Shuru
Apke Nagar Ki App…
মেখলিগঞ্জে বুথ শক্তিতে জোর বিজেপির! ‘আমার বুথ সবচেয়ে মজবুত’ কর্মসূচিতে প্রার্থী দধিরাম রায়, কর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী বার্তা দিলেন মাঠে ‘আমার বুথ সবচেয়ে মজবুত’ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দধিরাম রায়। মঙ্গলবার বিকেলে মেখলিগঞ্জের রানীরহাট অঞ্চলের ৮ নম্বর বুথের কার্যকর্তাদের নিয়ে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ মণ্ডল ১-এর সভাপতি সঞ্জীব চন্দ্র রায়-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। বুথস্তরে সংগঠন আরও মজবুত করা, কর্মীদের উৎসাহ বাড়ানো এবং আসন্ন নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি বলে বিজেপি সূত্রের দাবি। কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ দেখা যায়।
Tapas Roy
মেখলিগঞ্জে বুথ শক্তিতে জোর বিজেপির! ‘আমার বুথ সবচেয়ে মজবুত’ কর্মসূচিতে প্রার্থী দধিরাম রায়, কর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী বার্তা দিলেন মাঠে ‘আমার বুথ সবচেয়ে মজবুত’ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দধিরাম রায়। মঙ্গলবার বিকেলে মেখলিগঞ্জের রানীরহাট অঞ্চলের ৮ নম্বর বুথের কার্যকর্তাদের নিয়ে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ মণ্ডল ১-এর সভাপতি সঞ্জীব চন্দ্র রায়-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। বুথস্তরে সংগঠন আরও মজবুত করা, কর্মীদের উৎসাহ বাড়ানো এবং আসন্ন নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি বলে বিজেপি সূত্রের দাবি। কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ দেখা যায়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ‘আমার বুথ সবচেয়ে মজবুত’ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দধিরাম রায়। মঙ্গলবার বিকেলে মেখলিগঞ্জের রানীরহাট অঞ্চলের ৮ নম্বর বুথের কার্যকর্তাদের নিয়ে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ মণ্ডল ১-এর সভাপতি সঞ্জীব চন্দ্র রায়-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। বুথস্তরে সংগঠন আরও মজবুত করা, কর্মীদের উৎসাহ বাড়ানো এবং আসন্ন নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি বলে বিজেপি সূত্রের দাবি। কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ দেখা যায়।1
- প্রথমদফা নির্বাচনের আগে ভোটগ্রহন শুরু হলদিবাড়িতে। Khabar Haldibari - খবর হলদিবাড়ি Haldibari1
- মঙ্গলবার বছরের শেষ দিনে ময়নাগুড়ির রথেরহাট স্কুলমাঠে মহাসমারোহে পালিত হল বিশুয়া উৎসব । জানা যায় , রথেরহাট বিশুয়া উৎসব উদযাপন কমিটি বিগত কয়েক বছর ধরে এই উৎসব পালন করে আসছে । এই উৎসব উপলক্ষে এদিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সুসজ্জিত হয়ে দেশি বাজনা ও বৈরাতি নৃত্যের মাধ্যমে হরগৌরি বরণ ও পুজো দেওয়া হয় । এরপর উৎসবে আগত সকলের জন্য বিশুয়া প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয় । তবে সচরাচর অন্য পূজোর প্রসাদ থেকে একেবারেই আলাদা হয় এই রাজবংশী সমাজের বিশুয়ার প্রসাদ । রাজবংশী ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রায় ৩৫ টি পদ এদিন প্রসাদ হিসেবে পরিবেশন করা হয় । যার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল সাদা ভাত ও ডালের সঙ্গে ছ্যাঁকা, সিদলের আউটা , ফক্তোই, টাকোয়া , ঝিনুক ও শামুকের বিভিন্ন পদ । এই উৎসবের উদ্যোক্তা অবিনাশ রায় জানান , বাংলা সনের শেষ দিন অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তিতে তাদের এই বিশুয়া উৎসব পালন করা হয় । কামতাপুরের রাজবংশী কামতাপুরি ভাষা ও সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে তারা এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে থাকেন । দূর দূরান্ত থেকে অতিথিরা এই উৎসবে আমন্ত্রিত হন । এদিন আমন্ত্রিত অতিথিরা বিশুয়া উৎসব এবং রাজবংশী কামতাপুরী ভাষা সংস্কৃতির উপর বক্তব্য রাখেন । উদ্যোক্তারা আগামীতে আরও বেশি করে মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।1
- ঘটনার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির কাছে পুনরায় ঘর ঠিক করার আর্জি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।1
- ধুপগুড়ি ডাকবাংলোতে তৈরি করা হবে গান্ধী মূর্তি। নিজেই উদ্বোধন করতে আসবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নরেশ রায়ের এক মন্তব্যে ।ময়নাগুড়ির সভা থেকে ধুপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায় কে তীব্র খোচা।1
- 16/39 বুথ দীর্ঘদিন টি এম সি করার পর এবার বিজিপি যোগদান করেন কিন্তু তাদের মধ্যে প্রশ্ন যে তাররা কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা পান নি এবং এরা তাদের মন্তব্য যে দিদি কে আমরা 15 বছর দেখেছি এ বার বিজিপি কে2
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শীতলকুচি ব্লকের গোলেনাওহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা যায়, যেসব ভোটার শারীরিক অসুবিধার কারণে ভোটকেন্দ্রে যেতে অক্ষম, বিশেষ করে ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য এই হোম ভোটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে নির্বাচন কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ভোট গ্রহণ করছেন।1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায় নির্বাচনি ইস্তেহার প্রকাশ করলেন। ইস্তেহারে কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস, শৌচালয়, কৃষক সহায়তা, রাস্তা উন্নয়ন, পানীয় জল ও স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার, কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম, যুবকদের কর্মসংস্থান, মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রসার, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এলাকার সার্বিক উন্নয়নই ইস্তেহারের মূল লক্ষ্য বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।1