বীরপাড়ার দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা দূর করতে একটি ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং ডলোমাইট সাইডিং অন্যত্র সরানোর বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই মেগা উন্নয়ন প্রকল্প একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে, তেমনই প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ তৈরির জন্য বহু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার আশঙ্কায় উচ্ছেদ ও রুটিরুজি হারানোর চোরা আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জনদাবিকে মান্যতা দিয়ে সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারের ডিআরএম বীরপাড়া ডলগাঁও রেলওয়ে স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন। এর তিন দিন পরেই স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু এবং সাংসদ মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে রেলওয়ে ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা যৌথভাবে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। এই পরিদর্শনের সময় মুজনাই সংলগ্ন একটি নতুন জায়গা চিহ্নিত করা হয়, যেখানে ডলোমাইট সাইডিং স্থানান্তরিত হতে পারে। পরিদর্শনের পর সাংসদ মনোজ টিগ্গা বীরপাড়াবাসীর সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন এবং জানান যে, দলমত নির্বিশেষে এই যৌথ সমীক্ষা চালানো হয়েছে যার ভিত্তিতে দ্রুত কাজ শুরু হবে। বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু উন্নয়নের স্বার্থে কোনো বাধা বরদাস্ত না করার কথা বললেও, বর্তমান সরকারের 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' নীতি অনুসারে দরিদ্র মানুষের স্বার্থ ও পুনর্বাসনের কথা মাথায় রাখার উপর জোর দেন। তবে এই উন্নয়নের আনন্দের পাশাপাশি উচ্ছেদ ও ভাঙচুরের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ প্রস্তাবিত ওভারব্রিজটি নির্মাণ করতে গেলে রাস্তার দুপাশে থাকা অসংখ্য দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ভাঙতে হবে। ফলস্বরূপ, এলাকার উন্নয়ন হলেও বহু মানুষ তাঁদের আশ্রয় বা জীবিকা হারানোর ভয়ে রয়েছেন। এখন বীরপাড়ার সাধারণ মানুষের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে, বিশেষ করে কবে থেকে জমি অধিগ্রহণ ও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে এবং কতদিনের মধ্যে এই কাঙ্ক্ষিত ওভারব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবে রূপ নেবে, তা নিয়ে এলাকায় জোর চর্চা চলছে।
বীরপাড়ার দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা দূর করতে একটি ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং ডলোমাইট সাইডিং অন্যত্র সরানোর বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই মেগা উন্নয়ন প্রকল্প একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে, তেমনই প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ তৈরির জন্য বহু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার আশঙ্কায় উচ্ছেদ ও রুটিরুজি হারানোর চোরা আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জনদাবিকে মান্যতা দিয়ে সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারের ডিআরএম বীরপাড়া ডলগাঁও রেলওয়ে স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন। এর তিন দিন পরেই স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু এবং সাংসদ মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে রেলওয়ে ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা যৌথভাবে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। এই পরিদর্শনের সময় মুজনাই সংলগ্ন একটি নতুন জায়গা চিহ্নিত করা হয়, যেখানে ডলোমাইট সাইডিং স্থানান্তরিত হতে পারে। পরিদর্শনের পর সাংসদ মনোজ টিগ্গা বীরপাড়াবাসীর সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন এবং জানান যে, দলমত নির্বিশেষে এই যৌথ সমীক্ষা চালানো হয়েছে যার ভিত্তিতে দ্রুত কাজ শুরু হবে। বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু উন্নয়নের স্বার্থে কোনো বাধা বরদাস্ত না করার কথা বললেও, বর্তমান সরকারের 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' নীতি অনুসারে দরিদ্র মানুষের স্বার্থ ও পুনর্বাসনের কথা মাথায় রাখার উপর জোর দেন। তবে এই উন্নয়নের আনন্দের পাশাপাশি উচ্ছেদ ও ভাঙচুরের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ প্রস্তাবিত ওভারব্রিজটি নির্মাণ করতে গেলে রাস্তার দুপাশে থাকা অসংখ্য দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ভাঙতে হবে। ফলস্বরূপ, এলাকার উন্নয়ন হলেও বহু মানুষ তাঁদের আশ্রয় বা জীবিকা হারানোর ভয়ে রয়েছেন। এখন বীরপাড়ার সাধারণ মানুষের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে, বিশেষ করে কবে থেকে জমি অধিগ্রহণ ও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে এবং কতদিনের মধ্যে এই কাঙ্ক্ষিত ওভারব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবে রূপ নেবে, তা নিয়ে এলাকায় জোর চর্চা চলছে।
- বীরপাড়ার দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা দূর করতে একটি ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং ডলোমাইট সাইডিং অন্যত্র সরানোর বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই মেগা উন্নয়ন প্রকল্প একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে, তেমনই প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ তৈরির জন্য বহু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার আশঙ্কায় উচ্ছেদ ও রুটিরুজি হারানোর চোরা আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জনদাবিকে মান্যতা দিয়ে সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারের ডিআরএম বীরপাড়া ডলগাঁও রেলওয়ে স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন। এর তিন দিন পরেই স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু এবং সাংসদ মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে রেলওয়ে ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা যৌথভাবে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। এই পরিদর্শনের সময় মুজনাই সংলগ্ন একটি নতুন জায়গা চিহ্নিত করা হয়, যেখানে ডলোমাইট সাইডিং স্থানান্তরিত হতে পারে। পরিদর্শনের পর সাংসদ মনোজ টিগ্গা বীরপাড়াবাসীর সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন এবং জানান যে, দলমত নির্বিশেষে এই যৌথ সমীক্ষা চালানো হয়েছে যার ভিত্তিতে দ্রুত কাজ শুরু হবে। বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু উন্নয়নের স্বার্থে কোনো বাধা বরদাস্ত না করার কথা বললেও, বর্তমান সরকারের 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' নীতি অনুসারে দরিদ্র মানুষের স্বার্থ ও পুনর্বাসনের কথা মাথায় রাখার উপর জোর দেন। তবে এই উন্নয়নের আনন্দের পাশাপাশি উচ্ছেদ ও ভাঙচুরের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ প্রস্তাবিত ওভারব্রিজটি নির্মাণ করতে গেলে রাস্তার দুপাশে থাকা অসংখ্য দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ভাঙতে হবে। ফলস্বরূপ, এলাকার উন্নয়ন হলেও বহু মানুষ তাঁদের আশ্রয় বা জীবিকা হারানোর ভয়ে রয়েছেন। এখন বীরপাড়ার সাধারণ মানুষের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে, বিশেষ করে কবে থেকে জমি অধিগ্রহণ ও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে এবং কতদিনের মধ্যে এই কাঙ্ক্ষিত ওভারব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবে রূপ নেবে, তা নিয়ে এলাকায় জোর চর্চা চলছে।1
- মাদারিহাটে বয়লার মুরগি খেতে এসে একটি বিশাল অজগর ধরা পড়েছে। বনদপ্তরের তৎপরতায় সাপটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।1
- কালচিনি ব্লকের সুভাষিণী চা বাগানের নদী লাইনের ৩৫টি পরিবারকে ফের ত্রাণ শিবিরে নিয়ে আসা হয়েছে। একটানা বৃষ্টিতে নদীর জল বাড়তে থাকায় নতুন করে দুর্যোগের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে বাঁধ ভেঙে তোর্ষা নদীর জল প্রবেশ করায় এই নদী লাইনটি প্লাবিত হয়েছিল। শুক্রবারের পর শনিবার রাতেও একনাগাড়ে বৃষ্টির কারণে নদীর জলস্তর বাড়ছে, যার ফলে আবারও বন্যার আশঙ্কায় সুভাষিণী চা বাগানের একটি প্রাথমিক স্কুলে ওই নদী লাইনের বাসিন্দাদের সরিয়ে আনা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, গত বছর নদী বাঁধ ভাঙার পরও চা বাগানে এখনও পর্যন্ত বাঁধটি তৈরি করা হয়নি। এর ফলে শুধু নদী লাইনের বাসিন্দারাই নন, চা বাগানের আউট ডিভিশনে থাকা শ্রমিক মহল্লার বাসিন্দারাও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।1
- কলকাতা থেকে তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ দলত্যাগী তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বিশেষত তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত ঋতব্রতর মন্তব্যকে কড়া ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন।1
- বানারহাট কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ক্ষুদে পড়ুয়াদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি আনন্দঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নানা শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ক্ষুদে পড়ুয়াদের জন্য সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক ক্যুইজ প্রতিযোগিতা এবং বসে আঁকো প্রতিযোগিতা-সহ একাধিক অনুষ্ঠান ছিল। পড়ুয়ারা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেদের সৃজনশীলতা ও প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে, যা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে মুখরিত করে তোলে। অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নির্মল বসাক পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব সম্পর্কে পড়ুয়াদের বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি রাজ্যের নাম নয়, এটি বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিল্প ও ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে রাজ্যের গৌরবময় ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন যে, এ ধরনের অনুষ্ঠান শিশুদের মধ্যে নিজেদের রাজ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং দেশপ্রেম, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে একটি আনন্দঘন ও শিক্ষামূলক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।1
- ময়নাগুড়িতে আয়োজিত নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টে নাইজেরিয়ান ফুটবলারদের চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দর্শকদের মুগ্ধ করছে। এই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল ম্যাচগুলো ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে।1
- কোচবিহার শহরের বৃষ্টিতে রাস্তার obosthajejejejeejdjejejejejejej বৃষ্টিতে জল ভোরে যাচ্ছে কোচবিহার শহরের রাস্তাঘাট3
- মহুয়া মৈত্র কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়াকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।1