Shuru
Apke Nagar Ki App…
durgpur 14 no ward naim नगर rod rod ka kam होना चाहिए.. 14 no ward ka unico devin स्कूल rod bahut he khrab obastha ho gaya हैं ap लोग dekhye
MOHAMMAD ALAM
durgpur 14 no ward naim नगर rod rod ka kam होना चाहिए.. 14 no ward ka unico devin स्कूल rod bahut he khrab obastha ho gaya हैं ap लोग dekhye
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- 14 no ward ka unico devin स्कूल rod bahut he khrab obastha ho gaya हैं ap लोग dekhye1
- দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে জোরদার প্রচারে নামল কংগ্রেস প্রার্থী দেবেশ চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় সরকারের শিল্প নীতি, কারখানায় অচলাবস্থা এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের দাবিকেই সামনে রেখে এদিন প্রচার চালানো হয়। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের কনিস্ক রোড এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন প্রার্থী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা। প্রচারের সময় দেবেশ চক্রবর্তী জানান, দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই এই ঘরে ঘরে প্রচার বলে জানান তিনি।1
- आसनसोल उत्तर विधानसभा सीट से कांग्रेस उम्मीदवार प्रसनजीत कोईटुंडी ने मंगलवार को आसनसोल बाजार क्षेत्र में जोरदार चुनाव प्रचार अभियान चलाया। इस दौरान उन्होंने क्षेत्र के विभिन्न इलाकों में जनसंपर्क किया और लोगों से मुलाकात कर उनका समर्थन मांगा। प्रचार के दौरान प्रसनजीत कोईटुंडी ने स्थानीय समस्याओं को सुना और भरोसा दिलाया कि यदि उन्हें मौका मिला तो वे क्षेत्र के विकास के लिए काम करेंगे। उन्होंने रोजगार, सड़क, पेयजल और अन्य बुनियादी सुविधाओं को प्राथमिकता देने की बात कही। इस अभियान में कांग्रेस कार्यकर्ता और समर्थक बड़ी संख्या में शामिल हुए। पूरे इलाके में चुनावी माहौल देखने को मिला और समर्थकों ने अपने उम्मीदवार के पक्ष में नारेबाजी भी की।2
- ইন্দাস বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধারা লাউগ্রামে প্রচারে বের হলে তৃণমূল পক্ষ থেকে জয় বাংলা ধনী দেওয়া হয়। পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকেও জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিষ্ণুপুরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়াল দলবদলের ঘটনায়। আজ বিষ্ণুপুর হাই স্কুল গ্রাউন্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর জনসভা মঞ্চ থেকেই বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন দেখা গেল। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তন্ময় ঘোষের সমর্থনে আয়োজিত এই জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে ওঠার আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা বিষ্ণুপুর বিজেপির মণ্ডল ওয়ানের সহ-সভাপতি শ্যামল ব্যানার্জি। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের হাত ধরে তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিডরা ৪৬ নম্বর বুথ থেকে জয়লাভ করেছিলেন শ্যামল ব্যানার্জি। পরবর্তীতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদও পান। তবে তাঁর অভিযোগ, বিজেপিতে থেকে তিনি এলাকার উন্নয়নের কাজে বাধার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। শ্যামল ব্যানার্জির কথায়, “এলাকার মানুষ আমাকে উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে থেকে সেই কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই মানুষের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, বিজেপির তরফে কটাক্ষ করে দাবি করা হয়েছে, “দলে এসে কোনও ‘কাট মানি’ না পাওয়ায় তিনি বিজেপিতে থাকতে পারেননি, সেই কারণেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।” নির্বাচনের মুখে এই দলবদল স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে বাড়তি রাজনৈতিক অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।2
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- সামনেই ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। এই আবহে আটঘাট বেঁধে নেমে পড়ল লাল শিবির। মঙ্গলবার ভোট প্রচারে মানবাজারে ঝড় তুলল সিপিএম। এদিন বিকেলে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মানবাজার শহরে ভোট প্রচারে বেরিয়ে ব্যাপক সাড়া ফেললেন মানবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিএম প্রার্থী সোনামনি টুডু। পাশাপাশি এদিন হাসপাতাল মোড়ে একটি পথসভা আয়োজিত হয়। এদিন প্রার্থী সোনামনি টুডু বিজেপি ও তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেন। পাশাপাশি মানবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফলের বিষয়ে একশ শতাংশ আশাবাদী বলে জানান তিনি।1
- দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের ইচ্ছাপুর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় জোরকদমে নির্বাচনী প্রচার চালালেন পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী প্রবীর মন্ডল (তুফান)। এদিন সকালে আমলৌকা গ্রাম থেকে বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু হয়। এরপর বাঙ্গুরী, পাটসাওড়া, ইচ্ছাপুর সহ একাধিক এলাকায় প্রচার চালান তিনি। সিপিআইএম কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি এদিন প্রার্থীর প্রচারে আইএসএফ কর্মীদেরও অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন প্রবীর মন্ডল। তাঁকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহও লক্ষ্য করা যায়—অনেকেই রাস্তা ও বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থীকে স্বাগত জানান। প্রচার চলাকালীন প্রবীর মন্ডল স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে করজোড়ে ভোটের আবেদন জানান এবং তাঁদের সমস্যার কথাও শোনেন।1