Shuru
Apke Nagar Ki App…
খবরের থেকেও সেরা খবর খবরের খবর shonghata Sanjitsarkar nodia
Sanjitsarkar
খবরের থেকেও সেরা খবর খবরের খবর shonghata Sanjitsarkar nodia
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ব্যারাকপুরের বড় কাঠালিয়া এলাকায় টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বচসার সূত্রপাত হয়। এই বচসা দ্রুতই সহিংস রূপ ধারণ করে এবং এক যুবককে বেধরক মারধর করা হয়। মারধরের ফলে যুবকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএন বোস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত যুবক অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে বর্তমানে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।1
- রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জনকল্যাণ শিবির’ আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে। পূর্বতন ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির নাম পরিবর্তন করে নতুন সরকারের উদ্যোগে এটি ‘জনকল্যাণ শিবির’ নামকরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশক্রমে সোমবার থেকে চালু হওয়া এই শিবিরে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী ১৭ই জুন পর্যন্ত চলবে। রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডিতেও একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রথম দিনের এই শিবির পরিদর্শন করেন হরিহরপাড়া বিধানসভার বিধায়ক নিয়ামত শেখ। তিনি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন পরিষেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই শিবিরে রাজ্য সরকারের প্রায় ৫৫টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ও আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও, বার্ধক্য ভাতা, কৃষি পরিষেবা এবং জব কার্ডসহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিন শিবিরে হরিহরপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ছেরিং জাম ভুটিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর, হরিহরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম কুমার দাসসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর শহরের গোরাবাজার জজকোর্ট সংলগ্ন পার্ক এলাকায় স্থাপিত বিশ্ববাংলার লোগো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর উপস্থিতিতেই এই লোগোটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। বহরমপুর গোরাবাজারে বিশ্ববাংলার লোগো গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর জলঙ্গি বিধানসভা এলাকার সাগরপাড়া অনুষ্ঠান বাড়িতে আয়োজিত প্রথম জনকল্যাণ শিবির ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। প্রচণ্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকা থেকে শত শত মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশায় এই শিবিরে ভিড় জমিয়েছিলেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ প্রশাসন মোতায়েন ছিল। তবে শিবিরের প্রথম দিনেই একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষের দাবি, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে না এবং আবেদন করতে গিয়ে তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বিডিও অফিস ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চরম গাফিলতির কারণেই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আজ ছিল শিবিরের প্রথম দিন, সেই কারণে কিছু প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হলেও আগামী দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের জন্য সমস্ত পরিষেবা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম দিনেই 'অভিযোগের পাহাড়' তৈরি হওয়া এই জনকল্যাণ শিবির কি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারবে, নাকি তাদের ভোগান্তি আরও বাড়াবে।1
- একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে 'নিজের লোকরা বেইমান' বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ভিডিওটি সবাইকে দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পোস্টটিতে জানানো হয়েছে, ভিডিওটি ভালো লাগলে তা লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করতে হবে, এবং এটিকে ভাইরাল করে দেওয়ার জন্য বিশেষ আবেদন জানানো হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ বিধানসভার তিন নম্বর মন্ডলে (মোল্লা রোড) সম্প্রতি একটি প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালা এমন একটি প্রশিক্ষণ বা সেমিনার, যেখানে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে চাষবাসের পদ্ধতি শেখানো হয়। এটিকে সাধারণত 'জিরো বাজেট প্রাকৃতিক চাষ' বা পরিবেশ-বান্ধব কৃষি হিসাবেও অভিহিত করা হয়। এই প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ করে জৈব উপায়ে মাটির স্বাস্থ্য ফেরানো, এবং বাজার থেকে কেনা সারের বদলে ঘরের উপকরণ ব্যবহার করে চাষের খরচ কমানো। একইসাথে, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ ও বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করাও এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এদিনের এই কর্মসূচিতে খণ্ডঘোষ ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা শুভময় ঘোষ, খণ্ডঘোষ ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দেব কুমার দীক্ষিত, বিশিষ্ট সমাজসেবী শম্পা মাথুর, তাপস মল্লিক, সমীর মন্ডল, কৌশিক আঁশ সহ জেলা ও ব্লকের অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন। খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতাধিক কৃষক এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকেরা কৃষকদের সঙ্গে চাষাবাদ সংক্রান্ত নানান বিষয়ে মত আদান প্রদান করেন।1
- মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি হিসেবে নিজের প্রথম সভা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, তিনি ক্লাবের বাইরে উপস্থিত সমর্থকদের বিপুল উৎসাহ ও ভালোবাসা দেখে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছেন। এই অসামান্য উদ্দীপনায় তিনি দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত যে ক্লাবের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যগুলো পূরণ হবেই। আজকের বৈঠকে ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়ন, ফুটবলের মানোন্নয়ন এবং ক্লাবের ঐতিহ্যের আধুনিকীকরণ – এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। সভাপতির মতে, সমর্থকদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা তাঁকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তুলেছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, সমর্থকদের স্বপ্নের মহামেডানকে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি 'জয় মহামেডান' ধ্বনি তুলে আগামী দিনের পথে সমর্থকদের পাশে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।1
- উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম থানা এলাকার চণ্ডীগড় লোকেশনে, যা রোহন্ডা পোস্ট অফিসের অধীনে পড়ে, সেখানে অবৈধভাবে মাটি ব্যবসা চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।3
- সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্দাসের সাহসপুর ও রোল এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। তিনি ফিতে কেটে এই শিবিরের সূচনা করেন। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত এই শিবির চলবে এবং এখান থেকে মোট ৫৩টি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করা হবে। এই জনকল্যাণ শিবির থেকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড তৈরি করা যাবে, পাশাপাশি যুবশক্তি, অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। কর্মসূচিতে ইন্দাস বিধানসভার বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া ছাড়াও ইন্দাস ব্লকের বিডিও জুপিটার বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দাস থানার ওসি চয়ন কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌতম ধারা, পূর্ণেন্দু মুখার্জি, বিপ্রদাস অধিকারী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত আধিকারিকরা নথি যাচাই এবং ফর্ম পূরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। শিবির শুরু হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ভিড় জমান এবং আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা সহ অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করান।1