দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচোসা দুর্গাপুরে মনোনয়ন পর্বকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনার ঘটনা সামনে এল। দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা বাধে। এর আগে তৃণমূলের প্রার্থী প্রদীপ মজুমদার, পশ্চিমের প্রার্থী কবি দত্ত এবং রানীগঞ্জের প্রার্থী কালো বরন মন্ডল মনোনয়ন জমা দেন। ঘটনাস্থলে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দিতে থাকলে পাল্টা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা “জয় শ্রীরাম” স্লোগান তোলেন। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা এগোতে গেলে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জীব দে-কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছুক্ষণ ধরে উত্তেজনা চললেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচোসা দুর্গাপুরে মনোনয়ন পর্বকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনার ঘটনা সামনে এল। দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা বাধে। এর আগে তৃণমূলের প্রার্থী প্রদীপ মজুমদার, পশ্চিমের প্রার্থী কবি দত্ত এবং রানীগঞ্জের প্রার্থী কালো বরন মন্ডল মনোনয়ন জমা দেন। ঘটনাস্থলে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দিতে থাকলে পাল্টা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা “জয় শ্রীরাম” স্লোগান তোলেন। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা এগোতে গেলে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জীব দে-কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছুক্ষণ ধরে উত্তেজনা চললেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- দুর্গাপুরের ২১ নং ওয়ার্ডের চাষীপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা এলাকার একাধিক বিদ্যুতের তার কেটে দেয়, যার ফলে বহু বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, শুধু তাই নয়, স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্লেক্স ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাও সামনে আসে।1
- जमुरिया विधानसभा से तृणमूल उम्मीदवार विधायक हरे राम सिंह ने हजारों की संख्या में समर्थकों के साथ पर्चा भरा। ASANSOL POST आसनसोल का खबरीलाल1
- ২৪৪(এ) শুরু করার প্রতিশ্রুতি রাহুল গান্ধীর আসামে1
- বাঁকুড়া জেলাশাসকের করনে বিজেপির বাঁকুড়া, বড়জোড়া, শালতোড়া, ছাতনা ও ওন্দা এই পাঁচ প্রার্থীকে নিয়ে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন মোহন যাদব। বাঁকুড়ার তামলিবাঁধে বিজেপির পথসভায় বক্তব্য রাখেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব, এদিন বক্তব্যের শুরুতেই বিজেপি কর্মীদের উৎসাহ দেখে বলেন দেখে মনে হচ্ছে কে বেশী ভোটে জিতবে। সব বিজেপি জিতবে অন্যকোন দল আর আসবেই না। এরপরেই একের এক এক দুর্নীতি ইস্যু তুলে ধরে রাজ্যের মমতা সরকার কে আক্রমন করেন মোহন যাদব। তৃণমূল দলে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। হিন্দুদের অপমান করছে এই মমতার সরকার। বাংলাকে শেষ করেছে প্রথমে কমিউনিস্ট তারপর মমতা। এবার সময় এসেছে হিসেব নেওয়ার এই সরকার কে সরানোর এক এক ভোট দিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। এদিন সভার পরে তামলিবাঁধ থেকে জেলাশাসকের করন পর্য্যন্ত বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে পায়ে হেঁটে জেলাশাসকের করনে মনোনয়ন পর্বে সামিল হন তিনি।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- “টাইগার আছে, জয় নিশ্চিত! খণ্ডঘোষে নবীন বাগকে ঘিরে সায়নী ঘোষের আত্মবিশ্বাস”1
- দুর্গাপুরে মনোনয়ন পর্বকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনার ঘটনা সামনে এল। দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা বাধে। এর আগে তৃণমূলের প্রার্থী প্রদীপ মজুমদার, পশ্চিমের প্রার্থী কবি দত্ত এবং রানীগঞ্জের প্রার্থী কালো বরন মন্ডল মনোনয়ন জমা দেন। ঘটনাস্থলে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দিতে থাকলে পাল্টা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা “জয় শ্রীরাম” স্লোগান তোলেন। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা এগোতে গেলে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জীব দে-কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছুক্ষণ ধরে উত্তেজনা চললেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।1