উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল (আইএসবিটি) বর্তমানে চরম অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে। একসময় যাত্রী ও যানবাহনের ভিড়ে মুখর এই টার্মিনাল এখন প্রায় ভুতুড়ে চেহারা ধারণ করেছে বলে পরিবহন শ্রমিক ও গাড়িচালকরা দাবি করছেন। আইএসবিটির ভেতরে প্রবেশ পথেই বড় বড় গর্ত, যা বর্ষার জলে ছোটখাটো জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। কাদামাটি ও জল জমে থাকায় যানবাহন নিয়ে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, এমনকি গাড়ির চাকা কাদায় আটকে গেলে তা বের করতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। নিরাপত্তাহীনতাও এখন এক বড় সমস্যা। আগে দু’জন নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও বর্তমানে সেখানে কোনও পাহারাদার নেই বলে অভিযোগ। ফলে রাতে গাড়ি রেখে গেলে ব্যাটারি চুরি, টায়ার খোলা কিংবা গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও ভেতরের সামগ্রী চুরির ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে চালক ও মালিকদের দাবি। এছাড়াও, যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা না থাকলেও আইএসবিটির সরকারি ভবনের একটি অংশে বেসরকারি জিম সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এই জিম থেকে প্রাপ্ত ভাড়ার অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে শ্রমিকরা প্রশ্ন তুলেছেন। প্রতিদিন গাড়ি পার্কিং বাবদ রশিদ কেটে টাকা আদায় করা হলেও সেই অর্থের হিসাব ও ব্যবহার সম্পর্কেও কোনও স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ। শ্রমিকদের দাবি, বর্তমানে আইএসবিটি পরিচালনার জন্য কোনও বৈধ কমিটি কার্যকর নেই, যার ফলে গোটা ব্যবস্থাপনাই অনিশ্চয়তা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে চলছে। এই পরিস্থিতির অবসান এবং আইএসবিটির সংস্কার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা ও আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে রবিবার আইএসবিটি চত্বরে পরিবহন শ্রমিকরা প্রতিবাদে সামিল হন। তাঁরা দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। ধর্মনগরের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্রের বেহাল দশা নিয়ে এখন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।
উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল (আইএসবিটি) বর্তমানে চরম অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে। একসময় যাত্রী ও যানবাহনের ভিড়ে মুখর এই টার্মিনাল এখন প্রায় ভুতুড়ে চেহারা ধারণ করেছে বলে পরিবহন শ্রমিক ও গাড়িচালকরা দাবি করছেন। আইএসবিটির ভেতরে প্রবেশ পথেই বড় বড় গর্ত, যা বর্ষার জলে ছোটখাটো জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। কাদামাটি ও জল জমে থাকায় যানবাহন নিয়ে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, এমনকি গাড়ির
চাকা কাদায় আটকে গেলে তা বের করতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। নিরাপত্তাহীনতাও এখন এক বড় সমস্যা। আগে দু’জন নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও বর্তমানে সেখানে কোনও পাহারাদার নেই বলে অভিযোগ। ফলে রাতে গাড়ি রেখে গেলে ব্যাটারি চুরি, টায়ার খোলা কিংবা গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও ভেতরের সামগ্রী চুরির ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে চালক ও মালিকদের দাবি। এছাড়াও, যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা না থাকলেও আইএসবিটির সরকারি
ভবনের একটি অংশে বেসরকারি জিম সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এই জিম থেকে প্রাপ্ত ভাড়ার অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে শ্রমিকরা প্রশ্ন তুলেছেন। প্রতিদিন গাড়ি পার্কিং বাবদ রশিদ কেটে টাকা আদায় করা হলেও সেই অর্থের হিসাব ও ব্যবহার সম্পর্কেও কোনও স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ। শ্রমিকদের দাবি, বর্তমানে আইএসবিটি পরিচালনার জন্য কোনও বৈধ কমিটি কার্যকর নেই, যার ফলে গোটা ব্যবস্থাপনাই অনিশ্চয়তা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে চলছে। এই পরিস্থিতির অবসান এবং আইএসবিটির
সংস্কার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা ও আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে রবিবার আইএসবিটি চত্বরে পরিবহন শ্রমিকরা প্রতিবাদে সামিল হন। তাঁরা দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। ধর্মনগরের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্রের বেহাল দশা নিয়ে এখন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল (আইএসবিটি) বর্তমানে চরম অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে। একসময় যাত্রী ও যানবাহনের ভিড়ে মুখর এই টার্মিনাল এখন প্রায় ভুতুড়ে চেহারা ধারণ করেছে বলে পরিবহন শ্রমিক ও গাড়িচালকরা দাবি করছেন। আইএসবিটির ভেতরে প্রবেশ পথেই বড় বড় গর্ত, যা বর্ষার জলে ছোটখাটো জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। কাদামাটি ও জল জমে থাকায় যানবাহন নিয়ে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, এমনকি গাড়ির চাকা কাদায় আটকে গেলে তা বের করতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। নিরাপত্তাহীনতাও এখন এক বড় সমস্যা। আগে দু’জন নিরাপত্তারক্ষী থাকলেও বর্তমানে সেখানে কোনও পাহারাদার নেই বলে অভিযোগ। ফলে রাতে গাড়ি রেখে গেলে ব্যাটারি চুরি, টায়ার খোলা কিংবা গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও ভেতরের সামগ্রী চুরির ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে চালক ও মালিকদের দাবি। এছাড়াও, যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা না থাকলেও আইএসবিটির সরকারি ভবনের একটি অংশে বেসরকারি জিম সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এই জিম থেকে প্রাপ্ত ভাড়ার অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে শ্রমিকরা প্রশ্ন তুলেছেন। প্রতিদিন গাড়ি পার্কিং বাবদ রশিদ কেটে টাকা আদায় করা হলেও সেই অর্থের হিসাব ও ব্যবহার সম্পর্কেও কোনও স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ। শ্রমিকদের দাবি, বর্তমানে আইএসবিটি পরিচালনার জন্য কোনও বৈধ কমিটি কার্যকর নেই, যার ফলে গোটা ব্যবস্থাপনাই অনিশ্চয়তা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে চলছে। এই পরিস্থিতির অবসান এবং আইএসবিটির সংস্কার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা ও আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে রবিবার আইএসবিটি চত্বরে পরিবহন শ্রমিকরা প্রতিবাদে সামিল হন। তাঁরা দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। ধর্মনগরের এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্রের বেহাল দশা নিয়ে এখন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।4
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগর মহকুমার রেগা ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক্যাল বিভাগকে ঘিরে কর্মীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, অফিস চলাকালীন নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দপ্তরে এক অভিনব চিত্র দেখা গেছে, যেখানে অভিযোগ করা হচ্ছে যে বেশ কয়েকজন কর্মচারী নিয়মিতভাবে অফিসে উপস্থিত থাকেন না এবং নির্ধারিত সময়ে তাদের দেখা মেলে না, যার ফলে দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, অফিসের কক্ষের মধ্যেই কিছু কর্মচারী নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি দপ্তরের শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে যেন পুরো অফিসটি একটি ক্লাবঘরে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে; তাদের মতে, এমন অনিয়ম চলতে থাকলে পরিষেবা পেতে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। কর্মচারীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব হলেও, পানিসাগরের এই দপ্তরকে ঘিরে অভিযোগ ওঠার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনকি, এই দফতরের কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতৃত্বদেরও বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজেদের মনমতো কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগগুলির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিনা।4
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের কালীদিঘীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত প্রবীণ অঙ্গনে গত ২১ জুন ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির উদ্যোগে 'নৃপেন্দ্র কুমার রায় মেমোরিয়াল অকশন ব্রিজ রানিং টুর্নামেন্ট'-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবছর টুর্নামেন্টটি তার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে, যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে পালিত হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রয়াত নৃপেন্দ্র কুমার রায়ের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সমাজে ব্রিজ খেলার জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান। বিধায়ক জহর চক্রবর্তী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে টুর্নামেন্টের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মানসিক দক্ষতা, ধৈর্য এবং কৌশলনির্ভর এই খেলা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রিত করতে এবং একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম। ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির সম্পাদক শিবশঙ্কর রায় জানিয়েছেন যে, এবছর মোট ২৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা তাঁদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। কমিটি আগামী দিনে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়ে গিয়ে রাজ্যব্যাপী টুর্নামেন্টে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা করছে। প্রবীণ অঙ্গনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই ব্রিজপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। আয়োজকরা আশা করছেন যে, আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি সংখ্যক দল ও খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন এবং এর ফলস্বরূপ ধর্মনগর তথা গোটা রাজ্যেই ব্রিজ খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।3
- আসাম-ত্রিপুরা সীমান্তের চুরাইবাড়ি চেক গেটে পুলিশ নেশা মাফিয়াদের জিন্স প্যান্টের পকেটে করে নেশা পাচারের একটি নতুন কৌশল বানচাল করেছে। সোমবার দুপুর ১টা নাগাদ গুয়াহাটি থেকে আগরতলাগামী AS-01-UC-4314 নম্বরের 'সেইফ এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্ট'-এর একটি কন্টেনার লরি আসাম পুলিশের নাকা গেটে পৌঁছালে গেট ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস রুটিন তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে লরির ভেতরে বিভিন্ন অনলাইন সামগ্রী এবং কাপড়ের বস্তার সাথে প্রতিটি জিন্স প্যান্টের পকেটে লুকিয়ে রাখা নিষিদ্ধ এসকফ সিরাপ দেখতে পান পুলিশ। মোট বারোশো বোতল এসকফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ছয় লক্ষ টাকা হবে বলে পুলিশ অনুমান করছে। এই সিরাপগুলো গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লরির চালক চিরঞ্জীব রাভা (৩২) এবং সহ-চালক বিকাশ রাভা (২৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। তারা উভয়ই আসামের কামরূপ জেলার দক্ষিণ পুকুরিপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে, ইনচার্জ নিরঞ্জন দাস এনডিপিএস আইনে একটি মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন।1
- পূর্ব থানায় মাধবী বিশ্বাসের নামে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।1
- ত্রিপুরার শিক্ষা ব্যবস্থাকে 'সংকটাপন্ন' উল্লেখ করে এসএফআই রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। ছাত্র সংগঠনটি শিক্ষক নিয়োগের অভাব এবং শিক্ষার বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের আয়োজন করবে, একইসাথে শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনারও দাবি জানিয়েছে।1
- সোমবার বেলা সাড়ে চার ঘটিকায় ধর্মনগরের অর্ধেন্দু ভট্টাচার্য স্মৃতি ভবনে উত্তর ত্রিপুরা জেলা ভিত্তিক দুই দিনব্যাপী ‘ভীষ্মদেব স্মৃতি শিশু নাটক প্রতিযোগিতা’-র শুভ সূচনা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ধর্মনগর বিধানসভার বিধায়ক জহর চক্রবর্তী এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা রিপন চাকমা। তাঁদের সাথে অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সূচনালগ্নে অতিথিরা মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। এরপর একটি উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়।4
- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোনামুড়ার কামালনগর ও ঘাটিগড় এলাকায় অবৈধ গাঁজার কারবারের একটি বড়সড় চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ অভিযানে বিশাল পরিমাণ গাঁজার চারা এবং শুকনা গাঁজা জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং অবৈধ নেশা কারবারিদের মধ্যে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনামুড়া থানার পুলিশ কামালনগর ও ঘাটিগড় এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। এই অভিযানে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ১০টি গাঁজার বীজতলা চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ আনুমানিক ১ লক্ষ গাঁজার চারা উপড়ে ফেলে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া মেনে ঘটনাস্থলেই তা ধ্বংস করে। এছাড়াও তল্লাশির সময় একটি প্লাস্টিকের বস্তাভর্তি প্রায় ৩০ কেজি গাঁজার বীজ উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে নিয়ম মেনে ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের সময় ঘাটিগড় এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ২৯ কেজি ৫০০ গ্রাম শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া এই গাঁজা BNSS-2023 আইনের ১০৬ ধারায় জব্দ করা হয়েছে এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লক্ষ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই বিশাল পরিমাণ গাঁজা ও বীজতলার মালিক কে বা কারা, তা খুঁজে বের করতে সোনামুড়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1