বৈঠকে অনুপস্থিত মাইথন কর্তৃপক্ষ, গেটের সামনে তুমুল বিক্ষোভ শ্রমিকদের*ন্যায্য মজুরির দাবিতে উত্তাল মাইথন স্টিল, বৈঠক এড়ানোয় তুঙ্গে উত্তেজনা* কাজল মিত্র সরকার নির্ধারিত ন্যায্য মজুরি কার্যকরের দাবিতে এবার উত্তাল হলো সালানপুরের মাইথন স্টিল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড। বুধবার কারখানার প্রধান গেটের সামনে ভারতীয় মজদুর সংঘের পতাকা হাতে বিক্ষোভে সামিল হন শ্রমিকরা। জানা গেছে, ন্যায্য মজুরির দাবিতে গত বেশ কয়েকদিন ধরেই সালানপুর শিল্পাঞ্চলে আন্দোলন চলছে। এলোকুইন্ট, রামদূত, আসানসোল অ্যালয় সহ একাধিক কারখানায় শ্রমিকরা সরব হয়েছেন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সালানপুর ব্লকের কারখানা মালিক সংগঠনের তরফে যৌথ আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঠিক হয়েছিল আলোচনার মাধ্যমেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে। কিন্তু আজ সেই বৈঠক থাকা সত্ত্বেও মাইথন স্টিল কর্তৃপক্ষ হাজির হননি বলে অভিযোগ। এই খবর ছড়াতেই কারখানার গেটে উত্তেজনা চরমে ওঠে। শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন কারখানার ম্যানেজার বিজয় সাউ। তাঁকে ঘিরে "চোর চোর" স্লোগান দিতে শুরু করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। একসময় ম্যানেজারের সঙ্গে শ্রমিকদের তীব্র বচসা শুরু হয়। অবশেষে বিএমএসের কনভেনর প্রশান্ত বিশ্বাস এবং আন্দোলনকারী শ্রমিকদের প্রবল চাপের মুখে পিছু হটে কর্তৃপক্ষ এবং বৈঠকে যোগ দিতে বাধ্য হয়। এদিন বিএমএস কনভেনর প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, "তৃণমূলের আমলে এই কারখানাগুলো দিনের পর দিন শ্রমিক শোষণ করে গেছে। আজ ন্যায্য পাওনার বৈঠকেও আসতে চায়নি তারা। ভেবেছিল আগের মতোই পার পেয়ে যাবে। আমাদের দাবি পরিষ্কার, সরকারের বেঁধে দেওয়া মজুরি শ্রমিকদের দিতেই হবে।" মাইথন কর্তৃপক্ষ বারবার শ্রমিকদের ন্যায্য লড়াইয়ে বাধা দিচ্ছে, এটা কোনওভাবেই মানা হবে না। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্যই তাদের আলোচনায় বসতে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনার পর সালানপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে। শেষ পর্যন্ত মালিকপক্ষ সরকারি হারে মজুরি দিতে সম্মত হয় কিনা, সেদিকেই এখন নজর সকলের।
বৈঠকে অনুপস্থিত মাইথন কর্তৃপক্ষ, গেটের সামনে তুমুল বিক্ষোভ শ্রমিকদের*ন্যায্য মজুরির দাবিতে উত্তাল মাইথন স্টিল, বৈঠক এড়ানোয় তুঙ্গে উত্তেজনা* কাজল মিত্র সরকার নির্ধারিত ন্যায্য মজুরি কার্যকরের দাবিতে এবার উত্তাল হলো সালানপুরের মাইথন স্টিল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড। বুধবার কারখানার প্রধান গেটের সামনে ভারতীয় মজদুর সংঘের পতাকা হাতে বিক্ষোভে সামিল হন শ্রমিকরা। জানা গেছে, ন্যায্য মজুরির দাবিতে গত বেশ কয়েকদিন ধরেই সালানপুর শিল্পাঞ্চলে আন্দোলন চলছে। এলোকুইন্ট, রামদূত, আসানসোল অ্যালয় সহ একাধিক কারখানায় শ্রমিকরা সরব হয়েছেন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সালানপুর ব্লকের কারখানা মালিক সংগঠনের তরফে যৌথ আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঠিক হয়েছিল আলোচনার মাধ্যমেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে। কিন্তু আজ সেই বৈঠক থাকা সত্ত্বেও মাইথন স্টিল কর্তৃপক্ষ হাজির হননি বলে অভিযোগ। এই খবর ছড়াতেই কারখানার গেটে উত্তেজনা চরমে ওঠে। শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন কারখানার ম্যানেজার বিজয় সাউ। তাঁকে ঘিরে "চোর চোর" স্লোগান দিতে শুরু করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। একসময় ম্যানেজারের সঙ্গে শ্রমিকদের তীব্র বচসা শুরু হয়। অবশেষে বিএমএসের কনভেনর প্রশান্ত বিশ্বাস এবং আন্দোলনকারী শ্রমিকদের প্রবল চাপের মুখে পিছু হটে কর্তৃপক্ষ এবং বৈঠকে যোগ দিতে বাধ্য হয়। এদিন বিএমএস কনভেনর প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, "তৃণমূলের আমলে এই কারখানাগুলো দিনের পর দিন শ্রমিক শোষণ করে গেছে। আজ ন্যায্য পাওনার বৈঠকেও আসতে চায়নি তারা। ভেবেছিল আগের মতোই পার পেয়ে যাবে। আমাদের দাবি পরিষ্কার, সরকারের বেঁধে দেওয়া মজুরি শ্রমিকদের দিতেই হবে।" মাইথন কর্তৃপক্ষ বারবার শ্রমিকদের ন্যায্য লড়াইয়ে বাধা দিচ্ছে, এটা কোনওভাবেই মানা হবে না। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্যই তাদের আলোচনায় বসতে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনার পর সালানপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে। শেষ পর্যন্ত মালিকপক্ষ সরকারি হারে মজুরি দিতে সম্মত হয় কিনা, সেদিকেই এখন নজর সকলের।
- *জাতীয় লোক আদালত অনুষ্ঠিত হবে ১২ই সেপ্টেম্বর, আসানসোল ও দুর্গাপুর আদালতে* পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আগামী ১২ই সেপ্টেম্বর জাতীয় লোক আদালত অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আসানসোল ও দুর্গাপুর আদালত প্রাঙ্গণে এই আদালত বসবে। #asansoladalat #asansolnewstoday #newsasansol #NewsUpdate #newsfeed1
- Post by Gobinda Shikary1
- sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur1
- কোনো Hollywood সিনেমার দৃশ্য নয়। হড়পা বান নেপালে! মুহূর্তের মধ্যেই হয়ে গেল সব কিছু ভেসে গেল জলের তোড়ে। কোনো Hollywood সিনেমার দৃশ্য নয়। হড়পা বান নেপালে! মুহূর্তের মধ্যেই হয়ে গেল সব কিছু ভেসে গেল জলের তোড়ে।1
- হড়পা বানের তাণ্ডব! নেপালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত পাহাড় হড়পা বানের তাণ্ডব! নেপালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত পাহাড়!1
- রোটারি ক্লাব অফ পুরুলিয়া ও ‘নতুন দিশা’-র যৌথ উদ্যোগে, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের রক্ত সংকট মেটাতে রক্তদান শিবির।1
- তারাপীঠ, কোলকাতা সহ বিভিন্ন যায়গায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর পুরুলিয়া শহরের হোটেল মালিক, কর্মচারী ও সিকিউরিটি দের নিয়ে মকড্রিল ফায়ার ব্রিগেড দপ্তরের, আগুন লাগলে প্রাথমিক ভাবে কি করণীয় তার হাতে কলমে দেখানো হলো পুরুলিয়া শহরে। তারাপীঠ, কোলকাতা সহ বিভিন্ন যায়গায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর পুরুলিয়া শহরের হোটেল মালিক, কর্মচারী ও সিকিউরিটি দের নিয়ে মকড্রিল ফায়ার ব্রিগেড দপ্তরের, আগুন লাগলে প্রাথমিক ভাবে কি করণীয় তার হাতে কলমে দেখানো হলো পুরুলিয়া শহরে।1
- *৬ দিনেই কিনারা করিমডাঙাল চুরি-রহস্যের, ধৃত স্বর্ণকার*নাবালক মূল অভিযুক্ত, পাঠানো হল হোমে* মাত্র ৬ দিনের মাথায় করিমডাঙালের চাঞ্চল্যকর চুরির কিনারা করল বরাকর ফাঁড়ির পুলিশ। উদ্ধার হল চুরি যাওয়া সমস্ত সোনা-রুপোর গয়না। গ্রেফতার ২ ,পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের করিমডাঙাল এলাকায় পঙ্কজ শ্রীবাস্তবের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার তদন্তে নামে বরাকর ফাঁড়ির পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে স্থানীয় এক ১৭ বছরের নাবালকের নাম। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বরাকর ফাঁড়িতে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে কুলটির এসিপি শেখ জাভেদ হোসেন জানান, "নাবালক চুরির কথা স্বীকার করেছে। তার বয়ান অনুযায়ী আমরা নিরসার বেগুনিয়া দুর্গা মন্দির সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা স্বর্ণকার রিন্টু মাঝিকে গ্রেফতার করি।" পুলিশ জানায়, ধৃত স্বর্ণকারকে আসানসোল আদালতে তুলে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ডে জেরার মুখে ভেঙে পড়ে সে। এরপর এএসআই অসীম চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল নিরসায় তার দোকানে হানা দেয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া ২৫০ গ্রাম রুপো ও ৬-৭ গ্রাম সোনার গয়না। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লক্ষ টাকারও বেশি। পুলিশ জানিয়েছে, নাবালককে জুভেনাইল হোমে পাঠানো হয়েছে। ধৃত স্বর্ণকার রিন্টু মাঝিকে বৃহস্পতিবার ফের আসানসোল আদালতে পেশ করা হবে। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুলটি থানার আইসি অশোক সিং মহাপাত্র, বরাকর ফাঁড়ির ইনচার্জ অঞ্জন রজক, এএসআই অসীম চক্রবর্তী, এএসআই সন্তোষ কুমার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। পুলিশের এই তৎপরতায় খুশি এলাকাবাসী।1