Shuru
Apke Nagar Ki App…
কলকাতা থেকে তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ দলত্যাগী তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বিশেষত তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত ঋতব্রতর মন্তব্যকে কড়া ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন।
জনতার খবর - Janatar Khabar
কলকাতা থেকে তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ দলত্যাগী তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বিশেষত তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত ঋতব্রতর মন্তব্যকে কড়া ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কলকাতা থেকে তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ দলত্যাগী তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বিশেষত তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত ঋতব্রতর মন্তব্যকে কড়া ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন।1
- বানারহাট কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ক্ষুদে পড়ুয়াদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি আনন্দঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নানা শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ক্ষুদে পড়ুয়াদের জন্য সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক ক্যুইজ প্রতিযোগিতা এবং বসে আঁকো প্রতিযোগিতা-সহ একাধিক অনুষ্ঠান ছিল। পড়ুয়ারা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেদের সৃজনশীলতা ও প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে, যা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে মুখরিত করে তোলে। অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নির্মল বসাক পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব সম্পর্কে পড়ুয়াদের বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি রাজ্যের নাম নয়, এটি বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিল্প ও ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে রাজ্যের গৌরবময় ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার তুলে ধরার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন যে, এ ধরনের অনুষ্ঠান শিশুদের মধ্যে নিজেদের রাজ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং দেশপ্রেম, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে একটি আনন্দঘন ও শিক্ষামূলক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।1
- ইসলামপুরের এক যুবকের তৎপরতায় জলপাইগুড়ি জেলার ঘোষপুকুর টোল প্লাজার একজন কর্মী অল্পের জন্য প্রাণ রক্ষা পেয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, আসামের নম্বরের একটি ছোট গাড়ির চালক প্রায় ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত ওই টোল কর্মীকে গাড়ির পিছনের অংশে ঝুলন্ত অবস্থায় বেপরোয়াভাবে টেনে নিয়ে যায়, একের পর এক লরিকে ওভারটেক করতে করতে। এই ভয়াবহ ঘটনাটি নিজের ক্যামেরায় রেকর্ড করেছেন ইসলামপুর শহরের বাসিন্দা মহম্মদ বাবলু। জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মহম্মদ বাবলু একটি রোগীকে নিয়ে ইসলামপুর থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ঘোষপুকুর টোল প্লাজায় আসামের নম্বরযুক্ত ওই গাড়ির চালকের সঙ্গে টোলকর্মীদের বচসা হয়। এর কিছুক্ষণ পর, বাবলু লক্ষ্য করেন যে টোল প্লাজা থেকে কিছুটা দূরে ওই গাড়ির পিছনের দরজায় একজন ব্যক্তি ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করে বাবলু নিজের গাড়ি দিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার ধাওয়া করেন এবং শেষ পর্যন্ত ওই গাড়িটিকে থামাতে সক্ষম হন। এরপর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা টোল কর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির চালকসহ গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- rahull gandi রাহুল গানদি সবার কথা ভেবে বলে কিসকদের কথা rahull gandi রাহুল গানদি সবার কথা ভেবে বলে কিসকদের কথা1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে মেখলিগঞ্জ কলেজে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মিঠু দেব প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস, প্রেক্ষাপট এবং এর গভীর তাৎপর্য নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন। অধ্যক্ষ মিঠু দেব আরও উল্লেখ করেন যে, এই দিবস উদযাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে রাজ্যের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং তাদের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হয়। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষার্থীরা এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষণীয় বলে অভিমত প্রকাশ করে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে শনিবার মেখলিগঞ্জে বিজেপির ৫ নম্বর মণ্ডলের উদ্যোগে দলের কার্যালয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিজেপির মেখলিগঞ্জ টাউন মণ্ডল সভাপতি আশেকর রহমান দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। এই অনুষ্ঠানে মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক ছোট্ট মণ্ডল ও মৃগাঙ্ক সিংহ সরকার, মণ্ডল পদাধিকারী, বিভিন্ন মোর্চার সভাপতি এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দিলীপ পণ্ডিতসহ দলের অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষার বার্তাও তুলে ধরা হয়। এই কর্মসূচির ফলে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।1
- বীরপাড়ার দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা দূর করতে একটি ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং ডলোমাইট সাইডিং অন্যত্র সরানোর বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই মেগা উন্নয়ন প্রকল্প একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে, তেমনই প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ তৈরির জন্য বহু দোকানপাট ও ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার আশঙ্কায় উচ্ছেদ ও রুটিরুজি হারানোর চোরা আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জনদাবিকে মান্যতা দিয়ে সম্প্রতি আলিপুরদুয়ারের ডিআরএম বীরপাড়া ডলগাঁও রেলওয়ে স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন। এর তিন দিন পরেই স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু এবং সাংসদ মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে রেলওয়ে ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা যৌথভাবে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। এই পরিদর্শনের সময় মুজনাই সংলগ্ন একটি নতুন জায়গা চিহ্নিত করা হয়, যেখানে ডলোমাইট সাইডিং স্থানান্তরিত হতে পারে। পরিদর্শনের পর সাংসদ মনোজ টিগ্গা বীরপাড়াবাসীর সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন এবং জানান যে, দলমত নির্বিশেষে এই যৌথ সমীক্ষা চালানো হয়েছে যার ভিত্তিতে দ্রুত কাজ শুরু হবে। বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু উন্নয়নের স্বার্থে কোনো বাধা বরদাস্ত না করার কথা বললেও, বর্তমান সরকারের 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' নীতি অনুসারে দরিদ্র মানুষের স্বার্থ ও পুনর্বাসনের কথা মাথায় রাখার উপর জোর দেন। তবে এই উন্নয়নের আনন্দের পাশাপাশি উচ্ছেদ ও ভাঙচুরের প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ প্রস্তাবিত ওভারব্রিজটি নির্মাণ করতে গেলে রাস্তার দুপাশে থাকা অসংখ্য দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ভাঙতে হবে। ফলস্বরূপ, এলাকার উন্নয়ন হলেও বহু মানুষ তাঁদের আশ্রয় বা জীবিকা হারানোর ভয়ে রয়েছেন। এখন বীরপাড়ার সাধারণ মানুষের নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে, বিশেষ করে কবে থেকে জমি অধিগ্রহণ ও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে এবং কতদিনের মধ্যে এই কাঙ্ক্ষিত ওভারব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবে রূপ নেবে, তা নিয়ে এলাকায় জোর চর্চা চলছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রাজ্য সরকারের আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক নয় বলে রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে। সরকারের এই অবস্থান গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্ট বিষয়টি নিয়ে দায়ের হওয়া একটি মামলার নিষ্পত্তি করেছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে শুক্রবার WPA 13466 of 2026 মামলার শুনানি হয়, যা স্টেট কো-অর্ডিনেশন কমিটি অব দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ অ্যান্ড আদার্স দায়ের করেছিল। শুনানিতে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয় যে, গত ১৪ জুন জারি হওয়া ১৮৯/২০২৬ নম্বর সরকারি আদেশটি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে একটি সাধারণ আহ্বান মাত্র এবং এটি কোনোভাবেই বাধ্যতামূলক নির্দেশ নয়। রাজ্য সরকারের ওএসডি ও আন্ডার সেক্রেটারির পাঠানো লিখিত নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ব্যক্তিগত কারণে কোনো সরকারি কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক বা জোরপূর্বক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা সরকারি আদেশে উল্লেখ নেই। সরকারের এই অবস্থান নথিবদ্ধ করে বিচারপতি অমৃতা সিনহা পর্যবেক্ষণ করেন যে, যেহেতু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে জানিয়েছে যে আদেশটি বাধ্যতামূলক নয় এবং অনুপস্থিতির জন্য কোনো শাস্তির বিধানও নেই, তাই রিট মামলাটি নিয়ে আর এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই মামলাটি নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়। এর ফলে, আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক বলেই কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের অবস্থানের পর স্পষ্ট হয়েছে।1