Shuru
Apke Nagar Ki App…
Som
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- आसनसोल उत्तर विधानसभा सीट से कांग्रेस उम्मीदवार प्रसनजीत कोईटुंडी ने मंगलवार को आसनसोल बाजार क्षेत्र में जोरदार चुनाव प्रचार अभियान चलाया। इस दौरान उन्होंने क्षेत्र के विभिन्न इलाकों में जनसंपर्क किया और लोगों से मुलाकात कर उनका समर्थन मांगा। प्रचार के दौरान प्रसनजीत कोईटुंडी ने स्थानीय समस्याओं को सुना और भरोसा दिलाया कि यदि उन्हें मौका मिला तो वे क्षेत्र के विकास के लिए काम करेंगे। उन्होंने रोजगार, सड़क, पेयजल और अन्य बुनियादी सुविधाओं को प्राथमिकता देने की बात कही। इस अभियान में कांग्रेस कार्यकर्ता और समर्थक बड़ी संख्या में शामिल हुए। पूरे इलाके में चुनावी माहौल देखने को मिला और समर्थकों ने अपने उम्मीदवार के पक्ष में नारेबाजी भी की।2
- 14 no ward ka unico devin स्कूल rod bahut he khrab obastha ho gaya हैं ap लोग dekhye1
- দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে জোরদার প্রচারে নামল কংগ্রেস প্রার্থী দেবেশ চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় সরকারের শিল্প নীতি, কারখানায় অচলাবস্থা এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের দাবিকেই সামনে রেখে এদিন প্রচার চালানো হয়। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের কনিস্ক রোড এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন প্রার্থী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা। প্রচারের সময় দেবেশ চক্রবর্তী জানান, দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই এই ঘরে ঘরে প্রচার বলে জানান তিনি।1
- পাড়া ব্লকের নডিহা সুরুলিয়া অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ এর নির্বাচনী প্রচারে এলেন পাড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মানিক চন্দ্র বাউরী। মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ নডিহা অঞ্চলের কালুহার রাম মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচারাভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়,তার পরে কালুহার গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করা হয়, এবং তার পরে খুদিয়াট্যাড়, সুরুলিয়া, ফতেপুর,হাতিমারা,চুড়মি, চৌকুনিয়া,বাগালিয়া সহ বিভিন্ন গ্রামে প্রচুর কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বাজনা বাজিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক ভাবে প্রচার করা হয়। প্রার্থী মানিক চন্দ্র বাউরীর সাথে ছিলেন জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ জয়মল ভট্টাচার্য, অঞ্চল সভাপতি দশরথ মাহাতো,সহ সভাপতি প্রবীণ কৈবর্ত, রঞ্জিত মাহাতো, মনোরঞ্জন পান্ডে, নুরুল আনসারী, গৌরী শঙ্কর ব্যানার্জি, সাগর দাস, ত্রিলোচন গঁরাই, শ্যামল ভট্টাচার্য, গুলাম আনসারী, সচীন রায়, অরুণ রাজোয়াড় সহ অন্যান্যরা।1
- বাঁকুড়া: সবার বাড়িতেই নলের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে জল- মমতা1
- নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে ভরতপুরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বর্ণাঢ্য কর্মীসভা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভরতপুরের একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান বাড়িতে ৬৯ নম্বর ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে এক বর্ণাঢ্য কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। এদিন প্রার্থীর আগমনের আগে থেকেই অনুষ্ঠান চত্বরে তৃণমূলের একগুচ্ছ প্রাক্তন পদাধিকারী ও অসংখ্য কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। মুস্তাফিজুর রহমান সভাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই জয়ধ্বনি ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বরণ পর্ব, যেখানে প্রার্থীকে সংবর্ধনা জানান ভরতপুর-১ ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি নূর আলম। এদিনের সভায় প্রার্থীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি তথা বর্তমান সদস্য আবুল হাসানাত ওরফে সিপন, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আসিফুজ্জামান ওরফে পাপ্পু, প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা সদস্য আলী মোহাম্মদ খান, পঞ্চায়েত সদস্য মনিরুল ইসলাম ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিকাশ দাস সহ একাধিক শীর্ষ স্থানীয় প্রাক্তন নেতৃত্ব। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলা এবং জয়ের রণকৌশল স্থির করাই ছিল এই সভার মূল লক্ষ্য।1
- কেতুগ্রামের আনখোনা অঞ্চলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিক্ষোভ। অভিযোগ, হেয়ারিংয়ে ডাকা ৪৪৪ জনের মধ্যে ৪৪০ জনের নাম বাদ পড়েছে। একাধিক বুথ মিলিয়ে দেড় হাজারের বেশি নাম কাটা গেছে বলে দাবি, ক্ষোভে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ |1
- দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের ইচ্ছাপুর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার চালালেন পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী প্রবীর মন্ডল (তুফান)। এদিন সকালে আমলৌকা গ্রাম থেকে বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু হয়। এরপর বাঙ্গুরী, পাটসাওড়া, ইচ্ছাপুর সহ একাধিক এলাকায় প্রচার চালান তিনি। সিপিআইএম কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি এদিন প্রার্থীর প্রচারে আইএসএফ কর্মীদেরও অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন প্রবীর মন্ডল। তাঁকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহও লক্ষ্য করা যায়—অনেকেই রাস্তা ও বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থীকে স্বাগত জানান। প্রচার চলাকালীন প্রবীর মন্ডল স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে করজোড়ে ভোটের আবেদন জানান এবং তাঁদের সমস্যার কথাও শোনেন।1