মুর্শিদাবাদের সীমান্তবর্তী জলঙ্গি থানার পুলিশ ফের একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। কিছুদিন আগেই নয় বস্তা গাঁজাসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে তারা আলোচনায় এসেছিল, আর এবার মাদক পাচার চক্রের বিরুদ্ধে আরও একটি বড় আঘাত হানল পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জলঙ্গি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিধান সাহার নেতৃত্বে একটি বিশেষ পুলিশ দল বিদুপুর মাঠ এলাকায় অভিযান চালায়। এই অভিযানে সন্দেহভাজন চার যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ছয়টি ব্যাগভর্তি প্রায় ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ধৃত পাচারকারীরা হলো হানিফ মণ্ডল (৩৭) ও সামিউল আলম ওরফে টিঙ্কু (২৮), উভয়ই সরকারপাড়া, জলঙ্গির বাসিন্দা; এবং ইব্রাহিম শেখ (৩৮) ও নেক্সশার শেখ (৩৩), উভয়ই উত্তর কীর্তনিয়াপাড়া, জলঙ্গির বাসিন্দা। পুলিশি জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালান বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সীমান্ত পেরিয়ে মাদক চক্রের হাতে পৌঁছানোর আগেই পুলিশের তৎপরতায় তাদের এই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এই ঘটনায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং শনিবার তাদের আদালতে পেশ করা হয়। জলঙ্গি থানার এই ধারাবাহিক অভিযান সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রুখতে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পরপর সফল অভিযানের ফলে পুলিশ প্রশাসন সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদকচক্রের কাছে একটি কড়া বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, পুলিশের এই তৎপরতা মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং এটি অব্যাহত থাকলে যুব সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
মুর্শিদাবাদের সীমান্তবর্তী জলঙ্গি থানার পুলিশ ফের একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। কিছুদিন আগেই নয় বস্তা গাঁজাসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে তারা আলোচনায় এসেছিল, আর এবার মাদক পাচার চক্রের বিরুদ্ধে আরও একটি বড় আঘাত হানল পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জলঙ্গি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিধান সাহার নেতৃত্বে একটি বিশেষ পুলিশ দল বিদুপুর মাঠ এলাকায় অভিযান চালায়। এই অভিযানে সন্দেহভাজন চার যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে ছয়টি ব্যাগভর্তি প্রায় ৩৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ধৃত পাচারকারীরা হলো হানিফ মণ্ডল (৩৭) ও সামিউল আলম ওরফে টিঙ্কু (২৮), উভয়ই সরকারপাড়া, জলঙ্গির বাসিন্দা; এবং ইব্রাহিম শেখ (৩৮) ও নেক্সশার শেখ (৩৩), উভয়ই উত্তর কীর্তনিয়াপাড়া, জলঙ্গির বাসিন্দা। পুলিশি জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালান বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সীমান্ত পেরিয়ে মাদক চক্রের হাতে পৌঁছানোর আগেই পুলিশের তৎপরতায় তাদের এই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এই ঘটনায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং শনিবার তাদের আদালতে পেশ করা হয়। জলঙ্গি থানার এই ধারাবাহিক অভিযান সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রুখতে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পরপর সফল অভিযানের ফলে পুলিশ প্রশাসন সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মাদকচক্রের কাছে একটি কড়া বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, পুলিশের এই তৎপরতা মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং এটি অব্যাহত থাকলে যুব সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
- মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার জলঙ্গি বিধানসভার সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়েছে, যা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মৎস্য সেলের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন সন্দীপ কুমার বিশ্বাস ও নবকুমার সরকার। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে এলাকাজুড়ে পদযাত্রা করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় এক উৎসবের আবহ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। মূলত ‘আমাদের মাটি, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের পরিচয়’ এবং ‘আমাদের মাটি, আমাদের গর্ব’ এই বার্তাকে সামনে রেখেই সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়, যা মিছিলের মধ্য দিয়ে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও বিবেচিত।1
- সাগরপাড়া থানায় ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের (ওসি) চেয়ারে এক মন্ত্রীর বসার ঘটনা সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে মন্ত্রী গৌরী শংকরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। মন্ত্রী দাবি করেছেন, ওই চেয়ারটি তাঁর জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, যদি কেউ তাঁর এই দাবি প্রমাণ করতে না পারে, তাহলে তিনি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত।1
- কান্দি পৌরসভায় চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটকের পদত্যাগের ঠিক পরের দিন, শনিবার সকাল এগারোটা নাগাদ বিজেপি নেতৃত্ব পৌরসভাটিকে গঙ্গা জল দিয়ে শুদ্ধিকরণ করেছে। কান্দি বিধানসভার অবজার্ভার সুদীপ্ত সিনহা এবং জেলা বিজেপি নেত্রী বিনিতা রায় সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। এই শুদ্ধিকরণ অভিযান চেয়ারম্যানের ঘর সহ পৌরসভার সমস্ত ঘরে চালানো হয়। এই কর্মসূচির কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে যে, গতকাল শুক্রবার কান্দি পৌরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এর পরেই বিজেপির উদ্যোগে এই শুদ্ধিকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হলেও, একদিনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সারা বছর ধরে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যোগশিক্ষা চালুর দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে পড়াশোনার চাপ, মোবাইল ও ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ছোটবেলা থেকেই যোগাভ্যাসের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত যোগচর্চার সুযোগ থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি মানসিক একাগ্রতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সৌমেন মণ্ডল জানান, অতীতে বিদ্যালয়গুলিতে যেমন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা বা পিটি ক্লাসের ব্যবস্থা ছিল, তেমনভাবেই নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে যোগশিক্ষাও চালু করা যেতে পারে। এতে ছাত্রছাত্রীরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে এবং ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। বিশ্ব যোগ দিবসের আবহে শিক্ষামহল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্কুলে যোগশিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার এই দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। অনেকেরই মত, পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত যোগাভ্যাস চালু হলে আগামী প্রজন্ম শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।1
- সম্প্রতি আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক গোখরা সাপ এবং তার ডিম উদ্ধার করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দী পৌরসভায় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দুর্নীতির 'শুদ্ধিকরণ' করা হয়েছে। পৌরসভাকে গঙ্গাজল দিয়ে 'শুদ্ধ' করার এই প্রতীকী পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।1
- খারাপ রাস্তার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ এবং বাজারঘাটে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রবল অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এই দুর্ভোগের কারণে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে সরকার যাতে রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করে, তার জন্য সরকারের কাছে জোর আবেদন জানানো হয়েছে।1