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ব্যবস্থা করা হয়, যা রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই বিশেষ দিনে এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এখন আসুন, এই বিষয়ে কে কী বলছেন।1
- খগেনহাট থেকে সাধুর মোড়ের বেহাল রাস্তার জন্য নাজেহাল মানুষ।। হুশ নেই কারো ⁉️ #viral #khagenhat #jalpaiguri #alipurduar1
- Post by User10242
- অসুস্থ পদ্মশ্রী মঙ্গলাকান্ত রায়ের পাশে দাঁড়ালেন সমাজসেবী ডঃ নবীউল আলম , ঘর তৈরির করে দেওয়ার আশ্বাস ময়নাগুড়ি: অসুস্থ পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়ের পাশে দাঁড়ালেন ময়নাগুড়ির বিশিষ্ট সমাজসেবী নবীউল আলম। গত সোমবার গলার সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মঙ্গলাকান্ত বাবুকে দ্রুত জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করান আরেক পদ্মশ্রী করিমুল হক। দুইদিন চিকিৎসার পর বুধবার চিকিৎসকদের পরামর্শে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই খবর শুনে বৃহস্পতিবার মঙ্গলাকান্ত রায়ের বাড়িতে পৌঁছান সমাজসেবী নবীউল আলম। এদিন তিনি চিকিৎসার খরচে সহায়তা করার পাশাপাশি ফলমূল, চালসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে যান। শুধু তাই নয়, মঙ্গলাকান্ত বাবুর বসবাসের জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগও নেন তিনি। উল্লেখ্য, বর্তমানে যে ঘরে মঙ্গলাকান্ত রায় থাকছেন সেটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই তার নিরাপদ বাসস্থানের জন্য দ্রুত ঘর তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুত এই ঘর নির্মাণ করে দেবেন বলে জানিয়েছেন সমাজসেবী নবীউল আলম।1
- *শীতলখুঁচিতে সিপিআইএম-এর উদ্যোগে মে দিবস পালন, উপস্থিত জেলা ও ব্লকের শীর্ষ নেতৃত্ব*। আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস উপলক্ষে কোচবিহারের শীতলখুঁচি দলীয় কার্যালয়ে মর্যাদার সঙ্গে মে দিবস পালন করল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে ভিড় জমান পার্টি কর্মী-সমর্থকরা। সকাল ৯টায় রক্তপতাকা উত্তোলন ও শিকাগো শহিদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের তাৎপর্য ও বর্তমান সময়ে শ্রমিক-কৃষকের লড়াইয়ের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শীতলখুঁচি এরিয়া কমিটির সম্পাদক আকবর আলী মিঞা, জেলা কমিটির সদস্য গোবিন্দ বর্মন, ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির সদস্য আসমত আলী মিঞা, প্রাক্তন বিধায়ক হরিশ বর্মন ও প্রবীণ নেতা নুরুদ্দিন মিঞা। এছাড়াও ব্লক ও শাখা স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। সভায় এরিয়া সম্পাদক আকবর আলী মিঞা বলেন, "মে দিবস শুধু ছুটির দিন নয়, শ্রমিক শ্রেণির অধিকার আদায়ের শপথের দিন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের শ্রমিক-বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই আরও জোরদার করতে হবে।" প্রাক্তন বিধায়ক হরিশ বর্মন তাঁর বক্তব্যে ১০০ দিনের কাজে বকেয়া মজুরি প্রদান, চা-বাগান ও ক্ষেতমজুরদের ন্যূনতম মজুরি ৬০০ টাকা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ বন্ধের দাবি তোলেন। ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির সদস্য আসমত আলী মিঞা বলেন, "গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ আজ কাজের অভাবে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে সংগঠিত আন্দোলনই একমাত্র পথ।" শেষে উপস্থিত সকলে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে শ্রমজীবী মানুষের পাশে থাকার শপথ নেন। আন্তর্জাতিক সঙ্গীত ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতলখুঁচি ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চল ও শাখা কার্যালয়েও এদিন মে দিবস পালিত হয়েছে।1
- মেখলিগঞ্জ শহরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল ঐতিহাসিক মে দিবস। এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) দলের মেখলিগঞ্জ লোকাল কমিটির উদ্যোগে দিনটি স্মরণ করা হয়। এদিন শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করা হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য রঞ্জিত কুমার রায় বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের অধিকার অর্জন করেছে। কিন্তু বর্তমান কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার সেই অধিকার খর্ব করে ১২ ঘণ্টা শ্রমদিবস চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এর প্রতিবাদে সর্বস্তরের শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন।1