Shuru
Apke Nagar Ki App…
২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর বাংলা জুড়ে ব্যাপক ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। এই সমস্ত ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এর সর্বশেষ খবর নজরে রাখা হচ্ছে।
Sumit kumar basu
২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর বাংলা জুড়ে ব্যাপক ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। এই সমস্ত ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এর সর্বশেষ খবর নজরে রাখা হচ্ছে।
More news from Hooghly and nearby areas
- ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর বাংলা জুড়ে ব্যাপক ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটছে। এই সমস্ত ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এর সর্বশেষ খবর নজরে রাখা হচ্ছে।1
- আরামবাগ টাউন এলাকায় এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দুই মহিলাকে বেধড়ক মারধর, গলা টিপে শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করতে গেলে অভিযুক্ত যুবক মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তের পেশাগত পরিচয় ও কাজে একটি বড়সড় দুর্নীতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম অর্ঘ, যিনি নিজেকে বিজেপির সক্রিয় নেতা হিসাবে পরিচয় দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত এক মহিলা জানিয়েছেন যে, পূর্বের একটি ঘটনার জেরে অভিযুক্ত অর্ঘ তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে ঢুকেই সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং ধারালো ছুরি দেখিয়ে পুরো পরিবারকে খুনের হুমকি দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিবাদ করার পর এক মহিলার গলা টিপে ধরে তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়, এবং দ্বিতীয় মহিলাকেও গলা টিপে মারধর করা হয়। পরিবারের অন্য সদস্যরা যখন এই অত্যাচারের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন, তখন অভিযুক্ত অর্ঘ প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক তাঁদের ফোন কেড়ে নেয়। এই মারধরের ফলে আক্রান্ত এক মহিলার বাবাও গুরুতর জখম হয়েছেন এবং তিনি বর্তমানে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত মহিলা আরও উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত অর্ঘ একটি লোন রিকভারি কোম্পানিতে কাজ করেন। তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ঐ কোম্পানিতে অর্ঘের নিজের কোনো বৈধ আইডি নেই; তিনি তাঁর স্ত্রীর আইডির আড়ালে বেআইনিভাবে লোন রিকভারির কাজ চালাতেন। আক্রান্তদের দাবি, এই লোন রিকভারির নাম করেই অর্ঘ এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখাতেন এবং নিজেকে বিজেপি নেতা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিতেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আরামবাগ টাউনের বিজেপির নেতা সুমন তেওয়ারি জানিয়েছেন যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, "আইন সবার জন্য সমান। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে ঘটনার তদন্ত করুক। কোনো অন্যায়কারীকে ভারতীয় জনতা পার্টি প্রশ্রয় দেয় না। অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে পুলিশ যেন তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়, সে তিনি যে দলেরই হোন না কেন।" ইতিমধ্যেই আক্রান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বেআইনিভাবে অন্যের আইডি ব্যবহার করে লোন রিকভারির বিষয়টি এবং মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।1
- রাজ্যজুড়ে ভয় কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং একের পর এক অভিযোগে শাসকদল চাপে রয়েছে, তখন মালদা থেকে চাকরির নামে প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একজন প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেছেন যে, তার ছেলেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একজন তৃণমূল নেতা তার কাছ থেকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওই চাকরির ব্যবস্থা হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত পাননি বৃদ্ধ। অভিযোগ আরও গুরুতর যে, টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই বৃদ্ধকে নাকি বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— এই চাকরির নামে প্রতারণার বিচার কবে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কবে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি ও প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না এবং আইন তার নিজস্ব গতিতেই অভিযুক্তদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।2
- আবাস যোজনা সম্পর্কিত তথ্যের জন্য একটি টোল ফ্রি নম্বর উপলব্ধ করা হয়েছে।1
- আজ হুগলি জেলার গোঘাট থানার পক্ষ থেকে একটি মাদকবিরোধী প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে। এই প্রচারাভিযানে গোঘাট থানার পুলিশ কর্মীরা এবং সিভিক ভলেন্টিয়াররা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।1
- একটি সাধারণ ডিম কীভাবে বাংলার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পোস্টটিতে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে এই ডিমটি পুষ্টির উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে নাকি প্রতিবাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পোস্টে দেওয়া হয়নি।1
- পশ্চিমবঙ্গের পূর্বস্থলী দক্ষিণে গ্রেপ্তার হওয়া এক যুব তৃণমূল নেতাকে থানা থেকে বের করার সময়ে 'ডিম থেরাপি'র শিকার হতে হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে যখন ওই যুব নেতা, যাকে 'ভাগ্নে' নামে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে থানার বাইরে আনা হচ্ছিল। এই ঘটনার পর পূর্বস্থলী দক্ষিণের বিজেপি কর্মীরা কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন যে, এবার 'মামা' নামে পরিচিত এক প্রাক্তন মন্ত্রীর পালা। বিজেপি কর্মীদের এই মন্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।1