৫ বছরের শিশুর ‘ভোট ডিলিট’! রেশন নিতে গিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য দফতরের ফরহাদ হোসেন, ভগবানগোলা: মাত্র পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যার ‘ভোট ডিলিট’ হয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে রেশন না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়। ঘটনাটি ভগবানগোলা থানার অন্তর্গত হাবাসপুর অঞ্চলের বাড়ি খোঁজার পাড়ার বাসিন্দা রুনা খাতুনকে ঘিরে। পরিবারের দাবি, রেশন তুলতে গেলে রেশন ডিলারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রেশন তালিকায় শিশুটির নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই তাকে রেশন দেওয়া সম্ভব নয়। এই কথা শুনে কার্যত হতবাক হয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের প্রশ্ন, মাত্র পাঁচ বছরের শিশুর ভোটার হওয়ারই কথা নয়, তাহলে তার ‘ভোট ডিলিট’ হওয়ার বিষয়টি এল কোথা থেকে? পরিবারের দাবি, রুনা খাতুনের জন্মসংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সার্টিফিকেট রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তার সরকারি টিকাকরণের নথিও রয়েছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নথিপত্রও রয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি তথ্যভাণ্ডারে কীভাবে এমন তথ্য তৈরি হল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিকে রেশন ডিলার শেফালী পোদ্দার-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তাঁদের কাছে অতিরিক্ত কোনও তথ্য নেই। তাঁদের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা বিটোফ্রেন্ড সরকার জানান, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমরা রেশন দিয়ে থাকি। রেশনের নাম ডিলিট হওয়ার কারণেই ওই শিশুকে রেশন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে যা জানার, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই বলতে পারবেন।” অন্যদিকে, ভগবানগোলা ফুড সাপ্লাই অফিসের SI তথা ফুড সাপ্লাই অফিসার বুদ্ধদেব সরকার জানান, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ১৮ বছরের নিচে কারও ভোট হওয়ার কথা নয়। এই ক্ষেত্রে কেন এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ফলে এখন মূল প্রশ্ন, পাঁচ বছরের শিশুর ক্ষেত্রে ‘ভোট ডিলিট’-এর তথ্য কীভাবে এল এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে কেন রেশন বন্ধ হয়ে গেল? ভোটার তালিকা ও রেশন সংক্রান্ত সরকারি তথ্যের মধ্যে কোনও ভুল বা তথ্যগত গরমিল রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। পরিবারের দাবি, সরকারি নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট শিশুকে রেশন থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ সামনে আনার পাশাপাশি শিশুটির প্রাপ্য রেশন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে পরিবার। ঘটনাটি সামনে আসার পর ফের প্রশ্ন উঠছে—সরকারি পরিষেবা দেওয়ার জন্য তৈরি তথ্যব্যবস্থায় যদি এমন গুরুতর গরমিল থাকে, তাহলে তার খেসারত কি সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে?
৫ বছরের শিশুর ‘ভোট ডিলিট’! রেশন নিতে গিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য দফতরের ফরহাদ হোসেন, ভগবানগোলা: মাত্র পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যার ‘ভোট ডিলিট’ হয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে রেশন না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়। ঘটনাটি ভগবানগোলা থানার অন্তর্গত হাবাসপুর অঞ্চলের বাড়ি খোঁজার পাড়ার বাসিন্দা রুনা খাতুনকে ঘিরে। পরিবারের দাবি, রেশন তুলতে গেলে রেশন ডিলারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রেশন তালিকায় শিশুটির নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই তাকে রেশন দেওয়া সম্ভব নয়। এই কথা শুনে কার্যত হতবাক হয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের প্রশ্ন, মাত্র পাঁচ বছরের শিশুর ভোটার হওয়ারই কথা নয়, তাহলে তার ‘ভোট ডিলিট’ হওয়ার বিষয়টি এল কোথা থেকে? পরিবারের দাবি, রুনা খাতুনের জন্মসংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সার্টিফিকেট রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তার সরকারি টিকাকরণের নথিও রয়েছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নথিপত্রও রয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি তথ্যভাণ্ডারে কীভাবে এমন তথ্য তৈরি হল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিকে রেশন ডিলার শেফালী পোদ্দার-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তাঁদের কাছে অতিরিক্ত কোনও তথ্য নেই। তাঁদের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা বিটোফ্রেন্ড সরকার জানান, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমরা রেশন দিয়ে থাকি। রেশনের নাম ডিলিট হওয়ার কারণেই ওই শিশুকে রেশন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে যা জানার, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই বলতে পারবেন।” অন্যদিকে, ভগবানগোলা ফুড সাপ্লাই অফিসের SI তথা ফুড সাপ্লাই অফিসার বুদ্ধদেব সরকার জানান, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ১৮ বছরের নিচে কারও ভোট হওয়ার কথা নয়। এই ক্ষেত্রে কেন এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ফলে এখন মূল প্রশ্ন, পাঁচ বছরের শিশুর ক্ষেত্রে ‘ভোট ডিলিট’-এর তথ্য কীভাবে এল এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে কেন রেশন বন্ধ হয়ে গেল? ভোটার তালিকা ও রেশন সংক্রান্ত সরকারি তথ্যের মধ্যে কোনও ভুল বা তথ্যগত গরমিল রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। পরিবারের দাবি, সরকারি নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট শিশুকে রেশন থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ সামনে আনার পাশাপাশি শিশুটির প্রাপ্য রেশন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে পরিবার। ঘটনাটি সামনে আসার পর ফের প্রশ্ন উঠছে—সরকারি পরিষেবা দেওয়ার জন্য তৈরি তথ্যব্যবস্থায় যদি এমন গুরুতর গরমিল থাকে, তাহলে তার খেসারত কি সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে?
- নির্ধারিত মজুরির বাইরে টাকা নিলেই জরিমানা! ভগবানগোলায় তৈরি হল মোটরসাইকেল গ্যারেজ ইউনিয়ন ভগবানগোলা: মোটরসাইকেল গ্যারেজ মালিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ভগবানগোলায় তৈরি হল নতুন গ্যারেজ ইউনিয়ন। এদিন ভগবানগোলার একটি শোরুমে আয়োজিত বৈঠকে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তের ৫০ জনেরও বেশি গ্যারেজ মালিক ও মেকানিক উপস্থিত ছিলেন। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোটরসাইকেলের বিভিন্ন মেকানিক্যাল কাজের জন্য নির্ধারিত একটি মূল্যতালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী সকল গ্যারেজ মালিককে কাজ করতে হবে। নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না। একইভাবে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় কম টাকাতেও কাজ করা যাবে না। ইউনিয়নের নিয়ম ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট গ্যারেজ মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেউ নির্ধারিত মূল্যের বাইরে টাকা নিলে অথবা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে কাজ করলে তাঁকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি নিয়ম ভঙ্গকারী গ্যারেজকে তিন দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানিয়েছেন। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সংগঠনটিকে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী করা হবে এবং ভগবানগোলার সমস্ত গ্যারেজ মালিককে একই নিয়মের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং গ্যারেজ ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করাই এই ইউনিয়ন গঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে উপস্থিত গ্যারেজ মালিকদের উদ্দেশে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়—নির্ধারিত নিয়ম সকলকেই কঠোরভাবে মানতে হবে। কেউ নিয়ম ভাঙলে তাঁর বিরুদ্ধে জরিমানা এবং তিন দিনের জন্য দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই সংবাদমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তগুলির কথা জানান।1
- বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের। সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া ও নতুন আউটপোস্ট নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জমি বিএসএফকে হস্তান্তর জেলা প্রশাসনের। বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও দুটি মৌজায় ২৮. ৬৫ একর জমি বিএসএফকে হস্তান্তর করা হল মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সব মিলিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩৬২.৮৯৪ একর যার দৈঘ্য ৪৮.৯০৫ কিলোটার জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হল। এদিন জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলা শাসক আর অর্জুন ও অন্যান্য আধিকারিকদের উপস্থিতিতে বিএসএফের হাতে দুটি মৌজায় ২৮. ৬৫ একর জমি হস্তান্তর করা হয়। জেলা শাসক জানিয়েছেন চার দফায় বিএসএফের প্রয়োজনীয় সমস্ত জমি হস্তান্তর সম্পন্ন হল মুর্শিদাবাদ জেলায়।1
- গোশত মানে কী তা বিজেপির অর্ধেকের বেশি নেতা জানে না: অধীর রঞ্জন চৌধুরীর তীব্র আক্রমণ"1
- মাত্র ৪২ বছরেই গরুর ধাক্কায় মৃত্যু, কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত কাটাবাড়ি বাজার এলাকায় মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত্যু হল ৪২ বছর বয়সি ইন্তাজ শেখের। পরিবারের দাবি, গত ১৬ তারিখ রবিবার বাড়ির পেছনে গরুর ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। জানা যায়, বাড়ির পেছনে ভাইয়ের গরু হঠাৎ ইন্তাজ শেখকে তুলে মাটিতে ফেলে দেয় এবং ধাক্কা মারে। ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাঁকে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বহরমপুর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় ইন্তাজ শেখকে কলকাতার পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেও প্রায় পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল রাত প্রায় ১০টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। অর্থাৎ, দুর্ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর মৃত্যু হল ইন্তাজ শেখের। ইন্তাজ শেখের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। পরিবারের সদস্যদের কথায়, সন্তানদের বিয়ে হয়ে গেলেও স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বাড়িতেই থাকতেন তিনি। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরিবারে। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে এখন দিশেহারা স্ত্রী মেহেনারা বিবি। চিকিৎসার পিছনে পরিবারের জমানো টাকাও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে পরিবারের দাবি। স্বামীকে হারিয়ে কীভাবে সংসার চলবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন মেহেনারা বিবি। স্বামীর মৃত্যুর পর সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন মেহেনারা বিবি। ৪২ বছর বয়সি ইন্তাজ শেখের অকাল মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।1
- মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে প্রতিবাদ চাই এবং বিচার চাই মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে1
- ৫ বছরের শিশুর ‘ভোট ডিলিট’! রেশন নিতে গিয়ে চাঞ্চল্য, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য দফতরের ফরহাদ হোসেন, ভগবানগোলা: মাত্র পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যার ‘ভোট ডিলিট’ হয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে রেশন না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায়। ঘটনাটি ভগবানগোলা থানার অন্তর্গত হাবাসপুর অঞ্চলের বাড়ি খোঁজার পাড়ার বাসিন্দা রুনা খাতুনকে ঘিরে। পরিবারের দাবি, রেশন তুলতে গেলে রেশন ডিলারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রেশন তালিকায় শিশুটির নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই তাকে রেশন দেওয়া সম্ভব নয়। এই কথা শুনে কার্যত হতবাক হয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের প্রশ্ন, মাত্র পাঁচ বছরের শিশুর ভোটার হওয়ারই কথা নয়, তাহলে তার ‘ভোট ডিলিট’ হওয়ার বিষয়টি এল কোথা থেকে? পরিবারের দাবি, রুনা খাতুনের জন্মসংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সার্টিফিকেট রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তার সরকারি টিকাকরণের নথিও রয়েছে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নথিপত্রও রয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি তথ্যভাণ্ডারে কীভাবে এমন তথ্য তৈরি হল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিকে রেশন ডিলার শেফালী পোদ্দার-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তাঁদের কাছে অতিরিক্ত কোনও তথ্য নেই। তাঁদের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা বিটোফ্রেন্ড সরকার জানান, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমরা রেশন দিয়ে থাকি। রেশনের নাম ডিলিট হওয়ার কারণেই ওই শিশুকে রেশন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে যা জানার, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই বলতে পারবেন।” অন্যদিকে, ভগবানগোলা ফুড সাপ্লাই অফিসের SI তথা ফুড সাপ্লাই অফিসার বুদ্ধদেব সরকার জানান, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ১৮ বছরের নিচে কারও ভোট হওয়ার কথা নয়। এই ক্ষেত্রে কেন এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ফলে এখন মূল প্রশ্ন, পাঁচ বছরের শিশুর ক্ষেত্রে ‘ভোট ডিলিট’-এর তথ্য কীভাবে এল এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে কেন রেশন বন্ধ হয়ে গেল? ভোটার তালিকা ও রেশন সংক্রান্ত সরকারি তথ্যের মধ্যে কোনও ভুল বা তথ্যগত গরমিল রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। পরিবারের দাবি, সরকারি নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট শিশুকে রেশন থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ সামনে আনার পাশাপাশি শিশুটির প্রাপ্য রেশন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে পরিবার। ঘটনাটি সামনে আসার পর ফের প্রশ্ন উঠছে—সরকারি পরিষেবা দেওয়ার জন্য তৈরি তথ্যব্যবস্থায় যদি এমন গুরুতর গরমিল থাকে, তাহলে তার খেসারত কি সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে?1
- ধুন্ধুমার! প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মাটির বাড়ি,তার নিচেই চাপা সদ্যোজাত শিশু.... আচমকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পরে হুর মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো গ্রামের আস্ত কাঁচা বাড়ি। বাড়ির স্তুপ এর নিচে চাপা পড়ে যাই সদ্যোজাত শিশুকন্যা সহ একাধিক পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘী এলাকায়। সন্ধ্যার শেষ পাওয়ার খবরে জানা যায়, ঘটনায় এক শিশু ওই ধ্বংসস্তূপের নিচে পৃষ্ঠ হয়ে যায়। বাকিদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সেইমত এদিন বৃষ্টির জেরে দুর্বল অবস্থায় থাকা মোফাসুর রহমানের মাটির দোতলা বাড়ি হুরমুড়িয়ে ধসে পড়ে।1
- মায়ের বকুনির পর অভিমানে কঠিন সিদ্ধান্ত দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর! হরিহরপাড়ায় চাঞ্চল্য মোবাইল ফোন চাওয়াকে কেন্দ্র করে বচসা, ঘর থেকে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! হরিহরপাড়ায় ঘর থেকে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে হরিহরপাড়া থানার তেকোনা রামকৃষ্ণপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৃত তরুণীর নাম রিমা খাতুন, বয়স ১৮ বছর। পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোন চাওয়াকে কেন্দ্র করে ভাই ও মায়ের সঙ্গে রিমার বচসা হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1