মঙ্গলবার বছরের শেষ দিনে ময়নাগুড়ির রথেরহাট স্কুলমাঠে মহাসমারোহে পালিত হল বিশুয়া উৎসব । জানা যায় , রথেরহাট বিশুয়া উৎসব উদযাপন কমিটি বিগত কয়েক বছর ধরে এই উৎসব পালন করে আসছে । এই উৎসব উপলক্ষে এদিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সুসজ্জিত হয়ে দেশি বাজনা ও বৈরাতি নৃত্যের মাধ্যমে হরগৌরি বরণ ও পুজো দেওয়া হয় । এরপর উৎসবে আগত সকলের জন্য বিশুয়া প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয় । তবে সচরাচর অন্য পূজোর প্রসাদ থেকে একেবারেই আলাদা হয় এই রাজবংশী সমাজের বিশুয়ার প্রসাদ । রাজবংশী ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রায় ৩৫ টি পদ এদিন প্রসাদ হিসেবে পরিবেশন করা হয় । যার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল সাদা ভাত ও ডালের সঙ্গে ছ্যাঁকা, সিদলের আউটা , ফক্তোই, টাকোয়া , ঝিনুক ও শামুকের বিভিন্ন পদ । এই উৎসবের উদ্যোক্তা অবিনাশ রায় জানান , বাংলা সনের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে তাদের এই বিশুয়া উৎসব পালন করা হয় । কামতাপুরের রাজবংশী কামতাপুরি ভাষা ও সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে তারা এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে থাকেন । দূর দূরান্ত থেকে অতিথিরা এই উৎসবে আমন্ত্রিত হন । এদিন আমন্ত্রিত অতিথিরা বিশুয়া উৎসব এবং রাজবংশী কামতাপুরী ভাষা সংস্কৃতির উপর বক্তব্য রাখেন । উদ্যোক্তারা আগামীতে আরও বেশি করে মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মঙ্গলবার বছরের শেষ দিনে ময়নাগুড়ির রথেরহাট স্কুলমাঠে মহাসমারোহে পালিত হল বিশুয়া উৎসব । জানা যায় , রথেরহাট বিশুয়া উৎসব উদযাপন কমিটি বিগত কয়েক বছর ধরে এই উৎসব পালন করে আসছে । এই উৎসব উপলক্ষে এদিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সুসজ্জিত হয়ে দেশি বাজনা ও বৈরাতি নৃত্যের মাধ্যমে হরগৌরি বরণ ও পুজো দেওয়া হয় । এরপর উৎসবে আগত সকলের জন্য বিশুয়া প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয় । তবে সচরাচর অন্য পূজোর প্রসাদ থেকে একেবারেই আলাদা হয় এই রাজবংশী সমাজের বিশুয়ার প্রসাদ । রাজবংশী ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রায় ৩৫ টি পদ এদিন প্রসাদ হিসেবে পরিবেশন করা হয় । যার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল সাদা ভাত ও ডালের সঙ্গে ছ্যাঁকা, সিদলের আউটা , ফক্তোই, টাকোয়া , ঝিনুক ও শামুকের বিভিন্ন পদ । এই উৎসবের উদ্যোক্তা অবিনাশ রায় জানান , বাংলা সনের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে তাদের এই বিশুয়া উৎসব পালন করা হয় । কামতাপুরের রাজবংশী কামতাপুরি ভাষা ও সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে তারা এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে থাকেন । দূর দূরান্ত থেকে অতিথিরা এই উৎসবে আমন্ত্রিত হন । এদিন আমন্ত্রিত অতিথিরা বিশুয়া উৎসব এবং রাজবংশী কামতাপুরী ভাষা সংস্কৃতির উপর বক্তব্য রাখেন । উদ্যোক্তারা আগামীতে আরও বেশি করে মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
- মঙ্গলবার বছরের শেষ দিনে ময়নাগুড়ির রথেরহাট স্কুলমাঠে মহাসমারোহে পালিত হল বিশুয়া উৎসব । জানা যায় , রথেরহাট বিশুয়া উৎসব উদযাপন কমিটি বিগত কয়েক বছর ধরে এই উৎসব পালন করে আসছে । এই উৎসব উপলক্ষে এদিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সুসজ্জিত হয়ে দেশি বাজনা ও বৈরাতি নৃত্যের মাধ্যমে হরগৌরি বরণ ও পুজো দেওয়া হয় । এরপর উৎসবে আগত সকলের জন্য বিশুয়া প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয় । তবে সচরাচর অন্য পূজোর প্রসাদ থেকে একেবারেই আলাদা হয় এই রাজবংশী সমাজের বিশুয়ার প্রসাদ । রাজবংশী ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রায় ৩৫ টি পদ এদিন প্রসাদ হিসেবে পরিবেশন করা হয় । যার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল সাদা ভাত ও ডালের সঙ্গে ছ্যাঁকা, সিদলের আউটা , ফক্তোই, টাকোয়া , ঝিনুক ও শামুকের বিভিন্ন পদ । এই উৎসবের উদ্যোক্তা অবিনাশ রায় জানান , বাংলা সনের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে তাদের এই বিশুয়া উৎসব পালন করা হয় । কামতাপুরের রাজবংশী কামতাপুরি ভাষা ও সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে তারা এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে থাকেন । দূর দূরান্ত থেকে অতিথিরা এই উৎসবে আমন্ত্রিত হন । এদিন আমন্ত্রিত অতিথিরা বিশুয়া উৎসব এবং রাজবংশী কামতাপুরী ভাষা সংস্কৃতির উপর বক্তব্য রাখেন । উদ্যোক্তারা আগামীতে আরও বেশি করে মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।1
- 16/39 বুথ দীর্ঘদিন টি এম সি করার পর এবার বিজিপি যোগদান করেন কিন্তু তাদের মধ্যে প্রশ্ন যে তাররা কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা পান নি এবং এরা তাদের মন্তব্য যে দিদি কে আমরা 15 বছর দেখেছি এ বার বিজিপি কে2
- ঘটনার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির কাছে পুনরায় ঘর ঠিক করার আর্জি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।1
- ধুপগুড়ি ডাকবাংলোতে তৈরি করা হবে গান্ধী মূর্তি। নিজেই উদ্বোধন করতে আসবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নরেশ রায়ের এক মন্তব্যে ।ময়নাগুড়ির সভা থেকে ধুপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায় কে তীব্র খোচা।1
- প্রথমদফা নির্বাচনের আগে ভোটগ্রহন শুরু হলদিবাড়িতে। Khabar Haldibari - খবর হলদিবাড়ি Haldibari1
- ‘আমার বুথ সবচেয়ে মজবুত’ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দধিরাম রায়। মঙ্গলবার বিকেলে মেখলিগঞ্জের রানীরহাট অঞ্চলের ৮ নম্বর বুথের কার্যকর্তাদের নিয়ে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ মণ্ডল ১-এর সভাপতি সঞ্জীব চন্দ্র রায়-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। বুথস্তরে সংগঠন আরও মজবুত করা, কর্মীদের উৎসাহ বাড়ানো এবং আসন্ন নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি বলে বিজেপি সূত্রের দাবি। কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ দেখা যায়।1
- देशभर में आज संविधान दिवस के मौके पर जहां एक ओर लोग भारतीय संविधान के मूल्यों—न्याय, स्वतंत्रता और समानता—को याद कर रहे हैं, वहीं दूसरी ओर एक चौंकाने वाली घटना ने प्रशासन की भूमिका पर सवाल खड़े कर दिए हैं। आरोप है कि कुछ जगहों पर सार्वजनिक रूप से संविधान पढ़ रहे लोगों को पुलिस ने हिरासत में ले लिया। इस घटना के बाद सोशल मीडिया से लेकर सड़कों तक गुस्सा देखने को मिल रहा है। लोगों का कहना है कि जिस संविधान ने नागरिकों को अभिव्यक्ति की स्वतंत्रता का अधिकार दिया, उसी को पढ़ना अगर अपराध बन जाए, तो यह लोकतंत्र के लिए गंभीर संकेत है। कानून विशेषज्ञों का भी मानना है कि शांतिपूर्ण तरीके से संविधान पढ़ना या उसके बारे में चर्चा करना नागरिकों का अधिकार है। ऐसे में पुलिस की कार्रवाई पर पारदर्शिता और जवाबदेही जरूरी है। अब बड़ा सवाल यही है—क्या अपने अधिकारों को जानना और पढ़ना भी अपराध माना जाएगा? या फिर यह मामला कहीं न कहीं प्रशासनिक अतिरेक का उदाहरण है? देश की निगाहें अब इस पूरे मामले पर टिकी हैं।1
- কাটাপ করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। গান্ধীজিকে কটুক্তির ঘটনায় ফের সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায়। জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিচ্ছি বিজেপি প্রার্থী।1